Category: শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাঙ্গন

  • এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

    এইচএসসির ফল প্রকাশের তারিখ ঘোষণা

    এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল ১৬ অক্টোবর প্রকাশ করা হবে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. খন্দোকার এহসানুল কবীর।

    সোমবার (১৩ অক্টোবর) গণমাধ্যমকে ফল প্রকাশের তারিখ জানান তিনি।

    এর আগে বৃহস্পতিবার (৯ অক্টোবর) আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভায় ১৬ অক্টোবর ফল প্রকাশের বিষয়ে একমত পোষণ করেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যানরা।

    এবারের এইচএসসি ও সমমানের লিখিত পরীক্ষা গত ১৯ আগস্ট শেষ হয়। ব্যবহারিক পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ২১ থেকে ৩১ আগস্ট পর্যন্ত। ১২ লাখেরও বেশি পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

    আরও পড়ুন: খাতা দেখা শেষ, এইচএসসির ফল প্রকাশ কবে?

    এবার ১১টি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে পরীক্ষায় বসেন ১২ লাখ ৫১ হাজার ১১১ শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ৬ লাখ ১৮ হাজার ১৫ ছাত্র এবং ৬ লাখ ৩৩ হাজার ৯৬ ছাত্রী। সারাদেশে ২ হাজার ৭৯৭টি কেন্দ্রে পরীক্ষা হয়।

    ঢাকা বোর্ডে পরীক্ষার্থী ২ লাখ ৯১ হাজার ২৪১, রাজশাহীতে ১ লাখ ৩৩ হাজার ২৪২, কুমিল্লায় ১ লাখ ১ হাজার ৭৫০, যশোরে ১ লাখ ১৬ হাজার ৩১৭ ও চট্টগ্রামে ১ লাখ ৩৫ জন। এ ছাড়া বরিশালে পরীক্ষার্থী ৬১ হাজার ২৫, সিলেটে ৬৯ হাজার ৬৮৩, দিনাজপুরে ১ লাখ ৩ হাজার ৮৩২ এবং ময়মনসিংহে ৭৮ হাজার ২৭৩ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে আলিম পরীক্ষার্থী ৮৬ হাজার ১০২ জন। কারিগরি বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৯ হাজার ৬১১ জন।

  • প্রাথমিকের ৩১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য দুঃসংবাদ

    প্রাথমিকের ৩১ লাখ শিক্ষার্থীর জন্য দুঃসংবাদ

    চলতি সেপ্টেম্বর মাসেই ‘মিড ডে মিল’ বা দুপুরের খাবার হাতে পাওয়ার কথা ছিল দেশের আট বিভাগের ১৫০ উপজেলায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখেরও বেশি শিশু শিক্ষার্থীর। কিন্তু টেন্ডারটি চালু করতে পারেনি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে মিড ডে মিল প্রকল্পের জন্য লাইভ টেন্ডার প্রক্রিয়া চলছে, প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে দেরি হওয়ায় সেপ্টেম্বর মাসে প্রকল্পটি চালু হওয়ার সম্ভাবনা নেই। তবে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, টেন্ডার কার্যক্রম শেষ হওয়ার পর দ্রুতই এ কর্মসূচি চালু করা হবে।

    প্রকল্প সূত্রে জানা গেছে, প্রতিদিনের এই খাদ্যতালিকা শিক্ষার্থীদের পুষ্টি নিশ্চিত করবে এবং ক্ষুধার তাড়না থেকে মুক্তি দিয়ে শ্রেণিকক্ষে মনোযোগ বৃদ্ধিতে সহায়তা করবে। এ ছাড়া প্রাথমিক শিক্ষায় ঝরে পড়ার হার কমবে এবং বিদ্যালয়ে উপস্থিতির হার উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পাবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ। প্রকল্পে মোট বরাদ্দ রাখা হয়েছে ৫ হাজার ৪৫২ কোটি টাকার বেশি। এর মধ্যে ৯৭ শতাংশ ব্যয়ই বরাদ্দ রাখা হয়েছে খাদ্য সরবরাহের জন্য।

    ২০২৫-২৬ অর্থবছরে প্রকল্পটির জন্য বরাদ্দ নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ১৬৪ কোটি টাকার বেশি।

