Category: লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

  • ব্রেইন স্ট্রো”কের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি সতর্ক সংকেত

    ব্রেইন স্ট্রো”কের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি সতর্ক সংকেত

    স্ট্রোককে বলা হয় নীরব ঘাতক। হঠাৎ করেই এটি প্রাণঘাতী হয়ে উঠতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞদের মতে, স্ট্রোক হওয়ার দুই মাস আগেই শরীর কিছু সতর্কবার্তা দিয়ে থাকে। যদি সময়মতো সেই সংকেতগুলো চিহ্নিত করে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া যায়, তবে বড় ধরনের বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    স্ট্রোকের আগাম ৬টি ইঙ্গিত হলো:

    বারবার মাথা ঘোরা ও ভারসাম্য হারানো:
    হঠাৎ মাথা ঘোরা, চোখ ঝাপসা হয়ে যাওয়া বা হাঁটার সময় ভারসাম্য হারানো মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের সমস্যার লক্ষণ হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ বাকিতে কোরবানির পশু কেনা যাবে?
    হাত-পা অসাড় হয়ে যাওয়া:
    শরীরের এক পাশের হাত বা পা হঠাৎ অসাড় হয়ে যাওয়া বা দুর্বল লাগা স্ট্রোকের সম্ভাব্য সংকেত।

    কথায় জড়তা ও অস্পষ্ট উচ্চারণ:
    হঠাৎ কথা আটকে যাওয়া বা অস্পষ্ট উচ্চারণ মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল ব্যাহত হওয়ার ইঙ্গিত বহন করে।

    দৃষ্টি ঝাপসা বা দ্বিগুণ দেখা:
    এক চোখ বা দুই চোখেই হঠাৎ দৃষ্টি সমস্যা দেখা দিলে সেটি অবহেলা করা বিপজ্জনক।

    তীব্র মাথাব্যথা:
    কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ তীব্র মাথাব্যথা শুরু হলে সেটি স্ট্রোকের আগাম সতর্কবার্তা হতে পারে।

    আরও পড়ুনঃ বাকিতে কোরবানির পশু কেনা যাবে?
    ক্লান্তি ও বিভ্রান্তি:
    শরীর অকারণে দুর্বল হয়ে পড়া, অস্বাভাবিক ক্লান্তি বা হঠাৎ স্মৃতিভ্রংশের মতো উপসর্গও স্ট্রোকের পূর্বাভাস হতে পারে।

    করণীয়: বিশেষজ্ঞরা বলছেন, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান ও স্থূলতা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়ায়।

    . তাই স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস গড়ে তোলা

    . নিয়মিত ব্যায়াম করা

    . ধূমপান ও মদ্যপান পরিহার করা

    . নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো জরুরি।

    বয়স বাড়ছে সাথে ব্রণও, জেনে নিন কারণ
    মনে রাখবেন, শরীরের ছোট ছোট সংকেত বড় বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই এসব উপসর্গ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত চিকিৎসকের শরণাপন্ন হন।

  • যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের যৌন সক্ষমতা । অনেকের দেখাযায় অতিরিক্ত মাত্রায় শারীরিক(Physical) মেলামেশা করার ফলে শুক্র সল্পতা দেখা দেয় অর্থাৎ শুক্রাণুর মাত্রা কমে যায় এবং (বীর্য) পাতলা হয়ে যায়। আপনার শরীররে যদি শুক্রাণুর(Sperm) মাত্রা কমে যায় তবে আপনি অনেক সময় সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল(Alcohol), অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন(Garlic)। কেননা সুস্থ (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

    যৌন অক্ষমতার(Sexual dysfunction) ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা(Sexual desire) ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷

    কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন(Sexual) ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন(Garlic) খুব ই কার্যকরী৷

    সেবন বিধি

    প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোষ কাঁচা রসুন(Garlic) খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ(Milk) খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।

    যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস(Amalki juice) ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। গবেষণায় প্রমাণিত এতে করে ৩ গুণ পরিমাণ শক্তি বেড়ে যায়।

    সাবধানতা

    যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন(Garlic) খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি(Allergie) ঘটাতে পারে।

    এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন(Garlic) না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন (Garlic) না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • সবুজ, লাল না কালো আঙুর-কোনটি বেশি পুষ্টিকর

    সবুজ, লাল না কালো আঙুর-কোনটি বেশি পুষ্টিকর

    সবুজ, লাল আর কালো আঙুরের মধ্যে কোনটিতে বেশি পুষ্টিগুণ রয়েছে তা নিয়ে অনেকেরই প্রশ্ন রয়েছে। ভারতীয় গণমাধ্যম আজতকে জানানো হয়েছে সেই পুষ্টিগুণের কথা। যেমন-

    লাল আঙুর: স্বাদে মিষ্টি, সঙ্গে হালকা টক ভাব আছে লাল আঙুরে। জ্যাম, জেলি বানাতে এই আঙুর ব্যবহৃত হয়। ক্যালরি, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ প্রায় সবুজ আঙুরের সমান। কেবল প্রোটিনের পরিমাণ একটু কম। এক কাপে গড়ে ১.১ গ্রাম প্রোটিন থাকে। ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে–এর ভালো উৎস লাল আঙুর। পাশাপাশি এতে রেসভেরাট্রল নামে এক ধরনের অ্যান্টি–অক্সিডেন্ট থাকে। এই উপাদান প্রদাহ কমায়, হৃৎপিণ্ড ভালো রাখে, এমনকি বেশ কিছু ক্যানসারও দূরে রাখে।

    কালো আঙুর: সব আঙুরের তুলনায় কালো আঙুরে পুষ্টিগুণ একটু বেশি। গাঢ় রঙের এই আঙুর বেশ মিষ্টি আর রসালো। ক্যালরি, প্রোটিন, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ লাল আঙুরের সমানই। একই রকম ভাবে এই আঙুর ভিটামিন সি, ভিটামিন কে ও রেসভেরাট্রল সরবরাহ করে। এমনি খাওয়ার পাশাপাশি এই আঙুর সালাদসহ বিভিন্ন ডেজার্টে ব্যবহৃত হয়

    পুষ্টিগুণে কোনটি এগিয়ে?

