Category: বিনোদন

বিনোদন

  • প্রথমবারেই ভালো লেগেছে দীঘির, সুখ পেয়েছেন মনের মত

    প্রথমবারেই ভালো লেগেছে দীঘির, সুখ পেয়েছেন মনের মত

    অনেক আগেই বড় পর্দায় অভিষেক হয়েছে প্রার্থনা ফারদিন দীঘির। তবে মাঝে মাঝে সোশ্যাল মিডিয়ায় বুলিংয়ের শিকার হতে হয় তাকে। তারপরও থেমে থাকেননি; একের পর এক কাজ নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।
    গতকাল রাজধানীর উত্তরায় নিতু’স বিউটি ফ্লাই মেকওভার স্টুডিও এন্ড ফ্যাশনের পূজার ফটোশুটে অংশ নেন দীঘি। গৌতম সাহার কোরিওগ্রাফিতে ক্যামেরায় ছিলেন মেহেরাব। দীঘির সঙ্গে এ ফটোশুটে আরো অংশ নেন শিশু মডেল নীভান ফারহান।

    নিতু’স বিউটি ফ্লাই মেকওভার স্টুডিও এন্ড ফ্যাশনের কর্ণধার মোমতাহিনা রহমান নিতু বলেন, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর নিতু’স বিউটি ফ্লাই মেকওভার স্টুডিও এন্ড ফ্যাশন এর যাত্রা শুরু করবে। দেশের জনপ্রিয় তারকাদের নিয়ে এর আনুষ্ঠানিক উদ্ধোধন করা হবে।

    কাজটি করে উচ্ছ্বসিত দীঘি বলেন, প্রথমবার প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে কাজ করলাম। এখানকার মেকআপ আমার কাছে ভালো লেগেছে।

    সম্প্রতি ‘শেষ চিঠি’ দিয়ে ওটিটি প্ল্যাটফর্মে পা রাখেন দীঘি। সুমন ধর পরিচালিত এই ওয়েব ফিল্মের কেন্দ্রীয় চরিত্রে অভিনয় করেছেন তিনি।এটি মুক্তির পর অভিনয়ে প্রশংসা কুড়ান দীঘি।

  • পারছিলাম না, চিৎকার করছিলাম ঐসব না করতে, তবু ছাড়েনি : রেশমি

    পারছিলাম না, চিৎকার করছিলাম ঐসব না করতে, তবু ছাড়েনি : রেশমি

    ঐসব না করতে চিৎ’কার করছিলাম-বলিউডের মি’ডিয়া পাড়ায় প্রায়ই শো’না যায় কা’স্টিং কা’উচের কথা। সো’জা কথায় যার শা’ব্দিক অর্থ হে’নস্তা। এমন হে’নস্তার শি’কার আ’নেক অ’ভিনেত্রী। কেউ মু’খ খো’লেন না ল’জ্জায় আ’বার কেউবা বো’মা ফা’টিয়ে দে’ন।

    এবার সেই কা’স্টিং কা’উচ নিয়ে মুখ খু’ললেন রে’শমী দে’শাই। বি’স্ফোরক এক ম’ন্তব্য ক’রে বসলেন ভা’রতের জনপ্রিয় অভিনেত্রী।গণমাধ্যমে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে রে’শমি অভিনয় জগতের নানা অজানা গল্প প্রকাশ করলেন। দুঃসহ সেই ঘ’টনার স্মৃ’তিচারণ ক’রতে

    গি’য়ে রেশমী বলেন, ‘প্রায় ১৩ বছর আগে কাজ শুরু করি মিডিয়ায়। বেশ অল্প বয়সেই মিডিয়াতে আসা আমার। এর আগে মিডিয়ায় কাজের কোনো অ’ভিজ্ঞতা ছিল না। এ’কেবারেই ন’বাগত ছিলাম। ওই সময় সুরজ নামের এক ব্যক্তির সঙ্গে আমার পরিচয় হয়।

