Category: অর্থনীতি

অর্থনীতি

  • আপনিও পেতে পারেন ৯ কোটি টাকা থাকে যদি পুরনো ১ টাকার কয়েন

    আপনিও পেতে পারেন ৯ কোটি টাকা থাকে যদি পুরনো ১ টাকার কয়েন

    আপনিও পেতে পারেন ৯ কোটি টাকা থাকে যদি পুরনো ১ টাকার কয়েন

    এখনকার দিনে আত্মনিভর হতে কেই না চায়। নিজে ব্যাবসা করে নিজের স্বপ্ন পূরণ করতে সকলেরই মন চায়।
    ছেলে হোক বা মেয়ে সকলেরই আত্মনিভর হতে চায়। কিন্তু সবসময় তো সাধ থাকলেই সাধ্য থাকে না।

    আর তাই নিজের ইচ্ছে স্বপ্ন থাকা সত্ত্বেও কখনও পিছিয়ে যেতে হয়। কিন্তু আজ আপনাকে এমন একটা কথা বলবো যার ফলে আপনি আপনার স্বপ্ন বলুন বা শখ সবই পূরণ করতে পারবেন এক নিমেষে। এমনকি কোটিপতি ও হতে পারবেন আপনি।
    তবে, তার জন্য আপনার কাছে থাকতে হবে ১টাকার কয়েন। কিন্তু, এ কয়েন যে সে কয়েন নয়। ১৯৮৫ সালের আগের কয়েন যদি থাকে আপনার কাছে তবে সেটা বিক্রি করে হতে পারবেন কোটিপতি।

    OLX এ গিয়ে নিজের নাম রেজিস্টার করে কয়েনটিকে বিক্রি করতে পারবেন।

    তাহলে, যাদের পুরোনো এন্টিক কয়েন জমানোর শখ রয়েছে তাঁরা আর দেরি না করে এক্ষুনি এই সুবর্ণ সুযোগ হাতে তুলে নিন। পেয়ে যান ৯.৯৯ কোটি টাকা। আর নিমেষেই হয়ে যান কোটিপতি।

    ইন্টারনেট এর মাধ্যমে আপনি নিলামে তুলতে পারবেন পুরোনো নোট ও কয়েন

  • টানা ২ দফায় ভরিতে কত কমলো সোনার দাম

    টানা ২ দফায় ভরিতে কত কমলো সোনার দাম

    দেশের বাজারে টানা ২ দফায় সোনার দাম কমিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। সবশেষ রোববার (২৬ অক্টোবর) রাতে এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে ভরিতে সোনার দাম ১ হাজার ৩৯ টাকা কমিয়েছে সংগঠনটি। এতে টানা ২ দফায় ভরি প্রতি স্বর্ণের দাম কমেছে ৯ হাজার ৪২৫ টাকা।

    বিজ্ঞাপন
    সোমবার (২৭ অক্টোবর) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে। বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, স্থানীয় বাজারে তেজাবি সোনার (পিওর গোল্ড) মূল্য কমেছে। ফলে সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনায় সোনার নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নতুন দাম অনুযায়ী, দেশের বাজারে প্রতি ভরি (১১ দশমিক ৬৬৪ গ্রাম) ২২ ক্যারেটের সোনার দাম পড়বে ২ লাখ ৭ হাজার ৯৫৭ টাকা। এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪৯৮ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ১৪৩ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪১ হাজার ৪৯৬ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

    বিজ্ঞাপন
    বাজুস আরও জানায়, সোনার বিক্রয়মূল্যের সঙ্গে আবশ্যিকভাবে সরকার-নির্ধারিত ৫ শতাংশ ভ্যাট ও বাজুস-নির্ধারিত ন্যূনতম মজুরি ৬ শতাংশ যুক্ত করতে হবে। তবে গহনার ডিজাইন ও মানভেদে মজুরির তারতম্য হতে পারে।

     

    সোনার দামে ফের পরিবর্তন, এবার ভরি যত
    এর আগে, সবশেষ গত ২২ অক্টোবর দেশের বাজারে সোনার দাম সমন্বয় করেছিল বাজুস। সেদিন ভরিতে ৮ হাজার ৩৮৬ টাকা কমিয়ে ২২ ক্যারেটের এক ভরি সোনার দাম ২ লাখ ৮ হাজার ৯৯৬ টাকা নির্ধারণ করেছিল সংগঠনটি।

    বিজ্ঞাপন
    এ ছাড়া ২১ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫০১ টাকা, ১৮ ক্যারেটের প্রতি ভরি ১ লাখ ৭০ হাজার ৯৯৪ টাকা এবং সনাতন পদ্ধতির প্রতি ভরি সোনার দাম ১ লাখ ৪২ হাজার ২১৯ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছিল। যা কার্যকর হয়েছিল ২৩ অক্টোবর থেকে।

     

  • মাতৃত্বকালীন ভাতা: অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি ও শর্তাবলি

    মাতৃত্বকালীন ভাতা: অনলাইনে আবেদন পদ্ধতি ও শর্তাবলি

    দরিদ্র ও অসহায় মায়েদের জন্য গর্ভাবস্থা ও শিশুর লালনপালনে সহায়তা হিসেবে ২০১১ সাল থেকে মাতৃত্বকালীন ভাতা চালু করেছে সরকার। এ ভাতা মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একটি প্রকল্প, যা নির্দিষ্ট শর্ত পূরণ সাপেক্ষে পাওয়া যায়।

    কীভাবে আবেদন করবেন?

