Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • সর্বপ্রথম কোন উপজেলা পাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড, জানালেন মন্ত্রী

    সর্বপ্রথম কোন উপজেলা পাবে ‘ফ্যামিলি কার্ড, জানালেন মন্ত্রী

    দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারের জন্য ‘ফ্যামিলি কার্ড’ চালু করতে যাচ্ছে সরকার। সমাজকল্যাণ মন্ত্রী ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন জানিয়েছেন, যোগ্য পরিবারগুলোকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ প্রদানের ক্ষেত্রে তিন পর্যায়ের কঠোর পর্যবেক্ষণ পদ্ধতি অনুসরণ করা হবে। প্রথম ধাপে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কার্যক্রম শুরু হবে।

    এদিকে প্রথম ধাপে কোথায় শুরু হবে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ জানালেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান। তিনি জানান, বান্দরবনের লামা এলাকা থেকে শুরু করার প্রাথমিক সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রোববার (২২ ফেব্রুয়ারি) দুপুরে সচিবালয়ে এ তথ্য জানিয়েছেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী।

    এই কার্ড পেতে আবেদন করতে যা যা লাগবে

    যদিও পূর্ণাঙ্গ আবেদন প্রক্রিয়া এখনো শুরু হয়নি, তবু আগাম প্রস্তুতি হিসেবে সম্ভাব্য আবেদনকারীদের নিচের কাগজপত্র সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে—

    ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)

    ২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি

    ৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর

    কোথায় আবেদন করবেন?

    পাইলট কার্যক্রম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা ওয়ার্ড কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও চলছে।

    প্রতি পরিবারে একটি করে ফ্যামিলি কার্ড ইস্যু করা হবে। এ কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা কিংবা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সরবরাহ করা হবে।

  • ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন কিভাবে? দরকার মাত্র ৩টি ডকুমেন্ট

    ফ্যামিলি কার্ড পেতে আবেদন করবেন কিভাবে? দরকার মাত্র ৩টি ডকুমেন্ট

    বিএনপি সরকারের ঘোষিত ফ্যামিলি কার্ডের পাইলট প্রকল্প শুরু হতে যাচ্ছে দ্রুতই। দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর জন্য সামাজিক সুরক্ষা নিশ্চিত করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে আসছে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি। সবার প্রশ্ন কীভাবে হবে ফ্যামিলি কার্ডের আবেদন?আর আবেদন করতে লাগবেই বা কী কী?

    আরও দেখুন
    Education News Platform
    খেলাধুলার সরঞ্জাম
    প্রযুক্তি গ্যাজেট

    ফ্যামিলি কার্ডের সুবিধা ও লক্ষ্য
    এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার এই অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নে ভূমিকা রাখবে।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় এই কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ বেশি হবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংগ্রহ
    একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরির মাধ্যমে জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এর ফলে সহায়তা বিতরণে অনিয়ম ও মধ্যস্থতা কমবে। প্রাথমিকভাবে দেশের নির্দিষ্ট কিছু এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে এই কার্যক্রম শুরু হবে।

    আরও দেখুন
    Sports News Highlights
    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ বই
    লাইফস্টাইল পণ্য

    পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা তৈরি করে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।
    আবেদন করতে যা যা লাগবে

    যদিও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পূর্ণাঙ্গভাবে শুরু হয়নি, তবে প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে নিচের কাগজগুলো সংগ্রহে রাখতে বলা হয়েছে মাত্র তিনটি ডকুমেন্টস। তা হলো- আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।  পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি ও একটি সচল মোবাইল নম্বর।

    আবেদন কোথায় করবেন
    পাইলট প্রকল্প শেষে ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলর কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফর্ম সংগ্রহ করা যাবে। এ ছাড়া ঘরে বসে দ্রুত আবেদনের জন্য একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতিও নিচ্ছে সরকার। প্রতি পরিবারে কেবল একটি কার্ড ইস্যু করা হবে, যার মাধ্যমে মাসিক নগদ টাকা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য পাওয়া যাবে।

    ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার নির্বাচন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। রবিবার (২২ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি এ কথা জানান।

    স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর পরামর্শক্রমে রাষ্ট্রপতি আগামী ১২ মার্চ ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশন ডাকবেন। সেই অধিবেশনে স্পিকার ও ডেপুটি স্পিকার চূড়ান্ত হবে।

    সেইসঙ্গে অন্তর্বর্তী সরকারের শাসনামলের অধ্যাদেশগুলো উপস্থাপন করা হবে বলেও উল্লেখ করেন সালাহউদ্দিন আহমদ।

    এ ছাড়া পুলিশের উচ্চপর্যায়ে রদবদল শুরু হয়েছে বলেও জানান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী।

    এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, আদাবরের ঘটনায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

  • ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবেন, আবেদনে যা প্রয়োজন

    ফ্যামিলি কার্ড কিভাবে পাবেন, আবেদনে যা প্রয়োজন

    দেশের দরিদ্র ও নিম্ন-মধ্যবিত্ত পরিবারগুলোর সামাজিক সুরক্ষা জোরদার করতে নতুন উদ্যোগ হিসেবে চালু হতে যাচ্ছে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচি। অর্থনৈতিক চাপ ও মূল্যস্ফীতির প্রভাব মোকাবিলায় সাধারণ মানুষের আর্থিক সক্ষমতা বাড়াতে এই বিশেষ কর্মসূচির পরিকল্পনা করেছে সরকার।

