Category: বিনোদন

বিনোদন

  • স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার পর ৪টি কাজ অবশ্যই করবেন

    স্ত্রীর সঙ্গে শারীরিক মেলামেশার পর ৪টি কাজ অবশ্যই করবেন

    সহবাসের বিষয়ে আমাদের জানাশোনা খুব কম। জানা আগ্রহ থাকলেও সঠিক উপায় ও মাধ্যম না পেয়ে অনেকটা লজ্জার কারণে অনেক গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে অজ্ঞ্যত রয়ে যায়। ফলে নানা সময়ে ঘটতে পারে বিপদ। আর তাই কোনো বিষয়ে সংকোচ না করে জানা চেষ্

     

    সহবাস নিয়ে কথা হলে প্রথমেই মাথায় আসে, সহবাহের পূর্বেরর্বে করণীয় এবং শেষের করণীয় সম্পর্কে।

     

    সর্বাধুনিক এবং শান্তির ধর্ম ইসলাম বৈধ যৌনতাকে উৎসাহিত করেছে। বলা হয়েছে, স্বামী-স্ত্রীর মিলনে রয়েছে অপার রহমত ও সওয়াব। কিন্তু অনেকেই হয়ত ইসলামিক শরীয়ত মোতাবেক সহবাসের স্বাভাবিক নিয়ম বা পন্থা সম্পর্কে জানেন না।

    আরও দেখুন
    জীবনধারা
    ডেইলি
    সংবাদপত্র

     

    সবচেয়ে বড় সমস্যা হল, সহবাস ও স্বাস্থ্যকর যৌন জীবন নিয়ে খোলাখুলি কেউ কথা বা আলোচনা চান না। বিশেষ করে মেয়েরা তো একেবারেই এড়িয়ে যেতে চান। সহবাসের আগে পুরুষ ও নারীদের প্রস্রাব করা উচিত। এতে প্রস্রাবের স্থানে সংক্রমণ বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশনের সম্ভাবনা অনেকটাই কম হয়।

    আরও দেখুন
    জীবনধারা
    ডেইলি
    সংবাদপত্র

     

    শারীরিক সম্পর্কের আগে যেসব খাবার বিপদ ডেকে আনে

    শারীরিক সম্পর্কের আগে যেসব খাবার বিপদ ডেকে আনে

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    সহবাসের সময় ফোরপ্লে খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেই সময় সঙ্গীর সঙ্গে বন্ধন দৃঢ় করার নানা পথ নিতে হয়। ভালোলাগা, মানসিক ও শারীরিক বিশ্বাস গড়ে তুলতে হয়। এসবের মধ্যে প্রস্রাবের জন্য বিরতি নেয়া, নিজের সঙ্গীকে সেটা বলাটাও মুড নষ্ট করে দিতে পারে।

     

    দীর্ঘদিন শারীরিক মিলন না হলে শরীরের উপর যে প্রভাব পড়ে

    দীর্ঘদিন শারীরিক মিলন না হলে শরীরের উপর যে প্রভাব পড়ে

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    বিশেষজ্ঞদের মতে, যৌন মিলনের পর প্রস্রাব করা একটি অত্যন্ত ভালো অভ্যাস। এর ফলে যৌনাঙ্গের ক্ষতিকারক ব্যাকটেরিয়া পরিষ্কার হয়ে যায় এবং সংক্রমণ হওয়ার সম্ভাবনা কমে। যৌনমিলনের পর প্রস্রাব করলে ইউরেথরা থেকে ব্যাকটেরিয়া মুক্ত হয়ে যায়। ফলে যে কোনো রকমের সংক্রমণ থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। যৌনমিলনের পর ৩০ মিনিটের মধ্যে প্রস্রাব শরীরে পক্ষে উপকারী।

     

    শারীরিক সম্পর্কের আগে পার্টনারের সাথে যা করা প্রয়োজন

    শারীরিক সম্পর্কের আগে পার্টনারের সাথে যা করা প্রয়োজন

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    সহবাসের সময় ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা খুবই জরুরি। সুস্বাস্থ্যের জন্য এই পরিচ্ছন্নতা আপনি কী বজায় রাখেন? সহবাসের সময় পরিচ্ছন্নতা বজায় না রাখলে শরীরে বড় বিপদ হতে পারে। বিশেষ করে নারীদের যৌনাঙ্গে হতে পারে সংক্রমণ, যা কঠিন অসুখও ডেকে আনতে পারে।

