Category: লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

  • আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে

    আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে

    আপনার হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে – মানুষের হাত দিয়ে নাকি তার স’ম্পর্কে তথ্য পাওয়া যায়। এর মানে এই দাঁড়ালো যে আপনার হাতই বলে দেবে আপনি মানুষটা কেমন। আসলে হাত হচ্ছে আয়ানার মত। আপনি যেমন আপনার হাত ঠিক সেটাই দেখাবে। জ্যোতিষীরা চেষ্টা করে মানুষের হাতের রেখা বিচার করে তার স’ম্পর্কে ভাল মন্দ বলে দেবার।

    M

    আপনিও হয়তো কম বেশী হাতের বিভিন্ন রেখার নাম যেমন, হৃদয় রেখা,a আয়ু রেখা, ভাগ্য রেখা ইত্যাদি। এত এত রেখার মাঝে আপনি কি কখনো নিজের হাতের তালুর মাঝে M এর মত করে রেখার সন্ধান পেয়েছেন? এবার আমরা হাত দেখেই মানুষ চিনতে পারবো তার হাফভাব জানতে পারবো যদি আপনার হাতে । M থাকে তাহলেই কেল্লোফতে! আপনার চিন্তায় কি এসেছে যে আমার হাতে M আছে নাকি যদি থাকে তাহলে আপনি স্পেশাল!

    পুরুষের হাতে M থাকলে অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিমান,জানবেন অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ,চাকরি নয় যে কোনও উদ্যোগে সাফল্য পাবেন,মেয়ে যদি প্রেমে পড়েন তবে স’ম্পর্কের ভবিষ্যত্‍‌ নিয়ে চিন্তা থাকে না! কাউকে প্রতারিত করেন না তাই চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়!মহিলাদের হাতে যদি M থাকে তাহলে তিনি পুরুষের থেকেও ক্ষমতাশালী ‘হতে পারেন!প্রেমিকা দু জনের হাতেই M থাকে সেটা রাজযোটক তাহলেও সে ক্ষেত্রেও সাফল্যের দিক থেকে মেয়েটিই এগিয়ে থাকবে! M থাকা ছেলে, মেয়ে যে কোনও পরিস্থিতিতে নিজেকে সহজেই খাপ খাইয়ে নিতে পারেন!

    সফল্যের জন্য নিজের মধ্যে প্রয়োজনীয় পরিবর্তনও এঁরা করতে পারেন!তাই M থকলে নিজের উপরে আস্থা রাখু’ন সাফল্য আপনার কাছে আসবেই! এমন যদি থেকেই থাকে, নিশ্চিত ভাবেই আপনি এক্সট্রাঅর্ডিনারি। এ কথাটি আমা’দের নয়, এমনটাই মনে করেন প্রখ্যাত জ্যোতিষীরা। জ্যোতিষ শাস্ত্র মতে জ্যোতিষীরা মনে করেন যদি কোন পুরুষ মানুষের হাতে ছবিতে উল্লেখ করার মত করে M আকৃতির রেখা থাকে তাহলে সেই পুরুষ খুবই প্রতিশ্রুতিবান।

    এদের মধ্যে প্রচণ্ড অনুভূতি কাজ করে। যে কোন কাজে উদ্যোগ নেওয়া এবং সে কাজে সফল হওয়া যেন এদের সহজাত বৈশিষ্ট্য। আপনাকে অংশীদার করে কেও ব্যবসায় করলেও তার জন্য লাভবান। আপনি যদি কোন মেয়ে হন এবং এমন রেখার হাতের কোন পুরুষের সাথে আপনার স’ম্পর্ক থাকে তাহলে এ স’ম্পর্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে দুশ্চিন্তা করা ছেড়ে দেন। প্রতারণা এদের শত্রু তাই চোখ বন্ধ করে এদের কাঁধে মাথা রাখেন জীবনের বাকি সময়টুকুর জন্য।

