Category: বিনোদন

বিনোদন

  • সে”/ক্সের স্বাভাবিক সময় কত মিনিট হলে মেয়েরা সুখ পাই জানালেন শ্রাবন্তী

    সে”/ক্সের স্বাভাবিক সময় কত মিনিট হলে মেয়েরা সুখ পাই জানালেন শ্রাবন্তী

    যৌনমিলন। নারী-পুরুষের এই জৈবিক চাহিদা চিরন্তন। এ নিয়ে নানা গবেষণা হচ্ছে এবং অভিষ্যতেও হবে।

    তবে নারী-পুরুষের এই যৌন মিলন নিয়ে নানা বাগাড়ম্বরও রয়েছে সমাজে, রয়েছে নানা কুসংস্কারও। মিলনে পারদর্শীতা নিয়ে অনেক পুরুষের মধ্যে একটা দাম্ভিকতাও কাজ করলেও অনেকের মধ্যে এ নিয়ে নানা দ্বিধাদ্বন্ধ কাজ করে।

    তবে নারী-পুরুষের যৌনমিলনের স্থায়িত্ব নিয়ে প্রকাশিত সর্বশেষ তথ্যে দেখা গেছে, মিলনের স্থায়িত্বটা নিজের (পুরুষের) ইচ্ছাশক্তির ওপর নির্ভর করে না। এটি মূলত নির্ভর করে পুরুষের শারীরিক সক্ষমতার উপর।

    গবেষণায় দেখা গেছে, খবরটি বিস্ময়কর হলেও সত্য য়ে যৌনমিলনের সময় ৪৫ শতাংশ পুরুষই স্ত্রীকে পুরোপুরি যৌনসুখ দিতে পারছে না। এই শ্রেণির পুরুষরা যৌন মিলনে দুই মিনিটের বেশি স্থায়ী হতে পারে না। এর ফলে অনেক দাম্পত্য জীবনে অশান্তি নেমে আসে। সুখের সন্ধানে নারীরা অনেক সময় পরপুরুষের দিকে আসক্ত হয়ে পড়ে।

    সম্প্রতি বিখ্যাত লেখক হ্যারি রিস্ক “দ্য নিউ ন্যাকেড; দ্য আল্টিমেট সেক্স এজুকেশন ফর গ্রোন-আপস” শিরোনামে একটি বই বের করেছেন। তিনি তাঁর বইয়ে এসব তথ্য তুলে ধরেছেন।
    তিনি বলেছেন, নারী-পুরুষ গড়ে ৭.৩ মিনিট সময় ধরে সেক্স করেন এবং এটাই স্বাভাবিক। তবে এর সময়সীমা ৪ মিনিটের কম হলে সেটি কোনোভাবেই আদর্শিক সময় বলা চলে না।

  • যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের যৌন সক্ষমতা । অনেকের দেখাযায় অতিরিক্ত মাত্রায় শারীরিক(Physical) মেলামেশা করার ফলে শুক্র সল্পতা দেখা দেয় অর্থাৎ শুক্রাণুর মাত্রা কমে যায় এবং (বীর্য) পাতলা হয়ে যায়। আপনার শরীররে যদি শুক্রাণুর(Sperm) মাত্রা কমে যায় তবে আপনি অনেক সময় সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল(Alcohol), অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন(Garlic)। কেননা সুস্থ (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

    যৌন অক্ষমতার(Sexual dysfunction) ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা(Sexual desire) ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷

    কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন(Sexual) ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন(Garlic) খুব ই কার্যকরী৷

    সেবন বিধি

    প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোষ কাঁচা রসুন(Garlic) খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ(Milk) খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।

    যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস(Amalki juice) ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। গবেষণায় প্রমাণিত এতে করে ৩ গুণ পরিমাণ শক্তি বেড়ে যায়।

    সাবধানতা

    যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন(Garlic) খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি(Allergie) ঘটাতে পারে।

    এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন(Garlic) না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন (Garlic) না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • সকাল বেলা পু(রু)ষ অং’গ দা ড়িয়ে থাকে কেনো? এটা কোন রো-গের লক্ষণ

    সকাল বেলা পু(রু)ষ অং’গ দা ড়িয়ে থাকে কেনো? এটা কোন রো-গের লক্ষণ

    সকাল বেলা পু(রু)ষ অং’গ দা ড়িয়ে থাকে কেনো? এটা কোন রো-গের লক্ষণ

    সকাল বেলা পু(রু)ষ অং’গ দাড়িয়ে থাকে কেনো? এটা কোন রো-গের লক্ষণ
    পুরুষের এই বিষয়টা নিয়ে বেশ নাজেহাল। অনেকেই সকালে ঘুম থেকে উঠতে গিয়ে অস্বস্তিতে ভোগেন। কারণ, লাঠির মতো সোজা হয়ে থাকা লিঙ্গ যখন পোশাকের ভিতর থেকে উঁকি মারে, সে অবস্থায় নড়ন-চড়ন বেশ অস্বস্তি। শুধু কী তাই, যদি কারও চোখে পড়ে যায়! কিন্তু উপায় কী?

    বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, পুরুষাঙ্গের সঙ্গে ঘটে যাওয়া এই কাণ্ড, একেবারেই স্বাভাবিক। বরং এটা না হলেই দুশ্চিন্তার বিষয়।অনেক মহিলারা মনে করেন, সকালে উঠেই পুরুষদের যৌনক্রিয়ার ইচ্ছে জাগে। আর তা মস্তিষ্কে থাকার কারণেই এই লিঙ্গের উত্থান। তবে বিশেষজ্ঞরা কিন্তু অন্য কথাই বলছেন। তাঁদের মতে, এর সঙ্গে সঙ্গমের তেমন কোনও যোগাযোগ নেই।

    মনটা হয় কেন?

    ব্যাপারটা আরও বিশদে বলা যাক বরং। চিকিৎসার ভাষায়, এই লিঙ্গ শক্ত ও দৃঢ় হয়ে যাওয়াকে বলে nocturnal penile tumescence (NPT)। এর নেপথ্যে রয়েছে একাধিক কারণ। প্রচলিত ধারণায়, ঘুমন্ত অবস্থায় যৌন উত্তেজক স্বপ্ন দেখে থাকলে পুরুষাঙ্গ শক্ত ও দৃঢ় হয়ে ওঠে। আবার কারও কারও মতে, বেশি পরিমাণ প্রস্রাব জমলে তা চাপ তৈরি করে বলেই লিঙ্গ শক্ত হয়ে যায়। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এর নেপথ্যে রয়েছে টেস্টোস্টেরোন। ঘুম থেকে ওঠার পরে পুরুষের টেস্টোস্টেরোন ক্ষরণের মাত্রা থাকে সর্বাধিক। দিনের মোট ক্ষরণের প্রায় ২৫%-৫০% এই সময় হয়। আর সেই কারণেই এমন অবস্থা।

    তবে শুধুই সকালে নয়। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, সারা রাতে ঘুমন্ত পুরুষের অন্তত ৫-৬ বার লিঙ্গ দৃঢ় হয়ে ওঠে। এই দৃঢ় হওয়ার নেপথ্যে সব সময় যৌন চিন্তার হাত থাকে না। আসলে পুরুষাঙ্গ খুবই সংবেদনশীল। কোনও নরম জিনিসের স্পর্শ পেলেই লিঙ্গ দৃঢ় হয়ে যায়।

    বিশেষজ্ঞরা আরও বলেন, টেস্টোস্টেরোন ক্ষরণের মাত্রা এই সময় বেশি মাত্রায় থাকায়, এই সময় সঙ্গম করার জন্য একেবারে পারফেক্ট। তাই মর্নিং সে-ক্সকে যৌ-ন বিশেষজ্ঞরা এগিয়ে রাখেন।

  • ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? কোন রো’গের লক্ষণ নয় তো? দেখেনিন

    ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? কোন রো’গের লক্ষণ নয় তো? দেখেনিন

    শুধু কি শিশুদের মুখ দিয়েই লালা ঝরে! আসলে ছোট-বড় বিভেদে নয় সবার মুখেই লালা উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে, তা ছোট হোক বা বড়দের। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে অনেকের মুখ দিয়ে লালা ঝরে বালিশ ভিজে যায়!
    বিষয়টি বিব্রতকর হলেও কিন্তু হেলাফেলার নয়। কারণ লালা ঝরার সমস্যাটি হতে পারে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার লক্ষণ। আবার স্বাভাবিকভাবে শোয়ার ধরন পরিবর্তনের কারণেও ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? এর প্রতিকারই বা কী?

