Category: শিক্ষাঙ্গন

শিক্ষাঙ্গন

  • এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    এইমাত্র: রোজার মাসে স্কুল ছুটি নিয়ে নতুন ঘোষণা

    রো রমজান মাসে স্কুল বন্ধ রাখতে সরকারকে আইনি নোটিশ পাঠিয়েছেন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী মো. ইলিয়াছ আলী মন্ডল। সোমবার (৫ জানুয়ারি) শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে এই নোটিশ পাঠান তিনি। নোটিশে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান। বাংলাদেশ স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকে এটিই আইন, প্রথা ও নীতি এবং ওইভাবে সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান রমজান মাসে বন্ধ থাকে।

    সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদে বলা হয়েছে, আইন ছাড়া কিছুই করা যাবে না, অনুচ্ছেদ ১৫২(১) অনুযায়ী আইন অর্থ বাংলাদেশে আইনের ক্ষমতা সম্পন্ন যেকোনো প্রথা ও রীতি। তাই প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় রমজান মাসে খোলা রাখার সরকারের বিতর্কিত সিদ্ধান্ত অসাংবিধানিক।

    নোটিশে আরও বলা হয়, প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্কুলের কোমলমতি শিশু-কিশোররা সারাদিন স্কুলে যাতায়ত করে, ক্লাস করে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হয়ে রোজা রাখবার অভ্যাস হতে দূরে থাকার সম্ভাবনা দেখা দেয়। যা ধর্মীয় আচার চর্চার অন্তরায়। এ ছাড়া রমজান মাসে স্কুল চালু রাখলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যাতে নগরবাসীকে চরম দুর্ভোগের শিকার হতে হয়, যা কারও কাম্য নয়। রমজান মাসে স্কুল বন্ধ না রাখলে হাইকোর্টে রিট করা হবে বলে নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

    সম্প্রতি ২০২৬ শিক্ষাবর্ষে দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয় এবং সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের বাৎসরিক ছুটির তালিকা প্রকাশ করা হয়েছে।

    সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে আগের বছরের তুলনায় ১২ দিন ছুটি কমানোর সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। নতুন ছুটির তালিকা অনুযায়ী, পবিত্র রমজান মাসের প্রায় পুরোটা সময় বিদ্যালয় খোলা থাকবে, যা নিয়ে শিক্ষক-অভিভাবকদের মধ্যে আলোচনা শুরু হয়েছে।

    অন্যদিকে মাধ্যমিক ও নিম্নমাধ্যমিক বিদ্যালয়ের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী, আগের বছরের তুলনায় এবার ১২ দিন ছুটি কমেছে। শবে মেরাজ, জন্মাষ্টমী, আশুরাসহ বেশ কয়েকটি দিনের ছুটি বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি পবিত্র রমজান মাসের অর্ধেকের বেশি সময় স্কুল খোলা রাখা হবে। তবে সব সরকারি ও বেসরকারি কলেজের ছুটির তালিকার তথ্য অনুযায়ী- এতে ৭২ দিন ছুটি রাখা হয়েছে। এর মধ্যে পবিত্র রমজান মাসের পুরো সময় কলেজ বন্ধ থাকবে।

  • শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    শিক্ষকদের বাড়তি বেতন-ভাতা সুবিধার নতুন প্রজ্ঞাপন জারি

    রমজান মাসজুড়ে সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। এ নির্দেশনার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রশ্ন উঠেছে—মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির প্রজ্ঞাপন কবে জারি হবে।

    সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, আদালতের নির্দেশনার অনুলিপি পাওয়ার পর শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী প্রয়োজনীয় চিঠি জারি করা হতে পারে।

    রমজানে স্কুল বন্ধ রাখা হবে, নাকি এ নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করা হবে—তা নির্ধারণে শিক্ষা মন্ত্রণালয় আলোচনায় বসতে যাচ্ছে। মন্ত্রণালয়ের একটি সূত্র জানিয়েছে, তারা নির্দেশনার বিষয়ে অবগত থাকলেও এখনো আনুষ্ঠানিক আলোচনা হয়নি। আগামী সোমবার বিষয়টি নিয়ে বৈঠক হওয়ার কথা রয়েছে। এরপর এ বিষয়ে নিজেদের অবস্থান জানানো হবে।

    রোববার দুপুরে বিচারপতি বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসান–এর সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ পুরো রমজান মাসে নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল এবং অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা।

    রিট আবেদনের মাধ্যমে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিবকে নোটিশ পাঠানো হয়।

    নোটিশে উল্লেখ করা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ নাগরিক মুসলমান এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজান মাসে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখার প্রথা চালু রয়েছে, যা আইন, নীতি ও রীতির অংশ হিসেবে বিবেচিত। সংবিধানের ৩১ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী আইন ছাড়া কিছু করা যায় না এবং ১৫২(১) অনুচ্ছেদে ‘আইন’ বলতে প্রথা ও রীতিকেও বোঝানো হয়েছে। সে বিবেচনায় রমজানে প্রাথমিক ও মাধ্যমিক বিদ্যালয় খোলা রাখার সরকারি সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক বলা হয়।