    সে এখন কোথায় আছে বা কী করছে তা জানি না। প্রথম মিটিংয়েই সে আমার ‘স্ট্যা’টিসটি’ক্স’ জা’নতে চায়। ওকে ব’ললাম আ’পনি ঠিক কী জা’নতে চাইছেন, আমি বু’ঝতে পারছি না। তখনই ও আ’মায় যৌ’ন হে’নস্তা ক’রার চে’ষ্টা করে। ওই ব্যাক্তির কথা তুলে ধরে রেশমী

    আরও বলেন, হঠাৎ একদিন সুরজ কাজের জন্য আমায় ফোন দেয়। কিন্তু সেখানে গিয়ে সুরজ ছাড়া আর কাউকে দেখতে পাইনি। কোনো ক্যামেরাও ছিল না। সে ড্রিঙ্কসে কিছু মিশিয়েছিল। এ কারণে আমার স্বাভাবিক চেতনা লোপ পায়। এর পরেও আমি ওইসব করতে চাই না বলে চিৎকার করছিলাম।

    ত’বুও সে ছাড়েনি। প্রায় আড়াই ঘণ্টা পরে আমি কো’নোভাবে সেখান থে’কে প্রা’ণ বাঁ’চিয়ে বা’ড়িতে ফিরে আসি। বাড়িতে ফিরেই মাকে সবটা বলি। পরদিন মা ওর সঙ্গে দে’খা ক’রে ও’কে চ’ড়’ও মে’রেছিল। ভারতের জ’নপ্রিয় রি’য়ালিটি শো ‘বিগ বস ১৩’ এর আসরে দেখা যায় রেশমী দেশাইকে।

    শো’র পর বর্তমানে রেশমীর জ’নপ্রিয়তা আ’কাশছোঁয়া। আর এই মু’হূর্তে কা’স্টিং কা’উচের বি’রুদ্ধে রে’শমীর এই বি’স্ফোর’ক মন্ত’ব্যর জে’রে গ’রম সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমগুলো। তবে অ’বাক করা বিষয় হল রে’শমির পক্ষে সবাই সুর মে’লালেও তার স’মালোচনাও করছেন অ’নেকেই।

  • আর্মিতে মেয়েদের কু-মা-রী-ত্ব টেস্ট কিভাবে করানো হয়, (ভিডিও সহ)

    আর্মিতে মেয়েদের কু-মা-রী-ত্ব টেস্ট কিভাবে করানো হয়, (ভিডিও সহ)

    বর্তমান যুগে মেয়েরা ছেলেদের থেকে কোন দিক দিয়েই পিছিয়ে নেই। বর্তমান যুগে ছেলেদের পাশাপাশি মেয়েদেরও আর্মিতে নিয়োগ দেওয়া হচ্ছে। আর এই আর্মি পুলিশসহ সব বাহিনীতেই যোগদানের পূর্বে সকলকেই বিভিন্ন ধরনের ট্রেনিং সম্পন্ন করতে হয় তা ছেলে হোক কিংবা মেয়ে হোক। রুলস আসলে সবার জন্যই সমান।

    আর্মিতে নিয়োগ দেওয়ার পূর্বে এমনকি ট্রেনিং শুরুর আভেই ছেলে মেয়ে উভয়েরই মেডিকেল টেস্ট করানো হয়। যদি কারো শরীরে কোন রোগ বা সমস্যা থাকে। তাহলে তাকে আর আর্মিতে নেয়া হয়না। এগুলো কম বেশী সকলেরই জানা থাকলেও অনেকেই হয়তো জানেন না যে , আর্মিতে নিয়োগের সময় মেয়েদের ভার্জিনিটি বা সতীত্ব টেস্ট ও করতে হয় ।

    এখন প্রশ্ন হলো , আর্মিতে মেয়েদের ভার্জিনিটি বা কুমারীত্ব টেস্ট কিভাবে করানো হয় ।

    আর মেয়েরা যদি ভার্জিন না হয় তাহলে তাকে আর্মিতে নেয়া হয় কিনা। আর এই মেয়েদের ভার্জিনিটি টেস্ট কেনইবা করা হয়। এই টেস্ট করাটা কতটুকু যুক্তি সঙ্গত? এই সবগুলো প্রশ্নের উত্তর জানাবো আজ

