Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • ফ্যামিলি কার্ড কী, কীভাবে পাবেন; আবেদন করতে যা যা লাগবে

    ফ্যামিলি কার্ড কী, কীভাবে পাবেন; আবেদন করতে যা যা লাগবে

    ফ্যামিলি কার্ড কি? ফ্যামিলি কার্ড হলো বর্তমান প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বাধীন সরকারের একটি যুগান্তকারী সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি। এর মাধ্যমে দেশের বেকার, দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হবে। ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২৬ তারিখে অনুষ্ঠিত আন্তঃমন্ত্রণালয় সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, এই কার্ডের সম্পূর্ণ আর্থিক ভাতার পরিমাণ প্রচলিত অন্যান্য ভাতার চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ হবে এবং এই টাকা সরাসরি পরিবারের গৃহকর্ত্রীর (নারী) হাতে তুলে দেওয়া হবে। আগামী ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর বাস্তবায়ন শুরু হচ্ছে।

    আপনি যদি এই নতুন ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা, আবেদন প্রক্রিয়া এবং আজকের সর্বশেষ আপডেট সম্পর্কে সঠিক তথ্য খুঁজছেন, তবে নিচের গাইডলাইনটি আপনার জন্য।

    ফ্যামিলি কার্ড: নতুন সরকারের এই উদ্যোগটি আসলে কী?

    ফ্যামিলি কার্ড বর্তমান সরকারের অন্যতম প্রধান একটি নির্বাচনী ওয়াদা ছিল, যা এখন বাস্তবায়নের পথে। সমাজকল্যাণমন্ত্রী জেডএম জাহিদ হোসেনের দেওয়া তথ্যমতে, সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয় ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় মিলে একটি উপকমিটি গঠন করা হয়েছে। এই কমিটি আগামী মঙ্গলবারের মধ্যে তাদের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেবে, যেখানে ভাতার সুনির্দিষ্ট পরিমাণ উল্লেখ থাকবে। সরকার আগামী ৩ থেকে ৬ মাসের মধ্যে দেশের ৫০ শতাংশের বেশি যোগ্য পরিবারকে এই কার্ডের আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে।

    ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা

    নতুন এই ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে দেশের প্রান্তিক পর্যায়ের মানুষ সরাসরি উপকৃত হবেন। এর প্রধান সুবিধাগুলো হলো:

    ভাতার পরিমাণ দ্বিগুণ: বর্তমানে প্রচলিত বয়স্ক ভাতা, বিধবা ভাতা বা অন্যান্য ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আর্থিক সহায়তার পরিমাণ অন্তত দ্বিগুণ হবে।

    নারীর ক্ষমতায়ন: কার্ডের অর্থ সরাসরি পরিবারের নারী বা গৃহকর্ত্রীর কাছে পৌঁছাবে। এতে নারীদের আর্থিক স্বাধীনতা ও সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি পাবে।

    দ্রুত বাস্তবায়ন: দীর্ঘসূত্রিতা এড়াতে আগামী ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প আকারে কয়েকটি নির্দিষ্ট এলাকায় এর কার্যক্রম শুরু হচ্ছে।

    পারিবারিক নিরাপত্তা: বেকার বা আর্থিকভাবে পিছিয়ে পড়া পরিবারগুলো এই নিয়মিত ভাতার মাধ্যমে তাদের দৈনন্দিন মৌলিক চাহিদা সহজেই পূরণ করতে পারবে।

    কিলিয়ান এমবাপে: বয়স, ধর্ম, বেতন এবং ক্যারিয়ার

    ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবো এবং ফ্যামিলি কার্ড করার নিয়ম

    অনেকেরই প্রধান প্রশ্ন হলো, নতুন এই ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবো বা এর ফ্যামিলি কার্ড করার নিয়ম কী হবে? যেহেতু এটি একেবারে নতুন একটি উদ্যোগ, তাই এর আবেদন প্রক্রিয়া ধাপে ধাপে সম্পন্ন হবে:

    উপকমিটির চূড়ান্ত রূপরেখা: আগামী মঙ্গলবার সরকারের উপকমিটি তাদের প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর আবেদন প্রক্রিয়ার চূড়ান্ত নীতিমালা প্রকাশ করা হবে।

    পাইলট প্রকল্প ও তালিকাভুক্তি: ঈদের আগে পাইলট প্রজেক্ট শুরু হলে, স্থানীয় প্রশাসন (যেমন: উপজেলা নির্বাহী অফিস) ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে প্রকৃত অভাবগ্রস্তদের তালিকা তৈরি করা হবে।
    এলাকাভিত্তিক সম্প্রসারণ : পাইলট প্রকল্প সফল হওয়ার পর, মাদারীপুরের শিবচরসহ দেশের প্রতিটি উপজেলা, ইউনিয়ন এবং ওয়ার্ড পর্যায়ে এর কার্যক্রম ধাপে ধাপে সম্প্রসারিত হবে। আপনার এলাকার মেম্বার বা কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে তখন সরাসরি ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে।

    ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন ও ফ্যামিলি কার্ড অনলাইন প্রক্রিয়া

    ডিজিটাল বাংলাদেশের ধারাবাহিকতায় এই কার্ডের আবেদন প্রক্রিয়াটিকে সহজ ও দুর্নীতিমুক্ত করতে সরকার ফ্যামিলি কার্ড অনলাইন পোর্টাল চালুর পরিকল্পনা করছে।

    অনলাইন ডেটাবেস: যোগ্য পরিবারগুলোর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID) ব্যবহার করে অনলাইনে ডেটাবেস তৈরি করা হবে, যাতে কেউ দ্বৈত সুবিধা নিতে না পারে।

    আবেদন প্রক্রিয়া: সরকার যখনই ডেডিকেটেড ওয়েবসাইট বা অ্যাপ উন্মুক্ত করবে, তখন ঘরে বসেই স্মার্টফোনের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন করা সম্ভব হবে। আপাতত স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ বা পৌরসভা কার্যালয়ে যোগাযোগ রাখাই সবচেয়ে উত্তম মাধ্যম।

    সাধারণ প্রশ্ন ও উত্তর

    ১. ফ্যামিলি কার্ড কি?

    ফ্যামিলি কার্ড হলো বর্তমান সরকারের একটি বিশেষ উদ্যোগ, যার মাধ্যমে দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর নারীদের (গৃহকর্ত্রী) সরাসরি মাসিক আর্থিক ভাতা প্রদান করা হবে।

    ২. ফ্যামিলি কার্ড তারেক রহমান সরকারের কবে থেকে চালু হবে?

    সচিবালয়ের সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, আগামী ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে এর কার্যক্রম শুরু করার কড়া নির্দেশনা দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।

    ৩. ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা কে পাবেন?

    পরিবারের প্রধান হিসেবে গৃহকর্ত্রী বা নারীরা এই সুবিধা পাবেন। মূলত দরিদ্র, বেকার এবং আর্থিক সহায়তার প্রয়োজন এমন পরিবারগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।

    ৪. ফ্যামিলি কার্ড অনলাইন আবেদন কি শুরু হয়েছে?

    এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে উন্মুক্ত পোর্টাল চালু হয়নি। আগামী মঙ্গলবারের পর সরকারের চূড়ান্ত রূপরেখা প্রকাশ পেলে অনলাইন বা অফলাইন আবেদনের সুনির্দিষ্ট নিয়ম জানা যাবে।

    ৫. ফ্যামিলি কার্ডের ভাতার পরিমাণ কত হবে?

