Category: স্বাস্থ্য

স্বাস্থ্য

  • আপনার স্ত্রী প’রকী’য়ায় জড়িয়েছেন কিনা বুঝবেন তিনটি লক্ষণে!

    আপনার স্ত্রী প’রকী’য়ায় জড়িয়েছেন কিনা বুঝবেন তিনটি লক্ষণে!

    আপনার স্ত্রী প’রকী’য়ায় জড়িয়েছেন কিনা বুঝবেন তিনটি লক্ষণে!

    পারস্পরিক বিশ্বাস, সম্মান ও খোলামেলা যোগাযোগ—একটি সুস্থ দাম্পত্য জীবনের মূলভিত্তি। তবে বাস্তবতায় অনেক সময় এই সম্পর্কেই দেখা দেয় অবিশ্বাস ও সন্দেহের ছায়া। সাম্প্রতিক সময়ে মনোবিজ্ঞানীরা বলছেন, স্ত্রীর আচরণে হঠাৎ পরিবর্তন দেখা দিলে তা হতে পারে পরকীয়ার একটি সম্ভাব্য ইঙ্গিত। বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ত্রীর আচরণে তিনটি লক্ষণ দেখা দিলে তা নিয়ে সতর্ক হওয়া প্রয়োজন:

    ১. আচরণে আকস্মিক পরিবর্তন
    যদি স্ত্রী হঠাৎ করে আগের চেয়ে অনেক বেশি গোপনীয় হয়ে ওঠেন, বারবার ফোন লুকান, আপনার সামনে অস্বাভাবিক আচরণ করেন কিংবা কথা বলার ধরনে পরিবর্তন আসে—তবে তা হতে পারে মানসিকভাবে অন্য কারো প্রতি জড়িত থাকার ইঙ্গিত।

    ২. সময় না দেওয়া ও অতিরিক্ত ব্যস্ততা
    ঘন ঘন অফিসের অতিরিক্ত কাজ, বন্ধুদের সঙ্গে সময় কাটানোর অজুহাত বা ঘরে থেকেও মানসিকভাবে অনুপস্থিত থাকা—এসব হতে পারে কারো প্রতি অতিরিক্ত আগ্রহের লক্ষণ।

    ৩. সাজসজ্জায় হঠাৎ পরিবর্তন
    আচরণগত পরিবর্তনের পাশাপাশি যদি হঠাৎ স্ত্রীর পোশাক-পরিচ্ছদ, সাজগোজ ও ব্যক্তিত্ব প্রকাশে আগের তুলনায় বেশি সচেতনতা দেখা যায়, তবে তা নতুন কারো প্রতি আকর্ষণের ইঙ্গিত হতে পারে।

    এই লক্ষণগুলো দেখে কোনো একপেশে সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত নয়। সম্পর্ক রক্ষা করতে হলে চাই খোলামেলা ও আন্তরিক আলাপ। প্রয়োজনে দাম্পত্য পরামর্শ গ্রহণ করা যেতে পারে। পরকীয়া সম্পর্ক কোনো হঠাৎ ঘটনা নয়। এটি ধীরে ধীরে গড়ে ওঠে—অনুভূতির সংকট, নির্ভরতার ঘাটতি ও মানসিক দূরত্ব থেকেই। তাই সম্পর্কের যত্ন নেওয়া, একে অপরকে বোঝার চেষ্টা করাই পারে যেকোনো জটিলতা থেকে পরিত্রাণের পথ তৈরি করতে।

  • পুরুষের যৌ’ন হরমোন টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যে ১২টি খাবার!

    পুরুষের যৌ’ন হরমোন টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যে ১২টি খাবার!