    এ ধরনের পুরুষ কোন ভাবেই নিজের কাছের মানুষটির কাছে মিথ্যা বলেন না। প্রতারণা করেন না। কোন কিছু থেকে পার পেতে অকারনে কোন প্রকারের অজুহাত দাড় করান না। যদি এই একই বিষয় কোন মহিলার হাতে থাকে তাহলে তিনি যে কোন পুরুষের থেকে অনেক অনেক বেশী ক্ষমতাশালী হয়ে থাকেন।

    রোমান্সে পরিপূর্ণ এই ওয়েব সিরিজ, ভুলেও পরিবারের সামনে দেখবেন না

    এমনও যদি হয় যে, প্রেমিক প্রেমিকার দুজনের হাতেই এমন সৌভাগ্যর রেখা M থেকে থাকে তাহলেও দেখা যায় যে মেয়েটির ক্ষমতা ছেলেটির থেকে বেশী। M আকৃতির রেখা সহ যে কোন ছেলে মেয়ে যে কোন সময় যে কোন পরিস্থিতিতে খুব সহজেই খাপ খাইয়ে চলতে পারে। যে কোন প্রকারের সাফল্য অর্জনের জন্য এরা যে কোন ভাবে নিজেদের মাঝে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন ঘটাতে পারে।

  • চশমাকে বিদায়! চোখের ড্রপেই ফিরবে হারানো দৃষ্টিশক্তি

    চশমাকে বিদায়! চোখের ড্রপেই ফিরবে হারানো দৃষ্টিশক্তি

    বিশেষ ধরনের চোখের ড্রপ তৈরি করেছেন বিজ্ঞানীরা। ড্রপটি ব্যবহারের ফলে স্বল্প দৃষ্টিশক্তির মানুষ চশমা ছাড়াই যেকোনো লেখা পড়তে পারবেন। ফলে বয়সের কারণে হওয়া দৃষ্টি সমস্যা সহজেই সমাধান করা যাবে। সম্প্রতি ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে অনুষ্ঠিত ইউরোপিয়ান সোসাইটি অব ক্যাটারাক্ট অ্যান্ড রিফ্র্যাক্টিভ সার্জনস কংগ্রেসে এ বিষয়ে গবেষণা ফলাফল উপস্থাপন করেছে আর্জেন্টিনার সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ফর প্রেসবায়োপিয়া

    সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ফর প্রেসবায়োপিয়ার গবেষণায় দেখা গেছে, ড্রপটি ব্যবহারের পর অংশগ্রহণকারীদের দৃষ্টিশক্তির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে। এই উন্নতি দুই বছর পর্যন্ত স্থায়ী ছিল। গবেষণায় আর্জেন্টিনার ৭৬৬ জন ব্যক্তি প্রতিদিন দুইবার পিলোকারপিন ও ডাইক্লোফেনাকযুক্ত চোখের ড্রপটি ব্যবহার করেন। ড্রপটি ব্যবহারের মাত্র এক ঘণ্টা পর আই চার্ট নামের দৃষ্টি পরীক্ষায় গড়ে ৩.৪৫ লাইন পর্যন্ত উন্নতি দেখা গেছে অংশগ্রহণকারীদের।

    সাধারণত ৪০ বছর বা তার বেশি বয়সীদের মধ্যে প্রেসবায়োপিয়া দেখা যায়। চোখের লেন্স কম নমনীয় হয়ে গেলে এমন সমস্যা দেখা দেয়। সমস্যার কারণে কাছের জিনিসে ফোকাস করতে অসুবিধা হয়। চশমা ব্যবহার করে বা অস্ত্রোপচারের মাধ্যমে এই সমস্যার সমাধান করা হয়ে থাকে। নতুন চোখের ড্রপটি এই সমস্যা সহজেই সমাধান করবে।

