Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

    এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ

    চলতি মাসের (অক্টোবর) জন্য তরলীকৃত পেট্রোলিয়াম গ্যাসের (এলপিজি) নতুন দাম নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)।

    মঙ্গলবার (৭ অক্টোবর) বিকেলে বিইআরসি জানায়, ভোক্তা পর্যায়ে এলপি গ্যাসের দাম কমানো হয়েছে। অক্টোবর মাসের জন্য ১২ কেজি এলপিজি সিলিন্ডারের দাম ২৯ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৪১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন এই দাম আজ সন্ধ্যা ৬টা থেকেই কার্যকর।

    এ ছাড়া অটোগ্যাসের দামও কমিয়েছে বিইআরসি। অক্টোবর মাসে ভোক্তা পর্যায়ে ১ টাকা ৩৮ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ প্রতি লিটারের দাম ৫৬ টাকা ৭৭ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    এর আগে, গত ২ সেপ্টেম্বর এলপি গ্যাসের দাম সবশেষ সমন্বয় করা হয়। সে সময় সেপ্টেম্বর মাসের জন্য ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩ টাকা কমিয়ে ১ হাজার ২৭০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    একইসঙ্গে ভোক্তা পর্যায়ে অটোগ্যাসের দাম ১৩ পয়সা কমিয়ে মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৫৮ টাকা ১৫ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

    উল্লেখ্য, ২০২৪ সালে ৪ দফা কমেছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম, আর বেড়েছে ৭ দফা। এ দফা ছিল অপরিবর্তিত। গত বছরের জানুয়ারি, ফেব্রুয়ারি, মার্চ, জুলাই, আগস্ট, সেপ্টেম্বর ও অক্টোবর বাড়ানো হয়েছিল এলপিজি ও অটোগ্যাসের দাম। আর দাম কমেছিল এপ্রিল, মে, জুন ও নভেম্বরে। তবে দাম অপরিবর্তিত ছিল ডিসেম্বরে।

     

  • ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপি গ্যাসের দাম কমলো

    ১২ কেজি সিলিন্ডারের এলপি গ্যাসের দাম কমলো

    ভোক্তাপর্যায়ে ১২ কেজি এলপি গ্যাসের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে। প্রতি ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৯১ টাকা কমিয়ে এক হাজার ২৭৩ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। পাশাপাশি অটোগ্যাসের দাম প্রতি লিটার চার টাকা ১৮ পয়সা কমিয়ে ৫৮ টাকা ২৮ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    রোববার (৩ আগস্ট) নতুন এ মূল্যের ঘোষণা দেয় বাংলাদেশ এনার্জি রেগুলেটরি কমিশন (বিইআরসি)। যা একই দিন সন্ধ্যা থেকে কার্যকর হবে।

    এর আগে গত দুই জুলাই ১২ কেজি সিলিন্ডারের দাম ৩৯ টাকা কমিয়ে এক হাজার ৩৬৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এছাড়া এক টাকা ৮৪ পয়সা কমিয়ে অটোগ্যাসের মূসকসহ দাম প্রতি লিটার ৬২ টাকা ৪৬ পয়সা নির্ধারণ করা হয়েছিল।

  • অবশেষে কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

    অবশেষে কমলো স্বর্ণের দাম, ভরি কত?

    দেশের বাজারে টানা ৩ দফায় বাড়ানোর পর অবশেষে স্বর্ণের দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। ভরিতে ১ হাজার ৮৯০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা।

    শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) রাতে বাজুসের এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের দাম কমানোর বিষয়টি নিশ্চিত করা হয়েছে। রোববার (২৮ সেপ্টেম্বর) থেকেই দেশে নতুন দরে স্বর্ণ ক্রয়-বিক্রয় চলবে।

    এর আগে সবশেষ গত মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) টানা তৃতীয় দফায় দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম বাড়িয়েছিল বাজুস। ওই সময় এক লাফে ৩ হাজার ৬৬৩ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছিল ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮৫৯ টাকা। যা দেশের ইতিহাসে মূল্যবান এই ধাতুর সর্বোচ্চ দাম।

