Category: বিনোদন

বিনোদন

  • গভীর রাতে বিধবার ঘরে ঢুকে যা করল যুবক (ভিডিও সহ)

    গভীর রাতে বিধবার ঘরে ঢুকে যা করল যুবক (ভিডিও সহ)

    গভীর রাতে, গ্রীষ্মের তীব্র গরমে যখন চারপাশ নিস্তব্ধ, গ্রামের যুবতী বিধবা মল্লিকা তার ঘরের জানালা খুলে পাতলা কাপড়ের আবরণে গভীর ঘুমে মগ্ন। গ্রামের কিছু লম্পট যুবক প্রায়ই গভীর রাতে অন্যের ঘরের রোমাঞ্চকর দৃশ্য দেখার চেষ্টা করত।

    তাদেরই একজন, কুখ্যাত রতন, সেদিন মল্লিকার ঘরের জানালায় উঁকি দেয়। কুপির মৃদু আলোয় মল্লিকার ফর্সা শরীর দেখে রতন নিজেকে আর নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারে না, তার মনে কামনার ঝড় ওঠে।

    মল্লিকার ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় তার সাথে সরাসরি শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করা সম্ভব নয় জেনেও, প্রথম রাতেই রতন দূর থেকে সেই দৃশ্য দেখে তার মনের কামনা পূরণ করে নেয়। এরপর থেকে রতন প্রায়ই মল্লিকার বাড়ির আশেপাশে ঘুরঘুর করত, শুধু এক পলক দেখার আশায়।

    একদিন পুকুরঘাটে মল্লিকাকে ভেজা কাপড়ে বাড়ি ফিরতে দেখে রতন আর নিজেকে সামলাতে পারল না, সে মল্লিকার হাত ধরে ফেলে। সঙ্গে সঙ্গেই মল্লিকা তার গালে সজোরে চড় মারে। অপমানিত রতন ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠে। আশেপাশে কেউ না থাকায় এবং পাশে একটি পরিত্যক্ত জঙ্গলের মতো জায়গায় সুযোগ বুঝে রতন মল্লিকাকে জোর করে সেখানে নিয়ে যায় এবং তার লালসা চরিতার্থ করে।

    লজ্জায় মল্লিকা এই ঘটনা কাউকে জানায় না, আর রতন তার কৃতকর্মের জন্য অনুতপ্ত না হয়ে বরং মল্লিকার প্রতি আরও আকৃষ্ট হয়, তার শরীরের লোভে মত্ত থাকে। এভাবে কিছুদিন চলতে থাকে। মল্লিকা বুঝতে পারে, এভাবে চলতে থাকলে একদিন হয়তো তার জীবন বিপন্ন হতে পারে।

    একদিন মল্লিকা রতনকে তার বাড়িতে আমন্ত্রণ জানায়। সেদিন আর সেই জঙ্গলে নয়, মল্লিকার নিজের ঘরে তাদের দেখা হয়। মল্লিকা রতনকে ভালোমন্দ খাওয়ায় এবং এরপর তারা গোপন অভিসারে লিপ্ত হয়। রতন যখন ক্লান্ত শরীরে গভীর ঘুমে আচ্ছন্ন, সেই সুযোগে মল্লিকা ধারালো অস্ত্র দিয়ে রতনের পুরুষাঙ্গ কেটে ফেলে।

    এই গল্পে লোভী ও কামুক প্রকৃতির মানুষ রতনের পরিণতি দেখানো হয়েছে। তার অবৈধ আকাঙ্ক্ষা এবং নারীর প্রতি অসম্মানজনক আচরণের ফলস্বরূপ সে চরম শাস্তি লাভ করে। গল্পটি এই শিক্ষাই দেয় যে অবৈধ কামনা এবং অন্যের ব্যক্তিগত জীবনে হস্তক্ষেপের পরিণতি ভয়াবহ হতে পারে।

