Category: লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

  • আঁচিল থেকে চিরতরে মুক্তি দেবে কচি আমপাতা

    আঁচিল থেকে চিরতরে মুক্তি দেবে কচি আমপাতা

    প্রাকৃতিকভাবে শরীরে হয়ে থাকে কিন্তু এই ধারণা ভুল। মুখে আঁচিল হলে সমস্যার শেষ থাকে না। আঁচিল নিরাময়ে আমপাতা খুব কার্যকরী।

     

    আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আমপাতার অনেক উপকারিতার কথা বলা হয়েছে। আম সবারই খুব পছন্দের ফল। তাছাড়া আম স্বাস্থ্যের জন্যও বেশ উপকারী। তবে শুধু আমই নয়, এর পাতাও বেশ উপকারী। আয়ুর্বেদ শাস্ত্রে আমপাতার উপকারিতার কথা বলা আছে। আমপাতায় রয়েছে ভিটামিন, এনজাইম, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, খনিজ উপাদান।

     

    প্রথমে কিছু কচি আমপাতা পুড়িয়ে কালো করে নিন। এবার এই পোড়া আমপাতাগুলো গুঁড়া করে নিন। তারপর এতে সামান্য পানি মিশিয়ে পেস্ট তৈরি করে নিন। এবার এই মিশ্রণটি আঁচিলে লাগান। দেখবেন খুব দ্রুত আঁচিল সেরে যাবে।

  • যে ভিটা’মিনের অভাবে পিঠ ও কোমর ব্য’থা হয়, জেনে নিন

    যে ভিটা’মিনের অভাবে পিঠ ও কোমর ব্য’থা হয়, জেনে নিন

    পিঠ ও কোমর ব্যথা একটি সাধারণ সমস্যা। আমরা প্রায় সময়ই এটিকে উপেক্ষা করি। কিছু পুষ্টির ঘাটতির কারণে শরীরে এই সমস্যাটি হতে পারে। বিশেষ করে যদি ঘন ঘন কোমর ও পিঠে ব্যথা হয়, তাহলে এটি একটি সতর্ক করে যে শরীর প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাচ্ছে না।

    এসব ক্ষেত্রে যে ভিটামিনটি সবচেয়ে বেশি আলোচনায় আসে, তা হলো ভিটামিন ডি। এই ভিটামিনের ঘাটতি থাকলে শরীরে অনেক সমস্যা দেখা দিতে পারে। এখন প্রশ্ন হলো, শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব হলে কী কী সমস্যা হয়, ভিটামিন ডি-এর অভাব কিভাবে পূরণ করবেন। চলুন, জেনে নেওয়া যাক—

    ভিটামিন ডি শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপাদানগুলোর মধ্যে একটি।

    এটি হাড় ও শরীরকে শক্তিশালী করার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। শরীরে এর ঘাটতি দেখা দিলে আমাদের হাড় ক্ষতিগ্রস্ত হতে শুরু করে। এমন পরিস্থিতিতে ক্লান্তি, দুর্বলতা, পিঠে ব্যথা ও কোমরে ব্যথা শুরু হয়। ভিটামিন ডি-এর অভাব কেবল মাথা ঘোরার মধ্যেই সীমাবদ্ধ নয়।

    এর সঙ্গে সঙ্গে ব্যক্তির হাত ও পায়ে ব্যথাও হতে পারে।

    ভিটামিন ডি এর বিকল্প

    শরীরে ভিটামিন ডি-এর অভাব দেখা দিলে চিকিৎসকরা প্রায়ই রোদে বসার পরামর্শ দেন। কিন্তু গরমে রোদে বসে থাকা কঠিন হতে পারে। এমন পরিস্থিতিতে খাদ্যতালিকায় এমন কিছু খাবার অন্তর্ভুক্ত করতে পারেন যা ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ এবং স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। এর জন্য মাশরুম, সামুদ্রিক খাবার, কমলা, দুধ ও দই খেতে পারেন।

    গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন ডি-এর ঘাটতি কাটিয়ে উঠতে প্রতিদিন ১৫ থেকে ৩০ মিনিট রোদে থাকা উচিত। রোদ পোহানোর সর্বোত্তম সময় হলো সকাল ৮টা থেকে ১১টা। কারণ এই সময়ে সূর্যের রশ্মিতে পর্যাপ্ত পরিমাণে অতিবেগুনী রশ্মি থাকে, তবে এটি ক্ষতিকারক নয়

