Category: লাইফস্টাইল

লাইফস্টাইল

  • উ’ত্তেজক ট্যাবলেট গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা

    উ’ত্তেজক ট্যাবলেট গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা

    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো উত্তেজক ট্যাবলেট(Stimulating tablets) গ্রহণ নিয়ে কিছু কথা। উত্তেজক ট্যাবলেট বর্তমানে দেশজুড়ে ইয়াবা নামক এক ধরনের যৌ… উত্তেজক ওষুধ সেবনের প্রবণতা বেড়ে গেছে বলে প্রায়ই সংবাদপত্র ও টেলিভিশনের খবরের শিরোনাম হচ্ছে। সত্যিকথা বলতে কি এসব ওষুধ(Medicine) জীবন শুধু ধ্বংসের দিকেই ঢেলে দেয় সুখকর কিছু দেয় না। সুখকর দাম্পত্য জীবনের জন্য যৌনবি ষয়ক জ্ঞান রাখা সব নারী-পুরুষের একান্ত প্রয়োজন।

    কারণ সামান্য ভুলের মাসুল গুনতে হতে পারে সারাজীবন। যেসব পুরুষ বা নারী শখের বশে বা নিয়মিত সহবাসের আগে যৌন উত্তেজক
    ওষুধ যেমন ইয়াবা ভায়াগ্রা বা অন্য কোনো ধরনের ট্যাবলেট(Tablet) সেবন করেন তাদের জন্য এ ওষুধগুলোই এক সময় দাম্পত্য সম্পর্ক টিকিয়ে রাখার ক্ষেত্রে হুমকির কারণ হিসেবে দেখা দিতে পারে।

    কারণ এ ধরনের ওষুধ(Medicine) ধ্বজভঙ্গ রোগের দিকে ঠেলে তো দেয়ই কিছু ক্ষেত্রে মৃত্যুর দিকেও ঠেলে দেয়। অনেকেরই হয়তো অজানা যৌনশক্তি বাড়াতে কোনো ওষুধ সেবনের প্রয়োজন নেই।ক্ষেত্রবিশেষে চিকিৎসকরা কিছুদিন ওষুধ সেবনের উপদেশ দিয়ে থাকেন। গবেষণায় দেখা গেছে পুরুষরা পুষ্টিকর(Nutritious) খাদ্য খাওয়ার মাধ্যমেই যৌনশক্তি পেয়ে থাকেন। এ ক্ষেত্রে মধু খাঁটি দুধ ও ডিমের ভূমিকা অতিগুরুত্বপূর্ণ। ডিমের ক্ষেত্রে হাঁসের ডিম এবং দুধের ক্ষেত্রে ছাগলের দুধ প্রাধান্য দিতে পারেন।

    তবে হোমিওপ্যাথি(Homeopathy) কিছু ওষুধ আছে যা কাজে এ ক্ষেত্রে বেশ কার্যকর এবং পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াহীন। যারা নিয়মিত যৌন উত্তেজক বিভিন্ন ধরনের ওষুধ সেবন করে থাকেন তারা ক্রমে এসবের প্রতি নির্ভরশীল হয়ে পড়েন।পরিণামে কোনো কোনো পুরুষ পুরোপুরি যৌন(Sexual) ক্ষমতায় অক্ষম হয়ে পড়েন। একটা সময় পরে ওই ওষুধগুলো শরীরে আর কাজ করে না।একই সঙ্গে অনেকের অভ্যন্তরীণ অঙ্গগুলো বিরূপ পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ার শিকার হয়।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না, জানলে অবাক হবেন

    ব্রা-এর বাংলা অর্থ কী? অনেকেই বলতে পারেন না, জানলে অবাক হবেন

    মহিলাদের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পোশাকের মধ্যে ব্রা একটি। কিন্তু আজও সমাজে এটি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা হয় না। এমনকি দোকানে কিনতে গিয়েও মহিলাদের বেশ সমস্যায় পড়তে হয়। কিন্তু এটি একটি অন্তর্বাস, যা নিয়ে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই। বরং লজ্জা ঢাকতেই এই পোশাক পরা হয়। যাইহোক এই প্রতিবেদনে ব্রা সম্পর্কে একটি মজার তথ্য প্রকাশ করা হয়েছে।

