তীব্র গরম অথবা বাতাসে আর্দ্রতাজনিত অস্বস্তি থাকলে ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। সাধারণত ঘামের মাধ্যমে শরীরে জমা টক্সিন বা দূষিত পদার্থ বেরিয়ে যায়। কিন্তু ঘাম বের হওয়ারও একটা মাত্রা থাকতে হয়। অকারণে অস্বাভাবিক হারে ঘাম হলে তা জটিল কোনো রোগের উপসর্গ বলে ধরে নেওয়া হয়।
শিশু বা প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে অতিরিক্ত ঘামঝরার পেছনে ভিটামিন ডি–এর ঘাটতি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে, বিশেষ করে মাথায় ঘাম বেশি হলে। তবে ভিটামিন ডি ঘাটতির অন্যতম লক্ষণ হিসেবে নবজাতকদের ক্ষেত্রে মাথায় অতিরিক্ত ঘামকে ধরা হয়।
এছাড়া, ভিটামিন বি–এর অভাব (বিশেষ করে বি১ বা থায়ামিন) থেকেও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে, কারণ এটি স্নায়ুতন্ত্রের কার্যক্রমে প্রভাব ফেলে। আবার
ভয়, উদ্বেগ বা আতঙ্ক থেকেও অনেক সময়ে ঘাম হয়। তবে চিকিৎসকেরা বলছেন, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলেই এই উপসর্গটি প্রকট হয়ে ওঠে।
অতিরিক্ত ঘাম ছাড়া এই ভিটামনের অভাবে আর কী কী লক্ষণ প্রকাশ পায়?
হাড়ের ক্ষয়
হাড় মজবুত ও শক্তিশালী রাখতে প্রয়োজন পর্যাপ্ত ক্যালসিয়াম। যার জোগান দেয় ভিটামিন ডি। তবে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি থাকলে ক্যালসিয়ামের অভাবে হাড় ভিতর থেকে ক্ষয়ে যেতে থাকে।
অত্যধিক ক্লান্তি
শরীরে ভিটামিন ডি-র অভাবে ঘটলে সব সময়ে একটা ক্লান্তি ঘিরে থাকে। অতি অল্প পরিশ্রমেই ক্লান্ত হয়ে পড়ার প্রবণতা দেখা যায়।
ওজন বৃদ্ধি
হু হু করে ওজন বাড়ার একটি বড় কারণ কিন্তু হতে পারে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। শরীরে পরিমাণ মতো ভিটামিন ডি-র অভাব ঘটলে বাড়তে পারে ওজন।
চুল পড়া
মূলত পর্যাপ্ত পুষ্টির অভাবেই চুল পড়ে। কিন্তু চুল পড়ার আরও একটি কারণ হলো ভিটামিন ডি-র ঘাটতি। ভিটামিন ডি চুল ভালো রাখতে ব্যাপক সাহায্য করে। ফলে শরীরে ভিটামিন ডি যদি কোনো কারণে কমে যায়, তার একটি লক্ষণ হতে পারে চুল ঝরা।
ক্ষত শুকোতে দেরি হওয়া
ভিটামিন ডি শরীরের যেকোনো ক্ষত দ্রুত শুকাতে সাহায্য করে। দীর্ঘদিন ধরে যদি কোনো ক্ষতস্থান না শুকোয়, তা হলে ধরে নেওয়া যেতে পারে শরীরে ভিটামিন ডি-র ঘাটতি তৈরি হয়েছে।
তবে ভিটামিনের ঘাটতি ছাড়াও অতিরিক্ত ঘাম হতে পারে নানা কারণে—যেমন হরমোনজনিত সমস্যা, ইনফেকশন, মানসিক চাপ বা হাইপারহাইড্রোসিস।
Category: লাইফস্টাইল
লাইফস্টাইল
-
কোন ভি’টামিনের অভাবে অতিরিক্ত ঘাম ঝরে, জেনে নিন
-
যে ছয় বদভ্যাসে নিজেই কমিয়ে ফেলছেন শুক্রাণুর ক্ষমতা!