  • সকালে প্রথমে পানি না ব্রাশ? ৯০% মানুষ এই ভুলটি করে, জেনে নিন

    সকালে প্রথমে পানি না ব্রাশ? ৯০% মানুষ এই ভুলটি করে, জেনে নিন

    সকালে ঘুম থেকে উঠে এক গ্লাস পানি পান করা ভালো, নাকি আগে দাঁত ব্রাশ করা উচিত? এ নিয়ে বিতর্ক অনেক দিনের। কেউ বলেন, মুখের জীবাণু শরীরে চলে যায় যদি আগে পানি পান করা হয়। আবার কেউ বলেন, রাতে জিব ও লালায় তৈরি হওয়া এনজাইম যদি প্রথমেই শরীরে পৌঁছে দেওয়া যায়, তাহলে তা হজম ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। তাহলে আদতে কোনটা ঠিক?
    চিকিৎসকদের মতামত কী বলছে?
    চিকিৎসা বিজ্ঞানের মতে, রাতে ঘুমের সময় আমাদের মুখের লালা এবং এনজাইমে উপকারী ব্যাকটেরিয়া তৈরি হয়। এই ব্যাকটেরিয়াগুলো হজম, রক্ত পরিশোধন ও মেটাবলিজম বৃদ্ধিতে সহায়ক। তাই সকালে ব্রাশের আগে পানি পান করলে এসব উপকারি ব্যাকটেরিয়া শরীরের উপকারে আসে।
    দাঁতের চিকিৎসকদের দৃষ্টিভঙ্গি
    দাঁতের চিকিৎসকরা বলছেন, রাতে যদি ব্রাশ না করা হয়, তাহলে মুখে জমে থাকা জীবাণু ও অ্যাসিড দাঁতের ক্ষতি করে। সকালে সেই জীবাণু না ধুয়ে পানি পান করলে শরীরেও কিছু খারাপ ব্যাকটেরিয়া যেতে পারে। তবে যদি রাতে ভালোভাবে ব্রাশ করা হয়ে থাকে, তাহলে সকালে ব্রাশের আগেই পানি পান করা ক্ষতিকর নয়।
    তাহলে সকালে কী করা উচিত?
    রাতে ব্রাশ করলে সকালে উঠে প্রথমেই ১–২ গ্লাস পানি পান করা যেতে পারে।
    রাতে ব্রাশ না করলে, সকালে হালকা কুলকুচি করে তারপর পানি পান করা ভালো।
    হালকা গরম পানি পান করলে তা শরীর ডিটক্স করতেও সাহায্য করে।
    সকালে ব্রাশের আগে পানি খাওয়া উচিত কি না, এর সোজাসাপ্টা উত্তর নেই। এটি নির্ভর করে আপনি রাতে কীভাবে মুখের যত্ন নিয়েছেন তার ওপর। চিকিৎসকরা বলছেন, যদি রাতে ভালোভাবে ব্রাশ করে ঘুমান, তাহলে সকালে খালি পেটে পানি খাওয়া শুধু নিরাপদ নয়, বরং শরীরের জন্য উপকারীও। তাই অভ্যাস গড়ুন, তবে সচেতনভাবে।

  • গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত স’হবাস করা উচিত? জেনে রাখুন তথ্যটি

    গর্ভধারণ(Pregnancy) করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ(Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ(Pregnancy) হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস(Intercourse) করা যায়, ভয়ের কিছু নেই! এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন থাকে। আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন।

    আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse) করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ডাক্তাররা বলছেন গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ তবে সেটি প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত আরেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে শিশুটির উপর যেন কোন ভাবে চাপ(Pressure) না পড়ে। অর্থাৎ পেটের উপর চাপ দিয়ে কোনভাবেই যৌন মিলন(Sexual intercourse) করা যাবে না।এছাড়া অন্য যে কোন ভাবেই সহবাস করা যেতে পারে বেশ কিছুদিন পর্যন্ত। কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। সহবাসের সময় স্বাভাবিক নড়াচড়া গর্ভে থাকা শিশুর কোন ক্ষতি(Loss) করে না।

    কারণ শিশুটি তলপেট এবং জরায়ুর শক্ত পেশী দিয়ে সুরক্ষিত(Protected) থাকে। এছাড়া জরায়ুর মুখ মিউকাস প্লাগ দ্বারা সীল করা থাকে যা শিশুকে ইনফেকশনের হাত থেকে রক্ষা করে। তাই শিশুটির কোনপ্রকার ক্ষতির সম্ভাবনাই থাকে না।তবে ডাক্তাররা জানাচ্ছেন যে গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse)কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাদের মতে যদি গর্ভধারণে কোন ধরনের জটিলতা থাকে এবং সেটি পরীক্ষায় ধরা পড়ে বা আগের কোনবারের গর্ভধারণে কোন জটিলতার শিকার হয়ে থাকেন তাহলে সহবাস(Intercourse) করা একদমই উচিত নয়। ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহবাস করা উচিত নয়। সেগুলো কি কি? আসুন দেখে নিই।

    ১। যমজ সন্তানঃ যদি যমজ সন্তানের জন্ম হয় তাহলে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়।

    ২। গর্ভপাতঃ যদি আগে গর্ভপাত(Abortion) করান বা এবারেও গর্ভপাত করানোর পরিকল্পনা থাকে তাহলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।

    ৩। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্সঃ যদি সারভিকাল ইনকম্পিটেন্সি বা ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স থাকে সেক্ষেত্রে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স বলতে বোঝায় যখন জরায়ু মুখ স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই খুলে যায়।

    ৪। সংক্রামক ব্যাধিঃ আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার সংক্রামক ব্যাধি থাকলে গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলন(Physical intercourse) থেকে বিরত থাকুন।

    ৫। প্রি-টার্ম বার্থ বা প্রি-টার্ম লেবারঃ যদি আগে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম দিয়ে থাকেন বা এবারের গর্ভধারণের প্রি-টার্ম লেবারের সম্ভাবনা থাকে তবে সহবাস(Intercourse) থেকে বিরত থাকা উচিত। এছাড়া গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলনের সময় যদি দেখেন যোনিপথ থেকে কোন তরল নির্গত হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাবে বা আপনি খুবই ব্যথা(Pain) পাচ্ছেন বা কোন ব্যথা অনুভব করছেন তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারুন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কথা মতো চলুন।