Category: বিনোদন

বিনোদন

  • বাড়িতেই হেলিকপ্টার বানিয়ে আকাশে উড়লেন যুবক

    বাড়িতেই হেলিকপ্টার বানিয়ে আকাশে উড়লেন যুবক

    আমরা যে সমস্ত শিক্ষা গ্রহণ করে থাকি সেগুলো এখনও কখনো পরবর্তী ক্ষেত্রে বাস্তবে রূপায়িত করার চেষ্টা করে থাকি। অর্থাৎ ছোটবেলা থেকেই বাড়ির বাচ্চাদের ইচ্ছে হয়ে থাকে হেলিকপ্টার বা অন্য কিছু যানবাহন চালানো।

    কিন্তু যত বড় হয়ে আমরা ততই তাদের প্রতি আগ্রহ কমে যেতে শুরু করে। ছোটবেলাতে যে সমস্ত জিনিস গুলো কে আমরা ভাবতাম বড় হয়ে যদি কোনো কারণে সেই সমস্ত জিনিস নিজের হাতে তৈরি করা যায় তাহলে তার আনন্দ বলে প্রকাশ করার মতন থাকবে না । ঠিক তেমনি ঘটলো বৃটেনের এই ব্যক্তির সাথে। আধুনিক ‘হতে গিয়ে

    আমরা অনেক উন্নত হয়েছি । তার সাথে সাথে বিভিন্ন যানবাহন এবং য-ন্ত্র-পা-তির আবিষ্কার করেছি। কিন্তু কীভাবে সে য-ন্ত্র-পা-তিগুলো আবিষ্কার হয় তা হয়তো অনেকেই জানেন না। কিন্তু বাড়িতে সহজ পদ্ধতিতে অভিনব কায়দায় বানিয়ে নেয়া যেতে পারে যে হেলিকপ্টার তার প্রথম ধারণা দিয়েছেন বৃটেনের এই জনৈক ব্যক্তি । কিভাবে তৈরি করলেন তিনি তার হেলিকপ্টার আসুন জেনে নেব।

    তার বাড়ির অকেজো একটি চেয়ার এর সাথে ৫৭ টি ড্রোন লাগিয়ে তিনি একটি হেলিকপ্টার তৈরি করেছেন । এবং হেলিকপ্টারটি বিশেষত্ব হলো যে এটি শুধুমাত্র নিজে নিজে উঠতে পারে তেমন কিন্তু নয় ।তার পাশাপাশি একজন ব্যক্তিকে সাথে করে নিয়েও ১৫ ফুট উচ্চতা বিশিষ্ট উচ্চতায় উঠতে পারে । অভিনব পদ্ধতিতে সামনে আসতে সেই জনৈক ব্যক্তির প্রশংসায় পঞ্চমুখ নেট পাড়ার মানুষরা । মানুষ যে অনেক উন্নত হচ্ছে এবং তার পাশাপাশি নিজেদের বুদ্ধিকে বাস্তবে রূপায়িত ঘটার জন্য প্রয়োগ করছে এটি তার প্রমাণ ।

  • শট শেষ করে রাজকে বলতাম, প্লিজ একটু আস্তে ধরো : মিম

    শট শেষ করে রাজকে বলতাম, প্লিজ একটু আস্তে ধরো : মিম

    জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা বিদ্যা সিনহা মিম ও তরুণ অভিনেতা শরিফুল রাজ প্রথমবারের মতো একসঙ্গে অভিনয় করেছেন। সিনেমার নাম ‘পরাণ’। নির্মাণ করেছেন রায়হান রাফি। যদিও ২০১৯ সালেই সিনেমাটির শুটিং সম্পন্ন হয়েছিল। কিন্তু করোনার কারণে এর মুক্তি পিছিয়ে যায়।

    অবশেষে আসন্ন কোরবানির ঈদে মুক্তি পাচ্ছে ‘পরাণ’। এতে মিম ও রাজের সঙ্গে আরেকটি প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন ইয়াশ রোহান।u

