Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মে’য়েদের কোম’রে ২টি টোল থাকে কেন, জানলে অবাক হবেন

    মে’য়েদের কোম’রে ২টি টোল থাকে কেন, জানলে অবাক হবেন

    আপনি যখন হাসেন তখন কি আপনার গালে ছোট দুটি টোল পড়ে? যদি পড়ে তাহলে আপনি নিশ্চই অনেকবার শুনেছেন যে, আপনি অনেক মিষ্টি। আপনার হাসি অনেক মিষ্টি।

    কিন্তু অনেকের এই গালের মিষ্টি টোল শ’রীরের আরো একটি জায়গায় পড়ে সেটা হচ্ছে আপনার কোমর। হ্যাঁ বন্ধুগন কোম’রে যদি আপনার টোল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনি খুব ভাগ্যবান একজন মানুষ। এবং এটা কেন তা নিয়েই নিচে আলোচনা করা হল –

    হ্যাঁ আপনার কোম’রে যদি টোল পড়ে তাহলে আপনি বুঝে নেবেন আপনি খুব ভাগ্যবান। কোম’রের এই স্বর্গীয় টোলের রয়েছে অনেক সুবিধা। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে কোম’রে টোল পড়ে এমন মানুষের জীবন হয় খুব আ’নন্দদায়ক। পরিপূর্ণ অ’ভিজ্ঞতা কেবল এমন মানুষদেরই থাকে

  • পুলিশ স্বামীর পোশাক পরে স্ত্রীর টিকটক, অতঃপর…

    রাজশাহীতে পুলিশ সদস্যের ইউনিফর্ম পরে টিকটক ভিডিও তৈরির ঘটনায় এক কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। অভিযুক্ত কনস্টেবলের নাম মো. সাইফুজ্জামান। তিনি রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) কাশিয়াডাঙ্গা থানায় কর্মরত ছিলেন।

    বিজ্ঞাপন
    কাশিয়াডাঙ্গা থানার ওসি ফরহাদ আলী জানান, বৃহস্পতিবার তিনি জানতে পারেন,সাইফুজ্জামান তার স্ত্রী সিমা খাতুনকে পুলিশের ইউনিফর্ম পরিয়ে ভিডিও তৈরি করতে দিয়েছেন, যা পরে টিকটকে প্রকাশ করা হয়। খবর পাওয়ার পর তিনি নিজে ওই বাসায় গিয়ে বিষয়টি যাচাই করেন।

    যাচাইয়ে দেখা যায়, প্রথম স্ত্রীর সঙ্গে বিবাহবিচ্ছেদের পর সাইফুজ্জামান সিমা খাতুনকে দ্বিতীয় বিয়ে করেছেন। তবে এখনো কাবিননামার কাগজপত্র দেখাতে পারেননি। যদিও ইউনিফর্ম পরে সিমা খাতুনের টিকটক ভিডিও দেওয়ার অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেছে।

     

    বিষয়টি ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হলে বৃহস্পতিবারই কনস্টেবল সাইফুজ্জামানকে কাশিয়াডাঙ্গা থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়। পরে রাতেই তিনি থানা ত্যাগ করে আরএমপির পুলিশ লাইন্সে সংযুক্ত হন।

    আরও পড়ুন

    ট্রাকের ধাক্কায় পুলিশ কনস্টেবল নিহত
    রাজশাহী মহানগর পুলিশের মুখপাত্র গাজিউর রহমান বলেন, পুলিশ সদস্যের ইউনিফর্ম অন্য কেউ পরিধান করতে পারে না। এটি ফৌজদারি অপরাধ। প্রাথমিক তদন্তে অভিযোগের সত্যতা পাওয়ায় কনস্টেবলকে থানা থেকে প্রত্যাহার করা হয়েছে। তদন্ত শেষে তার বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

     