  • ক.নড.ম তৈরি হয় কোন প্রাণীর অঙ্গ থেকে, অনেকেই জানেন না

    ক.নড.ম তৈরি হয় কোন প্রাণীর অঙ্গ থেকে, অনেকেই জানেন না

    অজানাকে জানতে কার না ভালো লাগে! সাধারণ জ্ঞানের কোন নির্দিষ্ট সীমা নেই। ভূগোল, ইতিহাস, বিজ্ঞানসহ যেকোনো বিষয়েই আমাদের জ্ঞান প্রদান করে। এমনকি প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাতেও এই ধরনের প্রশ্নগুলি আসে। যাইহোক এই প্রতিবেদনে তেমনি কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হল।

    ১) প্রশ্নঃ জানেন সবথেকে গভীরে বসবাসকারী মাছটির নাম কি?
    উত্তরঃ জুভেনাইল ফিস (Juvenile fish)।

    ২) প্রশ্নঃ একটা বাঘ রাতের অন্ধকারে মানুষের চেয়ে কতগুণ ভালো দেখতে পায়?
    উত্তরঃ বাঘ রাতের অন্ধকারে মানুষের চেয়ে ছয়গুণ ভালো দেখতে পারে।

    ৩) প্রশ্নঃ মৃত্যু ছাড়া আর কখন আমাদের হৃদপিণ্ড স্তব্ধ কাজ করা বন্ধ করে দেয়?
    উত্তরঃ হাঁচি দেওয়ার সময় কয়েক মিলি সেকেন্ডের জন্য হৃদপিণ্ড স্তব্ধ হয়ে যায়।

    ৪) প্রশ্নঃ ভারতের সবচেয়ে বড় পশু মেলা কোথায় অনুষ্ঠিত হয়?
    উত্তরঃ বিহারে সবচেয়ে বড় পশু মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

    ৫) প্রশ্নঃ ভারত এবং তার কোন প্রতিবেশী দেশের মধ্যে সীমানা সবচেয়ে বড়?
    উত্তরঃ ভারতের সাথে বাংলাদেশের সীমানা সবচেয়ে বড় (৪,১৫৬ কিলোমিটার)।

    ৬) প্রশ্নঃ বাদুড়ের কোন প্রজাতি মানুষের রক্ত খায়?
    উত্তরঃ ভ্যাম্পায়ার ব্যাট (Vampire bat)।

    ৭) প্রশ্নঃ আমাদের চোখের কোন অংশ সরাসরি বাতাস থেকে অক্সিজেন গ্রহণ করে?
    উত্তরঃ চোখের কর্নিয়া (Cornea)।

    ৮) প্রশ্নঃ মিড ডে মিল প্রকল্প কত সাল থেকে শুরু হয়েছিল?
    উত্তরঃ ১৯৯৫ সাল।

    ৯) প্রশ্নঃ কালবৈশাখীকে ইংরেজিতে কী বলা হয়?
    উত্তরঃ নর্থ ওয়েস্টার (North Wester)।

    ১০) প্রশ্নঃ জানেন ক.নড.ম তৈরি হয় কোন প্রাণীর অংশ থেকে?
    উত্তরঃ অতীতে কনডম তৈরি হত ভেড়ার অন্ত্র থেকে।

  • মেয়েদের কোন অঙ্গ ১৮ বছর পর বৃদ্ধি পেতে শুরু করে

    মেয়েদের কোন অঙ্গ ১৮ বছর পর বৃদ্ধি পেতে শুরু করে

    লিখিত পরীক্ষায় পাশ করার পর যদি মনে করেন যে ইন্টারভিউ ক্লিয়ার করা সহজ, তাহলে আপনার ধারণা সম্পূর্ণ ভুল। কারণ ওই প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধির যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু প্রশ্ন ঘুরিয়ে করা হয় যা শুনে অনেকেই লজ্জায় মুখ লুকায়। তবে একটু ঠান্ডা মাথায় ভাবলে আপনিও উত্তর দিতে পারবেন। এবার জেনে নেওয়া যাক তেমনই কিছু প্রশ্নের উত্তর।
    ১) প্রশ্নঃ ইউনেস্কো কোন ক্ষেত্রের জন্য কলিঙ্গ পুরস্কার প্রদান করে?
    উত্তরঃ বিজ্ঞানে অবদান রাখার জন্য ইউনেস্কো কলিঙ্গ পুরস্কার প্রদান করে।