বেশ কিছু বদভ্যাস শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়। বিজ্ঞা’নীরা গবে’ষণা করে দেখেছেন, মানুষের কিছু বদ গুণ আখেরে যৌ’ন জীবনকেই অখুশি করে তোলে। জেনে নিন, কী কী বদগুণ মানুষের শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমিয়ে দেয়।
১.কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কস অর্থাৎ ঠাণ্ডা পানীয় কিংবা অত্যধিক বিয়ার পান আপনার শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমিয়ে দিতে পারে। কার্বোনেটেড ড্রিঙ্কসে অত্যধিক চিনির পরিমাণই যার কারণ। এর ফলে রক্তে ইনসুলিনের পরিমাণ বেড়ে যায়।
২.মোবাইল ফোন প্যান্টের পকেটে রাখাও ক্ষতিকর। রেডিয়েশনের প্রভাবে শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমে যেতে পারে। অনেকেই চুরি যাওয়ার ভয়ে ফোন জামার পকেটে রাখেন না। বিজ্ঞানীরা বলছেন, প্যান্টের পকেটে ফোন রাখা আরও ক্ষতিকর।
৩.অনেকেই গাড়িতে যেতে যেতে কোলের উপর ল্যাপটপ নিয়ে কাজ করেন। যা মারা’ত্মক ক্ষ’তিকর। এতে মহিলাদের পেটে থাকা বাচ্চা’র ক্ষতি হতে পারে। পুরু’ষদের ক্ষেত্রে ক্ষতি হবে পারে শুক্রা’ণুর। কমে যেতে পারে তাঁর ক্ষ’মতা।
৪.গরম জলে স্নান করা একদম উচিত নয়। গরম তাপমাত্রায় শুক্রা’ণুর ক্ষ’মতা কমে যাওয়ার সম্ভাবনা। ৫. শরীর ক্লান্ত। চাই ঘুম। কিন্তু আপনার ঘুম কম। দিনে অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুম না হলে শুক্রা’ণুতে এর প্রভাব পড়ে।
৬. টাইট জিন্স পরলেও শুক্রা’ণুর ক্ষমতা কমতে পারে। তাই ক্যাজুয়াল পরাই বাঞ্ছনীয়। একজন পু’রুষ দু’ধের সাথে যা মি’শিয়ে খেলে সারা রা’ত পাবেন শ’ক্তি
১*গবেষণায় দেখা গিয়েছে, রেড ওয়াইন সে’ক্স ড্রাইভকে উ’ত্তেজিত করতে ভীষণ পরিমাণে সাহায্য করে৷ রেড ওয়াইন রক্তপ্রবাহকে বাড়াতে সাহায্য করে৷ ফলে, কা’ম উদ্দীপনা বৃদ্ধি পায়৷৷
২* যৌ’ন চা’হিদা বাড়াতে ম্যাসাজ এক উল্লেখযোগ্য পদ্ধতি৷ মানসিক চাপ, বা দুশ্চিন্তার কারণে আবসাদগ্রস্থ হলে আপনি আপনার সঙ্গীকে ম্যা’সাজ দিতেই পারেন৷ তবে, ম্যাসাজ দেয়ার সময় ঘরের আলো কম করে দিন৷ এটি যৌ’ন চাহিদা বাড়াতে সাহায্য করবে ৷
৩* আপনার স’ঙ্গীর যদি যৌ’ন ইচ্ছে হারিয়ে যেতে থাকে, তবে নিজেকে শান্ত রাখুন৷ তাকে বুঝতে সময় নিন এবং নিজের মনের কথা তাকে বুঝিয়ে বলুন৷ এছাড়াও এমন হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন ৷
৪*বিশেষ কিছু খাবার পু’রুষের কা’মশক্তি বাড়াতে স’ক্ষম যেমন টমেটো, ব্রকোলি, ডালিমের রস ইত্যাদি৷ অন্যদিকে জাঙ্কফুড, বেকড খাবার ও দুধ জাতীয় খাবার কা’মশক্তিকে মেরে ফেলে৷
৫* নারী এবং পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই অ্যারোবিক এক্সারসাইজ গুরুত্বপূর্ণ৷ এটি শরীরের যৌ’ন অ’ঙ্গে রক্তচলাচল বৃদ্ধি করে৷