  • বিয়ে করলেই মিলবে ২৫ লাখ টাকা, প্রেম করলে ৪২ হাজার

    বিয়ে করলেই মিলবে ২৫ লাখ টাকা, প্রেম করলে ৪২ হাজার

    আধুনিকায়নের পথে হাঁটছে পুরো পৃথিবী। তবে এ আধুনিকায়নের প্রভাব দেখা দিয়েছে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে। সম্প্রতি পূর্ব এশিয়ার কয়েকটি দেশে কমতে শুরু করেছে জনসংখ্যা। দক্ষিণ কোরিয়া এ তালিকায় শীর্ষ স্থানীয় আবস্থানে রয়েছে।
    দেশটিতে তরুণ প্রজন্মের মধ্যে বিয়ে না করার এবং সন্তানের জন্ম না দেওয়ার প্রবণতা বৃদ্ধি পেয়েছে। গত কয়েক দশক ধরে অর্থনৈতিক উন্নয়নের পথে হাঁটলেও নবজাতকের সংখ্যা তলানিতে ঠেকেছে দেশটিতে। ফলে দেশটির অস্বাভাবিক জনসংখ্যাগত বৈপরীত্যের মুখোমুখি হচ্ছে।
    বিশেষজ্ঞদের মতে, কর্মক্ষেত্রে দীর্ঘ সময় কাটানো, তীব্র পেশাদার চাপ এবং জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির কারণেই দেশের জন্মহার তলানিতে নেমেছে। এ জন্মহার হ্রাসের গতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলে এক দিন পৃথিবীর মানচিত্র থেকে দক্ষিণ কোরিয়ার অস্তিত্বই মুছে যাবে।
    সংবাদমাধ্যম ‘দ্য গার্ডিয়ানে’র এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দক্ষিণ কোরিয়ার ইতিহাসে ২০২০ সাল থেকে প্রথম বারের মতো জনসংখ্যা কমতে শুরু করে। ২০২৪ সালের তথ্য অনুযায়ী, দক্ষিণ কোরিয়ার এক-তৃতীয়াংশ নারী বিয়েই করতে চান না। এদের মধ্যে ৯৩ শতাংশ নারীরা গৃহকর্মের প্রতি অনীহা প্রকাশ করেছে। সন্তান লালন-পালনের দায়িত্ব তরুণ-তরুণীদের বিয়ে না করার অন্যতম কারণ বলে বিবেচিত হয়েছে।
    ২০২৩ সালে দক্ষিণ কোরিয়ার মোট প্রজননের হার দাঁড়িয়েছে ০ দশমিক ৭২। যা ২০২২ সালে ছিল ০ দশমিক ৮১। মাত্র এক বছরের ব্যবধানে জন্মহার কমেছে ৮ শতাংশ।
    ৭০ দশকের শুরুতে দেশটিতে নারীদের গড়ে চারটি সন্তান থাকত। ১৯৬০ সালে এই হার ছিল ৬। সেই সময় দেশের অর্থনীতির হাল ধরতে সরকার জন্মনিয়ন্ত্রণ পরিকল্পনা শুরু করে। ১৯৮২ সাল নাগাদ অর্থনীতির উন্নতির সঙ্গে সঙ্গে প্রজননহার ২ দশমিক ৪ এ স্থির হয়ে যায়।
    এদিকে দক্ষিণ কোরিয়ায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা বেড়েই চলেছে। গড় আয়ুর উল্লেখযোগ্য বৃদ্ধির কারণে প্রবীণ নাগরিকদের সংখ্যা উল্লেখযোগ্য হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। অন্য দিকে, সন্তানধারণে অনিচ্ছার কারণে ধীরে ধীরে কমে আসছে পরিবারের সংখ্যাও।
    এভাবে চলতে থাকলে নষ্ট হবে দেশে সামাজিক কাঠামো, ভেঙে পড়বে অর্থনীতি। তাই বিয়ে ও সন্তানধারণের প্রতি যুব সমাজকে আকৃষ্ট করতে একগুচ্ছ পরিকল্পনাও ঘোষণা করেছে দেশটির সরকার। এ প্রকল্পগুলির মাধ্যমে যুবসমাজকে সম্পর্ক তৈরি, বিয়ে এবং সন্তানধারণের জন্য উৎসাহিত করা হচ্ছে। দেশটির কোনও পুরুষ বা নারী যদি বিপরীত লিঙ্গের কারও সঙ্গে ডেটে যেতে চান, তাহলে সরকার তার সম্পূর্ণ খরচ বহন করবে।
    এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, শুধুমাত্র ডেটে যাওয়ার জন্য প্রেমিক-প্রেমিকাকে ৪২ হাজার টাকা পর্যন্ত দেবে দেশটির সরকার। সরকারি সহায়তা শুধুমাত্র প্রেম বা ডেটে যাওয়ার জন্য থেমে নেই। এই প্রক্রিয়া চলাকালীন যদি তাদের মা-বাবারা দেখা করেন, তবে সেই খরচও আলাদাভাবে বহন করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার।
    জানা গেছে, দক্ষিণ কোরীয় কোনও যুগল যদি বিয়ের সিদ্ধান্ত নেন তাহলেও মোটা টাকা আর্থিক সাহায্য দিতে রাজি সরকার। বিবাহে ইচ্ছুক প্রেমিক-প্রেমিকাকে বিয়ের জন্য সে দেশের সরকারের কাছ থেকে প্রায় ২৫ লাখ টাকা পর্যন্ত সহায়তা দেওয়া হবে।
    এছাড়াও সন্তানধারণের জন্যও দম্পতিদের অতিরিক্ত সুবিধা প্রদান করা হয়। সরকারের দাবি, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধি এবং মুদ্রাস্ফীতি তীব্র আকার ধারণ করায়, কোনও দম্পতি যেন সন্তান ধারণ থেকে বিরত না থাকেন, সে কারণেই এ সিদ্ধান্ত।
  • নির্বাচন কি স্থগিত হচ্ছে, যা জানাল কমিশন