    আর্জেন্টিনার সেন্টার ফর অ্যাডভান্সড রিসার্চ ফর প্রেসবায়োপিয়ার পরিচালক জিওভানা বেনোজি জানান, গবেষণার ফলাফলে সব গ্রুপের ক্ষেত্রে দ্রুত ও টেকসই উন্নতির প্রমাণ দেখা গেছে। পিলোকারপিনের গ্রুপে ৯৯ শতাংশ রোগী আশানুরূপ ফল পেয়েছে। তবে ড্রপটির কিছু পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া আছে। আর তাই ড্রপটি ব্যবহারের সময় সাময়িক ঝাপসা দেখা, চোখ জ্বালা করা ও মাথাব্যথা হয়েছে অনেকের।

  • শ’রীরের যে সমস্যা থাকলে ভুলেও রসুন খাবেন না, জেনে নিন

    শ’রীরের যে সমস্যা থাকলে ভুলেও রসুন খাবেন না, জেনে নিন

    শ’রীরের যে সমস্যা থাকলে ভুলেও রসুন খাবেন না, জেনে নিন
    রসুন আমাদের শরীরের জন্য নানাভাবে উপকার বয়ে আনে। বেশিরভাগ বাড়িতেই রসুনের ব্যবহার হয়ে থাকে। রসুনের স্বাদ ও সুগন্ধের জন্য প্রচুর পরিমাণে মানুষ রসুন খেতে পছন্দ করেন।

    তবে রসুনের মধ্যে এমন কয়েকটি বড় গুণ আছে যার জন্যই রসুনকে ওষুধের মত ব্যবহার করা হয়ে থাকে। রসুনের ব্যবহার বিশেষত আমিষ রান্নাতেই হয়ে থাকে। যেমন- মাছ, মাংস, ডিম, আচার, সস, পিৎজা, পাস্তা ইত্যাদি।

    এক কথায় রসুনকে বলা যেতে পারে সর্বগুণ সম্পন্ন। অনেক বড় বড় গুণ আছে যা কঠিন ব্যাধি থেকে মুক্তি দিতে পারে। তবুও বেশ কিছু ক্ষেত্রে রসুন খেলে বিরাট সমস্যা হতে পারে।

    একনজরে জেনে নেওয়া যাক কাদের রসুন খাওয়া উচিৎ নয়-

    যাদের কয়েকদিন ছাড়া ছাড়া অ্যাসিডির সমস্যায় ভুগতে হয়। তাদের রসুনের সেবন করাটা মোটেই উচিৎ নয়। এতে সমস্যা কমার বদলে বেড়েই যাবে।

    পেটের অবস্থা যাদের ভাল নয়, অর্থাৎ হজমশক্তি দুর্বল, তারা মোটেই রসুন খাবেন না। সমস্যা বাড়বে এমনভাবে, বুঝতেই পারবেন না।

    যাদের ঘামের গন্ধ আছে তারা ভুলেও রসুন খাবেন না। যারা রক্ত তরল করার ওষুধ খান তারাও রসুন খাওয়া থেকে বিরত থাকবেন।

    যারা গ্যাস্ট্রো সমস্যায় ভুগছেন, তাদের অল্প পরিমাণে রসুন খাওয়া দরকার। তাই সামান্য পরিমাণে রসুন খেলে সবদিকই বজায় থাকবে।

    একজন মানুষকে ঠিক কতখানি রসুন খেতে হবে। এর কোনও বিশেষ পরিমাপ নেই। তবে রিসার্চ বলছে প্রতিদিন ৩ থেকে ৬ গ্রাম রসুন শরীরের পক্ষে ভাল।

  • পুরুষের যৌ’ন হরমোন টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যে ১২টি খাবার!

    পুরুষের যৌ’ন হরমোন টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যে ১২টি খাবার!

