সন্তান জন্মদানে ও পুরুষ উভয়ের শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভরশীল। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, কিছু নির্দিষ্ট লক্ষণ বা দীর্ঘমেয়াদী সমস্যা দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। এই লক্ষণগুলো উপেক্ষা করলে প্রজনন সক্ষমতা কমে যেতে পারে।
১. নারীদের গর্ভধারণে ঝুঁকির ৩ প্রধান লক্ষণ
নারীর দেহে এই তিনটি লক্ষণ দীর্ঘমেয়াদী হলে তা প্রজননতন্ত্রে বড় সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:
১. দীর্ঘমেয়াদী তলপেটে ব্যথা:
তলপেটে ক্রমাগত বা দীর্ঘমেয়াদী ব্যথা অনুভব করা, বিশেষত সেই ব্যথা যদি পায়ুপথ পর্যন্ত বিস্তৃত হয়—তাহলে তা জরায়ুতে কোনো সমস্যা, যেমন ‘এন্ডোমেট্রিওসিস’ বা অন্য কোনো রোগের কারণে হতে পারে। এই ধরনের ব্যথা জরায়ুর কার্যকারিতায় ব্যাঘাত ঘটাতে পারে।
২. পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ:
হঠাৎ করে দ্রুত ওজন বৃদ্ধি, মুখে পুরুষের মতো লোম গজানো (হিরসুটিজম), ঘাড় ও বগলের নিচের অংশ কালো হয়ে যাওয়া, এবং ব্রণ বৃদ্ধি—এগুলো পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম (PCOS) এর লক্ষণ। PCOS ডিম্বাণু নিঃসরণে বাধা দেয় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
৩. অনিয়মিত ঋতুচক্র (পিরিয়ড):
যদি কোনো নারীর ঋতুচক্র ২১ দিনের কম সময়ে বা ৪০ দিনের বেশি সময়ে হয়, অথবা পিরিয়ড একেবারেই অনিয়মিত হয়, তবে তা হরমোনের গুরুতর ভারসাম্যহীনতার (যেমন—এস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন, এফএসএইচ, এলএইচ হরমোনের পরিবর্তন) লক্ষণ। অনিয়মিত ঋতুচক্র ডিম্বাণুর গুণগত মান ও পরিমাণ হ্রাস করে, যা গর্ভধারণের সম্ভাবনা কমিয়ে দেয়।
২. পুরুষদের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের লক্ষণ
পুরুষদের ক্ষেত্রে সন্তান জন্মদানে প্রধান বাধা হলো শুক্রাণুর সমস্যা। তবে কিছু বাহ্যিক লক্ষণ এই সমস্যার ইঙ্গিত দিতে পারে:
১. তলপেট বৃদ্ধি ও পেশীর শিথিলতা:
হঠাৎ করে তলপেটে মেদ জমা, দ্রুত ওজন বৃদ্ধি এবং পেশী (মাসেলস) দুর্বল বা শিথিল হয়ে যাওয়া (লুজ হওয়া)। এই লক্ষণগুলো প্রায়শই টেস্টোস্টেরন হরমোনের মাত্রা কমে যাওয়ার সাথে সম্পর্কিত।
২. অণ্ডকোষে ব্যথা বা ফুলে যাওয়া:
বিশেষ করে অণ্ডকোষে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা বা ফুলে যাওয়ার সমস্যা দেখা দেওয়া, যা শুক্রাণুর উৎপাদন বা গুণগত মানকে প্রভাবিত করতে পারে।
৩. যৌন আকাঙ্ক্ষা হ্রাস ও চুল পড়া:
স্ত্রীর প্রতি আকাঙ্ক্ষা বা যৌন মিলনে আগ্রহ কমে যাওয়া, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস দেখা দেওয়া এবং অস্বাভাবিক হারে চুল পড়া বা দাড়ি কমে যাওয়া। এগুলো শরীরে হরমোনের ভারসাম্যহীনতা নির্দেশ করে এবং পুরুষের প্রজনন সক্ষমতা হ্রাসের ইঙ্গিত দেয়।
৩. বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও করণীয়
উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে দ্রুত বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া আবশ্যক।
* নারীদের জন্য: অনিয়মিত পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দেওয়ার সাথে সাথেই গাইনোকোলজিস্টের পরামর্শ নিন। দ্রুত গর্ভধারণের জন্য চেষ্টা করলে তিন মাস আগে থেকে ফলিক এসিড, ভিটামিন ই ও ডি সাপ্লিমেন্ট নিতে পারেন। খাদ্যাভ্যাস পরিবর্তন, পর্যাপ্ত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম ও পানি পান অপরিহার্য।
* পুরুষদের জন্য: স্ত্রীর পিরিয়ড স্বাভাবিক থাকা সত্ত্বেও ৬ মাস নিয়মিত চেষ্টার পরেও যদি সন্তান না হয়, তবে সিমেন অ্যানালাইসিস (Semen Analysis) পরীক্ষা করে শুক্রাণুর পরিমাণ ও গতি যাচাই করা যেতে পারে। পুষ্টিকর খাদ্য (ভিটামিন ই, ডি, জিঙ্ক) গ্রহণ, ধূমপান ও মধ্যপান পরিহার করা, এবং রাতের খাবারে ভাতের পরিবর্তে প্রোটিন (ডিম/মাংস/মাছ) ও ফলমূল রাখা শুক্রাণুর মান উন্নত করতে সহায়তা করে।
Category: বিনোদন
বিনোদন
-
৩ টি লক্ষণ থাকলে কখনো সন্তান হবে না
-
ঘুমের মধ্যে লা’লা ঝ’রে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ!
