Category: বিনোদন

বিনোদন

  • দামাদামি করে বিক্রি হচ্ছে বিয়ের পাত্রী, রয়েছে নানা অফার

    দামাদামি করে বিক্রি হচ্ছে বিয়ের পাত্রী, রয়েছে নানা অফার

    বাংলাদেশে বউ বাজারে নামের একটা বাজার আছে কিন্তু সেখানে বউ পাওয়া যায়না। তেমনই বুলগেরিয়াতেও রয়েছে একটি বউ বাজার, সেখানে সত্যি সত্যিই অর্থের বিনিময়ে বউ কেনা যায়। পাত্রের পরিবারের সদস্যরা এই বাজার থেকে পছন্দমতো একটি মেয়ে বেছে কিনে নেন এবং তাকে পুত্রবধূ হিসেবে বাড়িতে নিয়ে যান।

    সেদেশের ‘বউ-বাজার’টি রয়েছে স্তার জাগোর নামের এক স্থানে। পুরুষরা এই বাজারে তাদের পরিবার নিয়ে যান এবং নিজের পছন্দমতো মেয়ে বেছে টাকা দিয়ে কিনে নেন। পছন্দের মেয়েকে কেনা হয়: যে মেয়েটিকে পছন্দ করা হয় তার সঙ্গে দর কষাকষি করা হয়। তারপর যখন মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা প্রদত্ত মূল্যে খুশি হন, তখন সেই মূল্যে ছেলেটির পরিবারকে সেই মেয়ে দেওয়া হয়। তারপর ছেলেটি মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং মেয়েটি তার স্ত্রীর মর্যাদা পায়।

    এই বাজারটি স্থাপিত হয়েছে গরীবদের জন্য। এই কনের বাজারটি মূলত গরিব পরিবারের মেয়েদের জন্য। যেসব মেয়ের পরিবার অর্থের অভাবে মেয়ের বিয়ে দিতে পারছে না, তারা তাদের মেয়েকে নিয়ে যায় এই বাজারে যায়। এর পর ছেলেরা মেয়ে বেছে ঘরে নিয়ে যায়। এই প্রথা চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। বুলগেরিয়ায় বহু যুগ ধরেই এই প্রথা চলে আসছে। এই বাজার স্থাপনের অনুমতি মিলেছে সরকারের পক্ষ থেকেও। বাজারে মেয়েদের দাম ভিন্ন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা হয়।

    মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগে রয়েছে অনেক নিয়ম : মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগে বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হয়। প্রথমত মেয়েটিকে কুমারী হতে হবে। তবেই তার দর বেশি হবে। শুধুমাত্র কালাইদঝি সম্প্রদায়ের লোকেরাই তাদের মেয়েদের এই বাজারে নিয়ে যেতে পারবেন। পাশাপাশি পরিবারটির দরিদ্র হওয়া আবশ্যক। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী বা ধনী পরিবারের মেয়েদের বিক্রি করার নিয়ম নেই। এ ছাড়াও বাজারে কেনা মেয়েটিকে পুত্রবধূর মর্যাদা দেওয়া আবশ্যক।

  • নাম জড়িয়েছিল একাধিক যুবকের সঙ্গে, এমএমএস ভিডিওতে ক্যারিয়ার শেষ

    নাম জড়িয়েছিল একাধিক যুবকের সঙ্গে, এমএমএস ভিডিওতে ক্যারিয়ার শেষ

    ভালই চলছিল তাঁর কর্মজীবন। সিনেমায় অভিনয়, আইটেম গান, সম্পর্কের গুঞ্জন… বেশ রসেবশেই ছিলেন ভোজপুরী অভিনেত্রী প্রিয়াঙ্কা পণ্ডিত। কিন্তু ২০২১ সালে আচমকাই ফাঁস হয়ে যায় প্রিয়ঙ্কার ব্যক্তিগত ভিডিয়ো। এমএমএসকাণ্ডে নাম জড়ানোর পর কটাক্ষের মুখে পড়তে হয় অভিনেত্রীকে।

    ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর পুরো বিষয়টি নিয়ে মুখে কুলুপ এঁটেছিলেন অভিনেত্রী। সেই ঘটনার এক বছর পার হওয়ার পর সম্প্রতি মুখ খোলেন প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কার দাবি ছিল, তাঁর কেরিয়ার এবং ভাবমূর্তি নষ্ট করার জন্য কেউ উঠেপড়ে লেগেছে এবং সেই কারণেই এই ভিডিয়োতে তাঁর নাম জুড়ে দেওয়া হয়েছিল।

