Category: বিনোদন

বিনোদন

  • বিয়ের আগে যেসব মেয়ে কখনো স”হ”বা”স করেছে তাদের চেনার উপায়

    বিয়ের আগে যেসব মেয়ে কখনো স”হ”বা”স করেছে তাদের চেনার উপায়

    ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে?

    কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন?

    তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

     

    ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন।

    একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন

    ১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।

    ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে

    মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন। তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ

    ১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।

    ২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।

    ৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।

    ৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।

    ৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন।

    খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন।

    আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।

    ৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।

    **যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    **আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে

    – ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।

    – দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।

    – ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।

    – অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।

    – মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।

    – ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।

    – উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।

    – মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!

  • ;সে;ক্স; করার পর যা করলে আবার রাজী হবে মেয়েরা

    ;সে;ক্স; করার পর যা করলে আবার রাজী হবে মেয়েরা

    সে*ক্সের পরে কিছু নিয়মিত যত্ন নেওয়া জরুরি, যা আপনার শারীরিক এবং মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী হতে পারে। এখানে কিছু সাধারণ পরামর্শ দেওয়া হলো যা সে*ক্সের পর করতে পারেন:

     

    ১. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখুন:
       সেক্সের পরে ভালোভাবে হাত, যৌনাঙ্গ এবং শরীর পরিষ্কার করুন। এটি ইনফেকশন বা অস্বস্তি থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে। স্নান বা গোসল করলে ভালো, কিন্তু অতিরিক্ত সাবান ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন যাতে ত্বক বা যোনির প্রাকৃতিক ভারসাম্য নষ্ট না হয়।
    ২. প্রয়োজনীয় হাইজিন মেনে চলুন:
       সেক্সের পরে টয়লেট যেতে চেষ্টা করুন, বিশেষত মহিলাদের জন্য। এটি ইউরিনারি ট্র্যাক্ট ইনফেকশন (UTI) প্রতিরোধে সহায়ক। প্রস্রাবের মাধ্যমে ব্যাকটেরিয়া বের হয়ে যায়, যা শরীরের জন্য উপকারী।

     

     

    ৩. শিথিল হোন এবং আরাম করুন:
       সেক্সের পরে কিছু সময় একে অপরের সঙ্গে আরামদায়ক সময়ে কাটান। এর মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও সম্পর্কের প্রতি আস্থা বৃদ্ধি পায়। একে অপরকে ভালোবাসা এবং মায়ামাখা মুহূর্তের জন্য সময় দিন।
    ৪. পরস্পরের অনুভূতি নিয়ে আলোচনা করুন:
       শারীরিক সম্পর্কের পর একে অপরের অনুভূতি নিয়ে খোলামেলা আলোচনা করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি সম্পর্কের মানসিক বন্ধন দৃঢ় করে এবং পরবর্তী সময়ে একে অপরের চাহিদা এবং সীমাবদ্ধতা সম্পর্কে সচেতন হতে সাহায্য করে।

     

     

    ৫. পানি পান করুন:
       সেক্সের পরে শরীরের জলশূন্যতা হতে পারে। তাই পর্যাপ্ত পানি পান করা উচিত। এটা শরীরের পুনঃঅভিযোজন করতে সাহায্য করে।

     

     

    ৬. বিশ্রাম নিন:
       সেক্স শারীরিক এবং মানসিকভাবে কিছুটা ক্লান্তি তৈরি করতে পারে। তাই কিছু সময় বিশ্রাম নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ। এটি শরীরের পুনরুদ্ধারে সহায়ক।

     

    মিলনের পর কানে যে কথা শুনলে খুশি হন নারীরা

     

    ৭. স্বাস্থ্যগত বিষয় নিশ্চিত করুন:
       যদি সেক্সের পরে কোনো অস্বস্তি বা সমস্যা অনুভব হয়, যেমন ব্যথা, জ্বালা বা অস্বাভাবিক স্রাব, তাহলে দ্রুত একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা উচিত।

