Category: লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

  • ত্বকের ৫ পরিবর্তনে ধরা পড়বে ফুসফুস ক্যানসার

    ত্বকের ৫ পরিবর্তনে ধরা পড়বে ফুসফুস ক্যানসার

    বিশ্বে সবচেয়ে বেশি প্রাণঘাতী ক্যানসারের মধ্যে অন্যতম ফুসফুস ক্যানসার। বিশেষ করে পুরুষদের মধ্যে এ রোগের হার উদ্বেগজনকভাবে বেশি। তবে চিকিৎসকরা বলছেন, প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করতে পারলে ফুসফুস ক্যানসারও নিরাময় সম্ভব। শ্বাসকষ্ট, কাশি কিংবা কফে রক্ত দেখা ছাড়াও ত্বকের কিছু পরিবর্তন আগেভাগে বিপদের ইঙ্গিত দেয়।

    বিজ্ঞাপন

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, শরীরের ত্বকে কিছু অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখা দিলে তা ফুসফুস ক্যানসারের সতর্কসংকেত হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, ত্বকের এসব লক্ষণ অবহেলা করা ঠিক নয়।

    ১. ত্বকে ফুসকুড়ি বা পিণ্ড

    বিজ্ঞাপন

    Pause

    Mute
    Remaining Time -17:24

    Close Player
    ফুসফুস ক্যানসার রক্তপ্রবাহের মাধ্যমে শেষ পর্যায়ে ত্বকেও ছড়িয়ে পড়তে পারে। এতে ত্বকে ব্যথাহীন লাল বা নীলচে রঙের ফুসকুড়ি বা গোলাকার শক্ত পিণ্ড দেখা দেয়। এগুলো কখনও কখনও নিজে থেকেই ফেটে যায়। পিঠ, ঘাড়, মাথা ও স্তনের কাছে এমন পিণ্ড দেখা দিলে ধারণা করা হয়—ক্যানসার ইতোমধ্যেই শরীরের বাইরে ছড়িয়েছে।

    ২. ত্বকে লালচে ভাব ও চুলকানি

    বিজ্ঞাপন

    অ্যালার্জি ছাড়াই হঠাৎ পিঠ বা বুকে আংটির মতো গোলাকার লালচে র‍্যাশ দেখা দিলে এটি বিপদের ইঙ্গিত। অনেক সময় এসব র‍্যাশ বেগুনি আকার ধারণ করে ও চুলকানির সৃষ্টি করে যা ফুসফুস ক্যানসারের একটি সম্ভাব্য লক্ষণ।

    ৩. ত্বকে হলদেটে ভাব

    বিজ্ঞাপন
    ফুসফুস ক্যানসার লিভারে পৌঁছালে পিত্তনালি বাধাপ্রাপ্ত হয়। ফলে রোগীর চোখ ও ত্বকে অস্বাভাবিক হলদেটে ভাব দেখা দেয় বা জন্ডিস দেখা দেয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এ লক্ষণ দ্রুত শনাক্ত করতে পারলে চিকিৎসার সফলতার সম্ভাবনা বাড়ে।

    ৪. নখ ও আঙুলে পরিবর্তন

    দীর্ঘদিন ফুসফুসের সমস্যায় ভুগলে হাতের আঙুলে পরিবর্তন দেখা যেতে পারে। ফুসফুস ক্যানসার হলে এ পরিবর্তন আরও স্পষ্ট হয়—

    .আঙুলের ডগা ফুলে ওঠা

    .নখ বেঁকে যাওয়া

    .নখের চারপাশে কালচে দাগ

    .নখে খসখসে ভাব।

    এসবের মূল কারণ শরীরে অক্সিজেনের ঘাটতি, যা ক্যানসারজনিত শ্বাসযন্ত্রের সমস্যার ফল।

    ৫. ত্বকের ধরন ও রঙের পরিবর্তন

    ত্বক পুরু হয়ে যাওয়া, খসখসে অনুভব হওয়া বা শরীরের বিভিন্ন স্থানে কালচে দাগ দেখা দিলে সতর্ক হতে হবে। বিশেষজ্ঞদের মতে, হঠাৎ এমন পরিবর্তন দেখা গেলে ফুসফুস ক্যানসারের সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। অন্য ক্যানসারজনিত লক্ষণের সঙ্গে মিললে অবশ্যই দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    Copied from: https://rtvonline.com/

  • তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    তরুণদের মলদ্বারে বাসা বাঁধছে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার! জেনে নিন ৫ সতর্কবার্তা

    সাম্প্রতিক গবেষণা দেখিয়েছে, ৫০ বছরের কম বয়সীদের মধ্যে কোলোরেক্টাল ক্যান্সারের (Colorectal Cancer) হার দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। আগে এটি মূলত মধ্যবয়সী বা বৃদ্ধদের রোগ হিসেবে ধরা হতো। তবে আধুনিক জীবনধারা, অস্বাস্থ্যকর খাবার, কম শারীরিক কার্যকলাপ ও মানসিক চাপ তরুণদেরও ঝুঁকিতে ফেলছে।

    এই ৫ লক্ষণ দেখলে সতর্ক হোন
    1. মলদ্বারে রক্ত বা অস্বাভাবিক পদার্থ দেখা
    রক্তমিশ্রিত মল, কালচে বা পাথুরে পদার্থ দেখা মানে প্রাথমিক সতর্ক সংকেত।

    2. দীর্ঘমেয়াদী পেটের ব্যথা বা ফোলা
    ক্রমাগত পেট ফোলা, খিঁচুনি বা ব্যথা থাকলে গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের সঙ্গে পরামর্শ করুন।

    3.হঠাৎ ও অপ্রত্যাশিত ওজন কমা
    খাবার ঠিক মতো খাওয়ার পরও ওজন কমছে? এটি ক্যান্সারের প্রাথমিক উপসর্গ হতে পারে।

    4. পেটের চলাচলে পরিবর্তন
    দীর্ঘমেয়াদি ডায়রিয়া, কোষ্ঠকাঠিন্য বা মলমুক্তিতে অসামঞ্জস্য দেখা দিলে পরীক্ষা করা উচিত।

    5.ধীরগতিতে ক্লান্তি ও দুর্বলতা
    অকারণ ক্লান্তি, দুর্বলতা বা ঘুমানুরোধী অবস্থা ক্যান্সারের ইঙ্গিত হতে পারে।

    বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ
    গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টরা বলছেন, যদি এই কোনো লক্ষণ দেখা দেয়, তবে ডাক্তারি পরীক্ষা দ্রুত করানো প্রয়োজন। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা গেলে কোলোরেক্টাল ক্যান্সার সম্পূর্ণভাবে চিকিৎসাযোগ্য।

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।