Category: বিনোদন

বিনোদন

  • ঐশ্বরিয়ার গো’প’ন অ’ঙ্গে’র ছবি ফাঁ”স, দেখুন ছবিসহ

    ঐশ্বরিয়ার গো’প’ন অ’ঙ্গে’র ছবি ফাঁ”স, দেখুন ছবিসহ

    নেট দুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছে বি-টাউনের তারকা রানী ঐশ্বরিয়া রাইয়ের অন্তরঙ্গ ছবি। সম্প্রতি এমনই গুঞ্জনে যখন সয়লাব স্যোশাল মিডিয়া ঠিক তখন সেগুলোকে ভুয়া দাবি করে আদালতের স্মরণাপন্ন হলেন এই সুন্দরী। গতকাল (মঙ্গলবার) দিল্লি হাইকোর্টে অভিযোগ করেছেন অভিনেত্রী।

    ভারতীয় সংবাদমাধ্যমের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ঐশ্বরিয়ার আইনজীবী আদালতে তার ছবিগুলো অনুমোদন ছাড়া ব্যবহার করার বিবরণ জমা দিয়েছেন। তার ছবি, নাম কিংবা কণ্ঠস্বর কোনোরকম ব্যবসায়িক উদ্দেশ্যে ব্যবহার যাতে না করা যায় সেই আবেদনও জানিয়েছেন তিনি।

    নায়িকার আইনজীবীর দাবি, ঐশ্বরিয়ার নামে ছড়িয়ে পড়া অন্তরঙ্গ ছবিগুলো ‘সম্পূর্ণ অবাস্তব’। অভিযোগ, নায়িকার ছবি ব্যবহার করে কফি মগ থেকে টি-শার্ট তৈরি হচ্ছে। তিনি বলেন, ‘একজন ভদ্রলোক শুধু আমার নাম ব্যবহার করে ও মুখ ছাপিয়ে টাকা সংগ্রহ করছেন। কারোর যৌন আকাঙ্ক্ষা পূরণের জন্য আমার মক্কেলের ছবি ব্যবহৃত হচ্ছে। যা খুবই দুর্ভাগ্যজনক’।

    এসময়, আইনজীবী সন্দীপ শেঠি সোশ্যাল মিডিয়ায় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা তথা এআই দিয়ে তৈরি অ্যাশের ছবিগুলো আদালতের সামনে পেশ করেন। সেখানে বলা হয়েছে, ‘তারা ঐশ্বরিয়ার নাম ব্যবহার করে অর্থ সংগ্রহ করছে। ইউটিউবের স্ক্রিনশটগুলোতে যেখানে ছবিগুলো সম্পাদনা করা হয়েছে, সেগুলো ঐশ্বরিয়ার ছবি না। তিনি এ ধরনের ছবির অনুমোদনও দেননি। সমস্ত এআই দিয়ে তৈরি করা হয়েছে।’

    উল্লেখ্য, বছর খানেক আগে রাই সুন্দরীর শ্বশুর অমিতাভ বচ্চনও একই অভিযোগ নিয়ে আদালতে যান। তারপর গত ২৫শে নভেম্বর থেকে অমিতাভের কণ্ঠস্বর কিংবা ছবি বিনা অনুমতিতে ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারি হয়।

  • কি জিনিস যা একজন নারী তার স্বামীকে দিতে পারে না

    কি জিনিস যা একজন নারী তার স্বামীকে দিতে পারে না

    আইএএস পরীক্ষা যা ভারতের সবচেয়ে কঠিন পরীক্ষাগুলির মধ্যে একটি। এটি প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হয় যেখানে লক্ষ লক্ষ পরীক্ষার্থী এই পরীক্ষায় বসে, তবে কয়েকজনই সফল হয়। জানিয়ে রাখি, এই পরীক্ষার তিনটি পর্ব রয়েছে। প্রথম ও দ্বিতীয়টি লিখিত পরীক্ষা এবং তৃতীয়টি হল ইন্টারভিউ।