    আপনি নিশ্চয়ই জানেন, মহিলাদের অন্তর্বাসকে ব্রা বলে, যা একটি ইংরেজি শব্দ। আসলে ব্রা হল একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এটি ফরাসি শব্দ ব্রেসিয়ার থেকে এসেছে। ১৮৯৩ সালে এই শব্দটি প্রথমবার এক মার্কিন সংবাদপত্রে ব্যবহার করা হয়েছিল। এরপর ধীরে ধীরে বিভিন্ন ম্যাগাজিনেও এই শব্দটির প্রচলন হয়। কয়েক বছর পর অক্সফোর্ড অভিধানেও জায়গা করে নেয় এই শব্দ৷

    তবে অতীতের তুলনায় এখন ব্রা-র ডিজাইনে অনেক পরিবর্তন এসেছে। শুরুতে ব্রা-তে কাপের আকার ছিল না। তাহলে একবার ভাবুন সেই সময় মহিলাদের কতটা সমস্যায় পড়তে হতো। জানা যায়, ১৯৩০ সালে এসএইচ ক্যাম্প কোম্পানি প্রথমবারের মতো ব্রা-তে কাপের আকার ডিজাইন তৈরি করেছিল।

    প্রাথমিকভাবে এই শব্দের অর্থ হলো শিশুদের অন্তর্বাস, কিন্তু পরবর্তীতে মহিলাদের পোশাকের রূপ দেয়া হয়েছিল। আসলে ব্রা (BRA) একটি সংক্ষিপ্ত রূপ। এর পূর্ণরূপ হল Breast Resting Area অর্থাৎ স্তন বিশ্রামের এলাকা। তবে একে বক্ষবন্ধনীও বলা হয়ে থাকে৷ তবে যত সময় এগিয়েছে, মহিলাদের এই অন্তর্বাসটির ডিজাইন পরিবর্তন হয়েছে। আজকাল বাজারে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের A থেকে D সাইজের ব্রা পাওয়া যায়।

    তবে অধিকাংশ মহিলাই স্তনের সঠিক আকার না জেনেই অন্তর্বাস ব্যবহার করেন। সমীক্ষায় দেখা গেছে, বিষের প্রায় ৮০ শতাংশ নারী ভুল সাইজের ব্রা পরেন। এমনকি তারা ফিটিং এবং সঠিক মাপ নেওয়ার পরেও ভুল করেন। তবে ফ্যাশন বিশেষজ্ঞদের মতে, সঠিক মাপের ব্রা পরাই উচিত। তবে একটা নির্দিষ্ট সময়ের পর আর এটি ব্যবহার করা যায় না। একটি ব্রা-র মেয়াদ ৮ থেকে ৯ মাস থাকে। কিন্তু দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে তার স্তনের ক্ষতি হতে পারে।

  • মুখের গন্ধে কারো সামনে যেতে ল’জ্জা? তাহলে দেরি না করে এই টিপস জানুন

    মুখের গন্ধে কারো সামনে যেতে ল’জ্জা? তাহলে দেরি না করে এই টিপস জানুন

    মুখের দুর্গন্ধ মানেই সামাজিক বিড়ম্বনা। আপনি হয়তো টেরই পেলেন না, আপনার সামনে বসতে গিয়ে লোকে সঙ্গে সঙ্গে উঠে পড়ছে। কারণ যখন বুঝতে পারলেন, তখন খুব দেরি হয়ে গেল।

    যদিও মুখের দুর্গন্ধ খুবই সাধারণ একটি সমস্য়া। অনেকেরই থাকে। কতগুলি বিষয় মাথায় রাখুন এক্ষেত্রে।

    নিয়মিত জিভ পরিষ্কার রাখুন। দিনে অন্তত দুবার দাঁত ব্রাশ করুন। বড় এলাচ এখন আর সেভাবে পাওয়া যায় না। তাই ছোট এলাচ মুখে রাখুন। মৌরি চিবিয়ে খেতে পারেন। পুদিনা পাতাও ভাল কাজ দেয়। চাইলে লবঙ্গ খেতে পারেন। লেমন অয়েল মাউথ ওয়াশ হিসেবে ব্য়বহার করতে পারেন। এককাপ ঈষদষ্ণু জলে দু-চামচ লেবুর রস মিশিয়ে খেতে পারেন। দুধ চা নয়, বরং লিকার চা বা ব্ল্য়াক টি আর গ্রিন-টি মুখের দুর্গন্ধ দূর করে।

