Category: বিনোদন

বিনোদন

  • কোন জিনিসটা মেয়েদের বিয়ের পর বেড়ে যায়

    কোন জিনিসটা মেয়েদের বিয়ের পর বেড়ে যায়

    ইন্টারভিউ দেওয়ার নাম শুনে অনেক শিক্ষার্থী কিছুটা নার্ভাস হয়ে পড়েন। চাকরি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হওয়ার পর যখন তাদের ইন্টারভিউ এর জন্য ডাকা হয় তখন সাধারণ জ্ঞানের পাশাপাশি জীবন সম্পর্কিত এমন অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয়। আবার কখনো কখনো তাদের উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য কিছু প্রশ্ন ঘুরিয়ে করা হয় যার ফলে তারা সহজেই ঘাবড়ে যান। যদিও প্রশ্নগুলো শুনে কঠিন মনে হলেও তার মধ্যেই উত্তর লুকিয়ে থাকে। এবার দেখে নেওয়া যাক…

    ১) প্রশ্নঃ এশিয়া থেকে আফ্রিকা মহাদেশকে কে আলাদা করেছে
    উত্তরঃ লোহিত সাগর.

    ২) প্রশ্নঃ এশিয়ার সবচেয়ে উষ্ণতম স্থান কোনটি?
    উত্তরঃ জেকোকাবাদ (৫২ ডিগ্রী সেলসিয়াস)।

    ৩) প্রশ্নঃ মৌর্য রাজাদের রাজধানী কোথায় ছিল ?
    উত্তরঃ পাটলিপুত্র।

    ৪) প্রশ্নঃ সাধারণ সিভিল কোড প্রাপ্ত ভারতের একমাত্র রাজ্য কোনটি?
    উত্তরঃ গোয়া।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর মোট জনসংখ্যার কত শতাংশ মানুষ এশিয়া মহাদেশের বসবাস করেন?
    উত্তরঃ ৬০%।

    ৬) প্রশ্নঃ চণ্ডাশোক নামে কে পরিচিত ছিলেন?
    উত্তরঃ সম্রাট অশোক।

    ৭) প্রশ্নঃ বাংলা ভাষায় প্রকাশিত প্রথম পত্রিকা কোনটি?
    উত্তরঃ সমাচার দর্পন।

    ৮) প্রশ্নঃ ফারাক্কা ব্যারেজ তৈরী করতে আনুমানিক কত টাকা খরচ হয়েছিল ?
    উত্তরঃ ১৫৬.৪৯ কোটি টাকা।

    ৯) প্রশ্নঃ কোন পর্বত এশিয়াকে ইউরোপ থেকে পৃথক বিচ্ছিন্ন করেছে?
    উত্তরঃ ইউরাল পর্বত।

    ১০) প্রশ্নঃ কোন যুগকে সাধারণত বাংলার স্বর্ণযুগ হিসাবে বিবেচনা করা হয় ?
    উত্তরঃ পাল যুগ।

    ১১) প্রশ্নঃ ব্রহ্মপুত্র নদ কোন স্থান উৎপত্তি লাভ করেছে?
    উত্তরঃ তিব্বতের মানস সরোবরের কাছে চেমায়ুং দুং হিমবাহ।

    ১২) প্রশ্নঃ সাতবাহন বংশের শ্রেষ্ঠ রাজা কে?
    উত্তরঃ গৌতমীপুত্র সাতকর্নী।

    ১৩) প্রশ্নঃ পৃথিবীর বৃহত্তম সরলবর্গীয় বৃক্ষের বনভূমির নাম কি?
    উত্তরঃ রাশিয়ার তৈগা বনভূমি।

    ১৪) প্রশ্নঃ পশ্চিমবঙ্গের জি.আই ট্যাগযুক্ত পণ্যগুলি কি কি?
    উত্তরঃ নকশী কাঁথা, শান্তিনিকেতনের চামড়ার বস্তূ, শান্তিপুরের শাড়ি, ধনিয়াখালির শাড়ি, কুশমণ্ডির কাঠের মুখোশ, বেঙ্গল পাটাচিত্র, মাদুরকাঠি, পুরুলিয়া চৌ মাস্ক, বেঙ্গল ডোকরা, বালুচরি শাড়ি, বাঁকুড়া পাঁচমুরা টেরাকোটার ক্রাফট, দার্জিলিংয়ের চা, হিমসাগর আম, মালদা জেলায় জন্মানো ফজলি আম , তুলাইপাঞ্জি চাল, গোবিন্দভোগ চাল, জয়নগরের মোয়া, বর্ধমান সীতাভোগ, বর্ধমান মিহিদানা, বাংলার রসোগোল্লা।

