Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • হঠাৎ স্বর্ণ ও রুপার বড় দরপতনের নেপথ্যে কী, দাম কি আরও কমবে?

    হঠাৎ স্বর্ণ ও রুপার বড় দরপতনের নেপথ্যে কী, দাম কি আরও কমবে?

    রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছানোর পর হঠাৎ করেই দিক বদলেছে স্বর্ণ ও রুপার দাম। ব্যাপক দরপতনের কারণে বিনিয়োগকারীদের আত্মবিশ্বাস নড়বড়ে হয়ে গেছে। সামনের দিনগুলোতে এই দুই মূল্যবান ধাতুর দামে পতন অব্যাহত থাকবে নাকি ঘুরে দাঁড়াবে বাজার, তা জানতে এখন মুখিয়ে বিনিয়োগকারীরা।

    গত বৃহস্পতিবার (২৯ জানুয়ারি) প্রতি আউন্স ৫ হাজার ৫৮০ ডলার ছাড়িয়ে নতুন রেকর্ড গড়ে। কিন্তু শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) স্বর্ণের দাম একদিনেই প্রায় ৯ শতাংশ পড়ে যায়, যা সাম্প্রতিক বছরগুলোর মধ্যে একদিনে সর্বোচ্চ দরপতন। বিক্রির চাপ সেখানেই থামেনি। সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) পর্যন্ত চলে সেই পতনের ধারা। এদিন দাম আরও ৩ দশমিক ৩ শতাংশ কমে প্রতি আউন্স ৪ হাজার ৫৪৫ ডলারে নেমে আসে। পরে অবশ্য কিছুটা ঘুরে দাঁড়ায় স্বর্ণের বাজার।

    বিশ্বের প্রধান অর্থনীতিগুলোতে উচ্চ মুদ্রাস্ফীতি এবং ভূরাজনৈতিক উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে বিনিয়োগকারীরা নিরাপদ সম্পদের দিকে ঝুঁকছিলেন। যুক্তরাষ্ট্র-চীন বাণিজ্য সম্পর্ক ঘিরে টানাপোড়েন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের  গ্রিনল্যান্ড সংক্রান্ত উচ্চাকাঙ্ক্ষা, ইউক্রেনে রাশিয়ার যুদ্ধ এবং আঞ্চলিক সংঘাতে ইরানের ভূমিকা–এসবের ফলে মূল্যবান ধাতুর দিকে ঝুঁকেছিলেন বিনিয়োগকারীরা। তাতে স্বর্ণ ও রুপার দাম তরতরিয়ে বেড়ে রেকর্ড উচ্চতায় পৌঁছায়।

     

    মার্কিন ফেডারেল রিজার্ভ শিগগিরই সুদের হার কমাতে পারে, এমন প্রত্যাশার ফলে ডলার দুর্বল হয়, চাহিদা বাড়ে স্বর্ণের। এ ছাড়া দাম বাড়ার আরেকটি বড় কারণ ছিল কল অপশন কেনার ঢেউ।

    এদিকে গত সপ্তাহে রুপার দামও অপ্রত্যাশিতভাবে বেড়েছে। বৃহস্পতিবার প্রতি আউন্স ১২১ দশমিক ৬৪ ডলারে পৌঁছে রেকর্ড গড়ার পরপরই দাম প্রায় এক-তৃতীয়াংশ পড়ে যায়। সোমবার পর্যন্ত মোট পতন দাঁড়ায় প্রায় ৪১ শতাংশে, দাম নেমে আসে প্রায় ৭২ ডলারে। এরপর ধীরে ধীরে পুনরুদ্ধার শুরু হয়।

    জল্পনাভিত্তিক লেনদেন এবং শিল্পখাতে চাহিদা জোরালোভাবে বাড়বে, এমন প্রত্যাশা থেকে রুপার দাম বেড়েছিল। ইলেকট্রনিক্স, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) এবং পরিচ্ছন্ন জ্বালানি উৎপাদনে রুপার ব্যবহার বাড়ছে।