    তবে এসবের পরও যদি মুখের দুর্গন্ধ থেকে যায়, তাহলে কিন্তু বিষয়টা ভাবনার। তখন আর বাইরে থেকে নয়। বরং ভেতর থেকে চিকিৎসার ব্য়বস্থা করতে হবে। বলে রাখা ভাল, দাঁত বা মাড়ির সমস্য়াতেও কিন্তু মুখে দুর্গন্ধ হয়। সেক্ষেত্রে একজন দাঁতের ডাক্তারকে দেখিয়ে নিন। আর তাতেও যদি কাজ নয়, তাহলে একজন জেনারেল ফিজিশিয়ানকে দেখিয়ে নিন। হতে পারে লিভারের সমস্য়া থেকে আপনার মুখে দুর্গন্ধ হচ্ছে। সেক্ষেত্রে যথাযথ চিকিৎসা দরকার। আর সেইসঙ্গে দরকার কিছু খাওয়া দাওয়ার ওপর বিধিনিষেধ জারি করা।

    তবে দেখা গিয়েছে, দিনে ভাল করে দুবার ব্রাশ করে, মুখে এলাচ বা মৌরিজাতীয় কিছু একটা রেখে অনেকেই সুফল পেয়েছেন। তাই, মুখে দুর্গন্ধ নিয়ে অহেতুক বেশি চিন্তা করতে হবে না। ওপরের টোটকাগুলো দিয়ে চালিয়ে দেখুন। তাতে না-হলে ডাক্তার দেখিয়ে নিন।

  • আপনার হাতে কী X চিহ্ন আছে? থাকলে এর রহস্য জেনে নিন

    আপনার হাতে কী X চিহ্ন আছে? থাকলে এর রহস্য জেনে নিন

    জ্যোতিষ শাস্ত্র আমরা অনেকেই বিশ্বাস করি। তাদের কথায় অনেক কিছুই অবার মিলে যায়। হাতের রেখায় নির্ধারিত হয় ভাগ্য। এমনটা বিশ্বাস করেন অনেকেই। তবে জানেন কি? কিছু মানুষের হাতের রেখার মধ্যে লুকিয়ে থাকে X. জেনে নিন কি এই X-এর রহস্য!

    প্রাচীন জ্যোতিষ শাস্ত্রের উপর ভিত্তি আমরা জানি প্যারামি লাইন এবং চিহ্নগুলি ক্যারিয়ার, জীবন, বিয়ের, অর্থ এবং স্বাস্থ্যের উন্নতি বা অবনতি ইঙ্গিত করে। এক্ষেত্রে আমাদের ব্যক্তিত্ব এবং ভবিষ্যতের সম্ভাবনাগুলির সঙ্গে বিশেষভাবে যুক্ত ৷

    এটা বিশ্বাস করা হয় যে, ভারত থেকে চীন, তিব্বত, মিশর, পারসিয়া এবং ইউরোপের অন্যান্য দেশের মধ্য দিয়ে সারা বিশ্বে জ্যোতিষ বিজ্ঞান বিস্তৃতি লাভ করেছ ।

    মিশরীয় পণ্ডিত আলেকজান্ডার দ্য গ্রেট বলেছিলেন, তাঁর হাতে এই অন্যান্য চিহ্নটি ছিল। পরে জানা যায় যে, সমগ্র জনসংখ্যার মধ্যে প্রায় ৩ শতাংশ মানুষের হাতে রয়েছে এই X চিহ্নটি ৷

    জ্যোতিষ বিজ্ঞানীদের মতে, এই চিহ্নটি হাতের তালুতে থাকার কারণ হিসেবে বোঝায় যে, এটি অত্যন্ত সফল এবং বিখ্যাত ব্যক্তিত্বের পরিচয় ৷

    শুধু তাই নয় , যাদের হাতে এই চিহ্নটি রয়েছে তাদের মৃত্যুর পরও সকলের মনের মধ্যে দিয়ে তারা বেঁচে থাকেন।