Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায়, বলে জানা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথুন। এই হস্তমৈথুনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। কতগুলো পদ্ধতি বলছিলিঙ্গ শক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায় : যা করলে লিঙ্গ শক্ত হবে

    প্রথম ধাপঃ

    প্রথমে আপনি মন স্থির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

    ২য় ধাপঃ

    সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ ডান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথুন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যোনি এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাত্‍। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।৩য় ধাপঃ

    প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঁড়ের মত দাড়িয়ে গেছে। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, ‘যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি’ এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

    ৪র্থ ধাপঃ

    আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গটাকে ভালো ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেই যেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ

  • মেয়েদের কোথায় স্পর্শ করলে মেয়েরা বেশি উত্তে’জিত হয়।

    মেয়েদের কোথায় স্পর্শ করলে মেয়েরা বেশি উত্তে’জিত হয়।

    মেয়েদের শরীরে এমন কিছু জায়গা আছে যেখানে স্পর্শ করলে মেয়েরা অনেক বেশি ‘টার্ন অন’ হয়ে পড়ে। কিন্তু বেশিরভাগ সময়ই ছেলেরা সেইসব অংশের দিকে নজর দেয় না। ফোরপ্লে সীমাবদ্ধ থাকে ব্রেস্ট, নিপলস আর কিসের মধ্যেই। তারপরেই ইন্টারকোর্স। ব্যাপারটা যেন একঘেয়েই। কিন্তু কিছু জায়গায় স্পর্শ করে, ভালবেসে, পাগল করে দেওয়া যায় মেয়েদের।

    ঘাড়ের পিছন দিকে:মেয়েদের শরীরে এটাই সবচেয়ে সেক্সুয়ালি টার্নিং অন এরিয়া। ছেলেরা কিন্তু অনেকসময় এই অংশটা এড়িয়ে যায়। কিন্তু শুধু এখানে স্পর্শ করেও একজন মহিলাকে দ্রুত উত্তেজিত সম্ভব। একজন মেয়ে যখন সামান্য টার্ন অন থাকে তখন তার পিছন দিকের চুল সরিয়ে ঘাড়ে হাত বুলিয়ে দেখুন। আস্তে আস্তে কিস করুন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী পাগল হয়ে যাবে।

    সামান্য লিক করুন, সুড়সুড়ি দিন। দেখবেন আপনার সঙ্গিনী উত্তেজিত হয়ে পড়েছেন।

     

    আরও দেখুন
    ভেহিকেল
    মুঠোফোন
    সাইকেল
    চট্টগ্রাম
    গাড়ি
    কেটিএম ২০০ ডিউক
    রিপোর্টে
    বাইকের
    ইয়ামাহা ওয়াইজেডএফ-আর১৫
    ইঞ্জিন

     

    কান: কানে হালকা স্পর্শ, চুম্বন অনেক বেশি ‘সেক্সুয়ালি অ্যাট্রাক্টেড’ করে দেয় মেয়েদের। কানের উপর আস্তে আস্তে নিঃশ্বাস ফেললে পাগল হয়ে পড়বে আপনার সঙ্গিনী। হালকা কামড় দিতে পারেন কানের লতিতে। লিক করতে পারেন কানের চার পাশে যে কোন জায়গায়। কিন্তু কানের ছিদ্রে নয়, এটি মেয়েদের জন্যে একটা টার্ন অফ।

    উরু বা থাই: মেয়েদের দ্রুত উত্তেজিত করত তিন নম্বরটির পয়েন্টটির জুড়ি মেলা ভার। সঙ্গিনীর উরুর সফট স্পটে স্পর্শ করুন। দেখবেন সে কি করে।

     

     

    হাতের তালু ও পায়ের পাতা: হাত দিয়ে প্রতি মুহূর্ত স্পর্শ করছেন, কিন্তু তার হাতেই যে লুকিয়ে আছে অসংখ্য সেক্সুয়াল ফিলিংস। সঙ্গিনীর হাতের উপর নিজের আঙুলগুলি বোলাতে থাকুন, সুড়সুড়ি দিন। এটিই যেন তাঁকে পরবর্তী সেক্সুয়াল অ্যাক্টিভিটিরই মেসেজ দেবে। দেখবেন সেও সাড়া দেবে। টার্ন অন করবে আপনার সঙ্গিনীকে।

    পা: মহিলাদের দ্রুত উত্তেজিত করতে পায়ে হাত বুলিয়ে সুড়সুড়ি দিলে অনেকেই বেশ মজা পায়। তবে কিছু মেয়ের এটি পছন্দ নয়। জিজ্ঞেস করে নিন আপনার সঙ্গিনীকেই।

     