    সুনির্দিষ্ট অংক এখনো ঘোষণা করা না হলেও, সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানিয়েছেন এই ভাতার পরিমাণ বর্তমানে প্রচলিত যেকোনো ভাতার চেয়ে অন্তত দ্বিগুণ হবে।

    শেষকথা
    ফ্যামিলি কার্ড দেশের সাধারণ ও খেটে খাওয়া মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নয়নে একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ হতে যাচ্ছে। বিশেষ করে পরিবারের নারীদের হাতে সরাসরি অর্থ পৌঁছালে তা পুরো পরিবারের পুষ্টি, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যখাতে ইতিবাচক প্রভাব ফেলবে। নতুন নিয়মাবলি ও অনলাইন আবেদনের লিংক প্রকাশ হওয়া মাত্রই আমরা এই আর্টিকেলটি আপডেট করে দেব। তাই সঠিক তথ্যের জন্য নিয়মিত খোঁজ রাখুন।

  • ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ পাওয়া যাবে নগদ টাকা, প্রথমে পাবেন যারা

    ‘ফ্যামিলি কার্ডে’ পাওয়া যাবে নগদ টাকা, প্রথমে পাবেন যারা

    দেশে পাঁচ কোটি পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে নবনির্বাচিত বিএনপি সরকার। বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে এক আন্ত মন্ত্রণালয় সভায় এ সিদ্ধান্ত হয়। বৈঠকের পর এ তথ্য জানান তথ্যমন্ত্রী জহির উদ্দীন স্বপন।

    বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগে ‘মানবিক, অন্তর্ভুক্তিমূলক ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র’ বিনির্মাণের প্রতিশ্রুতিতে ৯টি বিষয়ে অগ্রাধিকার দিয়ে ইশতেহার দেন।

    সেখানে অন্যতম ছিল ‘ফ্যামিলি কার্ড’।

    সে সময় বিএনপির তরফ থেকে জানানো হয়, প্রান্তিক ও নিম্নআয়ের পরিবারকে সুরক্ষা দিতে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করা হবে। এর মাধ্যমে প্রতি মাসে ২৫০০ টাকা অথবা সমমূল্যের নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ নিশ্চিত করা হবে। অর্থ ও পণ্য-সেবার পরিমাণ পর্যায়ক্রমে বাড়ানো হবে বলেও জানানো হয়।

    সভায় কৃষিমিন্ত্রী আমিন উর রশিদ বলেন, ‘এখন পর্যন্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে ফ্যামিলি কার্ড হিসেবে নগদ টাকা দেওয়া হবে। এটি পাওয়ার ক্ষেত্রে হতদরিদ্র এবং নারীদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে।’

    ধাপে ধাপে ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে জানিয়ে পরিবেশমন্ত্রী আবদুল আউয়াল মিন্টু জানান, ঈদের আগেই পাইলট প্রকল্প হিসেবে ফ্যামিলি কার্ড চালু হবে। হতদরিদ্র পরিবার সবার আগে ফ্যামিলি কার্ড পাবে।

    এরপর দরিদ্র পরিবার পাবে।

    তিনি আরো জানান, নির্বাচনী ইশতেহারে ফ্যামিলি কার্ডের ইস্যু নিয়ে বিস্তারিত উল্লেখ আছে। এটা কার্যকর কিভাবে করবে, সেটা নিয়ে আজ আলোচনা হয়েছে। ফ্যামিলি কার্ড দেওয়া হবে, এটা নিয়ে আলোচনা হয়েছে।

    এদিকে, বিএনপি সরকারের ১৮০ দিনের কর্মসূচির মধ্যেও প্রত্যেক পরিবারকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ দেওয়ার বিষয়টি রয়েছে।

    সবচেয়ে আগে এতে হতদরিদ্ররা অন্তর্ভুক্ত হবেন।

    জানা গেছে, ইতিমধ্যে ১৫ সদস্যের ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা কমিটি’ গঠিত হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের প্রজ্ঞাপনে এই কমিটি গঠনের কথা জানানো হয়। কমিটি ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়নের একটি উপযুক্ত ডিজাইন ও সুবিধাভোগী নির্বাচন পদ্ধতি প্রণয়ন করবে।