    তবে আচমকা দুটি ঘোষণায় বাজারের ভোল পাল্টে গেছে। এই দুই মূল্যবান ধাতু কেনার বদলে বিক্রির ঢল বেড়েছে। প্রথমত গত শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) কেভিন ওয়ার্শকে পরবর্তী ফেডারেল রিজার্ভ চেয়ারম্যান হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছেন ডোনাল্ড ট্রাম্প। জেরোম পাওয়েলের স্থলাভিষিক্ত হতে যাওয়া ওয়ার্শকে অর্থনৈতিক সংকটকালীন অভিজ্ঞতাসম্পন্ন, বাস্তববাদী ও স্বাধীন কণ্ঠ হিসেবে দেখা হয়।

     

    এই সিদ্ধান্তের ফলে হোয়াইট হাউসের পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক ও বড় আকারের সুদ কমানোর চাপ কমে যাবে বলে ধারণা করছেন বিশ্লেষকরা। ট্রাম্প আগেও বারবার পাওয়েলের কাছে এমন দাবি জানিয়ে এসেছেন। ওয়ার্শের মনোনয়নের খবরে ডলারও শক্তিশালী হয়েছে।

    দ্বিতীয়ত, সপ্তাহান্তে শিকাগো মারকেন্টাইল এক্সচেঞ্জে (সিএমই) মার্জিন চাহিদা বাড়ানোর ঘোষণা দেয়া হয়। সিএমই-তে কমেক্সের (কমোডিটি এক্সচেঞ্জ, ইনক.) মাধ্যমে স্বর্ণ ও রুপার ফিউচার চুক্তিতে ব্যাপক লেনদেন হয়। অতিরিক্ত ঝুঁকি নেয়া ঠেকানো এবং বাজারের স্থিতিশীলতা নিশ্চিত করতে এই পদক্ষেপ নেয়া হয়।

    নাটকীয় দোলাচলের পর এখন বিনিয়োগকারীদের প্রশ্ন-স্বর্ণের দাম কি এখন দীর্ঘমেয়াদে নিম্নমুখী থাকবে, নাকি বাজারের ভোল আবার পাল্টে যাবে।

    সিএমসি মার্কেটসের এশিয়া ও মধ্যপ্রাচ্য প্রধান ক্রিস্টোফার ফোর্বস মনে করেন, স্বর্ণের এই তীব্র পতন দীর্ঘমেয়াদি হবে না। বরং অসাধারণ এক উত্থানের পর এমন দাম কমার বিষয়টি স্বাভাবিকভাবেই দেখছেন তিনি।

    ফোর্বস বলেন, ‘ডলার আবার দুর্বল হলে বা ওয়ার্শের নমনীয় অবস্থান নিশ্চিত হলে বিনিয়োগকারীরা ফিরে আসবে।’ তার ধারণা, আগামী ১২ মাসে স্বর্ণের দাম আবার সাম্প্রতিক উচ্চতা স্পর্শ করতে পারে। মার্কিন ব্যাংক জেপি মরগানের মতে, চলতি বছরের শেষ নাগাদ স্বর্ণের দাম ৬ হাজার ৩০০ ডলারের মাইলফলক স্পর্শ করতে পারে।

    সোমবার প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জার্মানির ডয়চে ব্যাংক জানায়, বিনিয়োগকারীরা এখনো স্বর্ণ কিনতে মুখিয়ে আছে। তার এই আগ্রহ ‘সহজে প্রশমিত হওয়ার সম্ভাবনা নেই’।

    এদিকে বিশ্লেষকের মতে, রুপার দামও ভবিষ্যতে বাড়বে। কারণ শিল্পখাতে চাহিদা বাড়ছেই, আর অনুসন্ধান ও খনিতে বহু বছর ধরে কম বিনিয়োগের ফলে সরবরাহ এখনো সীমিত।

  • দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন

    দেশে স্বর্ণের দামে বড় পতন

    টানা ২ দফা বাড়ার পর ফের দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। এবার ভরিতে ৭ হাজার ৬৪০ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে। আজ সকাল ১০টা থেকেই নতুন এ দাম কার্যকর হবে।

    শুক্রবার (৬ ফেব্রুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। এতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) দাম কমায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৫৪ হাজার ৪৫০ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৪২ হাজার ৯০৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৮ হাজার ২০২ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭০ হাজার ৪১১ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

     

    এর আগে, সবশেষ গত ৩ ফেব্রুয়ারি বিকেলে দেশের বাজারে স্বর্ণের দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সে সময় ভরিতে ১০ হাজার ৯০৬ টাকা বাড়িয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম ২ লাখ ৬২ হাজার ৯০ টাকা নির্ধারণ করা হয়।

    এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫০ হাজার ১৯৩ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ১৪ হাজার ৪৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম ১ লাখ ৭৫ হাজার ৪৮৫ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা সেদিন বিকেল ৪টা থেকেই কার্যকর হয়েছিল।

    এ নিয়ে চলতি বছর দেশের বাজারে ২৫ বারের মতো সমন্বয় করা হয় স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৬ দফা বাড়ানো হয়েছে এবং ৯ দফা কমানো হয়েছে। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়, যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয় এবং ২৯ বার কমানো হয়।

  • দুই দফায় ভরিতে ৩০ হাজার টাকার বেশি কমলো স্বর্ণের দাম

    দুই দফায় ভরিতে ৩০ হাজার টাকার বেশি কমলো স্বর্ণের দাম

    রেকর্ড উচ্চতার পর হঠাৎই বড় পতন হল স্বর্ণবাজারে। টানা দুই দিনের ব্যবধানে দেশে ভরিপ্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৩০ হাজার ৪০০ টাকা। দেশের স্বর্ণ ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ জুয়েলার্স সমিতি (বাজুস) সর্বশেষ শনিবার (৩১ জানুয়ারি) সকালে এক বিজ্ঞপ্তিতে স্বর্ণের ভরিতে ১৫ হাজার ৭৬২ টাকা কমিয়ে মূল্যবান ধাতুটির নতুন দাম প্রকাশ করে। এর আগে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) সকালে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা কমিয়ে স্বর্ণের দাম প্রকাশ করে বাজুস।

    বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণের (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় স্বর্ণের নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন নির্ধারিত মূল্য অনুযায়ী, সবচেয়ে ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম নির্ধারণ করা হয়েছে ২১ হাজার ৯১৫ টাকা। সেই হিসেবে দেশীয় পরিমাপ অনুযায়ী প্রতি ভরি স্বর্ণের দাম দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৫৫ হাজার ৬১৭ টাকা।

    একইসঙ্গে ২১ ক্যারেট হলমার্ককৃত স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম ২০ হাজার ৯২০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে, যা ভরিপ্রতি হিসেব করলে দাঁড়ায় ২ লাখ ৪৪ হাজার ১০ টাকা। অন্যদিকে ১৮ ক্যারেট স্বর্ণের বর্তমান গ্রামপ্রতি মূল্য ১৭ হাজার ৯৩০ টাকা অনুযায়ী প্রতি ভরির দাম পড়বে ২ লাখ ৯ হাজার ১৩৫ টাকা। এ ছাড়া সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণের প্রতি গ্রামের দাম ধরা হয়েছে ১৪ হাজার ৭৩৫ টাকা, যার ভরিপ্রতি বাজারমূল্য দাঁড়াবে ১ লাখ ৭১ হাজার ৮৬৯ টাকা।

     

    এদিকে, বিজ্ঞপ্তিতে বাজুস আরও জানায়, স্বর্ণের বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