    আরও দেখুন
    মুঠোফোন
    ভেহিকেল
    সাইকেল
    MT15
    যানবাহন
    YZF-R15
    মোটর সাইকেল
    বাইক
    কেটিএম ২০০ ডিউক
    Yamaha

     

    পিঠ: পিঠ, বিশেষ করে পিঠের নিচে, কোমরের দিকের অংশটাতে স্পর্শ ও আদর চায় মেয়েরা। মেরুদন্ড বরাবর চুমু দিতে দিতে নিচে নেমে যান। তাঁর সেক্স করার মুড আরও
    কলার বোন: একটি মেয়েকে দ্রুত উত্তেজিত করতে তাঁর ব্রেস্টের দিকে যাওয়ার আগে, তার গলার নিচে, কলার বোনের দিকে নজর দিন। এতে সে বুঝবে আপনি কতটা চান আপনার সঙ্গিনীকে।

  • ছেলেদের “লি”ঙ্গ সাধারণত কত ইঞ্চি হলে মেয়েরা পরিপূর্ণ সুখ পায়

    ছেলেদের “লি”ঙ্গ সাধারণত কত ইঞ্চি হলে মেয়েরা পরিপূর্ণ সুখ পায়

    আপনারা কখনো পেনিসের আদর্শ সাইজ কত নিয়ে চিন্তিত হয়েছেন? অনেকেই এই বিষয়ে কমবেশি উৎসুক হয়ে থাকেন। আজকের এই ব্লগে আমরা পেনিসের আকার নিয়ে কিছু মিথ এবং সত্যের বিষয়ে আলোকপাত করব। বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারব যে, পেনিসের আকার কতটুকু হওয়া স্বাভাবিক এবং এই আকার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ।
    একটি ব্যাপক গবেষণায়, ১৯৪২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পরিচালিত ৭৫টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে, ৫৫,৭৬১ জন পুরুষের উপর একটি গড় নির্ণয় করা হয়েছে। এই গবেষণা অনুযায়ী, লম্বা অবস্থায় গড় পেনিসের দৈর্ঘ্য ১৩.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.৪৮ ইঞ্চি), প্রসারিত অবস্থায় ১২.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.০৯ ইঞ্চি) এবং শিথিল অবস্থায় ৮.৭০ সেন্টিমিটার (৩.৪৩ ইঞ্চি) হিসাবে পাওয়া গেছে।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক মাপ নির্ণয় করলেন বিজ্ঞানীরা
    অনেক পুরুষের মধ্যেই তাদের পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে উদ্বেগ বা দ্বিধা থাকে। এই বিষয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক আকার ও গড় মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হয়তো অনেকেরই এই সংশয় দূর করতে সাহায্য করবে। এক প্রতিবেদনে ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে যে, এই গবেষণা পরিচালনা করেছে লন্ডনের কিংস কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথকেয়ার সার্ভিসেস (এনএইচএস) ট্রাস্ট। গবেষণাটিতে ১৫ হাজার পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাতে তাদের পুরুষাঙ্গের মাপ সংগ্রহ করা হয়।
    গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩.৬ ইঞ্চি। তবে, যদি টানা হয়, তাহলে এর দৈর্ঘ্য গড়ে ৫.২ ইঞ্চিতে পৌঁছে। এছাড়াও, পুরুষাঙ্গের পরিধি হয় সাধারণত ৩.৭ ইঞ্চি। উত্থানকালে, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫.১ ইঞ্চি এবং পরিধি হয় ৪.৫ ইঞ্চি। এই গবেষণায় বিভিন্ন জাতি এবং বয়সের পুরুষদের মাপ নেওয়া হয়েছিল এবং সেই মাপের গড় থেকে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    গবেষকদের মতে, অনেক পুরুষেরই এই নিয়ে মনে নানা সংশয় থাকে। তবে, এই তথ্য জেনে তারা এখন নিজেরাই মাপ নিয়ে দেখতে পারেন, যে তাদের আকার স্বাভাবিক কি না। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আগে এটি তাদের একটি ধারণা দেবে। এই গবেষণার ফলাফল কনডম নির্মাতাদের জন্যও খুবই উপকারী হতে পারে, কারণ সঠিক মাপের কনডম তৈরি করার জন্য তারা এই তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। গবেষণার ফলাফল ব্রিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত হয়েছে।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত?
    পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে চিন্তা বা দুশ্চিন্তা বহু পুরুষের মধ্যে প্রচলিত একটি বিষয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষই মনে করেন যে তাদের পুরুষাঙ্গ ছোট, যদিও বাস্তবিকভাবে এটি যৌন সক্ষমতার সাথে তেমন সম্পর্কিত নয়। গড়ে উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য হয় ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি, যা অঞ্চলভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, খুব বিরল ক্ষেত্রে, কিছু পুরুষের জন্মগত বা হরমোনজনিত কারণে ৩ ইঞ্চির কম আকারের পুরুষাঙ্গ দেখা যেতে পারে, যা “মাইক্রোপেনিস” নামে পরিচিত।