    এ কমিটির কাজের মধ্যে আরো আছে প্রাথমিক পর্যায়ে দেশের আটটি বিভাগের প্রতিটিতে একটি উপজেলায় ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালুর ব্যবস্থা, নারীদের জন্য বিদ্যমান অন্য কোনো কর্মসূচিকে ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা যায় কি না পর্যালোচনা, সুবিধাভোগীদের তথ্যভাণ্ডার প্রণয়নের লক্ষ্যে জাতীয় পরিচয়পত্র ও জাতীয় খানার তথ্যভাণ্ডার আন্ত যোগাযোগ স্থাপনের ডিজিটাল এমআইএস প্রণয়নের সুপারিশ এবং আসন্ন ঈদুল ফিতরের আগে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ বিতরণ করার লক্ষ্যে আগামী মঙ্গলবারের (২৪ ফেব্রুয়ারি) মধ্যে প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রণয়ন করা।

    সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী আবু জাফর মো. জাহিদ হোসেন জানান, রাজনৈতিক বিবেচনায় এই ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদান করা হবে না। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণের ক্ষেত্রে কোনো মধ্যস্বত্বভোগীও থাকবে না। এই কার্ড সরাসরি পরিবারের নারী সদস্যদের কাছে পৌঁছে যাবে। এটি দেওয়া হলেও চলমান ভাতাগুলো অব্যাহত থাকবে।

    ‘ফ্যামিলি কার্ড প্রদানসংক্রান্ত মন্ত্রিসভা’ কমিটিতে অর্থমন্ত্রীকে সভাপতি করা হয়েছে। এর অন্য সদস্যরা হলেন মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণমন্ত্রী, প্রধানমন্ত্রীর উপদেষ্টা রাশেদ আল মাহমুদ তিতুমীর, স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী, মহিলা ও শিশু এবং সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী, উপদেষ্টা মাহদী আমিন ও রেহান আসিফ আসাদ, মন্ত্রিপরিষদ সচিব, মহিলা ও শিশুবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব, নির্বাচন কমিশন সচিবালয়ের সচিব, অর্থ বিভাগের সচিব, তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি বিভাগের সচিব, স্থানীয় সরকার সচিব, পরিকল্পনা সচিব ও সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সচিব।

  • সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের

    সর্বোচ্চ এবং সর্বনিম্ন যত টাকা বেতন বাড়লো সরকারি চাকরিজীবীদের

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এবারই প্রথম গ্রেড অনুযায়ী মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণ করা হয়েছে। পিছনের গ্রেডের কর্মচারীরা তুলনামূলক বেশি হারে এ ভাতা পাবেন, আর সামনের গ্রেডের কর্মকর্তারা পাবেন কম হারে।

    অর্থ মন্ত্রণালয়ের প্রস্তাব অনুযায়ী:
    – ১ থেকে ৩য় গ্রেড: মূল বেতনের ১০%।
    – ৪ থেকে ১০ম গ্রেড: মূল বেতনের ২০%।
    – ১১ থেকে ২০ম গ্রেড: মূল বেতনের ২৫%।

    – সর্বনিম্ন বেতন বৃদ্ধি ৪,০০০ টাকা।
    – সর্বোচ্চ বেতন বৃদ্ধি ৭,৮০০ টাকা।
    কোনো চাকরিজীবী ৪,০০০ টাকার কম মহার্ঘ ভাতা পাবেন না।

    মহার্ঘ ভাতা কার্যকর হওয়ার পর, আগের সরকারের দেওয়া ৫% বিশেষ প্রণোদনা সুবিধা আর বহাল থাকবে না।

    পেনশনভোগী কর্মকর্তা-কর্মচারীরাও এই মহার্ঘ ভাতা পাবেন। ইনক্রিমেন্টের সময় এটি মূল বেতনের সঙ্গে যোগ হবে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্ধিত ভাতার অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন বাজেট কমানো হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই এ ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান নিশ্চিত করেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট হারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে গঠিত কমিটি জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতায় মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে।