    এই ভিডিওর কারণে তাঁর কেরিয়ার শেষ হয়ে গিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন প্রিয়াঙ্কা। ইতিমধ্যেই আইনি পদক্ষেপ গ্রহণ করেছেন প্রিয়ঙ্কা। পুলিশের কাছে লিখিত অভিযোগও করেছেন তিনি। যদিও তা নিয়ে উঠেছে প্রশ্ন। প্রশ্ন উঠছে, কেন এক বছর পর এই ঘটনা নিয়ে পুলিশি তদন্তের পথে গেলেন অভিনেত্রী? কেন ভিডিও প্রকাশ্যে আসতেই তিনি এই পদক্ষেপ করেননি? কিন্তু কী ভাবে উত্থান হল অভিনেত্রীর? কী ভাবেই বা এমএমএসকাণ্ডে জড়িয়ে পড়লেন?

    ১৯৯১-এর ৩০ জুন উত্তরপ্রদেশের জৌনপুরে প্রিয়াঙ্কার জন্ম। প্রিয়াঙ্কার ছোটবেলাতেই তাঁর ভাইকে নিয়ে গুজরাতের আমদাবাদে চলে আসেন তাঁদের বাবা-মা। বাবা-মার কী পেশার সঙ্গে যুক্ত তা কোনও দিন প্রকাশ্যে আনেননি প্রিয়াঙ্কা। তবে মাঝেমধ্যেই সমাজমাধ্যমে নিজের পরিবারের সঙ্গে ছবি শেয়ার করতে দেখা যায় প্রিয়াঙ্কাকে।

    ছোট থেকেই নিজেকে পর্দার সামনে দেখার ইচ্ছা জাগে প্রিয়াঙ্কার। অভিনয়ের পাশাপাশি নাচের দিকেও তাঁর আকর্ষণ তৈরি হয়। ছোটবেলায় নাচের তালিমও নিয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। প্রিয়াঙ্কার পড়াশোনা আমদাবাদেই। স্কুলের গণ্ডি টপকানোর পর তিনি আমদাবাদের একটি কলেজ থেকে স্নাতক হন।

    হিন্দি সিনেমার অভিনেত্রী হওয়ার স্বপ্ন নিয়ে বেশ কিছু দিন মুম্বইয়ের চক্কর কাটার পরও কোনও সুবিধা করতে পারেননি প্রিয়াঙ্কা। এর পর নিজের ভাগ্যপরীক্ষা করতে ভোজপুরি সিনেমার জগতে প্রবেশের চেষ্টা করেন প্রিয়ঙ্কা। কিছু দিন প্রতিকূলতার সঙ্গে লড়াই করে অবশেষে সেই সুযোগ আসে।

    ২০১৩ সালে ভোজপুরি সিনেমা ‘জিনা তেরি গালি মে বাবু’র মাধ্যমে ভোজপুরি ছবিতে আত্মপ্রকাশ করেন প্রিায়ঙ্কা। প্রথম ছবির পরই ছবির দর্শকদের কাছ থেকে অনেক প্রশংসা কুড়িয়েছিলেন প্রিয়াঙ্কা। বাড়তে শুরু করে তাঁর অনুরাগীর সংখ্যাও।

    প্রথম সিনেমাতেই সেরা নবাগতা অভিনেত্রী হিসাবেও পুরস্কার পেয়েছিলেন। তার পর থেকে, তাঁকে আর পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি। শীঘ্রই ভোজপুরি সিনেমার শীর্ষস্থানীয় অভিনেত্রী হিসাবে বিবেচিত হতে শুরু করেন প্রিয়ঙ্কা। ভোজপুরি ইন্ডাস্ট্রির প্রায় সমস্ত বড় অভিনেতাদের সঙ্গে তিনি অভিনয় করেছেন। অভিনয় ছাড়াও প্রিয়ঙ্কা মডেল হিসাবে কাজ করেছেন। অনেক বিজ্ঞাপনের মুখ হিসাবেও কাজ করেছেন তিনি। অভিনেতা প্রদীপ পাণ্ডে এবং পবন সিংহের সঙ্গে নাম জড়িয়েছিল অভিনেত্রীর।

    প্রিয়াঙ্কা অভিনীত উল্লেখযোগ্য ছবিগুলি হল ‘মাত দেন মেরি সওতান কো’, ‘বেহনোই জি’, ‘মেরে পেয়ার কো তুম ভুলা তো না দোগে’ এবং ‘পুলিশগিরি’। কিন্তু এর মধ্যেই ২০২১ সালে তাঁর এমএমএসকাণ্ড প্রকাশ্যে আসে। মুখ থুবড়ে পড়ে তাঁর অভিনয় জীবন। সুত্র: আনন্দবাজার।

