Category: লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

  • পুরুষের ১ফোটা বীর্জ তৈরি হতে কত দিন সময় লাগে.? জানলে অবাক হবেন

    পুরুষের ১ফোটা বীর্জ তৈরি হতে কত দিন সময় লাগে.? জানলে অবাক হবেন

    পুরুষের ১ ফোঁটা বীর্য তৈরি হতে প্রায় ৬৪ থেকে ৭৪ দিন সময় লাগে একটি সম্পূর্ণ শুক্রাণু পুনর্জন্ম চক্র শেষ করতে, কিন্তু প্রতিদিন প্রচুর পরিমাণে শুক্রাণু তৈরি হয় (প্রায় ১৩০ মিলিয়ন/দিন) এবং ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যে স্বাভাবিক উর্বরতার জন্য পর্যাপ্ত শুক্রাণু পুনরায় তৈরি হতে পারে; ঐতিহ্যগতভাবে, বলা হয় যে ৪০ ফোঁটা অস্থি মজ্জা থেকে ১ ফোঁটা বীর্য তৈরি হয়, যা এর মূল্যবান প্রকৃতি বোঝায়। 
    বিস্তারিত:
    • শুক্রাণু তৈরি: একটি পূর্ণাঙ্গ শুক্রাণু তৈরি হতে প্রায় ৬৪ থেকে ৭৪ দিন সময় লাগে, যার মধ্যে শুক্রাণু উৎপাদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়।
    • উৎপাদন হার: প্রতিদিন পুরুষদের শরীরে প্রচুর শুক্রাণু (প্রতি সেকেন্ডে প্রায় ১,৫০০) উৎপন্ন হয়, তাই বীর্যপাতের ২৪-৪৮ ঘন্টার মধ্যেই উর্বরতার জন্য প্রয়োজনীয় শুক্রাণু পুনরায় তৈরি হয়ে যায়।
    • ঐতিহ্যগত ধারণা: ভারতীয় লোককথা অনুযায়ী, ৪০ ফোঁটা অস্থি মজ্জা থেকে ১ ফোঁটা বীর্য তৈরি হয়, যা বীর্যকে একটি মূল্যবান তরল হিসেবে গণ্য করে। 
    সুতরাং, যদিও একটি শুক্রাণুর পূর্ণ বিকাশে সময় লাগে, শরীর ক্রমাগত নতুন শুক্রাণু তৈরি করে এবং বীর্যপাতের পর দ্রুত তা পূরণ হয়, তাই ‘১ ফোঁটা বীর্য’ তৈরি হতে নির্দিষ্ট দিনে না হলেও, একটি সম্পূর্ণ চক্রে প্রায় দুই মাস সময় লাগে। 
  • গর্ভাবস্থায় যে খাবারগুলো খেলে শিশুর গায়ের রং হবে ফর্সা!

    গর্ভাবস্থায় যে খাবারগুলো খেলে শিশুর গায়ের রং হবে ফর্সা!

    আমাদের দেশে অনেক মা–বাবাই চান তাঁদের অনাগত সন্তানের গায়ের রং যেন উজ্জ্বল হয়। এই ধারণা থেকেই গর্ভাবস্থায় নানা ধরনের খাবার গ্রহণের বিষয়ে আগ্রহ দেখা যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সন্তানের ত্বকের রং মূলত নির্ভর করে বাবা–মায়ের কাছ থেকে পাওয়া জিনের উপর। কেবল খাদ্য গ্রহণের মাধ্যমে শিশুর গায়ের রং নির্ধারিত হয়— এমন ধারণার কোনো বৈজ্ঞানিক ভিত্তি নেই।

    চিকিৎসকদের মতে, কেবল ত্বকের সৌন্দর্য নয়— গর্ভবতী মায়েদের লক্ষ্য হওয়া উচিত একটি সুস্থ, মেধাবী ও স্বাভাবিক শিশুর জন্ম নিশ্চিত করা। এজন্য সঠিক পুষ্টি গ্রহণ এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন অত্যন্ত জরুরি।

    গর্ভাবস্থায় নারীদের স্বাভাবিকভাবেই ক্ষুধা বেড়ে যায়। এ সময়ে সুষম খাবার খাওয়ার প্রয়োজনীয়তা আরও বাড়ে, কারণ এসব খাবার একদিকে মায়ের সুস্বাস্থ্য রক্ষা করে, অন্যদিকে গর্ভের শিশুর শারীরিক ও মানসিক বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