    ২) প্রশ্নঃ চক্ষুদানের ক্ষেত্রে চোখের কোন অংশ দান করা হয়?
    উত্তরঃ চোখের কর্নিয়া চক্ষুদানের ক্ষেত্রে দান করা হয়।

    ৩) প্রশ্নঃ চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে অধ্যয়ন করেছিলেন?
    উত্তরঃ নালন্দা বিশ্ববিদ্যালয়ে চৈনিক পরিব্রাজক হিউয়েন সাং অধ্যয়ন করেছিলেন।

    ৪) প্রশ্নঃ ভারতের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত কত?
    উত্তরঃ ভারতের জাতীয় পতাকার দৈর্ঘ্য ও প্রস্থের অনুপাত ৩:২।

    ৫) প্রশ্নঃ সূর্যের আলো থেকে কোন ভিটামিন পাওয়া যায়?
    উত্তরঃ ভিটামিন ডি পাওয়া যায় সূর্যের আলো থেকে।

    ৬) প্রশ্নঃ আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের ক্ষুদ্রতম দেশ কোনটি?
    উত্তরঃ ভ্যাটিকান সিটি আয়তনের দিক থেকে বিশ্বের সবচেয়ে ক্ষুদ্রতম দেশ, যার আয়তন মাত্র ০.৪৪ বর্গকিলোমিটার।

    ৭) প্রশ্নঃ ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার কে?
    উত্তরঃ ভারতের সশস্ত্র বাহিনীর সর্বোচ্চ কমান্ডার হলেন রাষ্ট্রপতি। (বর্তমান ভারতীয় রাষ্ট্রপতির নাম দ্রৌপদী মুর্মু)।

    ৮) প্রশ্নঃ কাজিরাঙ্গা জাতীয় অভয়ারণ্য কোন রাজ্যে অবস্থিত?
    উত্তরঃ আসাম রাজ্যে কাজিরাঙ্গা জাতীয় অভয়ারণ্য অবস্থিত।

    ৯) প্রশ্নঃ কোন সমাজ সংস্কারক সতীদাহ প্রথা বন্ধ করার জন্য সবচেয়ে বেশি চেষ্টা করেছিলেন?
    উত্তরঃ রাজা রামমোহন রায় সতীদাহ প্রথা বন্ধ করার জন্য সবচেয়ে বেশি চেষ্টা করেছিলেন।

    ১০) প্রশ্নঃ বলুন তো মেয়েদের কোন অঙ্গ ১৮ বছর পর বৃদ্ধি পেতে শুরু করে?
    উত্তরঃ আসলে, মেয়েদের ১৮ বছর পর থেকে সমস্ত অঙ্গ বৃদ্ধি পেতে শুরু করে (বিভ্রান্ত করার জন্য প্রশ্নের মধ্যে মেয়ের প্রসঙ্গ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়েছে)।

  • ছেলেদের কোন কথায় বিবাহিত মহিলারা দুর্বল হয়ে যায়

    ছেলেদের কোন কথায় বিবাহিত মহিলারা দুর্বল হয়ে যায়

    ছেলেদের কোন কথায় বিবাহিত মহিলারা দুর্বল হয়ে যায়
    নারী শব্দটির মধ্যেই যেন পৃথিবীর সমস্ত রহস্য লুকিয়ে আছে। নারীরা চপলমতি হন, স্থির বু’দ্ধিসম্পন্ন হন আবার ভাবুক প্রকৃতিরও হন। নারীরা ভিন্ন দে’হ বৈচিত্র্য এবং ভিন্ন রূপ বৈচিত্র্যের অধিকারী হন, ভিন্ন তাঁদের চাওয়া পাওয়া। কিন্তু একটি দিকে তারা সবাই অনেকটা একই রকম হয়ে থাকেন।আর সেটা হলো প্রেমিক পুরুষের ক্ষেত্রে।