     

    ১৫) প্রশ্নঃ কোন জিনিসটা মেয়েদের বিয়ের পর বেড়ে যায়?
    উত্তরঃ দায়িত্ব (বিভ্রান্ত করার জন্য এমন প্রশ্ন করা হয়েছিল)।

  • শীর্ষে থাকা এক রোমান্স ওয়েব সিরিজ, যা মিস করা যাবে না!

    শীর্ষে থাকা এক রোমান্স ওয়েব সিরিজ, যা মিস করা যাবে না!

    বর্তমান সময়ে সিনেমা ও সিরিয়ালের পাশাপাশি ওয়েব সিরিজের জনপ্রিয়তা তুঙ্গে। বিভিন্ন ওটিটি প্ল্যাটফর্মে এখন একের পর এক চমকপ্রদ সিরিজ মুক্তি পাচ্ছে, যা দর্শকদের বিনোদনের মাত্রা আরও বাড়িয়ে দিচ্ছে। বিশেষ করে রোমান্স ও নাটকীয়তায় ভরপুর ওয়েব সিরিজগুলো আলাদা আকর্ষণ তৈরি করছে।

    সম্প্রতি একটি রোমান্টিক ড্রামা ওয়েব সিরিজ দর্শকদের মধ্যে বেশ আলোচনায় রয়েছে। এই সিরিজের কাহিনি ঘিরে রয়েছে ভালোবাসা, সম্পর্কের জটিলতা ও কিছু আকর্ষণীয় টুইস্ট, যা দর্শকদের শেষ পর্যন্ত ধরে রাখবে।

    সিরিজের কাহিনি:
    সিরিজটির গল্প এক যুবক ও তার জীবনের বিশেষ মুহূর্তগুলোর উপর ভিত্তি করে তৈরি। তার জীবনে ঘটে যাওয়া নানা ঘটনায় ভালোবাসা, বন্ধুত্ব এবং সম্পর্কের পরিবর্তন ফুটে উঠেছে। বিশেষ করে, যখন তার বিয়ের কথা পাকাপাকি হয়, তখন কিছু আকস্মিক ঘটনা গল্পকে মোড় ঘুরিয়ে দেয়।

    এছাড়াও, গল্পে রয়েছে কিছু হাস্যকর মুহূর্ত ও আবেগঘন দৃশ্য, যা দর্শকদের বিনোদন দেবে। প্রতিটি পর্বের শেষে রয়েছে এমন কিছু রহস্যময় উপাদান, যা আপনাকে পরবর্তী পর্ব দেখার জন্য আগ্রহী করে তুলবে।

    স্টারকাস্ট ও মুক্তির তারিখ:
    এই রোমান্টিক ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন প্রতিভাবান কিছু অভিনেতা, যারা তাদের অসাধারণ অভিনয়ের মাধ্যমে চরিত্রগুলোর প্রাণ দিয়েছেন। বিশেষ করে প্রধান চরিত্রে থাকা অভিনেতা-অভিনেত্রীর রসায়ন দর্শকদের মনে দাগ কাটবে।

    সিরিজটি গত ১৫ জুলাই প্রিমিয়ার হয়েছে এবং এটি হিন্দি, ইংরেজি, তামিল, তেলেগু, মালায়ালাম ও ভোজপুরি সহ একাধিক ভাষায় মুক্তি পেয়েছে।

    যদি আপনি রোমান্স ও নাটকীয়তায় ভরপুর ওয়েব সিরিজ দেখতে পছন্দ করেন, তবে এটি আপনার জন্য একটি ভালো পছন্দ হতে পারে!