     

     

    ৮. গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা নিশ্চিত করুন:
       সেক্সের পরে গর্ভনিরোধক ব্যবস্থা (যেমন কনডম বা অন্য কোনো উপায়) ব্যবহৃত হয়েছে কিনা তা নিশ্চিত করুন। যদি কোন কারণে কনডম ফেটে যায় বা ব্যবহার করা না হয়ে থাকে, তবে জরুরি জন্মনিয়ন্ত্রণ পিল ব্যবহার করা যেতে পারে (যদি প্রয়োজন হয়)।
    এই সব বিষয়গুলো মনে রেখে সেক্সের পরে শারীরিক এবং মানসিকভাবে সুস্থ থাকা সম্ভব। প্রতিটি সম্পর্ক ও পরিস্থিতি আলাদা, তাই নিজের এবং সঙ্গীর অনুভূতির প্রতি শ্রদ্ধাশীল থাকাটা গুরুত্বপূর্ণ।
  • স্বস্তিকার হ*স্তমৈ*থুনের ভিডিও এখন সবার মোবাইলে, লিংক সহ

    স্বস্তিকার হ*স্তমৈ*থুনের ভিডিও এখন সবার মোবাইলে, লিংক সহ

    সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এই মুহূর্তে তুমুল ভাইরাল এক ভিডিয়ো, সেখানে এক পুরুষের সঙ্গে ওয়েবক্যামে ধরা দিয়েছেন স্বস্তিকা। বিছানায় শুয়ে যৌনসুখ মেটাচ্ছেন নায়িকা। তাঁর হস্তমৈথুনের ঝলক উঠে এসেছে মাত্র ৪৯ সেকেন্ডের ওই ভিডিয়োয়। এক্স হ্যান্ডেল থেকে ফেসবুক, ইনস্টাগ্রামে হু হু করে ছড়িয়ে পড়েছে সেই ভিডিয়োকিন্তু এই ভাইরাল ভিডিয়ো কি সত্যিই স্বস্তিকার নাকি ডিপফেকের শিকার হলেন তিনি? না, ভিডিয়োয় যে মহিলাকে দেখা যাচ্ছে তিনি স্বস্তিকা মুখোপাধ্যায়ই। তবে এই ফাঁস ভিডিয়ো তাঁর আসন্ন ছবি লাভ সেক্স অউর ধোঁকা ২-এর। দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের পরিচালনায় ফের একবার বলিউডের ছবিতে বাংলার এই তুখোড় অভিনেত্রী। সেই ছবির প্রিভিউ কপি থেকেই এই দৃশ্যটি ফাঁস হয়েছে। তাতে দেখেই সত্যিটা বোঝবার আগেই রে-রে করে উঠেছেন নেটিজেনরা।

    সেন্সরের ছাড়পত্র পেতে ছবির যে প্রিভিউ কপি তৈরি হয়, সেখান থেকে কীভাবে ফাঁস হল ভিডিয়োটি তা নিয়ে ধন্দে নির্মাতারা। উল্লেখ্য, সিবিএফসির তরফে এই ছবির একাধিক দৃশ্যে কাঁচি চালানোর কথা সামনে আসার কয়েকঘন্টার মধ্যেই এই ক্লিপিংস ফাঁস হয়ে গেল। সূত্রের খবর গোটা ঘটনায় রীতিমতো ক্ষুব্ধ স্বস্তিকা। নির্মাতারা ইতিমধ্যেই সোশ্যাল সাইট থেকে ভিডিয়ো সরিয়ে ফেলার জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নিয়েছেন। কীভাবে বা কোন অ্যাকাউন্ট থেকে সেটি ছড়িয়ে পড়েছে সেটিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