    আইএএস পরীক্ষার ইন্টারভিউ সবসময় শিরোনামে থাকে এবং এখানে এমন কিছু প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় যা প্রার্থীদের মনকে বিভ্রান্ত করে। কখনো কখনো তাদের ডাবল মিনিং অর্থেরও প্রশ্ন করা হয়। যদি আপনিও বুঝতে না পারেন, তাহলে রেগে লাল হয়ে যেতে পারেন। এবার দেখে নেওয়া যাক ইন্টারভিউ চলাকালীন কিছু প্রশ্ন ও তার উত্তর।

    ১) প্রশ্ন: এমন কোন দোকানদার আছে যে আমাদের কাছ থেকে জিনিস নেয় এবং তাকেই টাকা দিতে হয়?
    উত্তর: নাপিত হলো একমাত্র দোকানদার যে আমাদের চুল কাটার পর রাখে এবং এর মূল্য দিতে হয়

    ) প্রশ্ন: গরুর দুধ দেয় আর মুরগির ডিম দেয়, বলতে পারবেন দুটোই কে দেয়?
    উত্তর: মুদিখানার দোকানদার।

    ৩) প্রশ্ন: সালোয়ারের নিচে কি পরেছেন?
    উত্তর: মেয়েটি উত্তর দিল, ‘স্যার আমি সালোয়ার নিচে স্যান্ডেল পরেছি।’

    ৪) প্রশ্ন: একজন মানুষ ৮ দিন না ঘুমিয়ে কিভাবে বাঁচবে?
    উত্তর: সেই মানুষটি দিনে ঘুমাবে না, রাতে ঘুমাবে।

    ৫) প্রশ্ন: যৌবনে সবুজ আর বার্ধক্যে লাল রঙের জিনিসটি কী?
    উত্তর: লঙ্কা যৌবনে সবুজ আর বার্ধক্যে লাল হয়।

    ৬) প্রশ্ন: লোহা কিভাবে তৈরি হয়?
    উত্তর: লোহা আকরিক থেকে লোহা তৈরি হয় এবং এটি খনিজ আকারে পৃথিবী থেকে আহরণ করা হয়। এটি পৃথিবীর গর্ভে পাওয়া চতুর্থ সর্বাধিক খনিজ।

    ৭) প্রশ্ন: এমন কি কাজ যেটা কুমারী মেয়ে করলে সমাজে তার বদনাম হয়?
    উত্তর: সিঁদুর পরলে।

    ৮) প্রশ্ন: লঙ্কা ঝাল কেন?
    উত্তর: লঙ্কার মধ্যে ক্যাপসিন নামক একটি যৌগ পাওয়া যায়, যা জীব ও ত্বককে প্রবাহিত করে। এই কারণে জিভে জ্বালাপোড়া অনুভূত হয়।

    ৯) প্রশ্ন: পরশুকে ইংরেজিতে কী বলা হয়?
    উত্তর: Overmorrow

    ১০) প্রশ্ন: কোন গ্রহে সর্বাধিক চাঁদ রয়েছে?
    উত্তর: সৌরজগতে সর্বাধিক সংখ্যক চাঁদ রয়েছে বৃহস্পতিতে। ২০০৯ সালে এই গ্রহের মধ্যে ৬৩টি চাঁদ আবিষ্কৃত হয়েছিল। ভবিষ্যতে আরো চাঁদ আবিষ্কৃত হতে পারে।

    ১১) প্রশ্ন: কোন জিনিসটি মেয়েদের জন্য বড় এবং ছেলেদের জন্য ছোট?
    উত্তর: মাথার চুল।

    ১২) প্রশ্ন: কোন প্রাণী দুধ ও ডিম উভয়ই দেয়?
    উত্তর: প্লাটিপাস এমন এক প্রাণী যে দুধ ও ডিম উভয়ই দেয়।