    মাতৃত্বকালীন ভাতা পেতে আবেদনকারীর জাতীয় পরিচয়পত্র, গর্ভাবস্থার মেডিকেল রিপোর্ট, ছবি ও ব্যক্তিগত তথ্যসহ নির্দিষ্ট ফরম পূরণ করে অনলাইনে বা ইউনিয়ন পরিষদ, পৌরসভা বা কাউন্সিলরের অফিসে জমা দিতে হবে। উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা যাচাই ও অনুমোদন করলে ভাতা প্রদান করা হয়।

    অনলাইন আবেদন করা যায় এই লিংকে http://103.48.16.6:8080/LM-MIS/applicant/onlineRegistration। এখানে আবেদনকারীর ব্যক্তিগত, ঠিকানা, আয় ও সন্তানসংক্রান্ত তথ্য দিতে হবে। পাশাপাশি ছবি ও স্বাক্ষর আপলোড করতে হবে। আবেদন গ্রহণের সময়সীমা প্রতি মাসের ১ থেকে ২০ তারিখ পর্যন্ত।

    কত টাকা পাওয়া যায়?

    প্রতি মাসে ৮০০ টাকা হারে ছয় মাস অন্তর এককালীন ৪,৮০০ টাকা দেওয়া হয়। একজন সন্তানের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ২৪ মাসে মোট ১৯,২০০ টাকা এবং দুই সন্তানের ক্ষেত্রে ৩৬ মাসে সর্বোচ্চ ২৮,৮০০ টাকা পাওয়া যায়।

    শর্তাবলি

    আবেদনকারীর বয়স ২০ থেকে ৩৫ বছরের মধ্যে হতে হবে।

    প্রথম বা দ্বিতীয় গর্ভধারণের সময় আবেদন করতে হবে।

    মাসিক আয় ১,৫০০–২,০০০ টাকার মধ্যে বা কম হতে হবে।

    কৃষিজমি বা পুকুর থাকলে আবেদন গ্রহণযোগ্য নয়।

    জুলাই মাসে ভাতাভোগী নির্বাচন করা হয়, এ সময় অন্তত পাঁচ মাসের গর্ভবতী হতে হবে।

    সতর্কবার্তা

    প্রতারক চক্রের হাত থেকে বাঁচতে আবেদন অবশ্যই সরকারি নির্ধারিত প্রক্রিয়ায় করতে হবে। ভাতা কেবল দরিদ্র, অসহায় ও যোগ্য মায়েদের জন্য নির্ধারিত।

  • রেকর্ডের  পর দিনই ধস, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন!  কি ঘটছে সোনার বাজারে?

    রেকর্ডের পর দিনই ধস, বিশ্ববাজারে স্বর্ণের দামে বড় পতন! কি ঘটছে সোনার বাজারে?

    বাংলাদেশে কোনো ব্যক্তির নামে ১০টির বেশি মোবাইল সিম থাকলে ৩০ অক্টোবরের মধ্যে অতিরিক্ত সিমগুলো ডি-রেজিস্টার বা মালিকানা পরিবর্তন করতে হবে। এ বিষয়টি ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ টেলিযোগাযোগ নিয়ন্ত্রণ কমিশন (বিটিআরসি)।

    বিটিআরসি জানিয়েছে, নিজের এনআইডিতে পছন্দমতো ১০টি সিম রাখার সুযোগ আছে। বাকি সব সিম বাতিল করতে হলে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ার সেন্টারের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

    কীভাবে জানবেন নিজের নামে কয়টি সিম আছে?
    ১. মোবাইল থেকে *16001# ডায়াল করুন।
    ২. জাতীয় পরিচয়পত্রের শেষ ৪ ডিজিট লিখে সেন্ড করুন।
    ৩. ফিরতি এসএমএসে জানানো হবে আপনার এনআইডিতে মোট কতটি সিম নিবন্ধিত আছে।

    কীভাবে ডি-রেজিস্টার করবেন?
    ১. আপনার যে অতিরিক্ত সিমগুলো বাতিল করতে চান, সেগুলো নিয়ে সংশ্লিষ্ট মোবাইল অপারেটরের কাস্টমার কেয়ারে যান।
    ২. অপারেটরের নিয়ম অনুযায়ী আবেদনপত্র পূরণ করে জমা দিন।
    ৩. প্রক্রিয়া শেষে অতিরিক্ত সিমগুলো ডি-রেজিস্টার হয়ে যাবে।

    বিটিআরসি সতর্ক করেছে, যদি কেউ এই প্রক্রিয়া অনুসরণে ব্যর্থ হন, তাহলে অতিরিক্ত সিমগুলো দৈবচয়নের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে বাতিল করা হবে।

    ২০১৭ সালে কমিশন সর্বোচ্চ ১৫টি সিমের অনুমতি দিয়েছিল। তবে চলতি বছরের ১৯ মে থেকে এটি ১০টিতে নামিয়ে আনা হয়েছে।

    ট্যাগ