Category: শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাঙ্গন

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।

  • রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ

    রমজানে মাধ্যমিক বিদ্যালয় ছুটির বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আজ

    মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসের পুরো সময় ধরে বন্ধ থাকবে কিনা, সে বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানা যাবে আজ মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি)।  শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আপিলের ওপর শুনানি শেষে আসবে এ চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত।

    রমজানের শুরু থেকেই শিক্ষার্থীদের ছুটি নিশ্চিত করতে জনস্বার্থে হাইকোর্টে রিট আবেদন করেছিলেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ইলিয়াছ আলী মণ্ডল।

    এর আগে ১৫ ফেব্রুয়ারি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের হাইকোর্ট বেঞ্চ একটি রিট আবেদনের শুনানিতে রোজায় সরকারি-বেসরকারি মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার আদেশ দেন।

     

    হাইকোর্টের দেওয়া সেই আদেশের ফলে পুরো রমজান মাসে সব মাধ্যমিক ও নিম্ন মাধ্যমিক স্কুল ৮ মার্চের পরিবর্তে ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকেই বন্ধ থাকার কথা ছিল। তবে এর বিরুদ্ধে রাষ্ট্রপক্ষ চেম্বার জজ আদালতে আবেদন করলে হাইকোর্টের সেই আদেশটি সোমবার (১৬ ফেব্রুয়ারি) স্থগিত করে দেওয়া হয়।

    তবে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের বিষয়ে আদালতের আদেশে কোনো সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা নেই। ফলে রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে নাকি বন্ধ থাকবে—সে বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।

  • রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে যা বলছে অধিদপ্তর

    রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে যা বলছে অধিদপ্তর

    আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে এখনও স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। হাইকোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে, তবে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে কোনো উল্লেখ নেই। এ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে যে রমজান মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে কি বন্ধ।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তারা বার্ষিক ছুটির একটি প্রস্তাবিত তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এতে রমজান, ঈদুল ফিতর এবং সাপ্তাহিক ছুটিসহ ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৯ দিনের ছুটি ধরা হয়েছে। তবে তালিকাটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।

    উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন জানিয়েছেন, হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্পর্কিত কোনো নির্দেশনা নেই। মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ থাকবে, কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে কি না, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

  • রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে যা বলছে অধিদপ্তর

    রমজানে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে যা বলছে অধিদপ্তর

    আসন্ন রমজানকে কেন্দ্র করে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি নিয়ে এখনও স্পষ্ট নির্দেশনা পাওয়া যায়নি। হাইকোর্ট মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশনা দিয়েছে, তবে প্রাথমিক বিদ্যালয় নিয়ে কোনো উল্লেখ নেই। এ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়েছে যে রমজান মাসে প্রাথমিক বিদ্যালয় খোলা থাকবে কি বন্ধ।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, তারা বার্ষিক ছুটির একটি প্রস্তাবিত তালিকা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছে। এতে রমজান, ঈদুল ফিতর এবং সাপ্তাহিক ছুটিসহ ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত মোট ১৯ দিনের ছুটি ধরা হয়েছে। তবে তালিকাটি এখনো ওয়েবসাইটে প্রকাশ করা হয়নি।

    উপ-পরিচালক জয়নাল আবদীন জানিয়েছেন, হাইকোর্টের আদেশে প্রাথমিক বিদ্যালয় সম্পর্কিত কোনো নির্দেশনা নেই। মাধ্যমিক ও নিম্ন-মাধ্যমিক বিদ্যালয় ১৮ ফেব্রুয়ারি থেকে বন্ধ থাকবে, কিন্তু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছুটি ৮ মার্চ থেকে ২৬ মার্চ পর্যন্ত বহাল থাকবে কি না, তা চূড়ান্তভাবে নির্ধারণ করবে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।