     

    শারীরিক সম্পর্কের চূড়ান্ত মুহূর্তে মেয়েরা যে কথাটি শুনতে চান

    শারীরিক সম্পর্কের চূড়ান্ত মুহূর্তে মেয়েরা যে কথাটি শুনতে চান

     বিস্তারিত পড়ুন

     

    কিন্তু এতে সত্যিই কী কোনো উপকার হয়? নারী-পুরুষ উভয়েই বেশিরভাগ সহবাসের পর প্রস্রাব করে থাকেন। তবে মিলনের আগে প্রস্রাব করে কী সত্যিই কোনো লাভ হয়? স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক বিস্তারিত জানিয়েছেন। তার মতে, সহবাসের আগে ও পরে উভয়েরই প্রস্রাব করা উচিত। ব্ল্যাডারে প্রস্রাব জমে থাকা অবস্থায় যে জীবাণু থাকে, তা সঙ্গমের সময় একে অপরের শরীরে প্রবেশ করতে পারে। তা থেকে উভয়েরই, বিশেষ করে নারীদের ইউটিআই বা ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন হওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে। একইসঙ্গে মিলনের আগে প্রস্রাব করা থাকলে শারীরিক স্বস্তিও অনেকটাই থাকে। এতে সঙ্গম আরো আকর্ষণীর্ষ য় হয়ে উঠতে পারে।

     

    অনেক সময় অর্গাজম হওয়ার মুহূর্তে প্রস্রাবের অনুভূতি চলে আসে। এতে সহবাস চলাকালীন প্রস্রাব করার দিতে মন চলে যায়। প্রস্রাবের চিন্তায় অনেক সময়ই ইজাকুলেশন থেকে বিরত হয়ে যান অনেকে। অর্গাজমের আনন্দানুভূতি বা অভিজ্ঞতা থেকে বঞ্চিত হতে হয়। প্রস্রাব করার পর সহবাসে লিপ্ত হলে এই অনভিপ্রেত মুহূর্তের মুখোমুখি হতে হয় না।

  • যেসব মেয়ে কখনো স”হ”বা”স করেনি তাদের চেনার উপায়

    যেসব মেয়ে কখনো স”হ”বা”স করেনি তাদের চেনার উপায়

    ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে?

    কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন?

    তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

    ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন।

    একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন

    ১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।

    ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে

    মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন। তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ

    ১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।

    ২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।

    ৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।

    ৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।

    ৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন।

    খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন।

    আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।

    ৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।

    **যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    **আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে

    – ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।

    – দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।

    – ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।

    – অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।

    – মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।

    – ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।

    – উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।

    – মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!

