Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মি/ল/নে/র আগে আগে মুখে নিন এই জিনিস, দীর্ঘ সময় সঙ্গীকে উ/দ্দা/ম সুখ দিতে পারবেন

    মি/ল/নে/র আগে আগে মুখে নিন এই জিনিস, দীর্ঘ সময় সঙ্গীকে উ/দ্দা/ম সুখ দিতে পারবেন

    অনেক নারী ও পুরুষের শারীরিক মিলনের কামনা বেশি থাকে। তবে দীর্ঘসময় অনেক মিলন সময় সম্ভব হয়না নানা কারণে। তবে এমন কিছু জিনি আছে মিলনের ১ মিনিট আগে যা মুখে দিলে টানা কয়েক ঘন্টা সহবাস করতে পারবেন।

    অনেক নারী ও পুরুষের শারীরিক মিলনের কামনা বেশি থাকে। তবে দীর্ঘসময় অনেক মিলন সময় সম্ভব হয়না নানা কারণে। বর্তনমানে নানারকমের ওষুধ বাজারে এসেছে যা মিলনের সময় বাড়ায় বলে দাবি করে। তবে সে সকল ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকার সম্ভাবনা বেশি।
    অনেক নারী ও পুরুষের শারীরিক মিলনের কামনা বেশি থাকে। তবে দীর্ঘসময় অনেক মিলন সময় সম্ভব হয়না নানা কারণে। বর্তনমানে নানারকমের ওষুধ বাজারে এসেছে যা মিলনের সময় বাড়ায় বলে দাবি করে। তবে সে সকল ওষুধের পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া থাকার সম্ভাবনা বেশি।
    2/8
    তবে ওষুধের ব্যবহার নয়, প্রাকৃতিক কিছু উপায়েও মিলনের সুখ অনেকক্ষণ উপভোগ করা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন কিছু খাবার রয়েছে যা সঙ্গার সঙ্গে মিলনের আগে খেয়ে নিলে মিলন অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হন।
    তবে ওষুধের ব্যবহার নয়, প্রাকৃতিক কিছু উপায়েও মিলনের সুখ অনেকক্ষণ উপভোগ করা যায়। বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, এমন কিছু খাবার রয়েছে যা সঙ্গার সঙ্গে মিলনের আগে খেয়ে নিলে মিলন অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হন।
    3/8
    দুধ হল এমন একটি প্রাকৃতিক খাবার যা যৌ নজীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। কারণ দুধের মধ্যে অনেক বেশি পরিমাণে প্রাণীজ ফ্যাট রয়েছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরে সেক্স হরমোন বাড়াতে প্রচুর ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে হবে। তবে তা অবশ্যই প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট হতে হবে।
    দুধ হল এমন একটি প্রাকৃতিক খাবার যা যৌ নজীবনে অনেক প্রভাব ফেলে। কারণ দুধের মধ্যে অনেক বেশি পরিমাণে প্রাণীজ ফ্যাট রয়েছে। তবে বেশিরভাগ মানুষই ফ্যাট জাতীয় খাবার এড়িয়ে চলতে চান। কিন্তু বিশেষজ্ঞরা বলেন, শরীরে সেক্স হরমোন বাড়াতে প্রচুর ফ্যাট জাতীয় খাবার খেতে হবে। তবে তা অবশ্যই প্রাকৃতিক এবং স্যাচুরেটেড ফ্যাট হতে হবে।
    4/8
    মিলনকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ঝিনুক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ঝিনুকের মধ্যে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক পুরুষদের শরীরে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য় করে এবং মিলনের ইচ্ছা বাড়াতেও কার্যকরী ঝিনুক।
    মিলনকে দীর্ঘস্থায়ী করতে ঝিনুক খাওয়ার পরামর্শ দিয়ে থাকেন বিশেষজ্ঞরা। কারণ ঝিনুকের মধ্যে খুব বেশি পরিমাণে জিঙ্ক থাকে। জিঙ্ক পুরুষদের শরীরে শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়াতে সাহায্য় করে এবং মিলনের ইচ্ছা বাড়াতেও কার্যকরী ঝিনুক।
    5/8
    মিলনের আগে তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যৌন উত্তেজনা তিনগুণ বাড়িতে তুলতে জুড়ি মেলা ভার তরমুজের। তবে শুধু তরমুজই নয়, পাতিলেবুরও বিকল্প নেই। তরমুজ এবং পাতিলেবুর মিশ্রণই প্রাকৃতিক ভায়াগ্রার কাজ করে।
    মিলনের আগে তরমুজ খাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছেন বিশেষজ্ঞরা। যৌন উত্তেজনা তিনগুণ বাড়িতে তুলতে জুড়ি মেলা ভার তরমুজের। তবে শুধু তরমুজই নয়, পাতিলেবুরও বিকল্প নেই। তরমুজ এবং পাতিলেবুর মিশ্রণই প্রাকৃতিক ভায়াগ্রার কাজ করে।
  • চরিত্রহীন নারী চিনে নিন ৮টি লক্ষণে, ৫ নম্বর টা চিনে রাখুন