    মুক্তি উপলক্ষে সিনেমাটির সংশ্লিষ্টরা প্রচারণা শুরু করেছেন। এরই অংশ হিসেবে রবিবার (২৬ জুন) ফেসবুক লাইভে আসেন মিম, রাজ ও নির্মাতা রাফি। তারা ‘পরাণ’-এ কাজের অভিজ্ঞতা ও আনুষাঙ্গিক অনেক কিছু ভক্তদের সঙ্গে শেয়ার করেছেন।

    আড্ডার এক ফাঁকে মিম ও রাজ দুজনের কাছেই রাফি জানতে চান, শুটিং করতে গিয়ে তাদের একে-অপরের কোন বিষয়গুলো বিরক্তিকর লেগেছে? রাজ জানান, মিমের অতিরিক্ত কথা বলা তার কাছে বিরক্তিকর লেগেছে। মিম কথা বলা শুরু করলে, বলতেই থাকেন।

    এরপর মিমের পালা। তিনি বললেন, রাজ পুরো অস্থির। রোম্যান্টিক দৃশ্যে শুটিং করার সময় আমি রীতিমতো ভয়ে থাকতাম। মানুষ রোম্যান্টিক দৃশ্যে অভিনয়ের সময় আরামে থাকে, আমি থাকতাম ভয়ে। ও দুই হাত দিয়ে আমার মুখে এমনভাবে ধরত, যেন দাঁত ভেঙে যাচ্ছে! শট শেষ হওয়ার পর আমি বলতাম, রাজ, প্লিজ আমাকে একটু আস্তে ধরো।

    মিম আরো বলেন, যখনই রোম্যান্টিক দৃশ্য থাকে, আমাকে ধরার দৃশ্য থাকে, আমি ভয়ে থাকি। আগে থেকেই বলে দিতাম, রাজ আমাকে একটু আস্তে ধইরো। মনে হয় আমার গাল, দাঁত সব ভেঙে যাচ্ছে!

    ‘পরাণ’ সিনেমার পুরো কাজ শেষ হলেও এখনো সিনেমাটি দেখেননি মিম। তবে ডাবিং করতে গিয়ে একটি দৃশ্য দেখেছেন। তা দেখেই তার চোখে জল চলে এসেছিল। মিম বলেন, ডাবিংয়ের সময় মিনিট দুয়েকের ছোট্ট একটি দৃশ্য দেখে আমার চোখ দিয়ে পানি পড়েছে। নিজের সিনেমা বলে বলছি না, সিক্যুয়েন্সের মেকিং দেখে।

    উল্লেখ্য, ত্রিকোণ প্রেমের গল্পে নির্মিত হয়েছে ‘পরাণ’। এর পুরো শুটিং হয়েছে ময়ময়নসিংহে। সিনেমাটিতে আরো অভিনয় করেছেন শিল্পী সরকার অপু, শহীদুজ্জামান সেলিম, রোজী সিদ্দিকী, লুৎফর রহমান জর্জ, রাশেদ মামুন অপু, মিলি বাশার প্রমুখ।

  • সালিশ শেষে বড় বোনের স্বামীর ঘরে পাঠানো হলো ছোট বোনকে

    সালিশ শেষে বড় বোনের স্বামীর ঘরে পাঠানো হলো ছোট বোনকে

    পারিবারিক সম্মতিতে প্রায় চার মাস আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল। হঠাৎ করেই পরী (ছদ্মনাম) স্বামীর ঘরে যেতে বেঁকে বসেন। এ নিয়ে সালিস বৈঠক শুরু হয়। সেই বৈঠকে ছেলের পক্ষ বিয়ের ক্ষ’তিপূরণ দাবি করে। মেয়ের পরিবার বিয়ের আয়োজনে ছেলেপক্ষের যে খরচ হয়েছে তা ফেরত দিতে না পারায় বড় বোনের স্বামীর ঘরে ছোট বোনকে পাঠিয়ে দিয়েছেন সালিসদাররা।