    গবেষণায় আরও জানা গেছে যে, বেশিরভাগ পুরুষের জন্য ৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পুরুষাঙ্গ যৌন সঙ্গিনীকে পরিতৃপ্তি দিতে যথেষ্ট। আকার ছোট হলেও তা যৌন মিলনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। তবে, প্রোস্টেট ক্যান্সারের মতো কিছু রোগের কারণে পুরুষাঙ্গের আকারে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু এটি খুবই বিরল। পেনিসের আদর্শ সাইজ কত বা লিঙ্গের স্বাভাবিক সাইজ কত – এ প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলা যায়, শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৩-৩.৫ ইঞ্চি থাকে, যা উত্তেজিত অবস্থায় ৫-৬ ইঞ্চিতে পৌঁছায়।
    যৌনতার ক্ষেত্রে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকার খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুইজারল্যান্ডের একটি গবেষণায় ১০৫ জন নারীর উপর জরিপ চালানো হয়, যেখানে দেখা গেছে, নারীরা যৌনতার সময় পুরুষাঙ্গের আকারের চেয়ে এর স্বাভাবিক আকৃতি এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন। এছাড়া, কসমোপলিটান ম্যাগাজিনের এক জরিপে দেখা গেছে, বয়স এবং যৌন অভিজ্ঞতার সঙ্গে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকারের গুরুত্ব আরও কমে আসে।
    যৌনমিলনের ক্ষেত্রে লিঙ্গের আকারের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক সংযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষদের অহেতুক দুশ্চিন্তা বা অজ্ঞতা তাদের যৌন জীবনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ছোট আকারের পুরুষাঙ্গও উত্তেজিত অবস্থায় অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে। লিঙ্গের আদর্শ সাইজ কত হলে ভালো হয় বা আদর্শ লিঙ্গের সাইজ কত হওয়া দরকার – এ প্রশ্ন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখাই সঠিক পথ।
    যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন পদ্ধতি, যেমনঃ বড়ি, ক্রিম, এবং অস্ত্রপ্রচার, পুরুষাঙ্গের আকার বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলে আসছে, তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে তেমন কোনো সফল ফলাফল পাওয়া যায়নি। বরং, এসব পদ্ধতি অনেক সময় পুরুষের স্বাভাবিক যৌনক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। তাই লিঙ্গের সাইজ কত হলে ভালো হয় বা পেনিস সাইজ কত হওয়া দরকার – এ বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে বিজ্ঞানসম্মত তথ্যের উপর নির্ভর করাই উত্তম।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষদের পেনিসের আদর্শ সাইজ কত?
    সাধারণত পেনিসের দৈর্ঘ্য ৫.১ থেকে ৫.৯ ইঞ্চির মধ্যে হয়ে থাকে।
    অনেকের ধারণা পেনিস বড় হলে স্ত্রীকে বেশি আনন্দ দেওয়া যায়, কিন্তু আসলে স্থায়িত্বই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত স্থায়িত্ব ৭ থেকে ১০ মিনিট হয়ে থাকে।
    পুরুষাঙ্গ একেবারে সোজা নয়, সাধারণত একটু বাঁকা থাকে।
    পুরুষাঙ্গের আগা মোটা এবং গোড়া চিকন হওয়াকে বড় ধরণের সমস্যা মনে করার দরকার নেই।
    পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য কোন জাদুকরী তেল বা ঝাড় ফু সম্পূর্ণ বানোয়াট, তাই এমন ফাঁদে পড়বেন না।
    পুরুষাঙ্গ বড় না হলেও নারীকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব; মাত্র ৩ ইঞ্চি পেনিসই খুশি করতে যথেষ্ট।
    পুরুষাঙ্গ অতিরিক্ত বড় হলে অনেক সময় নারীরা ব্যথা পায়, যা যৌন আতঙ্কে রূপ নিতে পারে।
    প্রকৃত ছোট লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ২.৭৬ ইঞ্চির কম হয়।
    পুরুষাঙ্গের গোঁড়া চিকন, আগা মোটা বা বাঁকা হওয়া যৌন মিলনে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না।
    নিজ স্ত্রী ছাড়া অন্য কোথাও পুরুষাঙ্গ ব্যবহার করবেন না, এতে আপনি অনেক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।