    সবুজ, কালো, লাল—তিন রঙের আঙুরই খাদ্য উপাদানে প্রায় সমানে সমান। তিনটিতেই ক্যালরি, ফ্যাট ও কার্বোহাইড্রেটের পরিমাণ সমান। প্রোটিনের পরিমাণে সবুজ আঙুরে একটু বেশি। তবে উপকারিতার দিক দিয়েএকটু পিছিয়ে এই আঙুর। কারণ, তিন আঙুরই ভিটামিন সি ও ভিটামিন কে-এর জোগান দেয়। কিন্তু কালো ও লাল আঙুরে এর বাইরেও তিন ধরনের পলিফেনলস, ফেনোলিক অ্যাসিড, ফ্লেভানয়েড ও রেসভেরাট্রল রয়েছে। এর মধ্যে বিশেষ করে রেসভেরাট্রল শরীরের জন্য বেশ উপকারী। পুষ্টিগুণে লাল ও কালো আঙুরকে সবুজের তুলনায় খানিকটা এগিয়েই রাখতে হয়। তবে যেকোনও আঙুর খাওয়াই শরীরের জন্য উপকারী।

  • প্রাকৃতিক ওষুধ ইসবগুলের নানান উপকারিতা

    প্রাকৃতিক ওষুধ ইসবগুলের নানান উপকারিতা

    ইসবগুলকে বলা হয় প্রাকৃতিক ওষুধ। এটি দ্রুত পেট পরিষ্কার করে এবং শরীরের বিভিন্ন অঙ্গপ্রত্যঙ্গ সুস্থ রাখতে বিশেষ ভূমিকা রাখে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ইসবগুল গরম পানিতে গুলে খেলে শরীর থেকে ক্ষতিকর কোলেস্টেরল দূর হয়।

    ইসবগুলের ভুসি কী

    ইসবগুলের ভুসি মূলত সাইলিয়াম (প্ল্যান্টাগো ওভাটা) বীজের খোসা, যা দ্রবণীয় ফাইবারে ভরপুর। এটি রেচক বা ল্যাক্সেটিভ হিসেবে পরিচিত। গবেষণায় প্রমাণিত, এটি হার্ট ও অগ্নাশয় সুস্থ রাখতে সহায়তা করে।

    খাওয়ার নিয়ম

    .প্রথমে দিনে একবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে।

    .ধীরে ধীরে দিনে ২-৩ বার খাওয়া যেতে পারে।

    .এক গ্লাস গরম পানিতে ১ টেবিল চামচ ইসবগুল মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেতে হবে।

    .রাতে খেলে কোষ্ঠকাঠিন্য প্রতিরোধে বেশি উপকারী।

    পুষ্টিগুণ

    ১ টেবিল চামচ ইসবগুলে থাকে—

    ৫৩% ক্যালোরি

    ১৫ মিলিগ্রাম সোডিয়াম

    ১৫ গ্রাম শর্করা

    ৩০ মিলিগ্রাম ক্যালসিয়াম

    ০.৯ মিলিগ্রাম আয়রন

    কোনো ফ্যাট নেই, তাই ক্ষতিকর প্রভাব ফেলে না।

    ইসবগুলের উপকারিতা

    কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে: অন্ত্রে একটি স্তর তৈরি করে যা ক্ষতিকর কোলেস্টেরল শোষণ হতে বাধা দেয়। ফলে তা মলের সঙ্গে বেরিয়ে যায়।

    কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে: পেট পরিষ্কার রাখে ও আলসারজনিত ব্যথা কমায়।

    প্রস্রাবের জ্বালাপোড়া কমায়: আখের গুড়ের সঙ্গে খেলে দ্রুত আরাম মেলে।

    গ্যাস্ট্রিক প্রতিরোধ করে: পাকস্থলীতে প্রতিরক্ষামূলক স্তর তৈরি করে, অ্যাসিডিটি কমায়।

    ডায়রিয়া নিয়ন্ত্রণে: দইয়ের সঙ্গে খেলে তরল মল শক্ত হয় ও দ্রুত আরোগ্য ঘটে।

    হার্ট ভালো রাখে: রক্তের কোলেস্টেরল কমায়, ধমনী ব্লক হওয়ার ঝুঁকি হ্রাস করে।

    ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে: রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা হঠাৎ বেড়ে যাওয়া রোধ করে।

    ওজন কমাতে সাহায্য করে: দীর্ঘক্ষণ পেট ভরা রাখে, অতিরিক্ত খাওয়ার প্রবণতা কমায়।

    খাওয়ার সঠিক নিয়ম

    .অবশ্যই পর্যাপ্ত পানির সঙ্গে খেতে হবে।

    .এক গ্লাস পানিতে এক চামচ ভুসি মিশিয়ে সঙ্গে সঙ্গে খেয়ে ফেলতে হবে।

    .পানি বা শরবতের সঙ্গেও খাওয়া যেতে পারে।

    নিয়মিত ও সঠিকভাবে ইসবগুলের ভুসি খেলে পাচন সমস্যা, কোলেস্টেরল, উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে রাখা সম্ভব।