শুধু কি শিশুদের মুখ দিয়েই লালা ঝরে! আসলে ছোট-বড় বিভেদে নয় সবার মুখেই লালা উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে, তা ছোট হোক বা বড়দের। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে অনেকের মুখ দিয়ে লালা ঝরে বালিশ ভিজে যায়!
বিষয়টি বিব্রতকর হলেও কিন্তু হেলাফেলার নয়। কারণ লালা ঝরার সমস্যাটি হতে পারে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার লক্ষণ। আবার স্বাভাবিকভাবে শোয়ার ধরন পরিবর্তনের কারণেও ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? এর প্রতিকারই বা কী?মানবদেহ প্রতিদিন ১ লিটারেরও বেশি লালা উৎপাদন করে। এটি লালা গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত হয়ে থাকে। জেগে থাকা অবস্থায় আমরা লালা ঝরতে দেই না, সাধারণত তা গিলে ফেলা হয়। পরক্ষণে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে পুনরায় লালা উৎপাদিত হতে থাকে। ঘুমে বিভোর থাকা অবস্থায় লালা যেহেতু গিলে ফেলা যায় না, তাই মুখে লালা জমতে শুরু করে। এর ফলে ঠোঁটের কোণ দিয়ে লালা বাইরে ঝরে পড়ে।
রাতে কেন লালা বেশি ঝরে?
অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ খুলে ঘুমিয়ে থাকেন। আবার কেউ উপুর হয়ে ঘুমান। এসব ক্ষেত্রে লালা ঝরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অনেকেই নাক দিয়ে ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারেন না, তাই তারা মুখ খুলে শ্বাস নিয়ে থাকেন ঘুমের মধ্যে। এক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, উপুর হয়ে পেটে ভর দিয়ে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। ঠিক একইভাবে উপুর হয়ে ঘুমালে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।লালা ঝরা কোন রোগের লক্ষণ?
>> অনেকেই ভাবতে পারেন, লালা ঝরা হয়তো একটি সাধারণ বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে লালা ঝরতে পারে। স্ট্রোক বা সেরিব্রাল পলসিসহ একাধিক স্ক্লেরোসিস (এমএস) এর কারণেও আপনার মুখ দিয়ে নিয়মিত লালা ঝরতে পারে।
>> সর্দি বা সংক্রমণজনিত কারণে নাক বন্ধ অবস্থায় থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে লালা ঝরতে পারে। কারণ এক্ষেত্রে ঘুমানোর সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য যখন আপনি মুখ খুলে ঘুমাবেন; তখন লালা জমে তা বাইরে বেরিয়ে আসবে।
>> গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রিফ্লেক্স ডিসঅর্ডার (জিইআরডি) এর কারণেও মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো কিছু গিলতে অসুবিধা হয়। এ সমস্যায় যারা ভুগছেন; তাদের মুখ দিয়েও লালা ঝরতে পারে।
>> কিছু ওষুধের কারণেও এমনটি ঘটতে পারে। অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ (বিশেষত ক্লোজাপাইন) এবং আলঝাইমারস চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত ওষুধসহ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের কারণে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত লালা ঝরতে পারে।
>> এমএস, পারকিনসন, পেশীবহুল ডিসস্ট্রফি এবং এমনকি কিছু ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের থুতু গিলতে অসুবিধা হয়।
>> স্নায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণ হতে পারে মুখ দিয়ে লালা ঝরা। যারা নিদ্রহীনতার সমস্যায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যাটি নিয়মিত দেখা দিতে পারে।
>> শ্বাসকষ্ট, জ্বর, অ্যালার্জি বা সাইনাস সংক্রমণের কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রেও মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।
>> যদি মাউথ আলসার থাকে, সেক্ষেত্রেও মুখে থুতু বেড়ে যায়। এ কারণেও লালা ঝরতে পারে। এ সময় প্রতিরোধক ওষুধ খেলে সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।
লালা ঝরার সমস্যা প্রতিকারের উপায় জেনে নিন-
১. ঘুমের অবস্থান
বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ঘুমের ভুল অবস্থানের কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরে থাকে। তাই প্রথমত, ঘুমের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। পেটে নয় বরং পিঠে ভর দিয়ে ঘুমান। তাহলে মুখে লালা জমতে পারবে না।২. ঘরোয়া প্রতিকার
আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, লালা শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকের মতে, সাইট্রাসজাতীয় ফল খেলে লালা ঝরার সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রচুর জল পান করতে হবে। এতে শরীর হাইড্রেট থাকবে এবং লালা ঝরার সমস্যাও কমবে।৩. ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস
ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস একটি সরঞ্জাম। এটি মুখে ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আরামের সঙ্গে ঘুমাতেও পারবেন আর মুখ থেকে লালাও ঝরবে না।৪. সিপিএপি মেশিন
ঘুমের মধ্যে যারা শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তারা এই মেশিন ব্যবহার করতে পারেন। স্লিপ অ্যাপনিয়ার সর্বাধিক প্রস্তাবিত চিকিত্সা হলো সিপিএপি মেশিন।৫. সার্জারি
যাদের মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা ঝরে; তাদের ক্ষেত্রে সার্জারির মাধ্যমে লালা গ্রন্থিগুলো অপসারণের পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্নায়বিক সমস্যা থাকে। এ কারণেই ঘুমের মধ্যে তাদের অত্যাধিক লালা ঝরে থাকে।৬. ঘুমানোর আগে যা মানবেন
ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার কিংবা পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকুন। আর ঘুমানোর ১০-১৫ মিনিট আগে একটু টক কিংবা লবণ মিশ্রিত জল পান করুন -
হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, জানুন আপনার ভাগ্যে যা আছে
আপনার হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে, তবে সেটি হতে পারে আপনার ব্যতিক্রমী ভাগ্যের ইঙ্গিত। হাতের রেখা নাকি একজন মানুষের জীবন ও ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে অনেক কিছু বলে। জ্যোতিষ শাস্ত্রে বিশ্বাসীদের মতে, হাতের তালুর মধ্যে ‘M’ আকৃতির রেখা থাকা মানেই আপনি একজন বিশেষ ব্যক্তি।
M
কী বোঝায় ‘M’ আকৃতির রেখা?
হাতের রেখাগুলোর মধ্যে হৃদয় রেখা, আয়ু রেখা, এবং ভাগ্য রেখা মিলে যদি ‘M’ আকার তৈরি করে, তাহলে এটি ইঙ্গিত করে যে:পুরুষদের জন্য: অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিশীল, উদ্যোগী এবং অনুভূতিপ্রবণ। চাকরির তুলনায় ব্যবসায় বেশি সফল হন।
নারীদের জন্য: পুরুষদের তুলনায় ক্ষমতাশালী। নেতৃত্বগুণ ও নিজস্ব ক্যারিয়ার গড়ার ক্ষেত্রে এগিয়ে থাকেন।
দুজনেরই ক্ষেত্রে: যে কোনো পরিস্থিতিতে খাপ খাওয়ানোর অসাধারণ দক্ষতা থাকে। সফলতার জন্য নিজেদের বদলাতে পারেন।সম্পর্কের ক্ষেত্রে ‘M’-এর প্রভাব
যদি কোনো দম্পতির দুজনের হাতেই ‘M’ থাকে, তবে সেটি রাজযোটক বলে ধরা হয়। যদিও সাফল্যের ক্ষেত্রে মেয়েরা এগিয়ে থাকতে পারেন। এ ধরনের মানুষ প্রতারণা করেন না এবং তাদের ওপর ভরসা করা যায় চোখ বন্ধ করে।জ্যোতিষীদের অভিমত
জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, ‘M’ রেখা থাকা মানুষদের জীবনে অসাধারণ সফলতা আসে। তাদের উদ্যোগ গ্রহণের ক্ষমতা ও অনুভূতিশীল মনোভাব তাদের সবার থেকে আলাদা করে তোলে।তাই, যদি আপনার হাতেও থাকে এই ‘M’, তাহলে নিজের ওপর আস্থা রাখুন। সফলতা আপনার দোরগোড়ায় আসবেই!
-
মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে
ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে?
কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন?
তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।
ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন।
একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!
ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন
১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)
২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)
৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।
ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে
মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন। তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ
১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।
২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।
৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।
৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।
৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন।
খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন।
আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।
৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।
**যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।
**আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।
ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে
– ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।
– দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।
– ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।
– অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।
– মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।
– ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।
– উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।
– মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!