  • তুমি আমার এমন জায়গায় স্পর্শ করেছো যা এখন পর্যন্ত আর কেউ পারেনি : প্রভা

    তুমি আমার এমন জায়গায় স্পর্শ করেছো যা এখন পর্যন্ত আর কেউ পারেনি : প্রভা

    মডেলিংয়ের মাধ্যমে মিডিয়া জগতে আগমন ঘটে প্রভার। টেলিভিশন বিজ্ঞাপনে মডেল হিসেবে কাজ করার পর তিনি কয়েকটি খণ্ড নাটকে অ’ভিনয় করে খুব অল্প সময়ের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে উঠেন।

    কিন্তু ব্যক্তিগত কেলেঙ্কারি কারণে কিছু সময়ের জন্য তার অ’ভিনয় কর্মজীবন বাধাপ্রা’প্ত হয়।

    ২০০৫ সাল থেকে মডেলিং এর মাধ্যমে অ’ভিনয় জগতে প্রবেশ করেন প্রভা। তার জনপ্রিয় বিজ্ঞাপনগু’লোর মাঝে রয়েছে মেরিল, তিব্বত, পন্ডস, বাংলালিংক, জুঁই তেল ইত্যাদি।

    প্রভা অনেক জনপ্রিয় টেলিফিল্ম, নাটক, মডেলিং এবং বিজ্ঞাপনেও কাজ করেছেন। তার মধ্যে বেশ কিছু নাটকে অ’ভিনয় করে জনপ্রিয়তা অর্জন করেন।

    তিনি ভার্সন জেড, হানিমুন, ধুপ ছায়া, লাকি থার্টিন, খু’নসুটি ইত্যাদি নাটকে অ’ভিনয় করেছেন। তবে এখনো পর্যন্ত কোন চলচ্চিত্রে কাজ করেননি। সম্প্রতি ইনস্টাগ্রামে একটি ছবি আপলোড করেন প্রভা।

    তার ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘তুমি আমা’র হৃদয়ের এমন একটি অংশ স্পর্শ করেছো যা এখন পর্যন্ত আর কেউ পারেনি। তুমি আমা’র হৃদয়, আমর’া বাসনা…..’। এরপরই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে শুরু হয় নতুন আলোচনা।

  • এক লাখেই ইয়েস বলে দিলেন নায়িকা দীঘি

    এক লাখেই ইয়েস বলে দিলেন নায়িকা দীঘি

    নায়িকা হিসেবে সাড়া জাগাতে না পারলেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দারুণ জনপ্রিয় একসময়ের জনপ্রিয় শিশুশিল্পী প্রার্থনা ফারদিন দীঘি। ফেসবুক, ইনস্টাগ্রাম আর টিকটকে বিভিন্ন সাজে নিয়মিতই হাজির হন দীঘি। বলিউড গানের সঙ্গে ঠোঁট মিলিয়ে নাচেন।

    আর এসব দেখতেই এ নায়িকার সোশ্যাল মিডিয়া প্রোফাইলে ঢু মারেন অসংখ্য নেটিজেন। সম্প্রতি দীঘির ইনস্টা অ্যাকাউন্টে ১ লাখ অনুসারী হয়েছে। এতে ভীষণ উচ্ছ্বসিত তিনি। দীঘি ভক্ত-অনুরাগীদের কাছে কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন দীঘি।

    বললেন, ‘১ লাখ, ইয়েস! ধন্যবাদ সব ভালোবাসা ও সমর্থনের জন্য। আমাকে ভালোবাসা ও প্রার্থনায় রাখবেন। আপনাদের সবার জন্য ভালোবাসা।’ এই উচ্ছ্বাসের সঙ্গে একটি আকর্ষণীয় ছবি শেয়ার করেছেন দীঘি। যেখানে বাদামি রঙের পোশাকে ক্যামেরায় তাকিয়ে রয়েছেন তিনি।

    ছবিটি দেখে দীঘির ভক্তরা নানারকম মন্তব্য করেছেন। কেউ তার রূপের প্রশংসা করেছেন, কেউবা তাকে আবেদনময়ী বলেছেন। দীঘি অবশ্য এখনো কারও মন্তব্যেই সাড়া দেননি।

    গুণী নির্মাতা দেলোয়ার জাহান ঝন্টুর ‘তুমি আছো তুমি নেই’ নামের সিনেমা দিয়ে নায়িকা হিসেবে আত্মপ্রকাশ করেন দীঘি। এর পর তাকে দেখা গেছে ‘টুঙ্গিপাড়ার মিয়াভাই’ সিনেমায়। তবে কাঙ্ক্ষিত সাড়া পাননি। কিছু দিন আগে অবশ্য ‘শেষ চিঠি’ নামের একটি ওয়েব ফিল্মের মাধ্যমে প্রশংসিত হয়েছেন।