    এদিকে গত জানুয়ারিতে শুরু হওয়া ‘সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচি’ বা মিড ডে মিল প্রকল্পটির আওতায় স্কুল চলাকালীন শিক্ষার্থীদের সপ্তাহে পাঁচ দিন সরবরাহ করা হবে পুষ্টিকর খাবার। এর মধ্যে রয়েছে বনরুটি, সিদ্ধ ডিম, ইউএইচটি দুধ, ফরটিফাইড বিস্কুট এবং মৌসুমি ফল বা কলা। সপ্তাহের রবি, মঙ্গল ও বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের পরিবেশন করা হবে বনরুটি ও সিদ্ধ ডিম।

    সোমবার বনরুটি ও দুধ এবং বুধবার মিলবে ফরটিফাইড বিস্কুট ও মৌসুমি ফল বা কলা। প্রতিটি বনরুটির ওজন নির্ধারণ করা হয়েছে ১২০ গ্রাম, প্রতিটি ডিম ৬০ গ্রাম, দুধ ২০০ গ্রাম, বিস্কুট ৭৫ গ্রাম ও ফল ১০০ গ্রাম।

    এ ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে উপজেলা নির্বাহী অফিসারের নেতৃত্বে স্কুল ফিডিং মনিটরিং কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটিতে রয়েছেন উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, মহিলাবিষয়ক কর্মকর্তা, নিরাপদ খাদ্য পরিদর্শকসহ প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তারা। প্রকল্প বাস্তবায়নে প্রশিক্ষণও গুরুত্ব পাচ্ছে।

    জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রধান শিক্ষক ও শিক্ষা কর্মকর্তাদের জন্য আয়োজন করা হবে ১৯২টি ব্যাচে ওরিয়েন্টেশন ও প্রশিক্ষণ কর্মসূচি। অংশ নেবেন প্রায় ১৯ হাজার ৭১৯ শিক্ষক ও কর্মকর্তা।

    প্রকল্পটির পরিচালক (পিডি) ও যুগ্ম সচিব হারুন অর রশীদ গণমাধ্যমকে বলেন, ‘প্রকল্পটির অনেক কাজ বাকি ছিল। আমি দায়িত্ব নেওয়ার কয়েক মাসেই অনেক কাজ এগিয়েছে। আশা করছি, খুব শিগগরি চালু হবে।’

    প্রসঙ্গত, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের আওতায় এ প্রকল্প বাস্তবায়ন করবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। প্রকল্পটি চলবে ২০২৭ সালের ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রাথমিকভাবে দেশের ৮ বিভাগের ৬২ জেলার ১৫০ উপজেলার ১৯ হজার ৪১৯টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৩১ লাখ ৩০ হাজার শিক্ষার্থী এ প্রকল্পের সুবিধাভোগী হবে। প্রকল্পটি সফল হলে সারা দেশের স্কুলগুলোয় মিড ডে মিল চালু করা হবে।

  • শেখ পরিবারের নামে থাকা ৪ কলেজ ও ২১ ভবনের নাম পরিবর্তন

    শেখ পরিবারের নামে থাকা ৪ কলেজ ও ২১ ভবনের নাম পরিবর্তন

    দেশের চারটি সরকারি কলেজ ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ২১টি ভবন ও স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। মূলত, এসব প্রতিষ্ঠান থেকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান, শেখ হাসিনা, শেখ কামালসহ আওয়ামী লীগ ঘরানার বেশ কয়েকজনের নাম সরিয়ে দিয়ে নতুন নামকরণ করা হয়েছে।

    সোমবার (২৮ জুলাই) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সরকারি কলেজ-৪ শাখা থেকে জারি করা এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

    এতে বলা হয়েছে, মোট চারটি সরকারি কলেজের নাম এবং ২১টি স্থাপনার নাম পরিবর্তন করা হয়েছে। নাম পরিবর্তনের ক্ষেত্রে অধিকাংশ স্থানে পূর্বের নাম থেকে রাজনৈতিক ও পারিবারিক অভিঘাত মুছে দিয়ে নিরপেক্ষ বা ভৌগোলিক ভিত্তিক নাম যুক্ত করা হয়েছে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, এসব নাম পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের ২০২৫ সালের ৯ ফেব্রুয়ারির চিঠির আলোকে এবং মন্ত্রিসভার সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ অধিশাখার পরামর্শ অনুযায়ী।