৬* যৌ’নক্ষ,মতা বৃ’দ্ধি করার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ উপায় ফিটনেস৷ এটি পুরুষের ক্ষেত্রে বিশেষ প্রয়োজনীয়৷ এতে শুধু আপনি সুস্থ থাকবেন তা নয়, শরীরে ফ্যাট টে’স্টোটেরন উৎপাদনে বাধা দেয়৷ এছাড়াও পুরুষের পেটের চর্বি টেস্টোস্টেরণকে শোষণ করে নেয় ৷
৭* যদি আপনি একটি রোমান্টিক সন্ধে কাটাতে চান, তবে কফি ও চকলেট কার্যকরী ভূমিকা পালন করতে পারে৷ কারণ, এই দু’টি খাবারে রয়েছে কা’মোদ্দীপক উপাদান৷ চকলেট, কফি মেজাজ ভালো রাখে, এন্ডরফিন ক্ষরণে সাহায্য করে, শক্তি প্রদান করে এবং শা’রীরিক দী’র্ঘস্থায়িত্ব বৃদ্ধি করে।
নিউজটি শেয়ার করার অনুরোধ রইলো
-
শা’রীরিক ক্ষ’মতা ১০ গুন বা’ড়িয়ে তুলতে যা খাবেন
আমাদের রান্নাঘরে মশলার তালিকায় ‘কালোজিরা’র উপস্থিতি অতি অবশ্যই লক্ষ্য করা যায়।
প্রায় সবরকম ত্রি তরকারি থেকে শুরু করে অম্বল জাতীয় পদেও এই বিশেষ মশলাটি ব্যবহৃত হতে দেখা যায়।
কালোজিরা আমাদের যৌ’নক্ষমতাকে বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে। তার আগে আসুন দেখি কালোজিরা তে কী কী উপাদান আছে সেদিকে একবার চোখ বোলাই।কালোজিরার মধ্যে রয়েছে ফসফেট, লৌহ,ফসফরাস, কার্বো-হাইড্রেট ছাড়াও জীবাণু নাশক বিভিন্ন উপাদান সমূহ।
কালোজিরার রয়েছে ক্যন্সার প্রতিরোধক কেরোটিন ও শক্তিশালী হর্মোন, প্রস্রাব সংক্রান্ত বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধকারী উপাদান, পাচক এনজাইম ও অম্লনাশক উপাদান এবং অম্লরোগের প্রতিষেধক।
যেসমস্ত পুরুষ বা নারী যৌ’ন দুর্বলতায়ভোগেন তাদের জন্য কালোজিরা ভীষণ ভাবে উপকারী। তবে এর জন্য আপনাকে একটি বিশেষ ধরনের মিশ্রণ তৈরি করতে হবে।
কালোজিরা চুর্ণ ও অলিভ অয়েল, ৫০ গ্রাম হেলেঞ্চার রস ও ২০০ গ্রাম খাটি মধু একত্রে মিশিয়ে সকালে ব্রেকফাস্টের পর এক চামচ করে খান। ফল পাবেন হাতেনাতে।
-
মুখ অতিরিক্ত ঘামে কেন, এর সমাধান কী? জানালেন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক
ঘাম শরীরের স্বাভাবিক একটি প্রক্রিয়া। গরমে বা তীব্র গরমের সময় শরীর ঘামলে তা কিছুক্ষণ পর শরীরকে ঠান্ডা করে। এ জন্য ঘামকে শরীর ঠান্ডা করার জন্য তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণের রূপকও বলা হয়। কিন্তু সেই ঘাম যদি অতিরিক্ত হয় তাহলে তা চিন্তার বিষয়। স্বাভাবিকের থেকে বেশি ঘাম হওয়াকে চিকিৎসা বিজ্ঞানে হাইপারহাইড্রোসিস বলা হয়।
ঘাম পুরো শরীর বা শরীরের নির্দিষ্ট কিছু অংশে হতে পারে। গরমের সময় ব্যায়াম করলে বেশি ঘাম হওয়া স্বাভাবিক। আবার কোনো ওষুধ সেবনের কারণে পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া থেকেও বেশি ঘাম হতে পারে―যা খুব কম সংখ্যক মানুষের ক্ষেত্রে দেখা যায়। তবে কোনো কারণ ছাড়াই অতিরিক্ত ঘাম স্পষ্টতই অস্বাভাবিক।