    আর্মিতে যোগ দেওয়ার জন্য মেয়েদেরকে অনেক কঠিন কঠিন সব প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। নারী বলে সে ক্ষেত্রে কোন ছাড় নেই। শারীরিক বা মানসিক সব ধরনের কঠিন চাপের মধ্য দিয়ে যেতে হয় নারী পুরুষ সবাইকেই। আর্মিতে নিয়োগ পাওয়ার পূর্বে মেয়েদের ভার্জিনিটি টেস্ট করতে হয়। এটি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তবে এই বিষয়ে আমরা ভিডিওর শেষের দিকে আলোচনা করব। তবে চলুন তার আগে আমরা দেখে নেই আর্মিতে মেয়েদের মেডিকেল টেস্টে যে সমস্ত ধাপগুলো সম্পন্ন করতে হয়।

    মেয়েদের মেডিকেল টেস্টের প্রথম ধাপ হলো তাদের বয়সের উর্ধ্বসীমা হতে হবে 21 বছর। তার পরে তাদের হাইট চেক করা হয়। আর্মিতে নিয়োগ পেতে হলে মেয়েদের উচ্চতা হতে হবে কমপক্ষে 5 ফুট 1 ইঞ্চি। নেক্সট স্টেপ এ ওয়েট চেক করা হয়। 5 ফুট 1 ইঞ্চি হাইট অনুসারে মেয়েদের ওজন হতে হয় 40 থেকে 41 কেজি। তবে মনে রাখতে হবে ওভারওয়েট মেয়েদের কিন্তু আর্মিতে নিয়োগ দেয়া হয় না ।

    এরপর মেয়েদের ব্লাড প্রেসার এবং হার্টবিট চেক করা হয়। সেখানে পরীক্ষা করে দেখা হয় প্রার্থীর হার্টবিট স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি আছে কিনা । মেয়েদের শরীরের যেকোনো ছোট ছোট সমস্যা তাদের সৈনিক হওয়ার পথে বাধা হতে পারে। এরপর মেয়েদের চেস্ট মেপে দেখা হয়। যদি চেস্ট নরমালি ২৮ ইঞ্চি হয়ে থাকে তাহলে এটা ফুলিয়ে 30 ইঞ্চি করে দেখাতে হয় ।

    এরপর মেয়েদের পা খুব ভালোভাবে চেক করা হয়। বিশেষ করে হাঁটু সোজা করে দাঁড়ানোর পর দুই হাটু যদি ক্লোজ হয়ে যায় তাহলে সাধারনত মেয়েদের রিজেক্ট করে দেওয়া হয়ে থাকে । এরপর দেখা হয় মেয়েদের পায়ের পাতা সমান ও পায়ের পাতা মাটির সাথে মিশে যায় কিনা । এরপর মেয়েদের ব্লাড টেস্ট করা হয়। যদি রক্তে কোন সমস্যা থাকে বা শরীরে কোন রোগ থাকে তাহলে তাকে আমিতো নেওয়া হয় না । আর এই টেস্টের মাধ্যমে এটাও জানা যায় যে প্রার্থী কোন মাদক সেবন করে কিনা ।

    এরপরের স্টেপ এ মেয়েদের ইউরিন টেস্ট করা হয়। আর এটা করার কারণ হলো মেয়েদের মূত্রনালীতে কোনো ইনফেকশন আছে কিনা তা জানার জন্য। এরপর মেয়েদের ফুল বডি এক্সরে করা হয়। যদি শরীরের কোনো হাড়ভাঙ্গা থাকে তাহলে সে বাদ পরে যাবে। এরপর আল্ট্রাসনোগ্রাম করা হয় । যেখানে দেখা হয় শরীরের টিস্যু বা অর্গান গুলো ঠিকঠাক আছে কিনা। এরপর মেয়েদের শ্রবণ শক্তি পরীক্ষা করা হয়। মেয়েদের শরীরে কিন্তু কোন ট্যাটু মার্ক থাকা যাবে না ।

