Category: বিনোদন

বিনোদন

  • সুহানার খোলামেলা এই ছবি দেখে কি বললেন শাহরুখ খান!

    সুহানার খোলামেলা এই ছবি দেখে কি বললেন শাহরুখ খান!

    সুহানা খান (Suhana Khan) ইদানিং প্রায়ই খবরের শিরোনাম দখল করছেন। কিছুদিন আগে সুহানার একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছিল নেটদুনিয়ায়। সেখানে তিনি নজর কেড়েছিলেন নো মেকআপ লুকে।

    সাধারণ টপ ও ট্রাউজার ছিল তাঁর পরনে। কাঁধ থেকে জ্যাকেট একটু সরে গিয়েছিল। পাপারাৎজিদের দেখে দ্রুত নিজের জ্যাকেট ঠিক করতে থাকেন। এই দৃশ্য ভাইরাল হতেই নেটিজেনরা প্রশংসায় ভরিয়ে দিয়েছেন সুহানাকে।

    প্রায় সকলেই বলেছেন, শাহরুখ (Shahrukh Khan)-এর কন্যা যথেষ্ট ভদ্র। তুলনায় উঠে এসেছিল ইদানিং খোলামেলা পোশাক পরে ভাইরাল হওয়া কাজল (Kajol) ও অজয় দেবগণ (Ajay Devgan)-এর মেয়ে নায়শা (Nysha)-র কথাও। তবে সম্প্রতি শাহরুখ চমকে দিলেন সকলকে। অবশ্যই সুহানার ছবিতে কমেন্ট করে।

    দুবাইয়ে একটি ইভেন্টে গিয়েছিলেন সুহানা। সাথে ছিলেন তাঁর মা গৌরী খান (Gauri Khan) এবং বান্ধবী শানায়া কাপুর (Shanaya Kapoor)। ওই ইভেন্ট থেকে নিজের কিছু ছবি ইন্সটাগ্রামে শেয়ার করেছেন সুহানা।

    এর মধ্যে একটি ছবিতে তাঁর পরনে রয়েছে কালো রঙের হল্টারনেক গাউন। অপর একটি ছবিতে সুহানার পরনে রয়েছে হালকা গোলাপি রঙের বডিকন ড্রেস। ড্রেসটির স্লিভ স্প্যাগেটি। মেটালিক রঙের স্লিভের প‍্যাটার্ন ফ্লোরাল। নেকলাইন সামান্য ডিপ হওয়ার কারণে সুহানার ক্লিভেজ কিছুটা উন্মুক্ত।

    সুহানার এই ছবিগুলি দেখে শাহরুখ ছবির কমেন্ট বক্সে লিখেছেন, খুব অভিজাত লাগছে সুহানাকে। কিন্তু তারপরেই ছিল ট‍্যুইস্ট। একশো পঁচাত্তর ডিগ্রি সুহানার বাবা লিখলেন, একদম বাড়িতে পাজামা পরে ঘুরলে সুহানাকে দেখতে যেমন লাগে। সুহানা বাবার মন্তব্যের প্রত্যুত্তরে ধন্যবাদের সাথে জুড়েছেন অনেকগুলি ইমোজি।

    খুব শীঘ্রই নেটফ্লিক্সে স্ট্রিমিং হতে চলেছে জোয়া আখতার (Zoya Akhtar) নির্মিত ফিল্ম ‘দ্য আর্চিজ’। এই ফিল্মের মাধ্যমে বলিউডে ডেবিউ ঘটতে চলছে সুহানার।

  • ৫টি কারণে বিবাহিত পুরুষের  প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়

    ৫টি কারণে বিবাহিত পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়

    নারীরা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হবেন এটা খুব স্বাভাবিক। একজন অন্যজনের প্রতি আকৃষ্ট না হলে নতুন সম্পর্কের সূচনা হয় না। এই আকর্ষণই প্রথমে প্রেম এবং পরে বিয়েতে পরিণত হয়। কিন্তু একজন অবিবাহিত নারী যদি একজন বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন, তবে তা শুনতে বেশ অস্বাভাবিকই মনে হবে।

    তবে গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকরা বলেন, বিবাহিত পুরুষের প্রতিই নারীরা বেশি আকৃষ্ট হন। তাদের মতে, প্রায় ৯০ শতাংশ নারী এমন পুরুষদের পছন্দ করেন যারা বিবাহিত।

    ‘জার্নাল অব হিউম্যান নেচার’ নামক একটি বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি তত্ত্ব অনুযায়ী একে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ‘সঙ্গী নির্ণয়ের অনুকরণ’ বলে। এই তত্ত্ব অনুসারে, অনেক ক্ষেত্রেই একজন নারী অন্য একজন নারীকে অনুকরণ করেন। সাধারণত অল্পবয়সী নারীরা বিবাহিত বা অন্য সম্পর্কে থাকা পুরুষদের অভিজ্ঞ ও সুরক্ষিত মনে করেন।