  • ঐশ্বরিয়ার গো’প’ন অ’ঙ্গে’র ছবি ফাঁস, দেখুন ছবিসহ

    ঐশ্বরিয়ার গো’প’ন অ’ঙ্গে’র ছবি ফাঁস, দেখুন ছবিসহ

    ঐশ্বরিয়ার গো’প’ন অ’ঙ্গে’র ছবি ফাঁস, দেখুন ছবিসহ

    নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বি-টাউনের তারকা রানী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের অন্তরঙ্গ ছবি। সম্প্রতি এমনই গুঞ্জনে যখন সয়লাব স্যোশাল মিডিয়া ঠিক তখন সেগুলোকে ভুয়া দাবি করে আদালতের স্মরণাপন্ন হলেন এই সুন্দরী। গতকাল (মঙ্গলবার) দিল্লি হাইকোর্টে অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐশ্বরিয়ার আইনজীবী আদালতে তার ছবিগুলো অনুমোদন ছাড়া ব্যবহার করার বিবরণ জমা দিয়েছেন। তার ছবি, নাম কিংবা কণ্ঠস্বর কোনোরকম ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার যাতে না করা যায় সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।

    নায়িকার আইনজীবীর দাবি, ঐশ্বরিয়ার নামে ছড়িয়ে পড়া অন্তরঙ্গ ছবিগুলো ‘সম্পূর্ণ অবাস্তব’। অভিযোগ, নায়িকার ছবি ব্যবহার করে কফি মগ থেকে টি-শার্ট তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘একজন ভদ্রলোক শুধু আমার নাম ব্যবহার করে ও মুখ ছাপিয়ে টাকা সংগ্রহ করছেন। কারোর যৌন আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমার মক্কেলের ছবি ব্যবহৃত হচ্ছে। যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক’।

    এসময়, আইনজীবী সন্দীপ শেঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই দিয়ে তৈরি অ্যাশের ছবিগুলো আদালতের সামনে পেশ করেন। সেখানে বলা হয়েছে, ‘তারা ঐশ্বরিয়ার নাম ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করছে। ইউটিউবের স্ক্রিনশটগুলোতে যেখানে ছবিগুলো সম্পাদনা করা হয়েছে, সেগুলো ঐশ্বরিয়ার ছবি না। তিনি এ ধরনের ছবির অনুমোদনও দেননি। সমস্ত এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।’

    উল্লেখ্য, বছর খানেক আগে রাই সুন্দরীর শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনও একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যান। তারপর গত ২৫শে নভেম্বর থেকে অমিতাভের কণ্ঠস্বর কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

  • মেয়েদের স;হ;বা;সের ইচ্ছা জাগলে যে ইঙ্গিত দেয়

    মেয়েদের স;হ;বা;সের ইচ্ছা জাগলে যে ইঙ্গিত দেয়

    শারীরিক মিলনের অনুভূতি একেক জনের একেক রকম। তবে প্রচলিত ধারণা এটাই, যে মিলনসুখ পুরুষের কাছে যতটা, মহিলাদের কাছে ততটা নয়। হলেও তার বহিঃপ্রকাশ কম। অবশ্য সবার জন্য একথা বলা যাবে না। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারী আগে থেকে অনেক খোলামেলা হয়েছে। এখন ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রকাশ করা নারীর কাছেও অনেকটা সহজ। তবে সেটা অল্প-সংখ্যকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

    অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ওই গোপন ‘ইচ্ছা’কে প্রশ্রয় দিতে মহিলাদের অনেক সময় লাগে। বেশ কিছু কন্ডিশনের প্রয়োজন হয়। পুরুষের কিন্তু অতশত কন্ডিশনের প্রয়োজন পড়ে না। “দো জিসম এক জান” হতে সময়ও বেশি লাগে না।

    নারীর ইচ্ছের সেই সব সিক্রেটসকেই আবরণচ্যুত করেছেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবৈজ্ঞানিক সিন্ডি এম মেস্টন ও ডেভিড এম বাস। তাঁদের লেখা “হোয়াই উইম্যান হ্যাভ সেক্স” বইতে ফুটে উঠেছে নারীর যৌন ইচ্ছার গোপনকথা। দীর্ঘ গবেষণায় সিন্ডি ও ডেভিড আশ্চর্য সব ফলাফলে উপনীত হয়েছেন। নারী শরীর কেন সেক্স চায় সেই রহস্য উন্মোচন করতে তাঁরা দেখেছেন, কারণগুলো অবাক করার মতো।

    সেক্স বিষয়টিই কারো কাছে অস্ত্র। কমজোর পার্টনারকে কাবু করতে সেক্সকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন অনেক মহিলা। ভাবা যায় ? মানে খুব ক্লিয়ার। কোনও নারী যদি তাঁর পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে অন্য বিষয়ে পেরে না ওঠেন, অথচ মনের মধ্যে উকি দিচ্ছে কর্তৃত্ব, তখন সেই নারী পুরুষ সঙ্গীকে কাবু করার রাস্তা হিসেবে সেক্সকে বেছে নিতে পারেন।

    আবার সামাজিক পদমর্যাদা বজায় রাখতে সেক্সকে হাতিয়ার করেন অনেকে। এটা অবশ্য অজানা নয়। সংসারের দৈনন্দিন কাজ, হেঁশেল ঠেলার বিনিময়েও নাকি গৃহবধূরা সেক্স পেতে চান..। এমনকী, তীব্র মাইগ্রেনের ওষুধও নাকি সেক্স। শুধু ফুর্তির জন্যও নাকি মহিলারা সেক্সকে বেছে নেন। আবার ডিপ্রেশন থেকে রেহাই পেতেও সেক্সই নাকি অন্যতম হাতিয়ার।

    বইটিতে এমনই ২৩৭টি কারণের উল্লেখ আছে। চ্যাপ্টার ওয়ান শুরু হচ্ছে “হোয়াট টার্নস উইমেন?” দিয়ে। বলা আছে, পুরুষের কণ্ঠস্বর, তাঁদের শরীরের ঘ্রাণ, চলাফেরার ধরন, মুখের গড়ন, ব্যক্তিত্ব ও হিউমারের কারণে নাকি সেক্সের ইচ্ছে জাগে মহিলাদের মধ্যে। বইটিতে এমন অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। মোট ১১টি চ্যাপ্টার আছে বইতে।

    এককথায় নারী চরিত্র বেজায় জটিল… তাকে বোঝা বেশ চাপের। ব্রহ্মা, বিষ্ণ, মহেশ্বরও জানেন কি না সন্দেহ। ডেভিড আর সিন্ডি কতটা উদ্ধার করতে পেরেছেন কে জানে।

    মহিলাদের যৌন ইচ্ছা কত বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়?

    যৌনতা হলো নারী পুরুষের দৈহিক মিলন। প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণীর মতো নারী পুরুষের যৌনতা বাহ্যিকভাবে প্রকাশ্য নয়।

    বরং নারী পুরুষের যৌনমিলন এবং যৌনতা সংঘটিত হয় সুস্থ সুন্দর পরিবেশে।

    নারী পুরুষের যৌন উত্তেজনার ধারা পৃথিবীব্যাপী একই রকম। পৃথিবীব্যাপী নারী পুরুষ উভয়ের যৌনতার উপর গবেষণা এবং আলোচনা হয় ব্যাপকভাবে । আমেরিকান বিখ্যাত কিনসে ইনস্টিটিউট নারী পুরুষের যৌনতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে।

    পৃথিবীর আদি থেকে চলে আসা একটি সংস্কৃতি হলো যৌন সংস্কৃতি। এই যৌন সংস্কৃতি প্রতিটি পুরুষ এবং নারীর জীবনের খুব আদৃত একটি অংশ। নারীর সাথে পুরুষের দৈহিক মিলনের সময় নারী উত্তেজিত হয় এবং পাশপাশি পুরুষের ও যৌন উত্তেজনা আসে। পুরুষের স্পর্শের প্রথম থেকেই নারীর ভেতরে যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নারীর শরীর কেপে উঠতে পারে যা খুব সামান্য সময় ধরে অনুভূত হয়।

    যৌনমিলনের সময় নারীর দেহ এবং পুরুষের দেহের প্রধান যে পরিবর্তন হয় তাহলো উভয়েরই শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পায়, রক্তের চাপ বাড়ে, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় এবং উভয়েই চূড়ান্ত আনন্দের জন্যে অস্থির হয়ে উঠে ।নারীর যৌনতার সংস্কৃতিতে বোধ করি পুরুষের চেয়ে আলাদা। নারীর যৌন আগ্রহ, ইচ্ছা যৌনতার চরম আনন্দ ইত্যাদি প্রতিটি পর্বে পুরুষের চেয়ে স্বতন্ত্র অবস্থার সৃষ্টি করে।