    নতুন দাম অনুযায়ী, বর্তমানে ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) স্বর্ণের দাম পড়বে ১ লাখ ৯২ হাজার ৯৬৯ টাকা। পাশাপাশি ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৮৪ হাজার ১৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৫৭ হাজার ৮৮৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির এক ভরি স্বর্ণের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ১ লাখ ৩১ হাজার ৪৫ টাকা।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত মোট ৫৮ বার দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছে বাজুস। যেখানে ৪০ বারই দাম বাড়ানো হয়েছে। আর দাম কমেছে মাত্র ১৮ বার। অন্যদিকে গত বছর দেশের বাজারে মোট ৬২ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল। এরমধ্যে ৩৫ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল। এছাড়া গতবছর ২৭ বার কমানো হয়েছিল স্বর্ণের দাম।

  • দেউলিয়ার পথে ১২ ব্যাংক, ১৫টি ঝুঁকিতে: কী হবে গ্রাহকদের টাকার?

    দেউলিয়ার পথে ১২ ব্যাংক, ১৫টি ঝুঁকিতে: কী হবে গ্রাহকদের টাকার?

    আওয়ামী লীগ সরকারের সময় ব্যাংক ও আর্থিক খাতে ব্যাপক লুটপাট হয়েছে, যার খেসারত দিতে হচ্ছে সাধারণ গ্রাহকদের এমন অভিযোগ উঠেছে। বহু ব্যাংকে জমা রাখা গচ্ছিত অর্থ তুলতে পারছেন না সাধারণ আমানতকারীরা। বর্তমানে পাঁচটি বেসরকারি ব্যাংক কার্যত নামেমাত্র টিকে আছে, ১২টি ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে এবং আরও ১৫টি ব্যাংক অতিমাত্রায় দুর্বল হয়ে পড়েছে।

    বক্তারা জানান, দখল ও লুটপাটের কারণে ব্যাংক খাতে খেলাপির মাত্রা আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে। বর্তমানে খেলাপি ঋণের পরিমাণ ৫ লাখ ৭০ হাজার কোটি টাকা ছাড়িয়ে গেছে। আগামীতে মোট ঋণের মধ্যে খেলাপির হার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশে পৌঁছাতে পারে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়, যা তারল্য সংকট আরও বাড়াবে।

    রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ব্যাংক খাত নিয়ে অনুষ্ঠিত এক সেমিনারে এসব তথ্য উঠে আসে। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, এশিয়া প্যাসিফিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং জার্মানির ওটিএইচ এমবার্গ ওয়েডিন যৌথভাবে সেমিনারের আয়োজন করে। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর ড. আহসান এইচ মনসুর।

    সেমিনারে বক্তারা জানান, বর্তমানে কার্যত ১২টি ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে, যারা আমানতকারীদের টাকা ফেরত দিতে পারছে না। এছাড়া ১৫টি ব্যাংক অতিমাত্রায় দুর্বল, যার মধ্যে আটটিতে সরাসরি লুটপাট হয়েছে।

    বক্তারা অভিযোগ করেন, এস আলম একাই পুরো ব্যাংক খাত ধ্বংস করে দিয়েছেন এবং তার সহযোগীরাও এই ধ্বংসযজ্ঞে ভূমিকা রেখেছেন। এ কারণে খাতটি ঘুরে দাঁড়াতে অনেক সময় লাগবে।

    তারা বলেন, তত্ত্বাবধায়ক সরকারের হাত থেকে আওয়ামী লীগ সরকার একটি শক্তিশালী ব্যাংক খাত পেয়েছিল। কিন্তু ক্ষমতায় এসে তারা সংস্কারগুলো আগের অবস্থায় ফিরিয়ে নিয়ে যায়। এর ফলে ব্যাংক খাতে বড় ধরনের লুটপাট ঘটে এবং খাতটি কার্যত ধ্বংস হয়।

    সেমিনারে আরও জানানো হয়, লুটপাটের অর্থের বেশিরভাগই ইতোমধ্যে পাচার হয়ে গেছে, যা ফেরত আনার সম্ভাবনা নেই। এ কারণেই ব্যাংক খাতে তারল্য সংকট বেড়েছে এবং এই সংকট আরও দীর্ঘস্থায়ী হবে বলে আশঙ্কা প্রকাশ করা হয়। তবে কোন কোন ব্যাংক দেউলিয়ার পর্যায়ে পৌঁছেছে, তা প্রকাশ করা হয়নি।