Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন

    অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে। চলতি মাস থেকেই আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো চালুর জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সরকার এই প্রস্তুতি নিচ্ছে যাতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে নির্বাচিত সরকার দ্রুত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    r
    অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে সামান্য কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় আনা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় বেড়ে ৫ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা হলেও উন্নয়ন খাতের বাজেট কমিয়ে ২ লাখ কোটি টাকা করা হয়েছে। ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও ব্যাংক একীভূতকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এই পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    ১৫ বছর প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
    পে-কমিশনের প্রতিবেদন সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহেই প্রতিবেদন সরকারকে হস্তান্তর করা হবে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন পাওয়ার পর নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বিজ্ঞাপন
    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এটি স্বস্তির সংবাদ, যাদের বেতন ও ভাতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজন ছিল সংস্কার ও উন্নয়ন।

     

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।

  • পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের যে পরিকল্পনা

    পে-স্কেল নিয়ে সরকারি চাকরিজীবীদের যে পরিকল্পনা

    দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত।

    অন্তর্বর্তী সরকারের সময় থেকে পে-স্কেল নিয়ে আন্দোলনে নেমেছিলেন সরকারি চাকরিজীবীরা। লাগাতার আন্দোলনের ফলে সরকার তাদের দাবি পূরণে কিছু পদক্ষেপ নিয়েছিলো। সর্বশেষ এ সংক্রান্ত একটি কমিটিও গঠন করা হয়েছিলো সরকারের পক্ষ থেকে। তবে চাকরিজীবীরা এসব পদক্ষেপের বাস্তবায়ন চেয়েছিলেন নির্বাচনের আগে। এর মধ্যেই নির্বাচন শেষ হয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসবে। এবার পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সরকারি চাকরিজীবীরা নতুন পরিকল্পনা হাতে নিয়েছেন। নতুন সরকার প্রধানের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে তারা দাবি বাস্তবায়নের আবেদন করবেন।

    গত শনিবার (১৪ ফেব্রুয়ারি) সরকারি দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের মূখ্য সমন্বয়ক ওয়ারেছ আলী গণমাধ্যমকে এ তথ্য জানান। তিনি বলেন, আমরা সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের সঙ্গে নবম পে-স্কেল বাস্তবায়নের জন্য সাক্ষৎ করবো। আশা করি তিনি আমাদের দাবি বাস্তবায়নে ফলপ্রসূ সিদ্ধান্ত নেবেন।

    এর আগে ওয়ারেছ আলীর নেতৃত্বে সংগঠনের পক্ষ থেকে তারেক রহমানের দপ্তরে আবেদন করেন।

    এ সংক্রান্ত আবেদনে বলা হয়, দাবি আদায় ঐক্য পরিষদ সচিবালয়ের বাইরে দপ্তর, অধিদপ্তর ও স্বায়ত্ব-শাসিত প্রতিষ্ঠানের সব কর্মচারী সংগঠনের সমন্বয়ে গঠিত জোট। এই সংগঠনের সঙ্গে শিক্ষক-কর্মচারীসহ ২২ লাখ সরকারি কর্মচারী সম্পৃক্ত।

    শ্রদ্ধা ও কৃতজ্ঞতার সঙ্গে স্মরণ করছি ১৯৭১ খ্রিষ্টাব্দে স্বাধীকার আন্দোলনের শহীদ, যোদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও বৈষম্য বিরোধী জুলাই-২০২৪ আন্দোলনে শহীদ ও আহতদের।

    প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীরা সরকারের সকল উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন করলেও আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় ন্যায্য প্রাপ্তি থেকে বঞ্চিত। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দের বৈষম্যমূলক পে-স্কেল দেয়ার পর থেকে অদ্যাবধি এই সংগঠনের পক্ষ থেকে বৈষম্য নিরসনের জন্য বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কর্মসূচি পালন করে আসছি। কিন্তু বিগত সরকার আমাদের দাবি পূরণ তো দুরের কথা আমাদের সংগঠনের কথা আমলে না নিয়ে বিচ্ছিন্ন আইন প্রয়োগকারী সংস্থার মাধ্যমে জুলুম অত্যাচার চালিয়েছেন। বর্তমান সময়ে বাজারমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি, সেবা খাতের ব্যয় বৃদ্ধি ও পরিবারের ভরণ-পোষণের ব্যয় বৃদ্ধির দরুণ ১১ থেকে ২০ গ্রেডভুক্ত কর্মচারীরা মানবেতর জীবন যাপন করছেন। তাই চলমান জীবন বাস্তবতার নিরিখে প্রজাতন্ত্রের কর্মচারীদের ৭ দাবির বিষয়গুলো আপনার সদয় অবগতির জন্য সাক্ষাৎ করে তুলে ধরার অভিপ্রায় ব্যক্ত করছি।

    ৭ দাবিনামা: ১:৪ অনুপাতে ১২ ধাপে সর্বনিম্ন ৩৫ হাজার টাকায় বৈষম্যহীন ৯ম পে স্কেল বাস্তবায়ন করতে হবে। ইতোমধ্যে যাদের মূলবেতন শেষ ধাপে উন্নীত হয়েছে তাদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি নিয়মিত করতে হবে। ২০১৫ খ্রিষ্টাব্দে পে-স্কেলের গেজেটে প্রত্যাহারকৃত ৩টি টাইম স্কেল, সিলেকশন গ্রেড পূণর্বহালসহ বেতন জ্যেষ্ঠতা পুনঃবহাল এবং সব স্বায়তশাসিত প্রতিষ্ঠানে গ্রাচ্যুইটির পাশাপাশি পেনশন প্রবর্তনসহ বিদ্যমান গ্রাচুইটি-আনুতোষিকের হার ৯০ শতাংশের ছলে শতভাগ নির্ধারণ ও পেনশন গ্রাচ্যুইটি ১ টাকার সমান ৫০০ টাকা নির্ধারণ করতে হবে।