    বিশেষজ্ঞরা গর্ভবস্থায় অ্যালকোহল গ্রহণ সম্পূর্ণ বর্জনের পরামর্শ দিয়েছেন। পাশাপাশি অতিরিক্ত ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখার ওপর জোর দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত ওজন প্রি–ম্যাচিউর শিশুর জন্মের ঝুঁকি বাড়াতে পারে এবং শিশুর মেধা বিকাশেও নেতিবাচক প্রভাব ফেলতে পারে। নিয়মিত অন্তত ৩০ মিনিট হালকা ব্যায়াম করলে গর্ভের শিশুর মস্তিষ্কসহ অন্যান্য অঙ্গের বিকাশে সহায়তা হয়।

    গবেষণায় দেখা গেছে, গর্ভের শিশু বাইরের শব্দ শুনতে পায় এবং সে অনুযায়ী প্রতিক্রিয়াও দেখায়। তাই বিশেষজ্ঞরা মায়েদের শিশুর সঙ্গে কথা বলা, গান শোনানো, ধর্মীয় গ্রন্থ ও মনীষীদের জীবনী পড়ার পরামর্শ দিয়েছেন। এসব অভ্যাস শিশুর মানসিক প্রশান্তিতে সহায়ক বলে মনে করা হয়।

    এদিকে প্রচলিত ধারণা অনুযায়ী কয়েকটি খাবারের বিষয়ে মা–বাবাদের আগ্রহ বেশি দেখা যায়। এর মধ্যে রয়েছে—

    • জাফরান মেশানো দুধ: অনেকের বিশ্বাস, এটি শিশুর ত্বক উজ্জ্বল করতে সহায়ক।
    • নারিকেল: সাদা শাঁসের কারণে বর্ণ ফর্সা হওয়ার ধারণা রয়েছে, তবে অতিরিক্ত খাওয়া স্বাস্থ্যসম্মত নয়।
    • দুধ: গর্ভাবস্থায় অপরিহার্য খাদ্য, শিশুর শারীরিক গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
    • ডিম: পুষ্টিগুণে ভরপুর হওয়ায় নিয়মিত খাওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়, তবে কুসুম বাদ দেওয়া ঠিক নয়।
    • চেরি ও বেরি জাতীয় ফল: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সমৃদ্ধ হওয়ায় ত্বকের স্বাস্থ্য ভালো রাখতে সহায়ক।
    • টমেটো: এতে থাকা লাইকোপেন ত্বককে সূর্যের ক্ষতিকর রশ্মি থেকে রক্ষা করে।
    • কমলা: ভিটামিন ‘সি’ সমৃদ্ধ হওয়ায় শিশুর শরীর গঠনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

    তবে চিকিৎসকরা স্পষ্টভাবে জানাচ্ছেন— এসব খাবার শিশুর ত্বক ফর্সা করবে এমন দাবির বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই। এগুলো গ্রহণের মূল উদ্দেশ্য হওয়া উচিত মা ও শিশুর সামগ্রিক স্বাস্থ্য নিশ্চিত করা।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক খাদ্যাভ্যাস, নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা ও স্বাস্থ্যকর জীবনযাপনই সুস্থ ও স্বাভাবিক শিশুর জন্মের সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য উপায়।

  • আনারসের রসেই মিলছে ক্যানসার থেকে বাঁচার সহজ উপায়!

    আনারসের রসেই মিলছে ক্যানসার থেকে বাঁচার সহজ উপায়!

    সাম্প্রতিক গবেষণায় জানা গেছে, আনারসের রসে রয়েছে ক্যানসার প্রতিরোধে কার্যকর প্রাকৃতিক উপাদান। এই ফলে থাকা ব্রোমেলিন নামের একটি বিশেষ এনজাইম প্রদাহনাশক ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট গুণে সমৃদ্ধ, যা শরীরে ক্যানসার কোষের বৃদ্ধি ও বিস্তার রোধে সহায়তা করতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, ব্রোমেলিন শরীরের প্রোটিন ভেঙে দেয় এবং রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, ফলে অস্বাভাবিক বা ক্ষতিকর কোষগুলো সহজে টিকে থাকতে পারে না। পাশাপাশি, আনারসে থাকা ভিটামিন ‘সি’ ও ম্যাঙ্গানিজ শরীরকে অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে রক্ষা করে—যা দীর্ঘমেয়াদি রোগ, বিশেষ করে ক্যানসার সৃষ্টির অন্যতম কারণ।

    নিয়মিত তাজা আনারসের রস পান করলে হজমশক্তি উন্নত হয়, শরীরের প্রদাহ কমে এবং বিষাক্ত উপাদান দূর হয়। এসব উপকার শরীরকে সামগ্রিকভাবে সুস্থ রাখে ও রোগ প্রতিরোধে ভূমিকা রাখে।