    এই হরমোনের ঘাটতি হলে পুরুষের শরীরের নানান রকম সমস্যা হতে পারে। বয়স ত্রিশ পেরোনোর পর পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি কা’মবাসনা কমে যাওয়া, লি’ঙ্গোত্থানে সমস্যা, খারাপ মেজাজসহ মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

    তবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কিছু খাবার খাওয়ার অভ্যাস করলেই উপকৃত হওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্য করে এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হলো।

    পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ানোর জন্য কিছু খাবার সহায়ক হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন – ডিমের কুসুম, তৈলাক্ত মাছ (রুই, কাতলা), এবং সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা। এছাড়াও, আদা, বেদানা, বিভিন্ন বাদাম ও বীজ, এবং উদ্ভিজ্জ দুধ (সয়া, আমন্ড, ওটসের দুধ) টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে।

    পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির জন্য ১২টি খাবার নিচে উল্লেখ করা হলো:

    ১. ডিমের কুসুম: ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে, যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে সাহায্য করে।

    ২. তৈলাক্ত মাছ: রুই, কাতলা, ইলিশ, বোয়াল, চিতলের মতো মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক, এমনটাই জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা.

    ৩. বেদানা: বেদানা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর, যা প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়ক, according to Anandabazar Patrika.

    ৪. আদা: আদা টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত করে, according to Metropolis Healthcare.

    ৫. উদ্ভিজ্জ দুধ: সয়া, আমন্ড, ওটসের দুধ শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, Anandabazar Patrika states.

    ৬. বাদাম ও বীজ: বিভিন্ন বাদাম ও বীজ যেমন – কাঠবাদাম, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    ৭. পালংশাক: পালংশাক এবং অন্যান্য সবুজ শাকসবজি টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

    ৮. রসুন: রসুনে থাকা অ্যালিসিন উপাদান টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    ৯. অলিভ অয়েল: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হিসেবে অলিভ অয়েল টেস্টোস্টেরন হরমোনের জন্য ভালো।

    ১০. ডালিম: ডালিমের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সাহায্য করে।

    ১১. কলা: কলায় ব্রোমেলাইন নামক এনজাইম থাকে যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে সাহায্য করে।

    ১২. স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক

  • জেনে নিন চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

    জেনে নিন চিয়া সিড খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

    স্বাস্থ্যের ভাষায় চিয়া সিডকে বলা হয় সুপারফুড। দুধ-ডিমের চেয়েও বেশি প্রোটিন ও ক্যালসিয়াম থাকায় এটি স্বাস্থ্যসচেতন মানুষের কাছে এখন বেশ জনপ্রিয়। প্রাচীন অ্যাজটেক জাতির খাদ্য তালিকায়ও এই বীজের ব্যবহার ছিল। দেখতে অনেকটা তিলের মতো এই বীজ প্রধানত আমেরিকা ও মেক্সিকো অঞ্চলে উৎপাদিত হয়।

     

    একনজরে চিয়া সিডের পুষ্টিগুণ

    চিয়া সিডে দুধের চেয়ে ৫ গুণ ক্যালসিয়াম, কমলার চেয়ে ৭ গুণ ভিটামিন সি, পালংশাকের চেয়ে ৩ গুণ আয়রন, কলার দ্বিগুণ পটাশিয়াম, ডিমের চেয়ে ৩ গুণ প্রোটিন এবং স্যামন মাছের চেয়ে ৮ গুণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড রয়েছে।

    এছাড়া এতে রয়েছে, অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট (কোয়েরসেটিন, কেম্পফেরল, ক্লোরোজেনিক অ্যাসিড, ক্যাফিক অ্যাসিড),ম্যাগনেশিয়াম, আয়রন, পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম,দ্রবণীয় ও অদ্রবণীয় আঁশ।

    উপকারিতা

    . ওমেগা-৩ থাকার কারণে হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়।

    . ক্ষতিকর কোলেস্টেরল হ্রাস করে।

    . অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়।

    . মেটাবলিজম উন্নত করে ওজন কমাতে সহায়তা করে।

    . ডায়াবেটিসের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।

    . কোলন পরিষ্কার রাখে, কোলন ক্যানসারের ঝুঁকি হ্রাস করে।

    . অ্যাসিডিটির সমস্যা কমাতে কার্যকর।

    খাওয়ার নিয়ম
    . স্বাভাবিক বা কুসুম গরম পানিতে ২০–৩০ মিনিট ভিজিয়ে খেতে হবে।

    .সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে খাওয়া যায়।

    .ওটস, স্মুথি, জুস, পুডিং, টকদই, সিরিয়াল বা সালাদের সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়াও জনপ্রিয়।