    ব্লক পোস্টে কর্মরত কর্মচারীসহ সব পদে কর্মরতদের পদোন্নতি বা ৫ বছর পর পর উচ্চতর গ্রেড করতে হবে, অধঃস্তন আদালতের কর্মচারীদের বিচার বিভাগীয় কর্মচারী হিসেবে গণ্য করতে হবে, এছাড়া টেকনিক্যাল কাজে নিয়োজিত কর্মচারীদের টেকনিক্যাল পদ মর্যাদা দিতে হবে।

    কর্মরত কর্মচারীদের বেতন স্কেল শেষ ধাপে উন্নীত হওয়ায় বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি হচ্ছেনা বিধায় চাকুরিতে কর্মরতদের বার্ষিক বেতন বৃদ্ধি অব্যাহত রাখতে হবে।

    বাজারমূল্যের লাগামহীন উর্দ্ধগতি ও জীবন যাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি বৃদ্ধির বিষয় বিবেচনা করে দেয় সব ভাতা পুনঃনির্ধারণ, সবল কর্মচারীদের রেশন ব্যবস্থার প্রর্বতন করতে হবে। চাকরিতে প্রবেশের ব্যাসসীমা ৩৫ বছর ও অবসরের বয়স সীমা ৬২ বছর নির্ধারণ করতে হবে।

    উন্নয়ন প্রকল্প থেকে রাজস্ব খাতে স্থানান্তরিত পদধারীদের প্রকল্পের চাকরিকাল গণনা করে টাইম স্কেল এবং সিলেকশন গ্রেড করার অবকাশ নেই বলে অর্থ মন্ত্রণালয় থেকে জারিকৃত বৈষম্য মূলক আদেশ বাতিল করতে হবে।

    বিষয় বিবেচনা করে আপনি বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী-বিএনপি সর্বোচ্চ অভিভাবক ও মানবিক গুণের গুণী বিশিষ্ট ব্যক্তি হিসেবে শিক্ষক-কর্মচারীদের বর্ণিত দাবিগুলো সাক্ষাত করে উপস্থাপনের তারিখ ও সময় দেয়ার জন্য সবিনয়ে অনুরোধ জানানো হলো।

     

  • আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    আংশিকভাবে চলতি মাসেই নতুন পে-স্কেল কার্যকর হবে

    সরকারি চাকরিজীবীদের দীর্ঘদিনের প্রতীক্ষার অবসান হতে চলেছে। ২০২৫-২৬ অর্থবছরের সংশোধিত বাজেটে নতুন বেতন কাঠামো বাস্তবায়নের জন্য সরকারের বরাদ্দ প্রায় ২২ হাজার কোটি টাকা বৃদ্ধি পেয়ে এখন এক লাখ ৬ হাজার ৬৮৪ কোটি টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন

    অর্থ মন্ত্রণালয় ও পে-কমিশন সূত্রে জানা গেছে, চলতি ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে আংশিকভাবে নতুন পে-স্কেল কার্যকর করার সুপারিশ দেওয়া হয়েছে। তবে এটি পূর্ণাঙ্গভাবে কার্যকর হবে আগামী ১ জুলাই ২০২৬ থেকে, অর্থাৎ ২০২৬-২৭ অর্থবছরের প্রথম দিন থেকে। চলতি মাস থেকেই আংশিকভাবে নতুন বেতন কাঠামো চালুর জন্য বাজেটে প্রয়োজনীয় অতিরিক্ত অর্থ বরাদ্দ রাখা হয়েছে।

    সরকার এই প্রস্তুতি নিচ্ছে যাতে অন্তর্বর্তী সরকারের মেয়াদ শেষ হয়ে নির্বাচিত সরকার দ্রুত এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে পারে।

    অন্যদিকে, ২০২৫-২৬ অর্থবছরের মূল বাজেট ছিল ৭ লাখ ৯০ হাজার কোটি টাকা, যা সংশোধিত বাজেটে সামান্য কমিয়ে ৭ লাখ ৮৮ হাজার কোটি টাকায় আনা হয়েছে। পরিচালন ব্যয় বেড়ে ৫ লাখ ৬৩ হাজার কোটি টাকা হলেও উন্নয়ন খাতের বাজেট কমিয়ে ২ লাখ কোটি টাকা করা হয়েছে। ঋণের সুদ পরিশোধ, ভর্তুকি ও ব্যাংক একীভূতকরণের মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় বৃদ্ধির কারণে এই পরিবর্তন আনতে হয়েছে।

    আরও পড়ুন

    ১৫ বছর প্রকাশ্য দিবালোকে ব্যাংক ডাকাতি হয়েছে: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা
    পে-কমিশনের প্রতিবেদন সাবেক অর্থ সচিব জাকির আহমেদ খানের নেতৃত্বে চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, এই সপ্তাহেই প্রতিবেদন সরকারকে হস্তান্তর করা হবে। অর্থ উপদেষ্টা ড. সালেহউদ্দিন আহমেদ জানিয়েছেন, প্রতিবেদন পাওয়ার পর নতুন পে-স্কেল দ্রুত বাস্তবায়নের জন্য প্রশাসনিক ব্যবস্থা নেয়া হবে।

    বিজ্ঞাপন
    সরকারি চাকরিজীবীদের জন্য এটি স্বস্তির সংবাদ, যাদের বেতন ও ভাতার ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন ধরে প্রয়োজন ছিল সংস্কার ও উন্নয়ন।