  • ছেলেদেরটা কত বড় হলে বিবাহিত মহিলারা দুর্বল হয়ে যায়

    ছেলেদেরটা কত বড় হলে বিবাহিত মহিলারা দুর্বল হয়ে যায়

    নারী শব্দটির মধ্যেই যেন পৃথিবীর সমস্ত রহস্য লুকিয়ে আছে। নারীরা চপলমতি হন, স্থির বু’দ্ধিসম্পন্ন হন আবার ভাবুক প্রকৃতিরও হন। নারীরা ভিন্ন দে’হ বৈচিত্র্য এবং ভিন্ন রূপ বৈচিত্র্যের অধিকারী হন, ভিন্ন তাঁদের চাওয়া পাওয়া। কিন্তু একটি দিকে তারা সবাই অনেকটা একই রকম হয়ে থাকেন।আর সেটা হলো প্রেমিক পুরুষের ক্ষেত্রে।
    যেমন এমন অনেক কথা আছে যেগু’’লো নারীরা পুরুষদের মুখ থেকে শুনতে ভীষণ পছন্দ করেন। তাই নারীকে খুশি করার জন্য একঝাঁক তরুণ গবেষণা করে সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক নারীকে খুশি করার সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক –
    ১.তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে : এটা খুবই সাধারণ একটি কথা যা প্রতিটি নারী তাদের আকাঙ্খিত পুরুষদের কন্ঠ থেকে শুনতে পছন্দ করেন। সেই নারী হোক সুন্দর বা অসুন্দর তবু এই কয়েকটি শব্দ তাদেরকানে লাগে সুমধুর। কোনো পুরুষ যদি মুগ্ধতার বশে বলে নয়ে তোমাকে আজ বেশ সুন্দর লাগছে তাহলে নারীরা খুশি হয়ে যান। এই বাক্যটি তখন তাদের কাছে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বাক্য মনে হয়।
    ২.তুমি আমা’র জীবনের প্রথম নারী : প্রতিটি নারীই চানতার পুরুষটি যেন তাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন এবং তাকে ছাড়া যেন দ্বিতীয় কোনো নারীর দিকে তারা না তাকান। আর তিনি হয়ে থাকেন সেই পুরুষের জীবনের প্রথম নারী তাহলে তার জীবনে অ’পূর্ণতার আর কিছুই থাকে না। পুরুষ স’’ঙ্গীটির মুখে একজন নারী শুনতে চান যে ‘তুমি আমা’র জীবনের প্রথমনারী’ এই বাক্যটি। সেটি যদি মিথ্যাও হয়ে থাকে তারপরও তার কাছে সেটি চরম সত্যি কথা।
    ৩.তুমি অনেক আবেদনময়ী : অন্যান্য কথার সাথে এই কথাটাও অনেক প্রিয় একজন নারীর কাছে।পুরুষস’’ঙ্গীটি বেশি আবেদনময়ী বলে পছন্দ করেন এটি তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সত্য বলে তার মনে হয়।
    ৪.তুমি কি আমা’র সাথে তোমা’র সারাটি জীবন কা’টাবে : প্রতিটি মানুষের আলাদা কিছু স’ত্ত্বা রয়েছে। এ কারণে আলাদা স’ত্ত্বার মানুষগু’’লো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন স’ত্ত্বার মানুষগু’’লোর জীবন স’’ঙ্গীকে প্রপোজ করার প’দ্ধতিও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। একজন নারী বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে প্রপোজে বেশি খুশি হয়। তার মধ্যে এটি একটি যেমন তুমি কি আমা’র সাথে তোমা’র সারাটিজীবন কা’টাবে?এ ধরনের বাক্যেও একজন নারী অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন।
    ৫.তুমি কি মনে ক’রো : কোনো একটা বি’ষয়ে যদি পুরুষ স’’ঙ্গীটিজিজ্ঞাসা করে বা জানতে চায় যে এই বি’ষয়টি স’ম্পর্কে তুমি কি মনে কর বা কোনো একটা বি’ষয় স’ম্পর্কে যদি তার মতামত জিজ্ঞাসা করে তাহলে নারীটি ভীষণ খুশি হয়ে থাকে। তারা ভাবেন যে তাদের মতামতেরওমূল্য দিচ্ছেন তারপুরুষ স’’ঙ্গীটি।
    ৬. তুমি আমা’র জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ : এমন কথা শুনতে কার না ভালো লাগে। একজনের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ এর চেয়ে বেশি পাওয়ার আর কি হকে পারে। এই ধরনের কথাতেও একজন নারী যার পর নাই খুশি হয়ে থাকেন।

    ট্যাগ

  • ৫টি কারণে বিবাহিত পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়

    ৫টি কারণে বিবাহিত পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়

    নারী-পুরুষ সৃষ্টির এক অপার বিস্ময়। একে-অপরের পরিপূরক নারী ও পুরুষ। পরিচয়, প্রেম বিয়ে, সখ্যতা, বন্ধুত্ব সবকিছুতেই নারী-পুরুষের মধ্যে আলাদা আবেদন কাজ করে। তবে প্রচলিত আছে নারীরা বিবাহিত পুরুষের প্রেমে বেশিই পড়ে! যদিও কথাটির গবেষণাগত কোনো ভিত্তি নেই।

    তবে এ বিষয় নিয়ে নানান জনের নানান মন্তব্য থাকলেও এবার সমীক্ষায় আসল সত্যতা যাচাই হয়েছে। সম্প্রতি ভারতে এক সমীক্ষায় দেখা গেছে মেয়েদের মধ্যে বিবাহিত পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হওয়ার প্রবণতা রয়েছে।

    আরও দেখুন
    খেলাধুলার সরঞ্জাম
    ভ্রমণ গাইডলাইন
    মতামত কলাম
    শিল্প সাহিত্য
    শিক্ষা সংবাদ
    চাকরির খবর
    গ্রামবাংলা সংবাদ
    কৃষি সংবাদ
    স্বাস্থ্য চিকিৎসা
    ভ্রমণ গাইড

    গবেষকরা অবশ্য এ ব্যাপারে গবেষণা করে কিছুটা কারণ জানাতে পেরেছেন। কয়েকটি কারণ উদঘাটন করে তারা জানিয়েছেন, ঠিক কী কী কারণে মেয়েরা বিবাহিত ছেলেদের প্রেমে পড়ে?