    এরপর মেয়েদের নাক পরীক্ষা করে দেখা হয় নাকের সব কিছু ঠিক আছে কিনা এবং নাকে কোন সার্জারি করা আছে কিনা । নাকে সার্জারি করা থাকলে তাকে আর আর্মিতে নেওয়া হয় না। শ্রবণশক্তির সাথে সাথে মেয়েদের দৃষ্টিশক্তিও পরীক্ষা করা হয়ে থাকে। এর জন্য চোখের সামনে একটি পেন্সিল রেখে চোখের মুভমেন্ট চেক করা হয় আর ২০ ফুট দূরে রাখা সংখ্যাকে সনাক্ত করতে বলা হয়। কেউ যদি চশমা ব্যবহার করে থাকে আর তার চশমার পাওয়ার যদি মাইনাস ২.৫ এর নীচে হয় তাহলেও তাকে আর্মিতে নেওয়া হয় । তবে কেউ কালার ব্লাইন্ড হলে তাকে নেয়া হয় না।

    এরপর জীব্বা হাত হাতের আঙ্গুল সবকিছুই পরীক্ষা করা হয়। এমনকি কারো হাতের তালুর যদি অতিরিক্ত ঘামতে থাকে তাহলেও তাকে অনেক সময় আনফিট বলে গণ্য করা হয়। এরপর দাঁত পরীক্ষা করা হয়। যদি কারো দাঁত ভাঙ্গা বা রিপ্লেস করা থাকে তাহলে সে আনফিট হয়ে যাবে।

    এরপর দেখা হয় কারো হার্নিয়া বা পাইলসের মত কোন রোগ আছে কিনা। এরপর যে স্টেপ গুলি পরীক্ষা করা হয় সেগুলি আরো গুরুত্বপূর্ণ ।দেখা হয় কারো শারীরিক বা মানসিক সমস্যা রয়েছে কিনা । উপরের টেস্টগুলো কিন্তু ছেলে মেয়ে উভয়ের ক্ষেত্রেই করা হয় । মেয়েদের ক্ষেত্রে আরো দেখা হয় 16 বছরের আগে কারো পিরিয়ড হয়েছে কিনা। এছাড়াও দেখা হয় পিরিয়ড সাইকেল ঠিক আছে কিনা। এমনকি মেয়েদের পিরিয়ড চলাকালীন সময়ে কোন যন্ত্রণা বা ওভার ফ্লো হয় কিনা । এছাড়াও টেস্টে মেয়েদের মূত্রাশয় ও ডিম্বাশয় এর আকার স্বাভাবিক হতে হয়। উপরের সবগুলো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে গেলে এরপর মেয়েদের ভার্জিনিটি টেস্ট করা হয়। এটাও তাদের রুলসের মধ্যে একটি।

    যদি কোন মেয়ে কোন ছেলের সাথে একাধিকবার যৌ-ন সম্পর্কে লিপ্ত হয় । তাহলে সে মেডিকেল টেস্টে ধরা পড়ে যাবে। এবং সাথে সাথে তাকে বাদ দিয়ে দেওয়া হয় । তবে মেয়েটি যদি এক থেকে দু’বার যৌন সম্পর্ক স্থাপন করে। তাহলে তার বাদ পড়ার সম্ভাবনা খুবই কম থাকে। একটু সহজ করে বললে বিষয়টি দাঁড়ায় যে সকল মেয়েরা যৌন-আসক্ত সে সকল মেয়েদের সাধারণত আর্মিতে নিয়োগ দেওয়া হয় না। তবে এখানে মূলত ভার্জিনিটি পরীক্ষা করা হয় মেয়েরা মেরিড কিনা সেটা জানার জন্য।