    বরিশালের উজিরপুর উপজে’লার হারতা ইউনিয়নের লাথারকান্দি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। চলতি বছরের ২৩ মে এ ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটলেও সম্প্রতি বি’ষয়টি জানাজানি হয়। জানাজানির পর এ নিয়ে হারতা ইউনিয়নের লাথারকান্দি গ্রামে এবং স্বরূপকাঠি উপজে’লার বলদিয়া ইউপির ডুবি গ্রামে শোরগোল পড়েছে। দুই পক্ষের ভিডিও এবং অডিও বক্তব্য কালের কণ্ঠের কাছে রক্ষিত আছে।

    এদিকে তথ্য নিতে ছেলের বাড়িতে হাজির হওয়ার পরপরই তার বর্তমান স্ত্রী স’প্তম শ্রেণিপড়ুয়া শিক্ষার্থীকে নাজিরপুর উপজে’লার কলারদোনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমএলএসএস মোজাম্মেলের বাসায় দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।জানা গেছে, লাথারকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী পরী । তার স’ঙ্গে পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠি উপজে’লার শাহাদত হোসেন ওরফে উকিলের ছেলে সৈকতের (১৯) বিয়ে হয়। কিছুদিন আগে সৈকতের স্ত্রী পরী তার বাবার বাড়িতে চলে যান।

    এভাবে প্রায় চার মাস আঁখি তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করে আসছিলেন। চলতি বছরের ২২ মে সৈকতের বাবা তার ছেলের স্ত্রী পরী আনতে লাথারকান্দি বেয়াইবাড়িতে যান। তার স’ঙ্গে সৈকতের ভ’গ্নিপতি হাচান ছিলেন। আঁখি তাদের স’ঙ্গে স্বামীর বাড়িতে আসতে অ’পারগতা প্রকাশ করেন। এমনকি আর কোনো দিন যাব’েন না বলে শ্বশুরকে জানিয়ে দেন।

    তখন সৈকতের বাবা ছেলের বিয়েতে যে টাকা খরচ হয়েছে, ক্ষ’তিপূরণ হিসেবে তা দাবি করে বসেন। তখন আঁখিদের বাড়িতে ওই রাতেই স্থানীয়দের সমন্বয়ে এ নিয়ে সালিস বৈঠক শুরু হয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে সেই বৈঠক। এ সময় মেয়ের বাবা টাকা দিতে অ’পারগতা প্রকাশ করেন।

    তখন সৈকতের বাবা শাহাদত হোসেন ক্ষ’তিপূরণ হিসেবে আঁখির ছোট বোনকে সৈকতের স’ঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তখন উপস্থিত সালিসদাররা এমন প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। তখন আঁখির ছোট বোন ঘরে ঘু’মিয়ে ছিল। পরদিন ২৩ মে সকালে সালিসদারদের সি’দ্ধান্ত অনুসারে ছোট বোনকে স্বরূপকাঠিতে সৈকতের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

    এ ব্যাপারে কথা হয় লাথারকান্দি গ্রামের মোহা’ম্ম’দ আলী ব্যাপারীবাড়ির সালিসদার রুহুলের স’ঙ্গে। তিনি বলেন, মেয়ের বাবা ও মায়ের কাছে সবার সামনে ছেলের বাবা ও ভ’গ্নিপতি দাবি করেন- টাকা দাও, না হয় মেয়ে দাও। এ ব্যাপারটি আমা’র ভালো না লাগায় আমি ওই বৈঠক থেকে রাত ৯টার দিকে চলে আসি। তারপর শুনেছি, ছোট মেয়েকে ওই বাড়ি থেকে স্বরূপকাঠি নিয়ে গেছেন তারা।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আরেক সালিসদার হু’মায়ুনের স্ত্রী লুৎফা বেগম। তিনি বলেন, ছেলের বাবা শাহাদত ও বোনজামাই মো. হাচান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তারা সবার উপস্থিতিতে বৈঠকে সৈকতের বিয়েবাবদ খরচ দাবি করেন। একপর্যায়ে তারা বলেন, যদি সৈকতের বিয়েবাবদ খরচ হওয়া টাকা না দেন তাহলে ছোট মেয়েকে সৈকতের বউ হিসেবে দিয়ে দেন।একই কথা বারবারই বলছিলেন সৈকতের বাবা শাহাদত। আমি এমন সি’দ্ধান্তে রাজি ‘হতে না পেরে চলে আসি।

