Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • অনলাইনে আবেদন করেই পূবালী ব্যাংকের আবাসন ঋণ পাবেন, কী কী লাগবে

    অনলাইনে আবেদন করেই পূবালী ব্যাংকের আবাসন ঋণ পাবেন, কী কী লাগবে

    নিজের একটা বাড়ি বা ফ্ল্যাট সবার কাছে স্বপ্নের মতোই। আর সেই বাড়ি–ফ্ল্যাট কিনতে ঋণের আবেদন যদি অনলাইনে সম্পূর্ণ করা যায়, তাহলে কতই না ভালো হয়। দেশের বেসরকারি খাতের পূবালী ব্যাংক এখন আবাসন ঋণের আবেদন অনলাইনে গ্রহণ করছে। অনলাইনে জমা দেওয়া যাচ্ছে ঋণ আবেদনের নথিপত্র। এরপর ব্যাংক যাচাই করে দেখবে। আপনি ঋণ পাওয়ার যোগ্য হলে ঋণ ছাড় দেওয়া হবে। ফলে একদিকে ভোগান্তি কমেছে গ্রাহকদের, পাশাপাশি ঋণের ক্ষেত্রে আমলাতান্ত্রিক জটিলতার অবসান হয়েছে।

    বেসরকারি খাতের ব্যাংকগুলোর মধ্যে সবচেয়ে বেশি শাখা, উপশাখা ও এটিএম রয়েছে পূবালী ব্যাংকের। এ জন্য ব্যাংকটি সর্ববৃহৎ নেটওয়ার্কের ব্যাংক হিসেবে নিজেদের পরিচয় দিয়ে থাকে। পূবালী ব্যাংক টিনশেড থেকে বহুতল ভবন নির্মাণ, বিদ্যমান ফ্ল্যাট বা বাড়ি সম্প্রসারণ ও সংস্কারের জন্য ঋণ দিয়ে থাকে। কমপক্ষে দুই লাখ টাকা থেকে সর্বোচ্চ দুই কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ দিয়ে থাকে। এসব ঋণে সুদের হার সাড়ে ১৩ থেকে ১৪ শতাংশের মধ্যে।

  • পার্সোনাল হেলিকপ্টার ভাড়া নিতে চান, হেলিকপ্টারের দাম ও তেল খরচ

    পার্সোনাল হেলিকপ্টার ভাড়া নিতে চান, হেলিকপ্টারের দাম ও তেল খরচ

    হেলিকপ্টার কি ধ’রনের পে’ট্রলিয়াম দিয়ে চলে? হেলিকপ্টার ১ লিটার পে’ট্রলিয়ামে কত কি.মি. চলে? Aviation fuel নামক পে’ট্রলিয়াম, এছাড়াও Avgas ও Jet fuel.

    ঘন্টায় কপ্টারের ধ’রনভেদে মোটামুটি ৮০০+ লিটার পর্যন্ত জ্বা’লানী খরচ হয়।একেক কপ্টার ১ কিমি যেতে একেক পরিমাণ জ্বা’লানী খরচ করে, গড়ে ৫ লি/কিমি থেকে শুরু ….প্রত্যেকটি তথ্যই আপেক্ষিক, বিভিন্ন কপ্টারের সাপেক্ষে এগুলোর আকাশ পাতাল পার্থক্য থাকতে পারে। সাধারণত 120000$ বা 9523614 (প্রায় ১ কোটি) বাংলাদেশি টাকা থেকে শুরু…..

    হেলিকপ্টার বাতাসের চেয়ে ভা’রী অথচ উড্ডয়নক্ষম এমন একটি আকাশযান যার উর্দ্ধগতি সৃষ্টি হয় এক বা একাধিক আনুভূমিক পাখার ঘুর্ণনের সাহায্যে, উড়োজাহাজে’র মত ডানার সম্মুখগতির সাহায্যে জন্য নয় । এই পাখাগুলো দুই বা ততোধিক ব্লেডের সমন্বয়ে গঠিত যারা একটি মাস্তুল বা শক্ত দ’ন্ডকে কে’ন্দ্র করে ঘোরে। ঘুর্ণনক্ষম পাখার জন্য হেলিকপ্টারকে ঘূ’র্ণিপাখা আকাশযান বলা যায়।

