Category: বিনোদন

বিনোদন

  • ছাত্রীকে ভালোবেসে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন শিক্ষিকা, পেতেছেন সংসার

    ছাত্রীকে ভালোবেসে লিঙ্গ পরিবর্তন করেছেন শিক্ষিকা, পেতেছেন সংসার

    ভালোবাসার মানুষকে নিজের করে পেতে কত কিছুই করে মানুষ। সম্প্রতি ভারতের রাজস্থান রাজ্যের এক নারী শিক্ষিকার ভালোবাসার মানুষকে কাছে পাওয়ার অভিনব এক গল্প সামনে এলো।

    রাজস্থান টিচার চেঞ্জেস জেন্ডার টু ম্যারি: ”এভরিথিংক’স ফেয়ার ইন লাভ” শীর্ষক প্রতিবেদনে এনডিটিভি জানায়, ছাত্রীর প্রেমে পড়েছিলেন রাজস্থানের ভরতপুরের ওই শিক্ষিকা। প্রেমের সম্পর্ক এতটাই গভীর হয়ে যায় যে, ছাত্রীকে বিয়ে করার প্রস্তাব দেন তিনি। অনেক বাধা-বিপত্তি কাটিয়ে এখন জুটি বেঁধেছেন শিক্ষিকা-ছাত্রী। তবে ঘটনাটি অন্যরকম।

    পশ্চিমবঙ্গের আনন্দবাজার পত্রিকা জানায়, সরকারি স্কুলের শারীরবিদ্যার শিক্ষিকা মীরা। কল্পনা ছিল সেই স্কুলেরই ছাত্রী। খুব ভাল বন্ধুত্ব গড়ে ওঠে মীরা ও কল্পনার মাঝে। বছর দুয়েক বন্ধুত্বের পর কল্পনাকে ভালবাসতে শুরু করেন মীরা। শেষমেশ কল্পনাকে বিয়ের প্রস্তাব দিয়ে বসেন তিনি। কল্পনারও সেই সম্পর্কে কোনো আপত্তি ছিল না। কিন্তু দুজনের পরিবার এতে মোটেও রাজি ছিল না। সামাজিক রীতি অনুযায়ী, রাজি হওয়ার কথাও নয়।

    ডিএনএ ইন্ডিয়ার এক প্রতিবেদনে বলা হয়, প্রেমের কারণে মীরা এখন আরভ। কল্পনাকে বিয়ে করার জন্য মীরা অস্ত্রোপচার করে লিঙ্গ পরিবর্তন করেন। এক সাক্ষাৎকারে কল্পনা বলেন, ‘আমি ওকে প্রথম থেকেই ভালবাসতাম। অ;স্ত্রোপচার না করলেও আমি আরভকে বিয়ে করতাম। আরভের অস্ত্রোপচারের সময়ও ওর পাশে ছিলাম।’

    ইন্ডিয়া ডটকম জানায়, ২০১৯ সালে মীরা স্থির করেন, তিনি লিঙ্গ পরিবর্তন করবেন। ওই বছর তার প্রথম অস্ত্রোপচার হয়। অবশেষে গত ৪ নভেম্বর বিবাহবন্ধনে আবদ্ধ হন আরভ-কল্পনা। পরে আরভ বলেন, ‘নিজের ইচ্ছায় লিঙ্গ পরিবর্তন করিয়েছি। ভালবাসার জন্য এই কাজ আমার কাছে তুচ্ছ।’