    লুৎফা আরো বলেন, ওখানে একই গ্রামের মোবারেক ডাকুয়া সালিসদার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আমর’া চলে এলেও পরে জানতে পারি, ওনাদের দাবীকৃত টাকা দিতে না পারায় সোমবার সকালে শাহাদত ও হাচান ক্লাস সেভেনপড়ুয়া ছোট মেয়েকে বউ করে স্বরূপকাঠি নিয়া গেছে।

    সৈকতের বাবা শাহাদত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, সবার সামনে চার মাস আগে ছেলের বিয়ে বাবদ খরচ হওয়া টাকা চাই। অথবা ছেলেকে পুনরায় বিয়ে দিয়ে দেওয়ার দাবি করি মেয়ের পরিবারের কাছে। এ সময় মেয়ের বাবা টাকা দিতে অ’পারগ হলে আমর’া ছোট মেয়েকে সৈকতের স’ঙ্গে বিয়ে দেওয়ার দাবি করি। তখন উপস্থিত সালিসদাররা আমা’দের প্রস্তাবে রাজি হন।

    পরদিন সকালে সালিসদারদের সি’দ্ধান্ত অনুসারে ছোট মেয়েকে নিয়ে স্বরূপকাঠি আমা’দের বাড়িতে চলে আসি।সৈকতের মা বলেন, ছেলের বউকে আনতে তার স্বামী শাহাদত হোসেন লাথারকান্দি বেয়াইবাড়িতে যায়। পরের দিন আমা’র স্বামী ও মেয়ে জামাই বউকে নয়, লাথারকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স’প্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী বউয়ের ছোট বোনকে সৈকতের বউ হিসেবে নিয়ে আসেন।

    পরীর বাবা-মা বলেন, ছেলের বাবার দাবি অনুসারে টাকা দিতে পারলে ছোট মেয়েকে ওখানে পাঠিয়ে দেওয়ার দরকার ‘হতো না। আমর’া গরিব মানুষ, টাকা দিতে হলে আমা’র ঘর বিক্রি করতে হবে। তাই বসতঘর হারানোর ভয়ে টাকার পরিবর্তে ছোট মেয়েকে সৈকতের বউ হিসেবে পাঠিয়ে দিই।

  • টাইগারেরটা অনেক বড়, তার মত আর কেউ পারে না : দিশা পাটানি

    টাইগারেরটা অনেক বড়, তার মত আর কেউ পারে না : দিশা পাটানি

    টাইগার শ্রফ এবং দিশা পাটানি। তাদের মধ্যে বর্তমানে বন্ধুত্ব ছাড়া আর কোন সম্পর্ক নেই বলেই দাবি করেন তারা। তবে একটা সময় গভীর সম্পর্কে ডুবে ছিলেন এই কাপল। দিশা বরাবরই টাইগারকে

    খুব কাছের বন্ধু বলেই পরিচিত দিয়ে এসেছেন। কিন্তু কোনো দিনই প্রেমের কথা স্বীকার করেননি।এখন টাইগারের সঙ্গে দিশার কোনো সম্পর্ক নেই। তবে দিশা জানালেন, টাইগারের প্রতি তার মুগ্ধতা এখনো কাটে নি।

    এমনকি জ্যাকি চ্যানের পর দিশার পছন্দের একশন হিরো হলেন টাইগার শ্রফ।জ্যাকির সঙ্গে ‘কুংফু ইয়োগা ছবিতে কাজ করেন দিশা। সেই অভিজ্ঞতাকে ‘সুখকর বলে জানান তিনি।

    বলিউডের পছন্দের অ্যাকশন হিরো কে- জানতে চাইলে তিনি বলেন, বলিউডে আমার পছন্দের অ্যাকশন হিরো হলো টাইগার শ্রফ। ও যা করে, তা আর কেউ করতে পারবে না।টাইগারের সঙ্গে ‘বাগি ২ সিনেমায় অভিনয় করেছেন দিশা। সামনে দেখা যাবে ‘মালঙ-এ। আরো অভিনয় করেছেন আদিত্য রায় কাপুর ও অনিল কাপুর।