    নির্বাচন কি স্থগিত হচ্ছে, যা জানাল কমিশন

    জাতীয় সংসদ নির্বাচনে কোনো বৈধ প্রার্থীর মৃত্যু হলে বা আইনি জটিলতায় প্রার্থিতা বাতিল হলে ওই আসনের নির্বাচনি কার্যক্রম স্থগিত করার বিধান রয়েছে। গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ (আরপিও), ১৯৭২-এর সংশোধিত বিধি অনুযায়ী নির্বাচন কমিশন (ইসি) এমন পরিস্থিতিতে নতুন তফশিল ঘোষণা করবে।

    মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) ভোর ৬টায় বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়া মৃত্যুবরণ করেছেন। তার মৃত্যুতে নির্বাচন স্থগিত হবে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।

    নির্বাচনি কার্যক্রম বাতিলের আইনি বিধান

    গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ, ১৯৭২-এর অনুচ্ছেদ ১৭(১) অনুযায়ী, প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সময়সীমা পার হওয়ার পর যদি কোনো বৈধভাবে মনোনীত প্রার্থী মৃত্যুবরণ করেন কিংবা অনুচ্ছেদ ৯১ক ও ৯১ঙ অনুযায়ী কারও প্রার্থিতা বাতিল হয়, তবে রিটার্নিং কর্মকর্তা গণবিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ওই আসনের নির্বাচন কার্যক্রম বাতিল করবেন। আইন অনুযায়ী, নির্বাচন বাতিল হলে কমিশনকে তাৎক্ষণিকভাবে অবহিত করতে হবে এবং কমিশন নতুন নির্বাচনি তফশিল ঘোষণা করবে।

    এছাড়া যারা আগের তফশিলে বৈধভাবে মনোনয়নপত্র দাখিল করেছিলেন, তাদের নতুন করে মনোনয়নপত্র বা জামানতের টাকা জমা দিতে হবে না বলেও জানিয়েছে ইসি।

    নির্বাচন কমিশনের জ্যেষ্ঠ নির্বাচন কমিশনার (ইসি) আব্দুর রহমানেল মাছউদ গণমাধ্যমকে বলেন, আইনে যেহেতু বলা আছে বৈধ প্রার্থী মৃত্যুবরণ করলে তফশিল বাতিল হবে। সেক্ষেত্রে খালেদা জিয়ার মৃত্যুতে এই তফশিলে কোনো প্রভাব পড়বে না। কারণ, উনি এখনো বৈধ প্রার্থী হননি। এছাড়া খালেদা জিয়ার অবস্থা বিবেচনায় বিএনপি উনার আসনগুলোতে বিকল্প প্রার্থী রেখেছে। কাজেই এটা নিয়ে সমস্যা হবে না বলে আমার মত।

    নির্বাচন কমিশনের সিনিয়র সচিব আখতার আহমেদ বলেন, এ বিষয়টা নিয়ে আমাকে আরপিও দেখে বলতে হবে।

    আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে মনোনয়নপত্র জমা দেওয়ার সময়সীমা সোমবার (২৯ ডিসেম্বর) শেষ হয়েছে। নির্দিষ্ট সময়সীমার মধ্যে বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার নামে বগুড়া, দিনাজপুর ও ফেনীর তিনটি আসনে মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়। আসনগুলোতে বিএনপির পক্ষ থেকে বিকল্প প্রার্থীও মনোনয়ন জমা দিয়েছে।