    পুষ্টিবিদরা পরামর্শ দেন, চিনি ছাড়া তাজা আনারসের রসই সবচেয়ে উপকারী। প্রতিদিনের খাদ্যতালিকায় অল্প পরিমাণ আনারস যুক্ত করলে প্রাকৃতিকভাবে রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ে এবং দীর্ঘদিন সুস্থ থাকার সম্ভাবনা বৃদ্ধি পায়।

  • ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না

    ৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না

    সন্তান জন্মদানে সক্ষমতা নারী ও পুরুষ উভয়ের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ বা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করলে প্রজনন সক্ষমতা কমে যেতে পারে।

    ১. নারীদের গর্ভধারণে ঝুঁকির ৩ প্রধান লক্ষণ

    নারীর দেহে এই তিনটি লক্ষণ দীর্ঘমেয়াদী হলে তা প্রজননতন্ত্রে বড় সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:

    ১. দীর্ঘমেয়াদী তলপেটে ব্যথা:

    তলপেটে ক্রমাগত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা অনুভব করা, বিশেষত সেই ব্যথা যদি পায়ুপথ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়—তাহলে তা জরায়ুতে কোনো সমস্যা, যেমন ‘এন্ডোমেট্রিওসিস’ বা অন্য কোনো রোগের কারণে হতে পারে। এই ধরনের ব্যথা জরায়ুর কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।

    ২. পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ:

    হঠাৎ করে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, মুখে পুরুষের মতো লোম গজানো (হিরসুটিজম), ঘাড় ও বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যাওয়া, এবং ব্রণ বৃদ্ধি—এগুলো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ। PCOS ডিম্বাণু নিঃসরণে বাধা দেয় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

    ৩. অনিয়মিত ঋতুচক্র (পিরিয়ড):

    যদি কোনো নারীর ঋতুচক্র ২১ দিনের কম সময়ে বা ৪০ দিনের বেশি সময়ে হয়, অথবা পিরিয়ড একেবারেই অনিয়মিত হয়, তবে তা হরমোনের গুরুতর ভারসাম্যহীনতার (যেমন—এস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, এফএসএইচ, এলএইচ হরমোনের পরিবর্তন) লক্ষণ। অনিয়মিত ঋতুচক্র ডিম্বাণুর গুণগত মান ও পরিমাণ হ্রাস করে, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।

    ২. পুরুষদের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের লক্ষণ

    পুরুষদের ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদানে প্রধান বাধা হলো শুক্রাণুর সমস্যা। তবে কিছু বাহ্যিক লক্ষণ এই সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:

    ১. তলপেট বৃদ্ধি ও পেশীর শিথিলতা:

    হঠাৎ করে তলপেটে মেদ জমা, দ্রুত ওজন বৃদ্ধি এবং পেশী (মাসেলস) দুর্বল বা শিথিল হয়ে যাওয়া (লুজ হওয়া)। এই লক্ষণগুলো প্রায়শই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।

    ২. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফুলে যাওয়া:

    বিশেষ করে অণ্ডকোষে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেওয়া, যা শুক্রাণুর উৎপাদন বা গুণগত মানকে প্রভাবিত করতে পারে।

    ৩. যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস ও চুল পড়া:

    স্ত্রীর প্রতি আকাঙ্ক্ষা বা যৌন মিলনে আগ্রহ কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস দেখা দেওয়া এবং অস্বাভাবিক হারে চুল পড়া বা দাড়ি কমে যাওয়া। এগুলো শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা নির্দেশ করে এবং পুরুষের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।

    ৩. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও করণীয়

    উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।

    * নারীদের জন্য: অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। দ্রুত গর্ভধারণের জন্য চেষ্টা করলে তিন মাস আগে থেকে ফলিক এসিড, ভিটামিন ই ও ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান অপরিহার্য।

    * পুরুষদের জন্য: স্ত্রীর পিরিয়ড স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও ৬ মাস নিয়মিত চেষ্টার পরেও যদি সন্তান না হয়, তবে সিমেন অ্যানালাইসিস (Semen Analysis) পরীক্ষা করে শুক্রাণুর পরিমাণ ও গতি যাচাই করা যেতে পারে। পুষ্টিকর খাদ্য (ভিটামিন ই, ডি, জিঙ্ক) গ্রহণ, ধূমপান ও মধ্যপান পরিহার করা, এবং রাতের খাবারে ভাতের পরিবর্তে প্রোটিন (ডিম/মাংস/মাছ) ও ফলমূল রাখা শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সহায়তা করে।