    নোটিশে আরও বলা হয়, কোমলমতি শিক্ষার্থীরা সারাদিন স্কুলে যাতায়াত ও শ্রেণিকক্ষে অংশ নিয়ে ক্লান্ত হয়ে রোজা রাখতে কষ্টের সম্মুখীন হতে পারে, ফলে ধর্মীয় অনুশীলনে বিঘ্ন ঘটার আশঙ্কা থাকে। পাশাপাশি রমজানে বিদ্যালয় খোলা থাকলে শহরাঞ্চলে তীব্র যানজট সৃষ্টি হয়ে জনদুর্ভোগ বাড়তে পারে বলেও উল্লেখ করা হয়।

    নোটিশের জবাব না পাওয়ায় পরবর্তীতে রিট দায়ের করা হয়।

  • হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    হঠাৎ সব শিক্ষা শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের জন্য জরু’রি নির্দে’শনা!

    দেশের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আর্থিক শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনতে এবং শিক্ষার্থীদের ওপর অতিরিক্ত ফির বোঝা কমাতে ‘শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের আর্থিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নীতিমালা’ জারি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। সোমবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) প্রকাশিত এই নীতিমালায় স্পষ্ট জানানো হয়েছে যে, কোনো প্রতিষ্ঠানে ইতিমধ্যে ভর্তি থাকা শিক্ষার্থীর কাছ থেকে পুনরায় ‘পুনঃভর্তি ফি’ আদায় করা যাবে না।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের এই নির্দেশনায় বলা হয়েছে, বেসরকারি স্কুল ও কলেজগুলোকে অবশ্যই ‘টিউশন ফি নীতিমালা ২০২৪’ অনুসরণ করতে হবে। নির্ধারিত টিউশন ফির বাইরে নতুন কোনো অজুহাতে বা খাত তৈরি করে বাড়তি অর্থ আদায় করা সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ। যেকোনো আর্থিক অনিয়ম বা দুর্নীতির জন্য পরিচালনা কমিটির সভাপতি এবং প্রতিষ্ঠান প্রধান যৌথভাবে দায়ী থাকবেন এবং তাদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

    আয় ব্যবস্থাপনায় স্বচ্ছতা আনতে নীতিমালায় বলা হয়েছে, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সব লেনদেন সরকারি মালিকানাধীন ব্যাংকের মাধ্যমে সম্পন্ন করতে হবে। শিক্ষার্থীদের ফি, দান বা অনুদান সরাসরি ব্যাংক হিসাব অথবা সোনালী পেমেন্ট গেটওয়ের (SPG) মাধ্যমে জমা দিতে হবে। জরুরি প্রয়োজনে নগদ অর্থ গ্রহণ করা হলেও তা দুই কর্মদিবসের মধ্যে ব্যাংকে জমা দেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।

    মন্ত্রণালয় আরও জানিয়েছে, প্রতিষ্ঠানের তহবিলের আয়-ব্যয়ের হিসাব যথাযথভাবে সংরক্ষণ করতে হবে এবং হিসাব খাতের কোনো পরিবর্তন বা নতুন খাত সংযোজন করতে হলে অবশ্যই মন্ত্রণালয়ের পূর্বানুমোদন নিতে হবে। এই নতুন নীতিমালা বাস্তবায়নের মাধ্যমে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে দীর্ঘদিনের সিন্ডিকেট ও আর্থিক অস্বচ্ছতা দূর হবে বলে আশা করা হচ্ছে।

  • সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    আসন্ন রমজান মাসে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এই নির্দেশনার পর জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত আছেন। তবে নির্দেশনার কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় কি আদালতের আদেশ মেনে স্কুল বন্ধ রাখবে, নাকি এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করবে—তা নিয়ে আগামীকাল সোমবার একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ও মাউশি থেকে চিঠি জারির বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। রিট আবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে:

    সংবিধান ও প্রথা: আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ মানুষ মুসলিম এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাই আইনগত প্রথা ও রীতিতে পরিণত হয়েছে। সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথাও আইনের অন্তর্ভুক্ত। তাই রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক হিসেবে দাবি করা হয়।

    ধর্মীয় ও শারীরিক প্রভাব: নোটিশে উল্লেখ করা হয়, স্কুল চলাকালীন দীর্ঘ সময় যাতায়াত ও ক্লাসের চাপে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রোজা রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এটি তাদের ধর্মীয় আচার চর্চায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

    নাগরিক দুর্ভোগ: রমজানে স্কুল খোলা থাকলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়।

    শিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বরাবর পাঠানো এই নোটিশের প্রেক্ষিতে আদালত পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এখন সবার দৃষ্টি আগামীকাল সোমবারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভার দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে রমজানে ক্লাসের ভবিষ্যৎ।