    অর্থ মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, বর্ধিত ভাতার অর্থায়নের জন্য উন্নয়ন বাজেট কমানো হবে। ফেব্রুয়ারি মাসের বেতনের সঙ্গেই এ ভাতা কার্যকর করার পরিকল্পনা রয়েছে।

    জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মোখলেস উর রহমান নিশ্চিত করেছেন, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই মহার্ঘ ভাতা ঘোষণা করা হবে। তবে নির্দিষ্ট হারে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    ২০১৫ সালের পে-স্কেলের পর থেকে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বাড়েনি। কিন্তু এ সময় নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের মূল্যস্ফীতির চাপ বেড়েছে। এই পরিস্থিতি মোকাবিলায় চাকরিজীবীরা দীর্ঘদিন ধরে মহার্ঘ ভাতার দাবি জানিয়ে আসছিলেন।

    মহার্ঘ ভাতা নির্ধারণে গঠিত কমিটি জাতীয় বেতন স্কেল, ২০১৫-এর আওতায় মহার্ঘ ভাতার প্রযোজ্যতা ও প্রাপ্যতার বিষয় পর্যালোচনা করে সুপারিশ করেছে।

  • পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যে বার্তা দিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু

    পে-স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যে বার্তা দিলেন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু

    নবম জাতীয় বেতন কমিশনের প্রতিবেদনের আলোকে দ্রুত ৯ম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও বাস্তবায়নের দাবি জানিয়ে আসছেন সরকারি কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা। তবে সাবেক অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উপদেষ্টারা জানিয়েছিলেন পে-স্কেল বাস্তবায়ন করবে নতুন সরকার।

    এ অবস্থায় নতুন অর্থমন্ত্রী আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলছেন, পে-স্কেলের সুপারিশ আমাদের দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলতে পারব না।

    বুধবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে একটি গণমাধ্যমের সঙ্গে আলাপকালে এ কথা বলে অর্থমন্ত্রী।

    নবম পে-স্কেল বাস্তবায়ন প্রসঙ্গে আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী বলেন, এটা আমাদের দেখতে হবে, আমি তো না দেখে বলতে পারব না। টোটাল এমাউন্ট কত, এটা কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব সেগুলো দেখতে হবে। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় যেখানে বাংলাদেশের ট্যাক্স রেভিনিউ, ট্যাক্স জিডিপি রেশিও সবচেয়ে খারাপ, এমনকি সাউথ এশিয়াতে সবচেয়ে খারাপ। এসব দেখে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে, কতটুকু কখন কীভাবে বাস্তবায়ন করা যায় সেটা আমরা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে দেখব।

    এর আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি জাতির উদ্দেশে দেয়া ভাষণে বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান বলেছিলেন, আমাদের দলীয় ইশতেহারে বলেছি জনগণের রায়ে বিএনপি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পেলে সরকারি কর্মকর্তা এবং কর্মচারীদের জন্য যথাসময়ে জাতীয় পে-স্কেল ঘোষণা এবং বাস্তবায়ন করা হবে।

    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য নতুন বেতন কাঠামো প্রণয়নের উদ্দেশ্যে গঠিত জাতীয় বেতন কমিশন (পে-কমিশন) গত ২১ জানুয়ারি প্রতিবেদন জমা দেয়।

    প্রতিবেদনে চলতি বছরের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিক বেতনকাঠামো বাস্তবায়নের সুপারিশ করা হয়। এটি ২০২৬–২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে পুরোপুরি কার্যকর করার কথা জানানো হয়। বেতন কমিশন সর্বনিম্ন বেতন স্কেল ৮ হাজার ২৫০ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ হাজার টাকা এবং সর্বোচ্চ বেতন স্কেল ৭৮ হাজার টাকা থেকে বাড়িয়ে ১ লাখ ৬০ হাজার টাকা করার সুপারিশ করেছে।