    গবেষকদের মতে, শারীরিক আকর্ষণের থেকেও নারীরা মানসিক আকর্ষণকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।

    চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কী কী কারণে বিবাহিত পুরুষদের প্রতি নারীরা বেশি আকর্ষিত হন-

    >> একজন পুরুষ যখন কোনো নারীর কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে ওঠেন তখন অন্য নারীরাও তাকে আকর্ষণীয় ব্যক্তি বলে মনে করেন। অন্য নারীর অভিজ্ঞতাই ওই পুরুষের প্রতি কারো আকর্ষণের কারণ হতে পারে।

    >> বিবাহিত বা একবার সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন পুরুষরা বারবার সম্পর্কে জড়াতে দ্বিধাবোধ করেন। যা সম্পর্ককে স্থায়ীত্ব দিতে পারে। অন্যদিকে অবিবাহিত পুরুষদের চঞ্চলতা অনেক ক্ষেত্রেই নারীদের পছন্দসই নয়।

    >> বিবাহিত পুরুষরা বেশি নির্ভরযোগ্য বলে মনে করেন অধিকাংশ নারী। কারণ ওই পুরুষ একটি সম্পর্কে তার নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। আর অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী পুরুষের প্রতি নারীরা সহজেই আকৃষ্ট হন।

    >> এমনকি বিবাহিত পুরুদের অভিজ্ঞতা ও পরিণতমনস্কতা অনেক ক্ষেত্রেই আকৃষ্ট করে নারীদের। সম্পর্কের বিভিন্ন মোড় সামলে নিতে বিবাহিত পুরুষরা অবিবাহিতদের চেয়ে বেশি সক্ষম বলে মনে করেন নারীরা। এমনটাই মত গবেষকদের।

    >> বিবাহিত পুরুষদের পরকীয়ায় জড়ানো বড় এক ঝুঁকি। যখন কোনো পুরুষ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন, তার মানে হলো, দ্বিতীয় নারীর জন্য বড়সড় ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত তিনি। এই নিষিদ্ধ আকর্ষণে অনেক নারীই আকৃষ্ট হন বিবাহিত পুরুষদের প্রতি।

    ট্যাগ
  • গভীর রাতে মেয়েরা গুগলে সার্চ দিয়ে যেসব জিনিস দেখে

    গভীর রাতে মেয়েরা গুগলে সার্চ দিয়ে যেসব জিনিস দেখে

    নারীরা গোপনে গোপনে গুগলে যে ১০টি জিনিস সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন? জানলে ভাবনায় পড়ে যেতে পারেন যে কেউ। গুগলে নারীদের সবচেয়ে বেশি সার্চকৃত ১০টি সৌন্দর্য্য বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর।

    জেনে নিন বিস্তারিত-

    ১. ত্বকের ধরন নির্ণয় করব কীভাবে : এর সবচেয়ে ভালো বিজ্ঞানসম্মত উপায় হলো একটি মেডিকেল স্কিন টেস্ট করানো।

    ঘরে বসেও প্রাথমিক পদ্ধতিতে ব্লটিং পেপার ব্যবহার করেও স্কিন টেস্ট করানো যায়। ব্লটিং পেপারটি আপনার ত্বকের বিভিন্ন এলাকায় লাগিয়ে দিন। এরপর তা তুলে আলোতে দেখুন। এতে যদি প্রচুর পরিমাণ তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বকের ধরন হলো তৈলাক্ত। আর যদি কম তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। তবে আপনার গালের তুলনায় যদি নাক একটু বেশি তৈলাক্ত হয় তাহলে বিস্মিতি হওয়ার কিছু নেই।

    স্কিন টেস্টের সর্বশেষ ঘরোয়া পদ্ধতিটি হলো মুখ পরিষ্কার করে একঘন্টা পর তা পর্যবেক্ষণ করুন। একঘন্টাও পরও যদি আপনার মুখে তেল এবং মেদ থেকে ক্ষরিত রস থাকে তাহলে আপনার ত্বক হলো তৈলাক্ত ত্বক। কিন্তু যদি কোনো পরিবর্তন না দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। আর আপনার নাক এবং কপাল যদি কিছুটা চকচকে হয়ে ওঠে তাহলে আপনার ত্বক স্বাভাবিক ধরনের।