    চরিত্রহীন নারী চিনে নিন ৮টি লক্ষণে, ৫ নম্বর টা চিনে রাখুন

    প্রত্যেকটি পুরুষই চায় উত্তম জীবনসঙ্গী পেতে। যে বিশ্বস্ততার সঙ্গে তার হাত ধরে বাকি জীবন পারি দেবে। কিন্তু জীবনে উত্তম সঙ্গী খুঁজে পাওয়া ভীষণ কঠিন। কারণ একই সময়ে বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পছন্দ করে এমন নারীর সংখ্যা কম নয়।

    তাইতো বিশ্বস্ত একজন নারী, যার সঙ্গে ঘর বেঁধে সুখে জীবন কাটানো যায় এমনটা খুঁজতে রীতিমত ঘাম ছুটে যায় অনেক পুরুষের। কিন্তু জীবনকে সুন্দর করতে একজন চরিত্রবান সঙ্গীর বিকল্প নেই। যারা জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তাদেরকে তাই অবশ্যই জানতে হবে অসৎ নারীদের চেনার উপায়। তাহলে চরিত্রবান নারীসঙ্গী নির্বাচনে আপনি অনেকটাই নিরাপদ থাকবেন।

    চলুন তবে জেনে নেয়া যাক চরিত্রহীন নারী চেনার আট উপায়-

    >> লজ্জাই নারীর ভূষণ। কিন্তু অসৎ নারী আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়।

    >> পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থাকে এমনভাবে, যেন তার ভেতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ। এমন মেয়ে থেকে সাবধান। এরা কখনোই পুরোপুরি বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে না।

    >> মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

    >> কিছু নারী পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ।

    >> নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না। এসব অসৎ নারী থেকে দূরে থাকতে হবে।

    >> নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।

    >> বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন। মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে।

    >> যেসব নারী মদ্যপানে আসক্ত তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ নেশা এদেরকে সততাকে বিনষ্ট করে। সঙ্গে চরিত্র ও কুমারিত্বও হারায়।

  • কনসিভ করেছেন? পিরিয়ড বন্ধের আগে যেভাবে বুঝে যেতে পারেন

    কনসিভ করেছেন? পিরিয়ড বন্ধের আগে যেভাবে বুঝে যেতে পারেন

    কনসিভ করেছেন? পিরিয়ড বন্ধের আগে যেভাবে বুঝে যেতে পারেন
    বেশ কিছু দিন ধরে মা হওয়ার চেষ্টা করছেন। পিরিয়ড মিস হচ্ছে কিনা সেই দিকেও খেয়াল রাখছেন। বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরিয়ড বন্ধ হওয়ার অপেক্ষায় থাকবেন না। কিছু লক্ষণ দেখা দিলে অবশ্যই প্রেগন্যান্সির (Pregnancy) টেস্ট করিয়ে নিন। সাধারণভাবে পিরিয়ড মিস হলেই গর্ভধারণের লক্ষণ বলে মনে করা হয়। তবে,গর্ভধারণের কয়েকটি লক্ষণ পিরিয়ড মিস হওয়ার আগে আমাদের শরীরে ফুটে ওঠে। দেখে নিন পিরিয়ড মিস হওয়া ছাড়াও আর কী কী লক্ষণ রয়েছে।

    বিশেষজ্ঞদের মতে, পিরিয়ড মিস হওয়াকে গর্ভধারণের (Pregnancy) একমাত্র লক্ষণ বলে মনে করা হয় না। বিভিন্ন ক্ষেত্রে দেখা গিয়েছে, পিরিয়ড মিস না-হওয়া সত্ত্বেও অনেক মহিলাই গর্ভধারণ করেন।