    ‘হেলিকপ্টার’ শব্দটি এসেছে ফরাসি hélicoptère এলিকপ্ত্যার্‌ শব্দটি থেকে যা গুস্তাভ দ্য পন্তন দ্যআ’মেকোর্ত ১৮৬১ সালে ব্যবহার করেন। এই ফরাসি শব্দটির উৎস আবার গ্রীক ἕλικ- হেলিক্‌ অর্থাৎ “স্পাই’রাল” বা “ঘুর্ণন” এবং πτερόν প্তেরোন্‌ অর্থাৎ “পাখা” শব্দ দুটি।

    হেলিকপ্টারের স’বচেয়ে বড় সুবিধা হলো হেলিকপ্টার একেবারে খাড়া ভাবে উড়তে এবং নামতে পারে, এ জন্য এর কোন রানওয়ে প্রয়োজন হয় না; হেলিকপ্টারের পাখাই একে ওড়ার জন্য প্রয়োজনীয় উর্দ্ধচা’প সরবরাহ করে।

    এই কারণে সঙ্কী’র্ণ বা বি’চ্ছিন্ন স্থানে যেখানে বিমান ওঠা নামা ক’রতে পারে না, সেখানে হেলিকপ্টার ব্যবহার করা হয়। পাখার দ্বারা সৃষ্ট উর্দ্ধচা’প হেলিকপ্টারকে একই স্থানে ভেসে থাকতেও সাহায্য করে, ফলে হেলিকপ্টারকে দিয়ে এমন সব কাজ করানো যায় যা বিমানকে দিয়ে করানো যায়না, যেমন ক্রেন বা ঝুলন্ত ভা’রবাহক হিসেবে ব্যবহার।

    হেলিকপ্টারের জ’ন্ম অনেক আগে, মানুষের ওড়াউড়ির প্রথম অর্ধশতাব্দীর মধ্যে, হলেও ১৯৪২ সালে ইগর সিকোরস্কির তৈরি করা নকশার হেলিকপ্টারই প্রথম বাণিজ্যিকভাবে উৎপাদিত হয়[৩] এবং প্রথম ১৩১টি হেলিকপ্টার তৈরি করা হয়।

    আবার প্রথম’দিকের বেশীরভাগ হেলিকপ্টারের প্রধান পাখা দুটো করে থাকলেও একটি মূল পাখা এবং একটি অ্যান্টিটর্ক পেছনের পাখা সমৃদ্ধ নকশাগুলোই বিশ্বজুড়ে “হেলিকপ্টার” নামে স্বীকৃতি পেয়েছে।

  • চেক লেখার সময় এই কাজটি করলে সর্বস্বান্ত হতে পারেন

    চেক লেখার সময় এই কাজটি করলে সর্বস্বান্ত হতে পারেন

    টাকার লেনদেনের জন্য যে জিনিসটি সব থেকে বেশি বিশ্বাসযোগ্য এবং নিরাপদ বলে মনে করা হয়, সেটি হল চেক। যতই নিরাপদ হোক, চেক সই করে কাউকে দেওয়ার সময়ে কিছু সাবধানতা অবলম্বন করা উচিত। না হলে সেই চেক বাতিল পর্যন্ত হয়ে যেতে পারে।

    যাকে টাকা দেবেন তার নাম চেক-এ লিখতে হয়। কিন্তু সেই নাম লেখার সময়েও খুব সাবধানতা বজায় রাখা উচিত। ধরুন অমিত রায় নামক কারোর নাম লিখলেন। নাম ও পদবীর মধ্যে বুঝে ফাঁকা জায়গা রাখুন। না হলে অমিতকে অমিতা বানিয়ে ফেলতে খুব একটা সমস্যা হবে না। এই ধরনের জালিয়াতি থেকে বাঁচতে, যাকে টাকা দিচ্ছেন তার নামের পাশে তার অ্যাকাউন্ট নম্বরটিও যুক্ত করে দিন।

    যাকে টাকা দেবেন তার নাম লেখা হলে, তার নামের পাশে একটি লাইন টেনে দিন।

    • ‘বেয়ারার চেক’ কাউকে দিলে অবশ্যই ‘বেয়ারার’ অপশনে টিক দিয়ে দিন। ধরুন আপনি কারোকে ‘বেয়ারার চেক’ দিচ্ছেন, যদি সেই চেক-এ যদি ‘বেয়ারার’ অপশনে টিক না দেন তা হলে ওই চেক থেকে যে কেউ টাকা তুলে নিতে পারবেন।