    মানবদেহ প্রতিদিন ১ লিটারেরও বেশি লালা উৎপাদন করে। এটি লালা গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত হয়ে থাকে। জেগে থাকা অবস্থায় আমরা লালা ঝরতে দেই না, সাধারণত তা গিলে ফেলা হয়। পরক্ষণে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে পুনরায় লালা উৎপাদিত হতে থাকে। ঘুমে বিভোর থাকা অবস্থায় লালা যেহেতু গিলে ফেলা যায় না, তাই মুখে লালা জমতে শুরু করে। এর ফলে ঠোঁটের কোণ দিয়ে লালা বাইরে ঝরে পড়ে।
    রাতে কেন লালা বেশি ঝরে?
    অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ খুলে ঘুমিয়ে থাকেন। আবার কেউ উপুর হয়ে ঘুমান। এসব ক্ষেত্রে লালা ঝরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অনেকেই নাক দিয়ে ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারেন না, তাই তারা মুখ খুলে শ্বাস নিয়ে থাকেন ঘুমের মধ্যে। এক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, উপুর হয়ে পেটে ভর দিয়ে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। ঠিক একইভাবে উপুর হয়ে ঘুমালে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    লালা ঝরা কোন রোগের লক্ষণ?

    >> অনেকেই ভাবতে পারেন, লালা ঝরা হয়তো একটি সাধারণ বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে লালা ঝরতে পারে। স্ট্রোক বা সেরিব্রাল পলসিসহ একাধিক স্ক্লেরোসিস (এমএস) এর কারণেও আপনার মুখ দিয়ে নিয়মিত লালা ঝরতে পারে।

    >> সর্দি বা সংক্রমণজনিত কারণে নাক বন্ধ অবস্থায় থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে লালা ঝরতে পারে। কারণ এক্ষেত্রে ঘুমানোর সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য যখন আপনি মুখ খুলে ঘুমাবেন; তখন লালা জমে তা বাইরে বেরিয়ে আসবে।

    >> গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রিফ্লেক্স ডিসঅর্ডার (জিইআরডি) এর কারণেও মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো কিছু গিলতে অসুবিধা হয়। এ সমস্যায় যারা ভুগছেন; তাদের মুখ দিয়েও লালা ঝরতে পারে।

    >> কিছু ওষুধের কারণেও এমনটি ঘটতে পারে। অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ (বিশেষত ক্লোজাপাইন) এবং আলঝাইমারস চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত ওষুধসহ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের কারণে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত লালা ঝরতে পারে।

    >> এমএস, পারকিনসন, পেশীবহুল ডিসস্ট্রফি এবং এমনকি কিছু ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের থুতু গিলতে অসুবিধা হয়।

    >> স্নায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণ হতে পারে মুখ দিয়ে লালা ঝরা। যারা নিদ্রহীনতার সমস্যায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যাটি নিয়মিত দেখা দিতে পারে।

    >> শ্বাসকষ্ট, জ্বর, অ্যালার্জি বা সাইনাস সংক্রমণের কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রেও মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    >> যদি মাউথ আলসার থাকে, সেক্ষেত্রেও মুখে থুতু বেড়ে যায়। এ কারণেও লালা ঝরতে পারে। এ সময় প্রতিরোধক ওষুধ খেলে সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

    লালা ঝরার সমস্যা প্রতিকারের উপায় জেনে নিন-

    ১. ঘুমের অবস্থান
    বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ঘুমের ভুল অবস্থানের কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরে থাকে। তাই প্রথমত, ঘুমের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। পেটে নয় বরং পিঠে ভর দিয়ে ঘুমান। তাহলে মুখে লালা জমতে পারবে না।

    ২. ঘরোয়া প্রতিকার
    আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, লালা শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকের মতে, সাইট্রাসজাতীয় ফল খেলে লালা ঝরার সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রচুর জল পান করতে হবে। এতে শরীর হাইড্রেট থাকবে এবং লালা ঝরার সমস্যাও কমবে।

    ৩. ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস
    ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস একটি সরঞ্জাম। এটি মুখে ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আরামের সঙ্গে ঘুমাতেও পারবেন আর মুখ থেকে লালাও ঝরবে না।

    ৪. সিপিএপি মেশিন
    ঘুমের মধ্যে যারা শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তারা এই মেশিন ব্যবহার করতে পারেন। স্লিপ অ্যাপনিয়ার সর্বাধিক প্রস্তাবিত চিকিত্সা হলো সিপিএপি মেশিন।

    ৫. সার্জারি
    যাদের মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা ঝরে; তাদের ক্ষেত্রে সার্জারির মাধ্যমে লালা গ্রন্থিগুলো অপসারণের পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্নায়বিক সমস্যা থাকে। এ কারণেই ঘুমের মধ্যে তাদের অত্যাধিক লালা ঝরে থাকে।

    ৬. ঘুমানোর আগে যা মানবেন
    ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার কিংবা পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকুন। আর ঘুমানোর ১০-১৫ মিনিট আগে একটু টক কিংবা লবণ মিশ্রিত জল পান করুন