    তবে স্বস্তিকাকে ঘিরে বিতর্ক প্রথম নয়। এর আগেও ফেক এমএমএস কাণ্ডের শিকার হয়েছেন অভিনেত্রী। টেক ওয়ান ছবির একটি অন্তরঙ্গ মুহূর্তকে স্বস্তিকার এমএমএস বলে পর্ন সাইটে আপলোড করা হয়েছিল। এক সাক্ষাৎকারে ওই ভুয়ো এমএমএস কাণ্ড নিয়ে স্বস্তিকা জানিয়েছিলেন, ‘আমার বাবা-মাকে তো আত্মীয়রা রীতিমতো ফোন করছিল, বলছিল তোমার মেয়ে নেশায় ডুবে আছে তোমরা কেন ব্যবস্থা নিচ্ছিল না। দিন সাতেক পর মা এত রেগে গিয়েছিল যে আমায় সটান বলে বসল, তুই এমন ছবি কেন করতে পারিস না যেটা ইউ (U) সার্টিফিকেট পায়। ছোটদের ছবি কর। এইরকম মাতালের চরিত্র করিস না’।

    ১৪ বছর আগে বক্স অফিসে ঝড় তুলেছিল দিবাকর বন্দ্যোপাধ্যায়ের ‘লাভ সেক্স অউর ধোঁকা’। এবার সেই ছবির সিকুয়েল নিয়ে ফিরছেন বাঙালি পরিচালক। গত শুক্রবার সামনে এসেছে বহুল প্রত্যাশিত লাভ সেক্স অউর ধোঁকা ২-এর ট্রেলার। আজকের জমানায় মানুষের জীবনকে পরিচালনা করছে ইন্টারনেট, সেই অন্তর্জালে খ্যাতির মোহ গ্রাস করছে সকলকে। সেই ভয়ঙ্কর সত্যিটাই এই ছবিতে তুলে ধরার চেষ্টা করেছেন পরিচালক দিবাকর।

    স্বস্তিকা ছাড়াও এই ছবিতে রয়েছেন ছবিতে অভিনয় করেছেন পরিতোষ তিওয়ারি, বনিতা রাজপুরোহিত এবং অভিনব সিং। তিনটি সমান্তরাল গল্প উঠে আসবে এই ছবিতে, যেখানে মিলে মিশে একাকার ভালোবাসা, যৌনতা এবং প্রতারণা। ছবির দ্বিতীয় গল্পের কেন্দ্রে রয়েছে ট্রান্সজেন্ডার সাফাই কর্মী কুলু। সেই গল্পেই রয়েছেন স্বস্তিকা।

  • পুরুষের কোন অঙ্গ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন

    পুরুষের কোন অঙ্গ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন

    পুরুষের কোন অঙ্গ মেয়েরা সবচেয়ে বেশি পছন্দ করেন
    প্রত্যেক পুরুষেরই জানতে ইচ্ছা করে তাদের শরীরের কোন কোন অ;ঙ্গ নারী বেশি পছন্দ। এই বিষয়ে এক গবেষণায় প্রায় ১০০ জন নারীকে প্রশ্নটি করা হয় যে, পুরুষদের কোন অ;ঙ্গগুলো তাদের সবচেয়ে বেশি পছন্দের।

    তাদের মধ্যে কেউ বলবেন হাসি, কারও কাছে চুল, কারও আবার মনে হবে পুরুষের পটলচেরা চোখই নারীদের বেশি পছন্দ। তবে অনেকের ভাবনাতেই আসবে না হাতের কথা। অথচ এটা প্রমাণিত যে, পুরুষের হাত নারীর কাছে অন্যতম আকর্ষণীয় অঙ্গ বলে বিবেচিত। তবে হাতটিকে কিছু যোগ্যতায় পাস করতে হবে অবশ্যই।

    পুরুষের হাত বিষয়টি আবারো আলোচনায় আনল টুইটার-জগতে সাম্প্রতিক এক পোস্ট। ‘ডিইই’ নামের একটি অ্যাকাউন্ট থেকে একটি হাতের ছবি পোস্ট করে বলা হয়েছিল, ‘নারীদের জন্য, যাদের হাত পছন্দ।’ পুরুষ চোখে হাতটিতে তেমন বিশেষত্ব চোখে পড়বে না। হালকা আঁ;চ;ড়ের দাগ আছে তাতে। এ ছাড়া বিশেষত্ব কিছু নেই। অথচ সেই হাতের ছবিটাই প্রচুর ‘লাইক’ এবং ‘রি-টুইট’ হয়।