এ ব্যাপারে কথা বলেছেন ভারতের স্কিন ক্রাফট ল্যাবসের প্রধান ডা. কোস্তভ গুহ। তিনি ব্যাখ্যা করেছেন, অনেকেই অতিরিক্ত ঘাম নিয়ে চিন্তিত। ঘাম সাধারণত ভালো নয়। এরপরও শরীরের স্বাভাবিক তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ঘামের প্রবণতা থাকলে হাইপারহাইড্রোসিসের সমস্যা থাকতে পারে।
এ চিকিৎসক বলেন, মুখ ও মাথা ঘামার অর্থ হচ্ছে ক্রেনিওফেইশল হাইপারহাইড্রোসিস। এ জন্য শরীর থেকে ঘাম বের হয়ে শীতল হয়, তাপমাত্রা কমে যায় কিন্তু হাইপারহাইড্রোসিস হলে কোনো কারণ ছাড়াই বেশি ঘাম হয়। এমনকি শরীর ঠান্ডা করারও প্রয়োজন হয় না। শতকরা প্রায় দুই-তিনজন এই সমস্যায় ভোগে থাকেন।
অতিরিক্ত ঘাম হওয়ার কারণ:
এ ব্যাপারে চিকিৎসক কোস্তভ বলেন, হাইপারহাইড্রোসিস ছাড়াও বংশগত, দীর্ঘ ঘামগ্রন্থি, আবহাওয়ার পরিস্থিতি, অতি আবেগ, নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ এবং চিকিৎসাগত কারণেও মুখ ও মাথায় অস্বাভাবিক ঘাম হতে পারে।ভারতের পুনেতে অবস্থিত কোরেগাঁও পার্কের ত্বক বিশেষজ্ঞ ডা. হিতাশা পাতিল একটি তালিকায় হাইপারহাইড্রোসিসের কিছু সাধারণ লক্ষণ সম্পর্কে জানিয়েছেন। এতে তিনি বলেন, সাধারণ লক্ষণগুলোর মধ্যে হাতের তালু, পায়ের তলা, বাহুমূল ও মুখ ঘামা। মুখ অতিরিক্ত ঘামার কারণ হচ্ছে একক্রিন গ্রন্থির অতিরিক্ত উত্তেজনা। অধিকাংশ ক্ষেত্রেই এর নির্দিষ্ট কোনো কারণ থাকে না। যদিও এটি বংশগত হতে পারে। আবার কখনো উদ্বেগ, মাদকদ্রব্যের অপব্যবহার, মেনোপেজ, ইনসুলিন, পাইলোকারপাইন ইত্যাদি ওষুধজনিত কারণেও হতে পারে।
অতিরিক্ত ঘাম বন্ধের উপায়:
অতিরিক্ত ঘাম ক্ষতিকর নয়। তবে এটি ব্যক্তির আত্মসম্মান কমায় এবং কখনো বিব্রতবোধের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। কখনো এটি সম্পর্কে প্রভাব ফেলে এবং জীবনযাত্রার মান হ্রাস করে। এ জন্য এর চিকিৎসা প্রয়োজন। ডা. হিতাশা পাতিল মুখের অতিরিক্ত ঘাম কমাতে পারে এমন কয়েকটি উপায় জানিয়েছেন।অ্যালুমিনিয়াম ক্লোরাইডযুক্ত অ্যান্টিপারস্পাইরেন্ট ব্যবহার করা। বোটক্স ঘামগ্রন্থির স্নায়ুকে নিষ্ক্রিয় করে। যা প্রায় ৮ মাস বা এরও বেশি সময় স্থায়ী হয়। অ্যান্টিকোলিনার্জিক ওষুধ সেবন করতে পারেন, এটি মুখের ঘাম নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করতে পারে। বিষণ্নতা ও উদ্বেগের মতো অবস্থা কাটিয়ে তুলতে ব্যবহৃত ওষুধও অতিরিক্ত ঘাম সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত ঘাম নিয়ন্ত্রণের কার্যকর উপায় হচ্ছে পাউডার ব্যবহার করা। এছাড়া সবশেষ উপায় হচ্ছে সার্জারির মাধ্যমে স্নায়ু কেটে ফেলা।