    বিশেষ করে ইন্দোনেশিয়ান সেনাবাহিনীতে নারীদের নিয়োগ পেতে হলে অবশ্যই তাকে কুমারীত্ব পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হয়। ইন্দোনেশিয়ান সেনাবাহিনীতে ১৯৫০ সাল থেকে মেয়েদের এই ভার্জিনিটি পরীক্ষা করা হয় আর সেটা করা হয় কুখ্যাত two-finger টেস্টের মাধ্যমে। সেখানে কোন মেয়ে ভার্জিন না হলে তাকে সেনাবাহিনীতে নিয়োগ দেওয়া হয় না। ইন্দোনেশিয়ান সেনাবাহিনীতে যত নারী সদস্য আছে। তারা সকলেই এই কুমারীত্ব বা ভার্জিনিটি টেস্ট করেই নিয়োগ পেয়েছেন।

    তবে বাংলাদেশে এই ধরনের কোন পরীক্ষা করা হয় কিনা তা নিয়ে কেউ কখনই অভিযোগ করেনি। ধারণা করা হয় বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে সতীত্ব পরীক্ষা করার মত কোন লজ্জাজনক পরীক্ষা মেয়েদেরকে দিতে হয় না।

  • ২ বছর স*হ*বাস করার পর জানতে পারলেন প্রেমিক তারই ভাই

    ২ বছর স*হ*বাস করার পর জানতে পারলেন প্রেমিক তারই ভাই

    নৈশভোজ সারার পর প্রেমিকের মা তাঁদের একটি পুরনো ফোটো অ্যালবাম নিয়ে বসেন। একটি ছবি দেখিয়ে প্রেমিকার মা জানান যে, তিনিই তরুণের পিতা। ছবিটি দেখে চমকে ওঠেন তরুণী।

    দু’বছরের সম্পর্ক তরুণ-তরুণীর। ভবিষ্যতে একসঙ্গে থাকার পরিকল্পনাও করে ফেলেছেন তাঁরা। তাই প্রেমিকের পরিবারের সঙ্গে পরিচয়পর্ব সারতে গিয়েছিলেন তরুণী। নৈশভোজের পর পরিবারের ফোটো অ্যালবাম নিয়ে বসেন তরুণের মা। তখনই মাথায় বাজ পড়ে তরুণীর। প্রেমিকের মা যাঁকে তাঁর সন্তানের পিতা হিসাবে পরিচয় দিচ্ছেন, সে আসলে তরুণীরই পিতা। দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর এই সত্য জানতে পেরে চমকে ওঠেন তরুণী। কী করবেন তা বুঝতে না পেরে সমাজমাধ্যমের শরণাপন্ন হয়েছেন তিনি।

    সম্প্রতি রেডিটে পোস্ট করে তরুণী লেখেন, ‘‘দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর আমি জানতে পারি যে আমার প্রেমিক আসলে আমার সৎভাই।’’ তিনি জানান, প্রেমিকের সঙ্গে তাঁর বাড়িতে গিয়েছিলেন তরুণী। প্রেমিকের মায়ের সঙ্গে ভালই ভাব হয়ে যায় তাঁর। নৈশভোজ সারার পর প্রেমিকের মা তাঁদের একটি পুরনো ফোটো অ্যালবাম নিয়ে বসেন। একটি ছবি দেখিয়ে প্রেমিকার মা জানান যে, তিনিই তরুণের পিতা। ছবিটি দেখে চমকে ওঠেন তরুণী।

    তরুণীর দাবি, ওই ছবিতে যাঁকে দেখানো হয়েছে তিনি আসলে ওই তরুণীর পিতা। অর্থাৎ, তাঁর প্রেমিকই তাঁর সৎভাই। দু’বছর সম্পর্কে থাকার পর এই সত্য উদ্‌ঘাটিত হওয়ার ফলে হতাশ হয়ে পড়েন তিনি। কী করবেন তা বুঝতে না পেরে নেটব্যবহারকারীদের কাছে পরামর্শ চান তিনি। নেটাগরিকদের একাংশ মন্তব্য করেছেন, ‘‘তুমি তোমার প্রেমিকের সঙ্গে এই বিষয়টি নিয়ে খোলাখুলি আলোচনা করে দেখতে পারো।’’ আবার কয়েক জন নেটাগরিক বলেছেন, ‘‘তুমি বোলো না কিছু। না হলে সব আরও জটিল হয়ে যাবে।’’