  • যে সব মেসেজে বিবাহিত নারী পটানো যায়

    যে সব মেসেজে বিবাহিত নারী পটানো যায়

    প্রেম-ভালোবাসা সব সময় আসতে পারে। বিবাহিত জীবন হোক কিংবা অবিবাহিত জীবন জীবনের যেকোনো সময় প্রেম আসতে পারে। যাকে ভালো লাগে তাকে সব সময় ভালোবাসা যায় সে যে অবস্থা থাকুক না কেন। বিবাহিত মেয়েদের প্রতি ইয়াং ছেলেদের একটা আলাদা অনুভূতি কাজ করে। বর্তমান গবেষণা দেখা গেছে শতকরা 80 ভাগেরও বেশি ছেলে বিবাহিত মেয়েদের প্রতি আকর্ষিত। তাই আজকের এই অনুচ্ছেদে আমরা বিবাহিত মেয়ে পটানোর কিছু মেসেজ আপনাদের মধ্যে শেয়ার করব। আমাদের এই অনুচ্ছেদে শেয়ার কিন্তু মেসেজগুলো আপনি আপনার বাস্তব জীবনে এপ্লাই করে বিবাহিত মেয়েদের অতি সত্তর পটিয়ে ফেলতে পারবেন। কথা না বাড়িয়ে চলুন মূল পোস্টে চলে যাই।

    আপনি যদি কোন বিবাহিত মেয়ের প্রতি দুর্বলতা অনুভব করেন তাহলে সেই মেয়েটিকে খুব সহজে পটিয়ে ফেলতে পারেন। সেরকম কিছু কৌশল আমরা আপনাদের মধ্যে আলোচনা করব।

    যেকোনো মেয়েকে নিজের প্রতি আকর্ষিত করার জন্য মেয়েটির কাছে সব সময় নেট অ্যান্ড ক্লিন থাকা প্রয়োজন। আপনাকে সর্বদা পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন এবং মার্জিত ভাবে সেই মেয়েটির কাছে আসতে হবে। কথাবার্তা রুচি সম্মত হতে হবে প্রথম দিকে সেই মেয়েটির সাথে আপনি বন্ধুত্ব করার চেষ্টা করবেন। বন্ধুত্ব একবার হয়ে গেলে সেই বন্ধুত্বকে আরো ঘনিষ্ঠ করার জন্য ধীরে ধীরে কিছু ক্লোজ কথাবার্তা শুরু করবেন।

    ক্লোজ কথাবার্তা বলতে আমি এখানে এডাল্ট কিছু কথাবার্তা কথা বলেছি। একটি কথা বলে রাখি বিবাহিত মেয়েরা এডাল কথাবার্তায় অত বেশি মাইন্ড করেনা। কিন্তু আপনার এডাল কথাবার্তা যদি মেয়েটি মাইন্ড করে থাকে তাহলে সেটি পরিহার করার চেষ্টা করবেন।

    মোটামুটি আপনার সাথে ভালো সম্পর্ক করে পটে গেলে দেখবেন মেয়েটি আপনাকে ধরা দেবে এবং আপনার এডাল কথা বলতে অভ্যস্ত হবে।

    পরে আপনি বুঝতে পারবেন মেয়েটি আপনার প্রতি দুর্বল এবং আপনার এডাল কথা বার্তায় বেশ মজা পাচ্ছে। এভাবেই খুব সহজে একটি বিবাহিত মেয়েকে পটিয়ে ফেলতে পারবেন।

    বিবাহিত মেয়ে পটানোর মেসেজ:

    বিবাহিত মেয়ে পটা খুবই সহজ। আমার এই অনুচ্ছেদে এতক্ষণে আলোচনায় আপনি মেয়েটির সাথে কিভাবে ভালো বন্ধুত্ব করে তুলবেন সেটি সম্পর্কে আলোচনা। এখন আমরা আলোচনা করব সেই ভালো বন্ধুটিকে কিভাবে পটিয়ে ফেলে নিজের করে নেবেন। মেয়েটির সাথে ভালো বন্ধুত্ব করে আমাদের অনুচ্ছেদের মেসেজগুলো সেই বন্ধুর মোবাইলে অনবরত সিচুয়েশন অনুযায়ী পাঠাতে পারেন। আপনার মেসেজগুলো পেয়ে আপনার বন্ধুটি অনেক বেশি আপনার প্রতি আকর্ষিত হবে এবং আপনার প্রতি মনোনিবেশ করবে।

    ভাবি, আপনি দুই বাচ্চার মা! আপনাকে দেখলে কেউ বিশ্বাসই করবে না। দেখে মনে হয়, মাত্র ইন্টারপাস করছেন! সিরিয়াসলি! – এ কথা শুনে ভাবি তো আহলাদে আট দু’গুণে ষোলখানা। একটু লজ্জা পেয়ে ভাবি বলেন, সেই সময় কি আর আছে, বয়স হয়েছে না!

    মন খারাপ কেন ভাবি? ভাইয়া ঝগড়া-টগড়া করলো নাকি?… আপনার মতো এরকম একটা মানুষের সাথেও ঝগড়া করা যায়? বিশ্বাসই হচ্ছে না! ভাবি দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে বলেন, ‘বইলেন না, আপনার ভাই কোনোদিন বোঝার চেষ্টাই করলো না।’

    ভালোবাসা স্বপ্নীল আকাশের মত সত্য ।

    শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র ।

    কিন্তু সময়ের কাছে পরাজিত ।

    বাস্তবতার কাছে অবহেলিত ।

    ভালবাসা মানে তার কাছ থেকে কিছু

    আশা করা নয় ..বরং ভালবাসা মানে

    যেকোন মূল্যে তাকেই সবকিছু দেওয়া

    ভালবাসা মানে একজনের প্রতি আকর্ষণ

    যাকে সে নিজের সুখে-দুঃখে

    পাশে রাখতে চায়

    ভালবাসা মানে একজনের সব দোষগুলো

    জেনে যাওয়া এবং সেগুলোর জন্যে

    তাকে আরো বেশী করে ভালবাসা

    ভালবাসা স্বপ্নীল আকাশের মত সত্য

    শিশির ভেজা ফুলের মত পবিত্র. কিন্তু

    সময়ের কাছে পরাজিত,,

    বাস্তবতার কাছে অবহেলিত.!

    ভালবাসা সেই অমূল্য উপলব্ধির নাম যা

    একজনকে অতীতের সব দুঃখ ভুলিয়ে

    দেয় আর নতুন আনন্দে নিজেকে

    খুশি রাখতে সাহায্য করে

    তুমি আকাশের ওই নীল

    আমি মেঘে মেঘে স্বপ্নিল,

    তুমি হাওয়া হয়ে আসো

    শুধু আমাকেই ভালোবাসো,

    তুমি মনের আলপনা

    তুমি সেই প্রিয় কল্পনা…

    তুমি ছুঁয়ে দিলে এই মন…

    আমি উড়বো আজীবন ।

    হৃদয়ের ভাষা বুঝা বড় দায়,

    ভুল করে কেউ প্রেমে পড়ে যায়,

    যদিও এই কথা মিথ্যে নয়,

    ভালোলাগা শেষে ভালোবাসা হয় ।

    তবুও ভালোলাগা আর ভালোবাসা এক নয় ।

    যদি মন কাঁদে আমি আসবো বরষা হয়ে,

    যদি মন হাসে আসবো চাঁদ হয়ে,

    যদি মন উড়ে, আমি আসবো পাখি হয়ে,

    যদি মন খোঁজে আমি আসবো…

    খুজেই দেখনা !!!

    কিছু বৃষ্টির জল অশ্রু হিসেবে দিলাম,

    কিছু ফুলের কাঁটা বেথা হিসেবে দিলাম,

    কিছু সুখ নিরদাবি করে দিলাম,

    কিছু দুঃখ ধার হিসেবে দিলাম,

    অবশেষে কিছু গোলাপ

    শুভেচ্ছা হসেবে দিলাম …

    তুমি বৃষ্টি ভেজা পায়ে,

    সামনে এলে মনে হয়-

    আকাশের বুকে যেন

    জল ছবি একে যায় ।

    তুমি হাসলে বুঝি মনে হয়-

    স্বপ্ন আকাশে পাখি ডানা মেলে দেয় ।

    আমাদের এই অনুচ্ছেদের কৌশল এবং মেসেজগুলো দিয়ে আপনি যেকোনো বিবাহিত মেয়েদের খুব সহজে পটিয়ে ফেলতে পারবেন। কিন্তু, আপনাকে একটি বিষয় মনে রাখতে হবে সবগুলো নির্ভর করতেছে সিচুয়েশনের উপর। অর্থাৎ অবশ্যই আপনাকে ভালো সময় এবং সিচুয়েশন বিবেচনা করে এই মেসেজগুলো এপ্লাই করতে হবে।

  • চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা

    বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।

    শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন’ এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও’ এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানেস্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল। লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে’ ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা’ কিংবাকোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের

    যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা’ তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)। এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়’ একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথেবিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন’ ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।

    আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই। প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ

    একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে’ সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়। একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।

  • ক্রিকেট খেলাকে বাংলায় কী বলে? ৯৯% মানুষই বলতে পারেন না

    ক্রিকেট খেলাকে বাংলায় কী বলে? ৯৯% মানুষই বলতে পারেন না

    আজকাল সাধারণ জ্ঞানের গুরুত্ব কতটা বেশি তা বলার আর অপেক্ষা রাখে না। যেকোনো শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে হোক বা ইন্টারভিউতে সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্ন গুলি করা হয়। এর মাধ্যমে আপনার নলেজ কতটা ভালো তা বোঝার একটি দুর্দান্ত উপায়। যাইহোক এই প্রতিবেদনে তেমনি কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হয়েছে এক নজরে দেখে নিন।

    ১) প্রশ্নঃ কোন সাপ দংশন করলে শরীরের সমস্ত ছিদ্র দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে?
    উত্তরঃ বুমস্ল্যাং (Boomslang) সাপের কামড়ে শরীরের সমস্ত ছিদ্র দিয়ে রক্ত করে বেরিয়ে আসে। এই সাপটি একমাত্র আফ্রিকায় পাওয়া যায়।

    ২) প্রশ্নঃ বিশ্বের সবচেয়ে অপছন্দের সবজি কোনটি?
    উত্তরঃ সবচেয়ে অপছন্দ সবজি হলো করলা, যেটা প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ পছন্দ করেন না।

    ৩) প্রশ্নঃ পৃথিবীর সব থেকে মিষ্টি ও সুন্দর ভাষা কোনটি?
    উত্তরঃ ২০১০ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে পৃথিবীর সবথেকে মিষ্টি ভাষা বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৪) প্রশ্নঃ কোন পাখি আকাশে উড়তে উড়তে ডিম পাড়ে আবার সেই ডিম মাটিতে পড়ার আগেই বাচ্চা হয়ে উড়ে যায়?
    উত্তরঃ হোমা পাখি।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর মধ্যে ফুটন্ত জলের নদী কোথায় আছে?
    উত্তরঃ আমাজনের জঙ্গলে শানায় টিম্পিসখা (Shanay-Timpishka) নামক একটি নদীর জল সবসময় টগবগ করে ফুটছে।

    ৬) প্রশ্নঃ কোন মাছের নামে জুতোর কোম্পানি আছে?
    উত্তরঃ ‘বাটা’ কোম্পানী।

    ৭) প্রশ্নঃ কোন দেশের রবিবারের বদলে শনিবারে সরকারি ছুটি থাকে?
    উত্তরঃ পৃথিবীতে এরকম বেশকিছু দেশ আছে যেখানে রবিবারের বদলে শনিবারে সরকারি ছুটি থাকে, তার মধ্যে একটি হলো মালদ্বীপ (Maldives)।

    ৮) প্রশ্নঃ ‘ইলেকট্রিক মাছ’ ইল (Eel) কত ভোল্ট অবধি শক দেওয়ার ক্ষমতা রাখে?
    উত্তরঃ একটি ইলেকট্রিক ইল মাছ তাদের শরীরে সর্বোচ্চ ৬০০ ভোল্ট পর্যন্ত উৎপন্ন করতে পারে।

    ৯) প্রশ্নঃ হিমালয় পর্বতের (Himalayas) উচ্চতা প্রতি বছর কতটা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে?
    উত্তরঃ প্রতিবছর হিমালয় পর্বতের উচ্চতা ৪ মিলিমিটার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    https://inews.zoombangla.com/a-jano-ak-asto-sumodro/

    ১০) প্রশ্নঃ ক্রিকেট (Cricket) খেলাকে বাংলায় কী বলে?
    উত্তরঃ ক্রিকেটকে বাংলায় ‘ক্রিকেট’ই বলা হয়, কারণ এই খেলার জন্ম সুদূর ইংল্যান্ডে। তবে আমাদের দেশে গ্রামবাংলায় ক্রিকেটের প্রচলিত শব্দ হল ‘ব্যাটবল খেলা’।

    জুমবাংলা নিউজ সবার আগে পেতে Follow করুন জুম১) প্রশ্নঃ কোন সাপ দংশন করলে শরীরের সমস্ত ছিদ্র দিয়ে রক্ত বেরিয়ে আসে?
    উত্তরঃ বুমস্ল্যাং (Boomslang) সাপের কামড়ে শরীরের সমস্ত ছিদ্র দিয়ে রক্ত করে বেরিয়ে আসে। এই সাপটি একমাত্র আফ্রিকায় পাওয়া যায়।

    ২) প্রশ্নঃ বিশ্বের সবচেয়ে অপছন্দের সবজি কোনটি?
    উত্তরঃ সবচেয়ে অপছন্দ সবজি হলো করলা, যেটা প্রায় ৭০ শতাংশ মানুষ পছন্দ করেন না।

    ৩) প্রশ্নঃ পৃথিবীর সব থেকে মিষ্টি ও সুন্দর ভাষা কোনটি?
    উত্তরঃ ২০১০ সালে ইউনেস্কো কর্তৃক বাংলাকে পৃথিবীর সবথেকে মিষ্টি ভাষা বলে ঘোষণা করা হয়েছে।

    ৪) প্রশ্নঃ কোন পাখি আকাশে উড়তে উড়তে ডিম পাড়ে আবার সেই ডিম মাটিতে পড়ার আগেই বাচ্চা হয়ে উড়ে যায়?
    উত্তরঃ হোমা পাখি।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর মধ্যে ফুটন্ত জলের নদী কোথায় আছে?
    উত্তরঃ আমাজনের জঙ্গলে শানায় টিম্পিসখা (Shanay-Timpishka) নামক একটি নদীর জল সবসময় টগবগ করে ফুটছে।

    ৬) প্রশ্নঃ কোন মাছের নামে জুতোর কোম্পানি আছে?
    উত্তরঃ ‘বাটা’ কোম্পানী।

    ৭) প্রশ্নঃ কোন দেশের রবিবারের বদলে শনিবারে সরকারি ছুটি থাকে?
    উত্তরঃ পৃথিবীতে এরকম বেশকিছু দেশ আছে যেখানে রবিবারের বদলে শনিবারে সরকারি ছুটি থাকে, তার মধ্যে একটি হলো মালদ্বীপ (Maldives)।

    ৮) প্রশ্নঃ ‘ইলেকট্রিক মাছ’ ইল (Eel) কত ভোল্ট অবধি শক দেওয়ার ক্ষমতা রাখে?
    উত্তরঃ একটি ইলেকট্রিক ইল মাছ তাদের শরীরে সর্বোচ্চ ৬০০ ভোল্ট পর্যন্ত উৎপন্ন করতে পারে।

    ৯) প্রশ্নঃ হিমালয় পর্বতের (Himalayas) উচ্চতা প্রতি বছর কতটা করে বৃদ্ধি পাচ্ছে?
    উত্তরঃ প্রতিবছর হিমালয় পর্বতের উচ্চতা ৪ মিলিমিটার করে বৃদ্ধি পাচ্ছে।

    https://inews.zoombangla.com/a-jano-ak-asto-sumodro/

    ১০) প্রশ্নঃ ক্রিকেট (Cricket) খেলাকে বাংলায় কী বলে?
    উত্তরঃ ক্রিকেটকে বাংলায় ‘ক্রিকেট’ই বলা হয়, কারণ এই খেলার জন্ম সুদূর ইংল্যান্ডে। তবে আমাদের দেশে গ্রামবাংলায় ক্রিকেটের প্রচলিত শব্দ হল ‘ব্যাটবল খেলা’।