Category: শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাঙ্গন

  • নির্বাচন: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি যে নির্দেশনা

    নির্বাচন: সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে জরুরি যে নির্দেশনা

    আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট ঘিরে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে নতুন নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। ভোটকেন্দ্রের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোর শিক্ষক-কর্মচারীরা নির্বাচন কার্যক্রমে সহযোগিতা করবেন। আর বাকি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোও বন্ধ থাকবে।

     

    শনিবার মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের (মাউশি) এক কর্মকর্তা দৈনিক শিক্ষাডটকমকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

    তিনি বলেন, নির্বাচন উপলক্ষে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে ইতোমধ্যে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। যেসব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে ভোটকেন্দ্র রয়েছে সেগুলোতে সার্বিক সহযোগিতা করবেন শিক্ষক-কর্মচারীরা। বাকিগুলোর শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ থাকবে। সুষ্ঠু ভোট পরিচালনায় শিক্ষক-কর্মচারীদের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি থেকে ছুটি শুরু হবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে।

    গত ১৫ জানুয়ারি ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের আগে পর্যন্ত যেকোনো সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে নির্দেশনা দেয়া হয়।

     

    মাউশি সেসময় জানিয়েছিলো, ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট আয়োজনের সময়কালীন অর্থাৎ ১২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত বাংলাদেশে অবস্থিত যেকোনো পেশাজীবি সংগঠন বা অন্য কোন সংগঠনের নির্বাচন আয়োজন না করা সংক্রান্ত চিঠির ছায়ালিপি অবগতি ও পরবর্তী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়ার জন্য নির্দেশ করা হলো।

    শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

  • শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর

    শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে রমজানের ছুটি নিয়ে সুখবর

    মাদরাসাগুলোতে পবিত্র রমজানের ছুটি শুরু হচ্ছে আগামী ১৫ ফেব্রুয়ারি থেকে। তবে স্কুলগুলোতে এবছর ১৫ রমজান পর্যন্ত ক্লাস চলবে। এতে শিক্ষকদের মনে তৈরি হয়েছে ক্ষোভ। এ নিয়ে ক্ষুব্ধ শিক্ষকদের একটি অংশ স্কুলগুলোতে রমজানের ছুটি সমন্বয় করতে মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে (মাউশি) আবেদন করেছেন। আবেদনের প্রেক্ষিতে সুখবর আসতে পারে। ইতোমধ্যে আবেদনটি শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে।

     

    রোববার (৮ ফেব্রুয়ারি) দৈনিক শিক্ষাডটকমকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরে একজন কর্মকর্তা।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আরো জানান, রমজানের ছুটি সমন্বয় করার ব্যাপারে মন্ত্রণালয়ে চিঠি পাঠানো হয়েছে। যেহেতু মাধ্যমিকের শিক্ষার্থীরা রোজা রাখে, নামাজ পড়ে সেই বিবেচনায় যদি মন্ত্রণালয় সিদ্ধান্ত নেয়। এটা মূলত শিক্ষকদের আবেদন যা আমরা ফরোয়ার্ড করে দিয়েছি। এটা ডি-নথির মাধ্যমে পাঠানো হয়েছে। মূল বিষয় হলো রমজানে রোজা রেখে ক্লাস করা, নামাজ, তারাবির নামাজ পড়া শিক্ষকদের জন্যও কষ্টকর, শিক্ষার্থীদের জন্যও কষ্টকর। সমন্বয় বলতে মূলত বন্ধ রাখার জন্যই আবেদন করা হয়েছে। আমরা আশা করছি এটা কার্যকরও হবে, কারণ আগে এমনটাই হতো। এ বিষয়ে এখন মন্ত্রণালয় বলতে পারবে।

     

     

     

    জানা গেছে, এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ প্রত্যাশী জোটের আবেদনের প্রেক্ষিতে এ চিঠি দিয়েছে অধিদপ্তর। জোটের পক্ষ থেকে আবেদন করেন সদস্য সচিব অধ্যক্ষ দেলাওয়ার হোসেন আজিজী।

    আবেদনে গত ২৮ ডিসেম্বর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত বার্ষিক ছুটির তালিকায় পবিত্র মাহে রমজানে ৫ মার্চ পর্যন্ত প্রায় ১৫ দিন মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে খোলা রাখার নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

    এতে আরো বলা হয়, রোজা রেখে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের পক্ষে শ্রেণি কার্যক্রমে অংশগ্রহণ করা খুবই কষ্টকর। বিশেষ করে সারাদিন রোজা পালন করে সন্ধ্যায় তারাবির নামাজ আদায় করা আরও বেশি কষ্টকর। এছাড়াও মার্চ মাসের ১৩, ১৪, ২০ ও ২১ তারিখ, মে মাসের ২৯ ও ৩০ তারিখ এবং ডিসেম্বর মাসের ২৫ ও ২৬ তারিখসহ মোট আট দিনের সাপ্তাহিক ছুটিকে বার্ষিক ছুটির সঙ্গে গণনা করা হয়েছে বলে উল্লেখ করা হয়েছে।

     

    শিক্ষাসহ সব খবর সবার আগে জানতে দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেলের সঙ্গেই থাকুন। ভিডিয়োগুলো মিস করতে না চাইলে এখনই দৈনিক আমাদের বার্তার ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন এবং বেল বাটন ক্লিক করুন। বেল বাটন ক্লিক করার ফলে আপনার স্মার্ট ফোন বা কম্পিউটারে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ভিডিয়োগুলোর নোটিফিকেশন পৌঁছে যাবে।

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    পুরো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগ থেকে সহকারী শিক্ষক ও শিক্ষিকাদের পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং উচ্চতর শিক্ষাগত যোগ্যতার ভিত্তিতে অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা প্রদানের জন্য নতুন প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে। এই সিদ্ধান্ত অর্থ মন্ত্রণালয়ের পূর্বসম্মতির আলোকে কার্যকর করা হয়েছে।

    প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, দ্বিতীয় শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারী সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকারা একটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন এবং প্রথম শ্রেণির এমএড বা মাস্টার্স ডিগ্রিধারীরা দুইটি অগ্রিম বর্ধিত বেতন পাবেন। এই আদেশ ২০১৫ সালের ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের এ-সংক্রান্ত প্রজ্ঞাপনে আরও উল্লেখ করা হয়েছে, অর্থ মন্ত্রণালয়ের ৩০ অক্টোবর ২০২৪ সালের সম্মতির ভিত্তিতে (চাকরি বেতন ও ভাতা সংক্রান্ত) আদেশ, ২০১৫-এর ১২(২) নম্বর অনুচ্ছেদ এবং এডুকেশন ডিপার্টমেন্ট মেমোরেন্ডাম নম্বর ৮৩২-এর তফসিল অনুযায়ী ‘সহকারী শিক্ষক-শিক্ষিকা’ পদনাম অন্তর্ভুক্তি এবং অগ্রিম বর্ধিত বেতন সুবিধা যুক্ত করা হলো।