    এর আগে শুক্রবার (৩০ জানুয়ারি) স্বর্ণের ভরিতে ১৪ হাজার ৬৩৮ টাকা কমিয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে বাজুস। তখন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১.৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৭১ হাজার ৩৬৩ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ৫৮ হাজার ৯৯৯ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ২ লাখ ২২ হাজার ২৪ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি স্বর্ণ বেচাকেনা হচ্ছে ১ লাখ ৮২ হাজার ৮৩৩ টাকায়।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৮ বার সমন্বয় করা হয়েছে স্বর্ণের দাম। যেখানে দাম ১৩ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে ৫ দফা। আর গত ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ৯৩ বার স্বর্ণের দাম সমন্বয় করা হয়েছিল; যেখানে ৬৪ বার দাম বাড়ানো হয়েছিল, আর কমানো হয়েছিল ২৯ বার।

     

    স্বর্ণের দাম কমানোর সঙ্গে কমানো রয়েছে রুপার দামও। সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ভরিতে ৪৫৫ টাকা কমে বর্তমানে ২২ ক্যারেটের এক ভরি রুপা বিক্রি হচ্ছে ৭ হাজার ৩০২ টাকায়। এছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৬ হাজার ৯৪০ টাকা ও ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ৫ হাজার ৯৪৯ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আর সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি রুপা বেচাকেনা হচ্ছে ৪ হাজার ৪৩২ টাকায়।

    চলতি বছর এখন পর্যন্ত দেশের বাজারে ১৪ দফা সমন্বয় করা হয়েছে রুপার দাম। যেখানে দাম ৯ দফা বাড়ানো হয়েছে; কমানো হয়েছে বাকি ৫ দফা। আর ২০২৫ সালে দেশের বাজারে মোট ১৩ বার সমন্বয় করা হয়েছিল রুপার দাম। যার মধ্যে বেড়েছিল ১০ বার, আর কমেছিল মাত্র ৩ বার

  • পে স্কেলের দাবিতে ৭ দফা, নতুন কর্মসূচি ও বিক্ষোভ

    পে স্কেলের দাবিতে ৭ দফা, নতুন কর্মসূচি ও বিক্ষোভ

    নবম পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ এবং সাত দফা দাবির প্রেক্ষাপটে বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ শনিবার কঠোর আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেছে।

    এরই ধারাবাহিকতায় পে-স্কেলের গেজেট প্রকাশ ও ১ জানুয়ারি থেকে বাস্তবায়নের দাবিতে সারা দেশে সরকারি, আধা সরকারি ও স্বায়ত্তশাসিত দপ্তরগুলোতে কর্মচারীরা দুই ঘণ্টার অবস্থান কর্মসূচি ও বিক্ষোভ সমাবেশ পালন করেছেন।

    রোববার (১ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টা থেকে বেলা ১১টা পর্যন্ত এসব কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়। একই কর্মসূচি আগামী সোম ও মঙ্গলবারও পালন করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

    আন্দোলনকারীরা জানান, সরকারি কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে পে-স্কেল বাস্তবায়নের দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন। এ লক্ষ্যে সরকার একটি কমিশন গঠন করে, যার প্রতিবেদন ইতোমধ্যে সরকারের হাতে জমা পড়েছে। তবে গেজেট প্রকাশে বিলম্ব এবং সরকার এই কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়ন করবে না—এমন বক্তব্য জ্বালানি উপদেষ্টার কাছ থেকে আসার পর থেকেই সরকারি কর্মচারীদের মধ্যে ক্ষোভ ছড়িয়ে পড়ে।

    আজ সকাল থেকে সারা দেশের অফিসগুলোয় ২ ঘণ্টার জন্য সেবা কার্যক্রম বন্ধ থাকে। এতে জনগণ ব্যাপক ভোগান্তির শিকার হন।

    গত ৩০ জানুয়ারি বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের পক্ষ থেকে ১ থেকে ৩ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তিন দিন টানা দুই ঘণ্টা করে অবস্থান কর্মসূচি ঘোষণা করেন।