    শুধু নারী নয়, এই হাতের মাজেজা বুঝতে তাতে হুমড়ি খেয়ে পড়েছেন অনেক পুরুষও। নিজেদের হাতের ছবি তুলে তারা সেখানে ‘রি-টুইট’ করছেন। উদ্দেশ্য একটাই, আমাদের হাতই-বা কী দোষ করল!

    অনেকে ব্যাপারটা বোঝার চেষ্টা করছেন। তাদের প্রশ্ন, এক হাত নিয়ে এমন হাতাহাতি হওয়ার জোগাড় কেন? কী আছে পুরুষদের হাতে। সেখানেই অনেকে উত্তর দিয়েছেন, ওরা (নারী) ছেলেদের শিরা-উপশিরা বোঝা যায়- এমন হাত পছন্দ করে। এক নারীর আবার একটু কাটাছেঁড়া হাত বেশি পছন্দ। তার মন্তব্য, ঠিক জানি না কেন, তবে কাটার দাগটায় আমি শিহরিত। তবে নারীদের এই হাত প্রেমের গল্পে নারীদের পাশাপাশি নানা রকম কমেন্ট করেন পুরুষরাও।

    সেখানে একজন লেখেন-যেসব ছেলেদের হাতের শিরা উপশিরা দেখা যায় তারা অলস হয় না, পরিশ্রমী ও শক্তিশালী হয়। তুলনামূলকভাবে উত্তম বংশধর জন্মদানের সম্ভাবনা বেশী থাকার কারণে পরিশ্রমী ও শক্তিশালী পুরুষের যে কোনো বৈশিষ্ট্য প্রাকৃতিকভাবে নারীদের বেশি আকৃষ্ট করে।

    আরেক জন লেখেন, বুঝা যাচ্ছে গাজা খোরদের হাত মেয়েদের বেশি পছন্দ। অন্য একজন লেখেন-অসম্পূর্ন হেডিং, আসলে বলা উচিত ছিল- মেয়েদের সবচেয়ে পছন্দ হচ্ছে ছেলেদের টাকা ভর্তি হাত। এবার দেখে নেয়া যাক বিজ্ঞান কী বলছে? বিজ্ঞানও বলছে, পুরুষদের হাতের প্রতি নারীর দুর্বলতা আছে। বিশেষ করে শিরা-উপশিরা দৃশ্যমান হয়, এমন হাত সত্যিই নারীদের ‌‌‌‌শিহরিত করে।

    পুরুষের হাতের প্রতি নারীদের আসক্তি নিয়ে কিন্তু কম গবেষণা হয়নি। হাতের আঙুলগুলোর কথাই ধরুন, ডান হাতের অনামিকা আর তর্জনীর মধ্যে উচ্চতার পার্থক্য নিয়ে গবেষণা করেছে ফ্লোরিডা বিশ্ববিদ্যালয়। তাদের সমীক্ষায় উঠে এসেছে, তর্জনী থেকে অনামিকার উচ্চতা বড় হলে সেই পুরুষ তুলনামূলক বেশি সন্তান প্র;জন;নে সক্ষম হন। তার আইকিউও অন্যদের তুলনা বেশি হয়ে থাকে। এমন সঙ্গীকেই তো নারীরা চাইবেন!

    আবার জেনেভা বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক জানিয়েছেন, সবচেয়ে বেশি না হলেও নারীরা পুরুষকে পছন্দ করার ক্ষেত্রে হাতকে বেশ গুরুত্ব দিয়ে থাকেন। আরো কিছু অ;ঙ্গপ্র;ত্য;ঙ্গের ব্যাপারে আড়চোখে নারীরা ঠিকই পরখ করে নেন পুরুষদের। সেসবের কথা আরেক দিন হবে।