    ফ্যামিলি কার্ডের লক্ষ্য ও সুবিধা

    এই কার্ডের মাধ্যমে নির্বাচিত পরিবারগুলোকে সরাসরি নগদ অর্থ সহায়তা দেওয়া হবে। সরকারের পরিকল্পনা অনুযায়ী, সহায়তার অর্থ পরিবারের নারী সদস্য বা গৃহকর্ত্রীর হাতে পৌঁছে দেওয়া হবে, যা নারীর ক্ষমতায়নেও ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।

    সমাজকল্যাণ মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, বিদ্যমান অন্যান্য সামাজিক ভাতার তুলনায় ফ্যামিলি কার্ডের আওতায় সহায়তার পরিমাণ তুলনামূলকভাবে বেশি হবে।

    আবেদন প্রক্রিয়া ও তথ্য সংরক্ষণ

    জাতীয় পরিচয়পত্রের ভিত্তিতে একটি কেন্দ্রীয় ডেটাবেস তৈরি করে প্রতিটি পরিবারের তথ্য সংরক্ষণ করা হবে। এতে সহায়তা বিতরণে স্বচ্ছতা বাড়বে এবং অনিয়ম বা মধ্যস্থতার সুযোগ কমবে।

    প্রাথমিকভাবে দেশের কিছু নির্দিষ্ট এলাকায় পাইলট প্রকল্প হিসেবে কর্মসূচিটি চালু করা হবে। পরবর্তীতে স্থানীয় প্রশাসন ও জনপ্রতিনিধিদের মাধ্যমে উপকারভোগীদের তালিকা প্রস্তুত করে ধাপে ধাপে সারা দেশে এটি সম্প্রসারণ করা হবে।

    আবেদন প্রস্তুতি

    যদিও আবেদন প্রক্রিয়া এখনো পুরোপুরি শুরু হয়নি, তবুও আগ্রহীদের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহে রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।

    ১. আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র (NID)।

    ২. পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি।

    ৩. একটি সচল মোবাইল নম্বর।

    আবেদন কোথায় করবেন

    পাইলট প্রকল্প সম্পন্ন হওয়ার পর ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা অথবা সংশ্লিষ্ট কাউন্সিলরের কার্যালয় থেকে সরাসরি আবেদন ফরম সংগ্রহ করা যাবে। পাশাপাশি ঘরে বসেই সহজে আবেদন করার সুবিধা দিতে একটি অনলাইন পোর্টাল চালুর প্রস্তুতি নিচ্ছে সরকার।

    প্রতি পরিবারে কেবল একটি ফ্যামিলি কার্ড প্রদান করা হবে। এই কার্ডের মাধ্যমে মাসিক নগদ সহায়তা বা নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্য সংগ্রহ করা যাবে।

  • বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম, নতুন দাম দেখে নিন

    বাড়লো জ্বালানি তেলের দাম, নতুন দাম দেখে নিন

    ইরানের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের উত্তেজনা এবং সাময়িক সময়ের জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ করার প্রভাবে বৈশ্বিক তেলের বাজারে পড়েছে। বৃহস্পতিবার (১৯ ফেব্রুয়ারি) তেলের দামে ঊর্ধ্বগতি দেখা গেছে।

    বার্তাসংস্থা রয়টার্সের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, প্রতিবেদন অনুযায়ী, বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ফিউচার ২৪ সেন্ট বা ০.৩ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৭০.৫৯ ডলারে পৌঁছায়। একই সময়ে মার্কিন ওয়েস্ট টেক্সাস ইন্টারমিডিয়েট (ডব্লিউটিআই) অপরিশোধিত তেলের দাম ২৮ সেন্ট বা ০.৪ শতাংশ বেড়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৫.৪৭ ডলারে লেনদেন হয়।

    পরে ডব্লিউটিআইয়ের দাম আরও বেড়ে ১.১৬ ডলার বা ১.৮ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়ে ব্যারেলপ্রতি ৬৬.৩৫ ডলারে দাঁড়ায়।

    বিশ্লেষকদের মতে, হরমুজ প্রণালী দিয়ে জাহাজ চলাচল ব্যাহত হলে বিশ্বের মোট তেল সরবরাহের প্রায় ২০ শতাংশ প্রভাবিত হতে পারে, যা বাজারে অস্থিরতা বাড়াতে পারে।

    নিসান সিকিউরিটিজের প্রধান কৌশলবিদ হিরোয়ুকি কিকুকাওয়া বলেন, উত্তেজনা থাকলেও পূর্ণাঙ্গ সশস্ত্র সংঘাতের সম্ভাবনা কম। তার মতে, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প অপরিশোধিত তেলের দামে তীব্র বৃদ্ধি চান না। সামরিক পদক্ষেপ হলেও তা সীমিত ও স্বল্পমেয়াদি হতে পারে।

    ইরানের রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম জানিয়েছে, দেশটি মঙ্গলবার সামরিক মহড়ার অংশ হিসেবে কয়েক ঘণ্টার জন্য হরমুজ প্রণালী বন্ধ রেখেছিল। জলপথটি পুরোপুরি চালু হয়েছে কিনা, সে বিষয়ে স্পষ্ট তথ্য পাওয়া যায়নি। পাশাপাশি ইরানের আধা-সরকারি বার্তা সংস্থা ফারস নিউজ এজেন্সি জানিয়েছে, বৃহস্পতিবার যৌথ সামরিক মহড়া পরিচালনার পরিকল্পনা রয়েছে।