    আরও দেখুন
    ভ্রমণ গাইডলাইন
    ক্যামেরা
    জুতা
    রাজনীতি খবর
    লাইফস্টাইল টিপস
    আইন আদালত
    অর্থনীতি বিশ্লেষণ
    আন্তর্জাতিক সংবাদ
    খেলাধুলার সরঞ্জাম
    কৃষি সরঞ্জাম

    * বিবাহিত একজন পুরুষ সাধারণত অবিবাহিতদের চেয়ে দয়ালু এবং ম্যাচিওর্ড হয়। আর গুণের কারণে বিবাহিত পুরুষদের চোখ বন্ধ করে বিশ্বাস করা যায়। শুধু নারীরাই নন, পাখি এবং মাছেরাও নাকি এই পদ্ধতিতেই অপর লিঙ্গের প্রতি আকর্ষিত হ

    * একজন বিবাহিত পুরুষ একজন অবিবাহিত পুরুষের থেকে ইমোশনের দিক থেকে অনেকটাই এগিয়ে। একবার বিয়ে করার ফলে তারা মেয়েদের বেসিক সাইকোলজি খুবই ভালো বুঝতে পারেন। ফলে ইমোশনাল সমস্যাগুলো খুব বেশি থাকে না। তাই মেয়েদের আকর্ষণটা বেশি থাকে।

    আরও দেখুন
    গাড়ির যন্ত্রাংশ
    খাবার ডেলিভারি
    ভ্রমণ গাইড
    ঘড়ি
    বই
    ল্যাপটপ
    ভ্রমণ গাইডলাইন
    কৃষি সংবাদ
    পোশাক
    অপরাধ বিষয়ক বই

    * বিবাহিত পুরুষের প্রতি শারীরিক আকর্ষণও বেশি অনুভব করেন অবিবাহিত নারীরা। কারণ একথা সহজেই অনুধাবনীয় যে, মিলনের ক্ষেত্রে একজন অবিবাহিত পুরুষের থেকে বিবাহিতরা স্বাভাবিকভাবেই অনেকটা এগিয়ে থাকবে।

    * সমীক্ষা বলছে, একজন অবিবাহিত পুরুষের থেকে একজন বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে বেশি নিরাপদ বোধ করেন অবিবাহিত নারীরা। সেটা সামাজিক হোক বা আর্থিক দিক, সব দিক থেকে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার কারণে নারীরা অনেক বেশি নিশ্চিন্তভাবে মেলামেশা করতে পারেন বিবাহিত পুরুষের সঙ্গে।

    * কোনো বড় প্রতিষ্ঠানে কর্মরত উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা সাধারণত বিবাহিত হন। বিবাহিত পুরুষের মধ্যে লেভেলের মানুষজন থাকেন প্রথম সারিতে। সেক্ষেত্রে ধরা যায়, ক্যারিয়ার এবং ভবিষ্যত্‍ সুনিশ্চিত করার লক্ষ্যেও এই ধরনের অনেক সম্পর্কে জড়ান নারীরা। এটাও একটা বড় প্রাপ্তি অবিবাহিত মেয়েদের জন্য।

    আরও দেখুন
    গৃহস্থালীর পণ্য
    প্রযুক্তি খবর
    বই
    অনলাইন কোর্স
    কৃষি সংবাদ
    স্বাস্থ্য বিষয়ক পরামর্শ
    লাইফস্টাইল কোচিং
    খেলাধুলার সরঞ্জাম
    অপরাধ বিষয়ক বই
    ভ্রমণ গাইডলাইন

    তবে কারণে বা অকারণে, প্রথম দেখা বা চলার পথে নারী-পুরুষ একে অপরের প্রেমে পড়তে পারে। এক্ষেত্রে কোনো গবেষণা কিংবা কোনো প্রমাণিত তত্ব কাজে লাগে না।

    আরও পড়ুন: