Category: বিনোদন

বিনোদন

  • ছে’লেদের পু’রু’ষাঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মো’টা হয়? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য

    ছে’লেদের পু’রু’ষাঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মো’টা হয়? বিজ্ঞানসম্মত তথ্য

    ছেলেদের শারীরিক বৃদ্ধি ও পরিপূর্ণতা একটি স্বাভাবিক প্রক্রিয়া, যা বিভিন্ন পর্যায়ে সম্পন্ন হয়। বিশেষ করে বয়ঃসন্ধিকালে দেহে নানা ধরনের পরিবর্তন দেখা দেয়। তবে ছেলেদের লিঙ্গ কত বছর পর্যন্ত লম্বা ও মোটা হতে পারে, তা নিয়ে অনেকের মনেই প্রশ্ন থাকে। চলুন, এ বিষয়ে বিজ্ঞানসম্মত তথ্য জেনে নিই।

    বয়ঃসন্ধিকাল এবং লিঙ্গের বৃদ্ধি
    বয়ঃসন্ধিকাল সাধারণত ৯ থেকে ১৪ বছর বয়সের মধ্যে শুরু হয় এবং এই সময় হরমোনের প্রভাবে দেহের বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের বৃদ্ধি ঘটে। ছেলেদের লিঙ্গের বৃদ্ধি মূলত টেস্টোস্টেরন হরমোনের ওপর নির্ভর করে। গবেষণায় দেখা গেছে, ১৮ থেকে ২১ বছর বয়স পর্যন্ত লিঙ্গের বৃদ্ধি স্বাভাবিকভাবে চলতে পারে। তবে কারও ক্ষেত্রে এটি ১৬ বা ১৭ বছরেই থেমে যেতে পারে।

    লিঙ্গের বৃদ্ধি নির্ভর করে যেসব বিষয়ের ওপর
    ১. জিনগত প্রভাব: পরিবারের পুরুষ সদস্যদের শারীরিক বৈশিষ্ট্যের সঙ্গে সাধারণত মিল পাওয়া যায়। 2. হরমোনের ভারসাম্য: টেস্টোস্টেরনের মাত্রা যদি স্বাভাবিক থাকে, তাহলে লিঙ্গের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ঘটে। 3. পুষ্টি ও স্বাস্থ্য: পুষ্টিকর খাবার এবং স্বাস্থ্যকর জীবনযাত্রা লিঙ্গের বৃদ্ধি প্রক্রিয়াকে ইতিবাচকভাবে প্রভাবিত করে। 4. চিকিৎসা সংক্রান্ত অবস্থা: কিছু শারীরিক বা হরমোনজনিত সমস্যার কারণে স্বাভাবিক বৃদ্ধি ব্যাহত হতে পারে।

    বয়স বাড়ার পর কি লিঙ্গের আকার পরিবর্তন হয়?
    একবার যখন লিঙ্গের বৃদ্ধি শেষ হয়ে যায়, তখন প্রাকৃতিকভাবে এর আকারে বড় পরিবর্তন হয় না। তবে বয়স বৃদ্ধির সঙ্গে রক্ত সঞ্চালন ও টেস্টোস্টেরনের মাত্রার পরিবর্তন লিঙ্গের দৃঢ়তা ও কার্যকারিতায় প্রভাব ফেলতে পারে।

    অস্বাভাবিকতা হলে কী করবেন?
    যদি মনে হয়, লিঙ্গের বৃদ্ধি স্বাভাবিক হচ্ছে না বা কোনো শারীরিক সমস্যা অনুভূত হচ্ছে, তাহলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

    প্রতিটি মানুষের শারীরিক বৃদ্ধি আলাদা এবং এটি একেবারেই স্বাভাবিক বিষয়। সঠিক তথ্য জানা এবং ভ্রান্ত ধারণা থেকে দূরে থাকা জরুরি। সুস্থ জীবনযাত্রা ও স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস বজায় রাখলে দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি নিশ্চিত করা সম্ভব।

  • পুরুষের যৌ’ন হরমোন টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যে ১২টি খাবার!

    পুরুষের যৌ’ন হরমোন টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধি করে যে ১২টি খাবার!

    এই হরমোনের ঘাটতি হলে পুরুষের শরীরের নানান রকম সমস্যা হতে পারে। বয়স ত্রিশ পেরোনোর পর পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের পরিমাণ কমতে শুরু করে। ফলে স্মৃতিশক্তি হ্রাসের পাশাপাশি কা’মবাসনা কমে যাওয়া, লি’ঙ্গোত্থানে সমস্যা, খারাপ মেজাজসহ মনোযোগের অভাব দেখা দেয়।

    তবে এই সমস্যা থেকে মুক্তি পেতে নিয়মিত কিছু খাবার খাওয়ার অভ্যাস করলেই উপকৃত হওয়া যায়। এই প্রতিবেদনে শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন নিঃসরণ বৃদ্ধির ক্ষেত্রে সাহায্য করে এমনই কিছু খাবারের নাম উল্লেখ করা হলো।

    পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন বাড়ানোর জন্য কিছু খাবার সহায়ক হতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার, যেমন – ডিমের কুসুম, তৈলাক্ত মাছ (রুই, কাতলা), এবং সূর্যের আলো থেকে ভিটামিন ডি গ্রহণ করা। এছাড়াও, আদা, বেদানা, বিভিন্ন বাদাম ও বীজ, এবং উদ্ভিজ্জ দুধ (সয়া, আমন্ড, ওটসের দুধ) টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করতে পারে।

    পুরুষের শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধির জন্য ১২টি খাবার নিচে উল্লেখ করা হলো:

    ১. ডিমের কুসুম: ডিমের কুসুমে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন ডি থাকে, যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে সাহায্য করে।

    ২. তৈলাক্ত মাছ: রুই, কাতলা, ইলিশ, বোয়াল, চিতলের মতো মাছ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড সমৃদ্ধ, যা টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক, এমনটাই জানিয়েছে আনন্দবাজার পত্রিকা.

    ৩. বেদানা: বেদানা অ্যান্টি-অক্সিডেন্টে ভরপুর, যা প্রদাহ এবং অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমাতে সহায়ক, according to Anandabazar Patrika.

    ৪. আদা: আদা টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে এবং শুক্রাণুর গুণগত মান উন্নত করে, according to Metropolis Healthcare.

    ৫. উদ্ভিজ্জ দুধ: সয়া, আমন্ড, ওটসের দুধ শরীরে টেস্টোস্টেরন হরমোনের ক্ষরণ বৃদ্ধিতে সাহায্য করে, Anandabazar Patrika states.

    ৬. বাদাম ও বীজ: বিভিন্ন বাদাম ও বীজ যেমন – কাঠবাদাম, কুমড়োর বীজ, সূর্যমুখীর বীজ টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    ৭. পালংশাক: পালংশাক এবং অন্যান্য সবুজ শাকসবজি টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক।

    ৮. রসুন: রসুনে থাকা অ্যালিসিন উপাদান টেস্টোস্টেরন হরমোন বৃদ্ধিতে সাহায্য করে।

    ৯. অলিভ অয়েল: স্বাস্থ্যকর ফ্যাট হিসেবে অলিভ অয়েল টেস্টোস্টেরন হরমোনের জন্য ভালো।

    ১০. ডালিম: ডালিমের মধ্যে থাকা অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট টেস্টোস্টেরন বাড়াতে সাহায্য করে।

    ১১. কলা: কলায় ব্রোমেলাইন নামক এনজাইম থাকে যা টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে সাহায্য করে।

    ১২. স্ট্রবেরি: স্ট্রবেরিতে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট থাকে, যা টেস্টোস্টেরন বৃদ্ধিতে সহায়ক

  • আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

    আজ বিদ্যুৎ থাকবে না যেসব এলাকায়

    বিতরণ লাইন মেরামত ও ট্রান্সফরমারের জরুরি সংস্কারকাজের জন্য সিলেটের বিভিন্ন এলাকায় শনিবার (১৩ সেপ্টেম্বর) ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    বৃহস্পতিবার (১১ সেপ্টেম্বর) সিলেট বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের (বিউবো) বিক্রয় এবং বিতরণ বিভাগ-১ ও বিভাগ-২ কর্তৃপক্ষ গণমাধ্যমে পাঠানো পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে।

    বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, শনিবার সকাল ৬টা থেকে সকাল ১০টা পর্যন্ত ৪ ঘণ্টা সিলেট নগরীর ৩৩/১১ কেভি শেখঘাট উপকেন্দ্রের বিকল্প সোর্স লাইনের নির্মাণকাজ চলবে। ফলে এ সময়ে ৩৩/১১ কেভি লাক্কাতুরা ও আম্বরখানা উপকেন্দ্রের সব ১১ কেভি ফিডারগুলোর আওতাধীন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    এই সময়ে লাক্কাতুরা উপকেন্দ্রের আওতাধীন এয়ারপোর্ট থানা, কাকুয়ারপাড়, বঙ্গ বাজার, লাক্কাতুরা বাজার, বাইশটিলা, ওসমানী বিমানবন্দর এক্সপ্রেস, ধোপাগুল, বনশ্রী, বাদামবাগিচা (আংশিক), মুসলিম পাড়া, মালনীছড়া, বাঁশবাড়ি গলির মুখ, আঙ্গুরমিয়ার গলির মুখ, রুপসা আবাসিক এলাকা, খাসদবীর প্রাইমারি স্কুল, ইসরাইল মিয়া গলি, আবাদানি, বড়শালা বাজার মসজিদের পাশে আংশিক এলাকা, দারুস সালাম মাদরাসা রোড, পর্যটন, ফরিদাবাদ, সিলভার সিটি, কেওয়াছড়া, হিলুয়াছড়া চা-বাগান, মহালদিক, উমদারপাঙা, সাহেবের বাজার, কালাগুল, লালবাগ, পীরেরগাঁও, আলাইবহর, লিলাপাঙা, দাপনাটিলা, ছালিয়া, রঙ্গিটিলা, সালুটিকর ঘাট ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে।

    এ ছাড়াও উল্লেখিত সময়ে আম্বরখানা উপকেন্দ্রের আওতাধীন রায়হুসেন গলি, ইলেকট্রিক সাপ্লাই রোড, মজুমদারী, সৈয়দমুগনী, চৌকিদেখী (উত্তর পাশ), বাদাম বাগিচা, লেচু বাগান, পীর মহল্লা (পূর্ব ও পশ্চিম), হাউজিং এস্টেট, জালালাবাদ আবাসিক এলাকা, আম্বরখানা, ঘূর্ণি আবাসিক এলাকা, দরগা মহল্লা, গৌর গোবিন্দ টিলা, চৌহাট্টা, জিন্দাবাজার, বন্দর বাজার, পুরানলেন, জল্লারপাড়, স্টেডিয়াম মার্কেট, মিয়া ফাজিলচিন্ত, সুবিদ বাজার, বনকলা পাড়া, কলবাখানী, চাষনী পীর মাজার রোড, গোয়াইপাড়া, কাহের মিয়ার গলি, মক্তবগলি, শাহী ঈদগাহ, হাজারীবাগ, টিবিগেট, উচাসড়ক, কাজিটুলা, মিরবক্সটুলা, তাতিপাঙা ও সংলগ্ন এলাকায় বিদ্যুৎ বন্ধ থাকবে।

     

  • মি”ল”নের খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা যেসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে! ভিডিওসহ

    মি”ল”নের খুব ইচ্ছা হলে মেয়েরা যেসব অ..ঙ্গ.ভ.ঙ্গি করে কাছে ডাকে! ভিডিওসহ

     

    সাধারণত এমনটা মনে করা হয়, ২০ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে নারীদের যৌন চাহিদা বোধহয় সবচেয়ে বেশি থাকে। কিন্তু সত্যিই কি তাই? উত্তর খুঁজতে গিয়ে কিন্তু বেরিয়ে এসেছে অন্য তথ্য যা শুনলে চমকে যাবেন আপনিও।

    সাম্প্রতিক একটি গবেষণা বলছে সম্পূর্ণ অন্য কথা। নারীদের শারীরিক চাহিদা সম্পর্কে নতুন এই গবেষণায় প্রকাশিত তথ্য বলছে, ৩৬ বছর বয়সে নারীদের যৌন চাহিদা সবচেয়ে বেশি থাকে।

    অনেকেই হয়তো বলবেন, যৌবনের গোড়ায়। ২০-২২ বছর নাগাদ সবচেয়ে বেশি হয়তো। কিন্তু বিষয়টা আদপেও তেমন নয়। অন্তত মহিলাদের ক্ষেত্রে তো নয়ই। এমনটাই বলছে নতুন এই সমীক্ষা।

    ২০১৭ সাল থেকে এই বিষয় নিয়ে ‘ন্যাচারাল সাইকেল’ নামে ইংল্যান্ডের এক গর্ভনিরোধক ওষুধ কোম্পানি সমীক্ষা চালিয়ে আসছে। পৃথিবী জুড়ে নানা বয়সের ২৬০০ মহিলাদের নিয়ে এক সমীক্ষা চালিয়েছে তারা। সেখানে জিজ্ঞাসা করা হয়েছে, শারীরিক সম্পর্ক কতটা উপভোগ করছেন তাঁরা? সেই সমীক্ষার রিপোর্টে হালে দেখা গিয়েছে, ৩৬ বছর বা তার অধিক বয়সের মহিলারা নিজেদের শারীরিক সম্পর্ক নিয়ে খুশি সব চেয়ে বেশি।

    কীভাবে, কখন ও কতক্ষণ মহিলারা যৌন সুখ উপভোগ করেন, সেই বিষয়ে জানতে চাওয়া হয় এই সমীক্ষায়। নারীদের তিনটি গ্রুপে ভাগ করা হয়। ২৩ বছরের নিচে, ২৩-৩৫ বছরের মধ্যে ও ৩৬ বছরের উপরে।

    চাঞ্চল্যকর এই সমীক্ষায় ৩৬ বছরের উপরের নারীরা জানিয়েছেন, তাঁরা দিনের বেশিরভাগ সময়ই সেক্স সংক্রান্ত কথা ভাবেন। দশজনের মধ্যে আটজন নারীই জানিয়েছেন, স্বল্প পোশাকে রাস্তায় বেরোতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। বরং, বিকিনি পরা অবস্থায় অন্য পুরুষদের নজর তাঁরা উপভোগ করেন।

    ২৩ বছরের কম ও ২৩-৩৫ বছরের নারীদের গ্রুপটির ১০ জনের মধ্যে মাত্র চারজন জানিয়েছেন, তাঁরা পার্টনারের সঙ্গে সেক্স নিয়ে সুখী। অন্যদিকে, ৩৬ বছর ও তার বেশি বয়সি নারীরা জানিয়েছেন, তাঁদের ঘনঘন অর্গ্যাজম হয়।

    বাকি দুটি গ্রুপের নারীদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে মাত্র ৫ জন জানিয়েছেন, তাঁদের সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের সময় চরম অর্গ্যাজম অনুভব করেন। বয়স্ক নারীদের গ্রুপটির সদস্যরা জানিয়েছেন, গত চার সপ্তাহ তাঁরা দুর্দান্ত সেক্স করে কাটিয়েছেন।

    অথচ দেখা যাচ্ছে, তুলনামূলক অল্পবয়স্ক নারীদের গ্রুপের মাত্র অর্ধেক নারী মনে করেন, তাঁরা গত চার সপ্তাহে মোটামুটি ভাল সেক্স লাইফ উপভোগ করেছেন।

    বয়সের ভিত্তিতে মূলত ৩টি দলে মহিলাদের ভাগ করা হয়েছিল এই সমীক্ষাটি চালানোর সময়। প্রথমটি ২৩-এর নীচে। দ্বিতীয়টি ২৩ থেকে ৩৫-এর মধ্যে। আর তৃতীয়টি ৩৬ এবং তার উপরে। দেখা গিয়েছে, ৩ নম্বর দলে থাকা মহিলাদের প্রতি ১০ জনের মধ্যে ৮ জনেরই দাবি, তাঁরা শারীরিক সম্পর্কের বিষয়টি প্রচণ্ড পরিমাণে উপভোগ করেন।

    সেখানে প্রথম দলের অর্থাৎ ২৩ বছরের নীচে যাঁদের বয়স, সেই মহিলাদের মধ্যে ১০ জনের প্রতি ৭ জন চূড়ান্ত উপভোগ করতে পারেন যৌনসুখ। আর দ্বিতীয় দলের মহিলাদের মধ্যে প্রতি ১০ জনে মাত্র ৪ জন উপভোগ করেন শারীরিক সম্পর্ক।

    Disclaimer: তবে এই সমীক্ষার তথ্যকে চূড়ান্ত ধরে কোনও বড় সিদ্ধান্তে উপনীত হওয়া কখনওই কাম্য নয়। আমরা এই ধরণের সমীক্ষা ও তার ফলাফলের সঙ্গে কোনও ভাবেই যুক্ত নয়।