    যেসব কলেজের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে-

    ‘শহীদ আবদুর রব সেরনিয়াবাত সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, বরিশাল’ এর নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ‘সরকারি টিচার্স ট্রেনিং কলেজ, বরিশাল’। ‘সরকারি জয়বাংলা কলেজ, খুলনা’ হয়েছে ‘খুলনা সরকারি কলেজ, খুলনা’, ‘জিল্লুর রহমান সরকারি মহিলা কলেজ, ভৈরব’ হয়েছে ‘ভৈরব সরকারি মহিলা কলেজ’ এবং ‘রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ সরকারি কলেজ, ইটনা’ হয়েছে ‘ইটনা সরকারি কলেজ’।

    নাম পরিবর্তন হয়েছে যেসব স্থাপনার-

    প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী বিভিন্ন কলেজে স্থাপিত ছাত্রাবাস, একাডেমিক ভবন ও ছাত্রীনিবাসের নাম থেকেও বাদ দেওয়া হয়েছে শেখ হাসিনা, শেখ কামাল, শেখ রাসেল, বঙ্গমাতা ফজিলাতুন্নেছা মুজিব, ডা. ওয়াজেদ মিয়াসহ অনেকের নাম।

    এরমধ্যে বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজের ‘শেখ হাসিনা ছাত্রীনিবাস’ এখন থেকে শুধুই ‘বরগুনা সরকারি মহিলা কলেজ ছাত্রীনিবাস’ নামে পরিচিত হবে। একইভাবে ঢাকা কলেজের ‘শেখ কামাল হল’ হয়েছে ‘বিজয় ২৪’ এবং ‘শেখ জামাল একাডেমিক ভবন’ হয়েছে ‘জুলাই ৩৬ একাডেমিক ভবন’। শরীয়তপুর সরকারি কলেজের ‘শেখ রাসেল ছাত্রাবাস’ বদলে হয়েছে ‘শহীদ মামুন ছাত্রাবাস’। তিতুমীর কলেজের ‘ড. ওয়াজেদ মিয়া বিজ্ঞান ভবন’ এখন ‘নতুন বিজ্ঞান ভবন’ নামে চালু থাকবে।

    এ ছাড়া বিভিন্ন কলেজের ‘বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রীনিবাস’-এর নামও একাধিক ক্ষেত্রে বদলানো হয়েছে। রাজবাড়ী সরকারি কলেজে এটি হয়েছে ‘তাপসী রাবেয়া ছাত্রীনিবাস’, আর দিনাজপুর সরকারি কলেজে ‘বঙ্গমাতা শেখ

    ফজিলাতুন্নেছা মুজিব ছাত্রীনিবাস’ নামটি সরিয়ে ‘ছাত্রীনিবাস-৩’ নাম নির্ধারণ করা হয়েছে।

    নরসিংদী, চাঁদপুর, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, লক্ষ্মীপুর, হবিগঞ্জ, মৌলভীবাজার, যশোর, পাবনা ও সন্দ্বীপের সরকারি কলেজগুলোর বিভিন্ন ভবনেও একই ধরনের নাম পরিবর্তন করা হয়েছে।

     

  • স্কুলে শনিবারের ছুটি বাতিল নিয়ে যা জানা গেল

    স্কুলে শনিবারের ছুটি বাতিল নিয়ে যা জানা গেল

    আগস্ট মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে শনিবার দেশের প্রাথমিক ও মাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান খোলা থাকবে, এমন একটি তথ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে। তবে এ তথ্যের কোনো সত্যতা নেই।

    এ বিষয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর জানিয়েছে, ফেসবুকে ছড়ানো বিষয়টি তাদেরও দৃষ্টিগোচর হয়েছে। তবে কীসের ভিত্তিতে এমন তথ্য ছড়ানো হয়েছে সেটি তাদের জানা নেই। এমন কোনো সিদ্ধান্ত হলে তা বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে।

    সোমবার (২৮ জুলাই) বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে মাউশির উপ-পরিচালক ইউনুছ ফারুকী বলেন, আগস্ট থেকে সাপ্তাহিক ছুটি বাতিলের যে দাবি করা হয়েছে, সেটি সম্পূর্ণ ভুয়া। এ ধরনের কোনো আলোচনা হয়নি।

    তিনি বলেন, কারা এবং কী কারণে এ ধরনের তথ্য ছড়িয়েছে সেটি বলতে পারবো না। তবে সাপ্তাহিক ছুটি কমানো হয়নি। শুক্র ও শনিবার বন্ধ থাকবে।

    প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড অপারেশনের পরিচালক মোহাম্মদ কামরুল হাসান বলেন, এমন কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। এটা মিথ্যা ও ভিত্তিহীন।