    প্রথম যুগের মানুষের যৌনতার্ ছিল কেবল মাত্র ক্ষণিক আনন্দের একটি উত্‍স। পরবর্তী সময়ে যৌনতার ব্যবহারিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এক সময়ে এক নারী একই সাথে একই পরিবারের সবার সাথে যৌনমিলনে রত হতে পারতো। এটি ছিল যৌনতার সংস্কৃতি। তখন কার সমসাময়িক যৌন সংস্কৃতি ছিল এই রকম। যুগে যুগে যৌন সংস্কৃতি পরিবর্তিত হয়েছে। আবার যৌতার ব্যাপারে ধর্মীয় নানা মতবাদের প্রভাবে যৌনতার বিষয়টি একেক সমাজে একেকভাবে অনুশীলন করা হয়ে থাকে।

    যৌনমিলনের ব্যাপারে বা যৌনতার ব্যাপারে সব নারীরেই ইচ্ছা একই রকম হয় না। কোনো কোনো নারী অত্যাধিক যৌনকাতর। আবার কোনো কোনো পুরুষের যৌন ইচ্ছা থাকে বেশি অর্থাত্‍ যৌনতার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ এবং যৌন মিলনের ইচ্ছা থাকে ব্যাপক। আবার কোনো কোনো নারী-পুরুষ সুস্থ যৌনতার পপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক যৌনমিলন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌনতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌনতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌনতার ব্যাপারে উত্‍সাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরম পুলক আসতে পারে না।

    নারীদের যৌনইচ্ছার সময়সীমা :

    ১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌনইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এরপরে ভালই কমে যায়।

    ২. ২৫ এর উর্দ্ধে মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

    ৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্মের চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ নারীরা গল্পগুজব হৈ হুল্লোড় করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।

    ৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে।

    ৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।

    ৬. শারীরিক মিলনে নারীরা উত্তেজিত আর আনন্দিত হন ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

    দীর্ঘ সময় মিলন করার ৩০টি পদ্ধতি জেনে নিন

    যৌন মিলন মানে দীর্ঘ সময় মিলন করতে সব পুরুষই ও মহিলা উভয়ই চায়। প্রত্যেকটি পুরুষ চায় পরিপূর্ণ ভাবে যৌন মিলন করতে। তবে নানান রকম কারণে মানুষের যৌনস্বাস্থ্য এবং যৌন মিলন করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই আজ আমরা দীর্ঘ সময় মিলন করার ৩০টি পদ্ধতি সম্পকের্ আলোচনা করব দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি সমূহ।

    অনেকে আবার এই সব বিষয় নিয়েও খুজে থাকেন। দীর্ঘ সময় মিলন করার ঔষধ, দীর্ঘ সময় মিলনের ট্যাবলেট, দীর্ঘ সময় সহবাস করার পদ্ধতি, দীর্ঘ সময় সহবাস করার হোমিও ঔষধ, দীর্ঘ সময় মিলনের জন্য ঔষধ, শারীরিক মিলন পদ্ধতি, দীর্ঘ সময় মিলন করার ট্যাবলেট, বেশি সময় মিলন করার ট্যাবলেট তাই সব সমাধান এক সাথে দেওয়া হলো।

    পৃথীবিতে অধিকাংশ দম্পতিই কোনও না কোনও এক সময় এই অভিযোগটা করেন, যে বিয়ের কিছু বছর পরেই পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে যায়। একদিনে নিঃশেষ হয়ে যায় না; নিঃশেষ হতে থাকে ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ। বিশেষ করে স্বামীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রীদের প্রতি। আবার স্ত্রীরাও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্বামীর প্রতি।

    আর ফলাফল হয় পরকীয়া ! সংসার ভাঙুক বা না ভাঙুক, সম্পর্ক ঠিকই ভাঙে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন এমন কেন হয়? দুটো মানুষ পরস্পরকে খুব ভালোবেসে বিয়ে করলেও কেন হারিয়ে যায় আকর্ষণ? কেন হারিয়ে যায় স্বাভাবিক মিলন করার মন মানসিকতা আর কিভাবেই তা ফিরে পাওয়া যায়?

    দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি

    সাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষের সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলন কাল দীর্ঘায়িত করতে পারেন।

    তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌন মিলন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।