    • চেকের উপরে লিখে দিন এসি-পেয়ি। তা হলে যাকে চেক দিচ্ছেন, শুধু তার অ্যাকাউন্ট থেকেই ওই চেক ভাঙানো যাবে।

    • চেক-এর অ্যামাউন্ট বসানোর পরে অবশ্যই ‘/-‘ এই চিহ্ন দেবেন। তাতে কোনও ভাবেই অতিরিক্ত কোনও সংখ্যা বসিয়ে কেউ জালিয়াতি করতে পারবেন না। প্রতিটি সংখ্যার মধ্যে যেন কোনও ফাঁকা জায়গা না থাকে।

    • ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট খোলার সময়ে যে স্বাক্ষর করছেন, সেই স্বাক্ষরটিই চেক দেওয়ার সময়ে করবেন। আপনি যদি কোনও কোম্পানির হয়ে টাকা দেন, তাহলে কোম্পানির সিলের ছাপ দিয়ে দিন।

    • চেক-এ যদি ভুল কিছু লিখে থাকেন, তাহলে সেই ভুল লেখার উপরে বা নিচে স্বাক্ষর করে দিন।

  • মোবাইল দিয়ে ৫০ হাজার টাকা পাবার সঠিক নিয়ম

    মোবাইল দিয়ে ৫০ হাজার টাকা পাবার সঠিক নিয়ম

    মোবাইলে সহজে ঋণ দিতে ১০০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’ নামে এ তহবিল থেকে সর্বোচ্চ ৯ শতাংশ সুদে ৫০ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ সুবিধা পাবেন গ্রাহকরা।

    বৃহস্পতিবার (২ জুন) বাংলাদেশ ব্যাংকের ব্যাংকিং প্রবিধি ও নীতি বিভাগ এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে। এতে বলা হয়েছে, সরকারের ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ গঠনের লক্ষ্যে ক্ষুদ্র ঋণের সহজলভ্যতা, ব্যাংকসমূহকে উৎসাহ প্রদান ও

    ব্যাংকের তহবিল ব্যয় হ্রাস করে স্বল্প সুদ বা মুনাফায় ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ দিতে ১০০ কোটি টাকার একটি পুনঃঅর্থায়ন স্কিম গঠন করা হয়েছে। স্কিমের নাম ‘ডিজিটাল ক্ষুদ্র ঋণ’। এ তহবিল থেকে ডিজিটাল মাধ্যম (ইন্টারনেট ব্যাংকিং, মোবাইল অ্যাপস,

    মোবাইল ফাইন্যান্সিয়াল সার্ভিসেস, ই-ওয়ালেট ইত্যাদি) ব্যবহার করে তফসিলি ব্যাংক থেকে ক্ষুদ্র ঋণ দেওয়া হবে। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব অর্থায়নে গঠন করা এ স্কিমের পরিমাণ ১০০ কোটি টাকা। মেয়াদ হবে ৩ বছর। প্রথম পর্যায়ে ৫০ কোটি টাকা দেওয়া হবে।

    ঋণের সুষ্ঠু ব্যবহার নিশ্চিত হওয়া সাপেক্ষে দ্বিতীয় পর্যায়ে আরও ৫০ কোটি টাকার পুনঃঅর্থায়ন সুবিধা দেওয়া হবে। ভবিষ্যতে চাহিদা বিবেচনায় এ পুনঃঅর্থায়নের পরিমাণ বাড়ানো হবে। তফসিলি ব্যাংকগুলো এ তহবিল থেকে অর্থ নিতে পারবে।

    বাংলাদেশ ব্যাংকের জারি করা শিডিউল অব চার্জেস সংক্রান্ত বিদ্যমান নীতিমালায় বর্ণিত চার্জ বা ফি ছাড়া গ্রাহকের কাছ থেকে অন্য কোনো ধরনের চার্জ বা ফি আদায় করতে পারবে না ব্যাংক। ব্যাংক এবং গ্রাহক উভয় পর্যায়ে ঋণের মেয়াদ হবে সর্বোচ্চ ৬ মাস। গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করা ঋণ আদায়ের সকল দায়-দায়িত্ব ঋণ বিতরণকারী ব্যাংক বহন করবে।