    ২. ফর্সা ত্বক পাব কীভাবে : নারীরা প্রায়ই ত্বক ফর্সা করার জন্য প্রচুর পরিমাণে কসমেটিকস কেনেন। যেমন, পাউডার, ফাউন্ডেশন এবং আরো নানা ধরনের প্রসাধনী কেনেন। কিন্তু ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনই মূল চাবিকাঠি। এজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, ফল ও জুস খেতে হবে, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে এবং শরীর চর্চা করতে হবে। এর পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ঘরোয়া দাওয়াই ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ৩. চুল কীভাবে দ্রুত গজানো যায় : সারাদিন চুলের সঙ্গে নিষ্ঠুর সব আচরণ করে দিনশেষে এসে চুল কীভাবে দ্রুত গজানো সম্ভব তা নিয়ে গুগলে সার্চ করার কোনো মানে হয় না। চুল দ্রুত গজাতে চাইলে চুলকে ভালো যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করতে হবে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হবে। আর চুল দ্রুত গজানোর কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করার সময় আপনাকে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। একদিনেই এর কোনো সমাধান সম্ভব নয়। অনেকে আবার এসময় চুল ছাটা বন্ধ করে দেন। কিন্তু সময় মতো চুল ছাটা হলে তা চুলের বৃদ্ধিতে বরং আরো সহায়ক হয়।

    ৪. ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর : সবার জন্য যে ট্যাটু ক্ষতিকর এমন নয়। তবে যারা স্থায়ী ট্যাটু এঁকেছেন তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এর ফলে তাদের ত্বকের সমস্যা বেড়েছে। অর্থাৎ ট্যাটুতে ঝুঁকি আছে। সুতরাং আপনি যদি পুরোপুরি নিরাপদ থাকতে চান তাহলে ট্যাটু না করানোই ভালো। আর যদি ট্যাটু করাতেই হয় তাহলে ভালো কোনো পার্লার এবং ভালো কোনো শিল্পীকে দিয়ে তা করান।

    ৫. কনসিলার প্রয়োগ করতে হয় কীভাবে : কোনো নারীই একদিনে কনসিলার প্রয়োগ করা শিখে যান না। এছাড়া কোন ধরনের কনসিলার ব্যবহার করছেন তাও একটি বিবেচ্য বিষয়। সব নারীই কনসিলার ব্যবহার করেন না। যাদের ত্বকে কোনো মার্ক বা দাগ আছে তাদেরকে অবশ্যই কনসিলার কিনতে হবে। কনসিলার কেনার আগে ক্রস চেক করে নিন সেটি আপনার ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই কিনা এবং আপনার উদ্দেশ্য পুরণ করতে পারবে কিনা। কনসিলারের নানা ধরন আছে। ফলে কেনার আগে গবেষণা করে নিতে হবে।

    ৬. দেহের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণে নিরাপদ উপায় কোনটি : দেহের লোম অপসারণের আছে একাধিক উপায়। আপনি কোন উপায়টি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করছে আপনার ত্বকের ধরন এবং লোম গজানোর তীব্রতার ওপর। চোখের ভ্রুর জন্য থ্রেডিং এবং টোয়েকিং ভালো কাজ করে। হাত বা পায়ের জন্য ওয়াক্সিং সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। আর আপনি যদি লেজার হেয়াল রিমুভাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে চান তাহলে অভিজ্ঞ কোনো কসমেটিক সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    ৭. চুলে কয়দিন পরপর শ্যাম্পু করবো : শ্যাম্পু তখনই করা উচিত যখন চুল ও মাথার ত্বকে ময়লা জমে। তবে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর শ্যাম্পু করালে চুল ভালো থাকে। আর চুলের যত্নে শ্যাম্পু করার পাশাপাশি তেল, কন্ডিশানার, ভলুমাইজার এবং অন্যান্য জিনিসও ব্যবহার করতে হবে। অনেকে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করার কথা শুনে আঁতকে ওঠেন। কিন্তু আপনার চুলে যদি প্রতিদিনই কদাকার হয়ে ওঠে তাহলে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করাতে হবে। এতে কোনো ক্ষতি হবে না।

    ৮. চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করব কীভাবে : শসা ও আলুর ফালি এবং আইস বা ঘুমের রুটিন বদলে আপনি আইব্যাগ বা চোখের ফোলাভাব থেকে মুক্ত হতে পারেন। তবে কর্কশ কিছু ব্যবহার করবেন না। কারণ তা আপনার চোখের দৃষ্টির ক্ষতি করতে পারে। আর তাতেও যদি আইব্যাগ দূর না হয় তাহলে একজন ত্বক বিশেষজ্ঞর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    ৯. স্মোকি আই মেকআপ করা সম্ভব কীভাবে : স্মোকি আই মেকআপ করার পদ্ধতি বিষয়ে ইন্টারনেটে প্রচুর সংখ্যক লেখা রয়েছে। যে কোনো একটি পদ্ধতি বাছাই করে সে মতো কাজ করুন। তবে কখনোই দুটো পদ্ধতি সমন্বয় করতে যাবেন না তাহলে কিন্তু বিপদ আছে। এতে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর যেসব কসমেটিকস কেবল চক্ষুবিজ্ঞান এর পদ্ধতি পরিক্ষীত কেবল সেসবই ব্যবহার করুন।