    আপনিও যদি প্রেগন্যান্ট হওয়ার চেষ্টা করেন তাহলে এই শারীরবৃত্তিয় ঘটনাগুলি গর্ভধারণের ইশারা হিসেবে কাজ করে। তাই এই লক্ষণগুলি দেখে দিলে সঙ্গে সঙ্গে ওয়াকিবহাল হন। পিরিয়ড ছাড়া শরীরে কোন কোন পরিবর্তন দেখলে (Symptoms Of Pregnancy) গর্ভধারণের বিষয়টি নিশ্চিত হতে পারেন জেনে নিন।

    প্রেগনেন্সির ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ মনে করা হয়। তবে এই লক্ষণ দিনে বা রাতে- যে কোনও সময়ই হতে পারে। বিশেষজ্ঞদের মতে, গর্ভধারণ করার এক মাস পর থেকে অনেকেরই এই লক্ষণ দেখা দেয়। 4 থেকে 6 সপ্তাহ পর বমি শুরু হয়। এ সময় অ্যাস্ট্রোজেন ও প্রোজেস্টেরনোর স্তর বৃদ্ধি পায় তাই সকালে উঠে গা গোলায়। শুধুই যে সকালে এই সমস্যা হয় তা কিন্তু নয় অনেকেরই দিনের যে কোনও সময় একাধিক বার বমি হতে পারে। পিরিয়ড মিস করার আগে ৮০ শতাংশ মহিলাদের মধ্যে এই লক্ষণ দেখা যায়। আবার কিছু মহিলাদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থার ৬ সপ্তাহ বা তার আগে থেকে বমি অনুভূত হতে থাকে।

    যেহেতু গর্ভধারণের সময় থেকে হরমোনের নানান পরিবর্তন দেখা যায় তাই এই সময় মুড সুইং কারণ হয়ে দাঁড়ায়। হঠাৎ করে কান্না পাওয়া আবার রেগে যাওয়া, কেউ কেউ আবার আনন্দ পায় আবার কখনও এক্সাইটেড হয়ে যান অনেকে। আপনার সঙ্গেও যদি এমন কিছু ঘটে থাকে তাহলে একেবারেই উপেক্ষা করবেন না। প্রেগনেন্সি টেস্ট করিয়ে নিন।

    প্রেগনেন্সির প্রথম থেকেই মাথাব্যথা অনুভূত হতে পারে। গর্ভাবস্থার প্রাথমিক পর্যায়ে রক্ত সঞ্চালন এবং হরমোনের স্তর বৃদ্ধির পেলে এই ধরনের সমস্যা দেখা যায়। পিরিয়ড মিস হওয়ার আগেই তীব্র মাথা ব্যথার পাশাপাশি ক্লান্তি অনুভবের সমস্যা হতে পারে।

    বার বার শৌচালয়ে গেলেও গর্ভধারণের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হিসেবে বলা যেতে পারে। এই সময় দিনে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি বার প্রস্রাব হতে পারে। গর্ভাবস্থার সময় শরীরের রক্তের পরিমাণ বৃদ্ধি পায়। তাই এ সময় কিডনি অধিক পরিমাণে তরল নিঃসৃত করতে শুরু করে, যার ফলে ইউরিনের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যায়।

    গর্ভধারণের পর অধিকাংশ মহিলার অরুচি চলে আসে। খিদে ও অরুচি- হঠাত্ খিদে বেড়ে যাওয়াও কিন্তু প্রেগন্যান্সির লক্ষণ। পছন্দ-অপছন্দও প্রেগন্যান্সির বেশ জোরালো লক্ষণ। এখানেই শেষ নয়, গর্ভধারণকালে, দিন বা রাতের যে কোনও সময়, যে কোনও খাদ্য বস্তু খাবার ইচ্ছা জাগতে পারে।

    অনেক সময় জল তেষ্টা পায় অনেকের। অনেকেরই চোখে মুখে ফোলা ভাব লাগে,কারোর শরীরে হাঁসফাঁস করতে লাগে। তাই এই সব লক্ষণগুলি দেখলে অবশ্যই টেস্ট করিয়ে নিন।