    যেমন এমন অনেক কথা আছে যেগু’’লো নারীরা পুরুষদের মুখ থেকে শুনতে ভীষণ পছন্দ করেন। তাই নারীকে খুশি করার জন্য একঝাঁক তরুণ গবেষণা করে সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য খুঁজে বের করতে সক্ষম হয়েছেন। আসুন জেনে নেওয়া যাক নারীকে খুশি করার সর্বশ্রেষ্ঠ কিছু বাক্য। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক –

    ১.তোমাকে অনেক সুন্দর লাগছে : এটা খুবই সাধারণ একটি কথা যা প্রতিটি নারী তাদের আকাঙ্খিত পুরুষদের কন্ঠ থেকে শুনতে পছন্দ করেন। সেই নারী হোক সুন্দর বা অসুন্দর তবু এই কয়েকটি শব্দ তাদেরকানে লাগে সুমধুর। কোনো পুরুষ যদি মুগ্ধতার বশে বলে নয়ে তোমাকে আজ বেশ সুন্দর লাগছে তাহলে নারীরা খুশি হয়ে যান। এই বাক্যটি তখন তাদের কাছে পৃথিবীর সর্বশ্রেষ্ঠ বাক্য মনে হয়।

    ২.তুমি আমা’র জীবনের প্রথম নারী : প্রতিটি নারীই চানতার পুরুষটি যেন তাকে অনেক বেশি ভালোবাসেন এবং তাকে ছাড়া যেন দ্বিতীয় কোনো নারীর দিকে তারা না তাকান। আর তিনি হয়ে থাকেন সেই পুরুষের জীবনের প্রথম নারী তাহলে তার জীবনে অ’পূর্ণতার আর কিছুই থাকে না। পুরুষ স’’ঙ্গীটির মুখে একজন নারী শুনতে চান যে ‘তুমি আমা’র জীবনের প্রথমনারী’ এই বাক্যটি। সেটি যদি মিথ্যাও হয়ে থাকে তারপরও তার কাছে সেটি চরম সত্যি কথা।

    ৩.তুমি অনেক আবেদনময়ী : অন্যান্য কথার সাথে এই কথাটাও অনেক প্রিয় একজন নারীর কাছে।পুরুষস’’ঙ্গীটি বেশি আবেদনময়ী বলে পছন্দ করেন এটি তার জীবনের সর্বশ্রেষ্ঠ সত্য বলে তার মনে হয়।

    ৪.তুমি কি আমা’র সাথে তোমা’র সারাটি জীবন কা’টাবে : প্রতিটি মানুষের আলাদা কিছু স’ত্ত্বা রয়েছে। এ কারণে আলাদা স’ত্ত্বার মানুষগু’’লো ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। ভিন্ন ভিন্ন স’ত্ত্বার মানুষগু’’লোর জীবন স’’ঙ্গীকে প্রপোজ করার প’দ্ধতিও ভিন্ন ভিন্ন হয়ে থাকে। একজন নারী বৈচিত্র্যপূর্ণভাবে প্রপোজে বেশি খুশি হয়। তার মধ্যে এটি একটি যেমন তুমি কি আমা’র সাথে তোমা’র সারাটিজীবন কা’টাবে?এ ধরনের বাক্যেও একজন নারী অনেক বেশি খুশি হয়ে থাকেন।

    ৫.তুমি কি মনে ক’রো : কোনো একটা বি’ষয়ে যদি পুরুষ স’’ঙ্গীটিজিজ্ঞাসা করে বা জানতে চায় যে এই বি’ষয়টি স’ম্পর্কে তুমি কি মনে কর বা কোনো একটা বি’ষয় স’ম্পর্কে যদি তার মতামত জিজ্ঞাসা করে তাহলে নারীটি ভীষণ খুশি হয়ে থাকে। তারা ভাবেন যে তাদের মতামতেরওমূল্য দিচ্ছেন তারপুরুষ স’’ঙ্গীটি।

    ৬. তুমি আমা’র জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ : এমন কথা শুনতে কার না ভালো লাগে। একজনের জীবনের সবচেয়ে প্রিয় মানুষ এর চেয়ে বেশি পাওয়ার আর কি হকে পারে। এই ধরনের কথাতেও একজন নারী যার পর নাই খুশি হয়ে থাকেন।