    বয়স ত্রিশ পেরোনোর পর পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি কামবাসনা কমে যাওয়া, লিঙ্গোত্থানে সমস্যা, খারাপ মেজাজসহ মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

    তবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কিছু খাবার খাওয়ার অভ্যাস করলেই উপকৃত হওয়া যায়।

    পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্য করে এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হয়। এই প্রতিবেদনে ওই খাবারগুলোর নাম উল্লেখ করা হলো।

    মধু

    মধুতে আছে প্রাকৃতিক নিরাময়কারী উপাদান বোরোন। এই খনিজ উপাদান টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে এবং নাইট্রিক অক্সাইডের মাত্রা ঠিক রাখে। যা ধমনী সম্প্রসারণ করে লিঙ্গোত্থানে শক্তি সঞ্চার করে।

    বাঁধাকপি

    এই সবজিতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ও খনিজ উপাদান। আরও আছে ইনডোল থ্রি-কার্বিনল। এই উপাদান স্ত্রী হরমোন ওয়েস্ট্রজেনের পরিমাণ কমিয়ে টেস্টোস্টেরন বেশি কার্যকর করে তোলে।

    রসুন

    রসুনের আলিসিন যৌগ মানসিক চাপের হরমোন করটিসলের মাত্রা কমাতে সাহায্য করে। ফলে টেস্টোস্টেরন ভালোমতো কাজ করে। ভালো ফল পেতে রসুন কাঁচা খাওয়ার অভ্যেস করুন।

    ডিম

    ডিমে আছে স্যাচারেইটেড ফ্যাট, ওমেগা থ্রিএস, ভিটামিন ডি, কলেস্টেরল এবং প্রোটিন। টেস্টোস্টেরন হরমোন তৈরির জন্য এই  উপাদানগুলো জরুরি।

    কলা

    এই ফলের ব্রোমেলেইন এনজাইম টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়াতে সাহায্য করে। আর দীর্ঘ সময় ধরে শক্তি সরবরাহের উৎস হিসেবে কাজ করে।

    কাঠবাদাম

    নারী এবং পুরুষ উভয়ের ‘সেক্স ড্রাইভ’য়ের জন্য প্রতিদিন এক মুঠ কাঠবাদাম যথেষ্ট। এই বাদামে রয়েছে জিঙ্ক যা টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ায় আর কামবাসনা বৃদ্ধি করে।

    ঝিনুক

    টেস্টোস্টেরন তৈরিতে জিংক গুরুত্বপূর্ণ। ঝিনুকে রয়েছে প্রচুর পরিমাণ খনিজ উপাদান। যা টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বাড়াতে সাহায্য করে।

    ঝিনুক পছন্দ না, তাহলে বিকল্প হতে পারে চিজ বা পনির। বিশেষ করে সুইস এবং রিকোত্তা চিজ।

    টক ফল

    ‘স্ট্রেস হরমোন’ কমানোর পাশাপাশি টকজাতীয় ফলে রয়েছে ভিটামির এ। যা টেস্টোস্টেরন উৎপন্ন করতে প্রয়োজন হয়। এছাড়া ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমায় অর্থাৎ  পুরুষ হরমন ভালোমতো কাজ করতে পারে।

    পালংশাক

    এটা প্রমাণিত যে, ওয়েস্ট্রজেনের মাত্রা কমাতে পারে এই শাক। তাছাড়া আছে প্রচুর পরিমাণে ম্যাগনেসিয়াম, ভিটামিন সি এবং ই। আর এসবই টেস্টোস্টেরন তৈরির উপাদান।

    আঙুর

    হংকং বিশ্ববিদ্যালয়ের এক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রতিদিন একথোক লাল আঙুর খাওয়া গেলে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়, শুক্রাণুর তৎপতরতা উন্নত করে আর শক্তিশালী করে।

    ডালিম

    ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অব ইম্পোটেন্স রিসার্চ থেকে জানা যায় যৌন কর্মে অক্ষম পুরুষদের মধ্যে ৪৭ শতাংশ যারা প্রতিদিন ডালিমের রস খেয়ে থাকেন তাদের অবস্থার উন্নতি হয়েছে।

    মাংস

    বিশ্বাস করা হয় যারা একেবারেই মাংস খান না তাদের শরীরে টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ কম থাকে। তবে অতিরিক্ত মাংস খাওয়ার আগে সাবধান। যুক্তরাষ্ট্রের ইউটাহ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা জানান গরু ও ভেড়ার মাংস দিয়ে তৈরি খাবারে প্রচুর স্যাচারেইটেড ফ্যাট থাকে।