  • যে র’ক্তের গ্রুপে স্ট্রো’ক হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

    যে র’ক্তের গ্রুপে স্ট্রো’ক হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

    যে র’ক্তের গ্রুপে স্ট্রো’ক হওয়ার ঝুঁকি সবচেয়ে বেশি

    নিজস্ব প্রতিবেদক: রক্তের গ্রুপের সঙ্গে ব্রেন স্ট্রোকের বড় যোগসূত্র রয়েছে এ বিষয়টি হয়তো অনেকেই মানতে চাইবে না। তবে সাম্প্রতিক গবেষণা জানাচ্ছে, রক্তের গ্রুপের সঙ্গে স্ট্রোক হওয়ার সম্পর্ক আছে। সেই গ্রুপের রক্ত যাঁদের আছে, তাঁদের অনেক বেশি সতর্ক থাকতে হবে।
    বিজ্ঞানীরা বলছেন, রক্তের গ্রুপের সঙ্গে ব্রেন স্ট্রোক হওয়ার গভীর সম্পর্ক রয়েছে। সেই গ্রুপের রক্ত শরীরে বইলে, কম বয়সে স্ট্রোক হওয়ার ঝুঁকিও থাকে। প্রতি বছর বিশ্বে দেড় কোটির বেশির মানুষ স্ট্রোকে আক্রান্ত হন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (হু)-র সমীক্ষা তেমনই বলছে। এর মধ্যে ৫০ থেকে ৬০ লাখ ব্রেন স্ট্রোকে আক্রান্ত রোগীর শরীর পক্ষাঘাতে পঙ্গু হয়ে যায়। স্ট্রোক আচমকাই আসে, কিছু বুঝে ওঠার আগেই বিপদ ঘটে যায়। স্ট্রোক কী ভাবে প্রতিরোধ করা যাবে, সে নিয়ে গবেষণা চলছেই। সাম্প্রতিক একটি গবেষণা জানাচ্ছে, রক্তের গ্রুপের সঙ্গে ব্রেন স্ট্রোকের যোগসূত্র খুঁজে পাওয়ার পরে, সেটিই স্ট্রোক প্রতিরোধের হাতিয়ার হতে পারে। কিন্তু কী ভাবে?

    আমেরিকার ইউনিভার্সিটি অফ মেরিল্যান্ড স্কুল অফ মেডিসিনের গবেষকেরা খুঁজে বার করেছেন রক্তের গ্রুপ যদি ‘এ’ হয়, তা হলে স্ট্রোকের ঝুঁকি বেশি হবে, ‘ও’ গ্রুপ আবার সে দিক থেকে অনেক নিরাপদ। এই গ্রুপের রক্ত হলে স্ট্রোকের ঝুঁকি তেমন থাকবে না। বাকি দুই রক্তের গ্রুপের ক্ষেত্রে স্ট্রোকের ঝুঁকি থাকলেও ‘এ’ গ্রুপের মতো নয়। ‘এবি’ গ্রুপের ক্ষেত্রে আবার মস্তিষ্কের কার্যকারিতা কমে যাওয়া বা স্মৃতিনাশের মতো রোগ ও টিউবারকিউলোসিসের ঝুঁকি বেশি।

    উচ্চ রক্তচাপ, রক্তে শর্করার মাত্রা বেড়ে যাওয়া-সহ নানা রিস্ক ফ্যাক্টর মস্তিষ্কের রক্তবাহী ধমনীর পথ আটকে দেয়। তখন রক্ত জমাট বাঁধতে থাকে এবং ধমনীতে রক্ত চলাচলে বাধা তৈরি করে। ফলে মস্তিষ্কের কোষ অক্সিজেনের অভাবে নিস্তেজ হতে হতে অকেজো হয়ে যায়। এই ব্যাপারটাই স্ট্রোক। সাধারণত, দু’ধরনের স্ট্রোক হয়— ইস্কিমিক ও হেমারেজিক। ইস্কিমিক স্ট্রোকে মস্তিষ্কে রক্ত চলাচল বাধা পেয়ে রক্ত জমাট বেঁধে যায়। আর হেমারেজিকে রক্তজালিকা গুলি স্ফীত হয়ে ছিঁড়ে যেতে থাকে। ফলে মস্তিষ্কের ভিতর রক্তক্ষরণ শুরু হয়।