    ১০. বলিরেখামুক্ত ত্বক পাওয়া যাবে কীভাবে : প্রথম থেকেই ত্বকের যত্ন শুরু করুন। ৩০ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। কিন্তু আপনি যদি বলিরেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করেন এবং এরপর তা থেকে মুক্ত হতে চান তাহলে ভুল করবেন। বলিরেখার প্রথম লক্ষণ হলো কপালে ভাজপড়া। ওয়েবে ত্বকের বলিরেখা দূর করার ঘরোয়া দাওয়াই সম্পর্কিত নানা লেখা আছে। সেসব পড়ে পড়ে ত্বকের যত্ন করুন ধৈর্য্য ধরে। সূত্র : সোনলী নিউজ

  • যে ১০ পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি প/র”কীয়া করে

    যে ১০ পেশার মানুষ সবচেয়ে বেশি প/র”কীয়া করে

    পরকীয়া সম্পর্ক দাম্পত্য জীবনে কখনো কখনো হতে পারে মারাত্মক পরিণতি বয়ে আনে। দাম্পত্য জীবনে অশান্তি, মনোমালিন্য, মতের অমিল ইত্যাদি কারণে পরকীয়া সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন অনেকেই।
    বিবাহিত হোক কিংবা অবিবাহিত, বয়সভেদে এক সম্পর্কে থেকে অন্য সম্পর্কে জড়ান অনেকেই। সম্প্রতি শুধু বিবাহিতদের জন্য তৈরি করা একটি বিদেশি ডেটিং সাইটের সমীক্ষা অনুযায়ী, শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে খুশি নন, এমন বিবাহিতরাই বেশিরভাগ ক্ষেত্রে পরকীয়ায় জড়ান।
    আরও পড়ুন:সূর্য উঠলেই পাহাড়ের ফাটলে রঙের ফোয়ারা!
    সমীক্ষায় দেখা গেছে, প্রায় ৭০ শতাংশ বিবাহিতরা যারা পরকীয়ায় জড়িয়েছেন তারা কারণ হিসাবে যৌ নতাকেই প্রাধান্য দিয়েছেন।
    সমীক্ষা অনুযায়ী, ২৬ শতাংশ কোনো নির্দিষ্ট কারণ ছাড়াই পরকীয়ায় জড়িয়েছেন। আর ১৫ শতাংশ ওপেন রিলেশনশিপের কথা স্বীকার করেছেন, অর্থাৎ সঙ্গীকে জানিয়েই তারা অন্য সম্পর্কে আছেন।
    অস্ট্রেলিয়াবাসীদের মধ্যে করা এই সমীক্ষায় আরও জানা গেছে, পরকীয়ায় জড়িতদের মধ্যে ৩৯ শতাংশই জানিয়েছেন তারা বিবাহিত সম্পর্কে বেশ খুশিই আছেন।
    পরকীয়া করছেন এমন মানুষদের মধ্যে ৩৩ শতাংশই অন্য সঙ্গীর সঙ্গে থাকার সময় স্ত্রী বা স্বামীকে অজুহাত দেন যে তারা অফিসের কাজে ব্যস্ত। ২৮ শতাংশ বলেন, তারা বন্ধুবান্ধবদের সঙ্গে আছেন।
    ২৩ শতাংশ অফিসের কোনো অজুহাত দেন। এছাড়া কেউ বলেন তারা অফিসের ট্রিপে আছেন, আবার কেউ কেউ নিজের সঙ্গে অর্থাৎ পার্সোনাল টাইম পাসের বাহানা দেন সঙ্গীকে।
    প্রায় ১০ শতাংশ পুরুষ জিমে যাচ্ছে, রানিংয়ে যাচ্ছে বা কেনাকাটা করছে বলে সঙ্গীর সঙ্গে প্রতারণা করে অন্যজনের সঙ্গে পরকীয়ায় লিপ্ত হন ও সময় কাটান।
    কোন পেশার লোকজন বেশি পরকীয়ায় জড়িয়েছেন, সেই নিয়েও সমীক্ষা চালানো হয়েছে। ডেটিং সাইটের সেই সমীক্ষা অনুযায়ী, নারীদের মধ্যে শিক্ষিকা, নার্স, ম্যানেজাররা বেশি পরকীয়ায় জড়ান।
    পুরুষদের মধ্যে ইঞ্জিনিয়ার, ম্যানেজাররা বেশি পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন। এই ফলাফলগুলো ‘অ্যাশলে ম্যাডিসনের’ একটি পূর্ববর্তী জরিপের ফলাফল।
    সূত্র: নিউইয়র্ক পোস্ট