    অপকারিতা
    . কিছু গবেষণায় দেখা গেছে, অতিরিক্ত খেলে প্রোস্টেট ও স্তন ক্যানসারের ঝুঁকি বাড়তে পারে।

    . বেশি খেলে হজমের সমস্যা বা গ্যাস্ট্রিক হতে পারে।

    . অতিরিক্ত গ্রহণে অস্বাভাবিক ওজন হ্রাস পেতে পারে।

     

  • হার্টের ব্যাথা না গ্যাসের ব্যাথা, যেভাবে বুঝবেন

    হার্টের ব্যাথা না গ্যাসের ব্যাথা, যেভাবে বুঝবেন

    হার্টের ব্যাথা না গ্যাসের ব্যাথা, যেভাবে বুঝবেন

    বুকের ব্যথা বিভিন্ন কারণে হতে পারে, এবং তা শুধুমাত্র হৃদরোগের কারণে নয়। হার্ট ছাড়াও বুকে থাকা অন্যান্য অঙ্গপ্রত্যঙ্গ যেমন গ্যাস্ট্রোইনটেস্টিনাল বা পেটের সমস্যা, গলব্লাডারের ব্যথা, লিভারের সমস্যা, অথবা ঘাড়ের ব্যথা বুকে ছড়িয়ে পড়তে পারে। ডা. চয়ন সিংহের মতে, বুকে ব্যথার কারণগুলো সঠিকভাবে চিহ্নিত করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, কারণ কখনও কখনও এটি মারাত্মক পরিস্থিতির ইঙ্গিত হতে পারে।

    ডা. চয়ন সিংহ জানান, বুকের ব্যথা বিভিন্ন শারীরিক অবস্থার কারণে হতে পারে, যেমন পেটের সমস্যা, গ্যাসের ব্যথা, সারভাইকেল স্পন্ডালাইটিস, এক্সারসাইজের অভাবে হঠাৎ শারীরিক পরিশ্রম, ভাইরাস সংক্রমণ, বা আঘাতের ফলে। অনেক সময় পেটের সমস্যাও বুকের মাঝখানে ব্যথা সৃষ্টি করতে পারে, যেমন গ্যাস বা এসিড রিফ্লাক্স। গ্যাসের ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝখানে জ্বালা তৈরি করে এবং মুখে তেতো বা টক টক স্বাদ আসতে পারে, যা গ্যাসের সিরাপ খেলে কমে যায়।

    অন্যদিকে, হার্টের ব্যথা সাধারণত বুকের মাঝখানে অনুভূত হয় এবং তা পরিশ্রম বা শারীরিক উত্তেজনা বাড়ালে তীব্র হয়। যদি ব্যথা বিশ্রাম নিলে কমে যায় বা জিহ্বার নিচে স্প্রে করলে উপশম হয়, তবে তা হার্টের ব্যথা হতে পারে। হার্টের ব্যথার ঝুঁকি বাড়াতে পারে উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, হৃদরোগের ইতিহাস, অতিরিক্ত ওজন, ধূমপান বা নেশাজাতীয় দ্রব্য সেবনের ইতিহাস।

    ডা. চয়ন সিংহ আরও বলেন, বুকের ব্যথার সঠিক কারণ চিহ্নিত করতে নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষার পরামর্শ দেওয়া হয়, কারণ কখনও কখনও গ্যাস বা হার্টের ব্যথা একে অপরের সাথে মিশে যেতে পারে এবং চিহ্নিত করা কঠিন হতে পারে।

    সুতরাং, বুকের ব্যথা অনুভূত হলে তা অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।