    ১৩) প্রশ্ন: মেয়েদের পোশাকে পকেট থাকে না কেন?
    উত্তর: মেয়েরা আলাদাভাবে পার্স বহন করে। এছাড়াও মেয়েদের শার্টে ওই পকেটগুলো অকেজো হয়ে থাকবে এবং পোশাকের সৌন্দর্যও নষ্ট হবে।

    ১৪) প্রশ্ন: এমন কোন প্রাণী জল না খেয়ে বেঁচে থাকতে পারে?
    উত্তর: এক প্রজাতির ইঁদুর জল না খেয়েই বেঁচে থাকতে পারে।

    ১৫) প্রশ্ন: কি সেই জিনিস যা একজন নারী তার স্বামীকে দিতে পারে না?

    উত্তর: উপাধি। সাধারণত বিয়ের পর নারী তার স্বামীর উপাধি গ্রহণ করে।

  • যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পু’রুষের যৌ’ন সক্ষমতা

    যে খাবার খেলে ৩ গুণ বেড়ে যায় পুরুষের যৌন সক্ষমতা । অনেকের দেখাযায় অতিরিক্ত মাত্রায় শারীরিক(Physical) মেলামেশা করার ফলে শুক্র সল্পতা দেখা দেয় অর্থাৎ শুক্রাণুর মাত্রা কমে যায় এবং (বীর্য) পাতলা হয়ে যায়। আপনার শরীররে যদি শুক্রাণুর(Sperm) মাত্রা কমে যায় তবে আপনি অনেক সময় সন্তান জন্ম দিতে অক্ষম হতে পারেন। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্যমতে, প্রতি মিলিলিটার শুক্রাণুতে ২০ মিলিয়নের কম স্পার্ম থাকলে যেকোনো পুরুষ অনুর্বর হতে পারেন। বাজে খাদ্যাভ্যাস, ধূমপান, অ্যালকোহল(Alcohol), অনিয়ন্ত্রিত জীবন, ব্যায়ামে অনীহা প্রভৃতি কারণে দিন দিন অনুর্বরতা বাড়ছে। এক্ষেত্রে বিশেষ সহায়ক মসলা রসুন(Garlic)। কেননা সুস্থ (বীর্য) তৈরিতে রসুনের জুড়ি মেলা ভার।

    যৌন অক্ষমতার(Sexual dysfunction) ক্ষেত্রে রসুন খুব ভালো ফল দিয়ে থাকে৷ রসুন কে ‘গরীবের পেনিসিলিন’ বলা হয়৷ কারণ এটি অ্যান্টিসেপ্টিক এবং হিসাবে কাজ করে আর এটি অতিঅ সহজলভ্য সব্জী যা আমারা প্রায় প্রতিনিয়ত খাদ্য হিসাবে গ্রহন করে থকি৷ আপনার যৌন ইচ্ছা(Sexual desire) ফিরে আনার ক্ষেত্রে এর ব্যবহার খুবই কার্যকরী৷

    কোন রোগের কারণে বা দুর্ঘটনায় আপনার যৌন(Sexual) ইচ্ছা কমে গেলে এটি আপনাকে তা পুনরায় ফিরে পেতে সাহায্য করে৷এছাড়া যদি কোন ব্যক্তির যৌন ইচ্ছা খুব বেশী হয় বা তা মাত্রাতিরিক্ত হয় যার অত্যধিক প্রয়োগ তার নার্ভাস সিস্টেমের ক্ষতি করতে পারে এমন ক্ষেত্রে ও রসুন(Garlic) খুব ই কার্যকরী৷

    সেবন বিধি

    প্রতিদিন নিয়ম করে কয়েক কোষ কাঁচা রসুন(Garlic) খেলে শরীরের যৌবন দীর্ঘ স্থায়ি হয় । যারা পড়ন্ত যৌবনে চলে গিয়েছেন, তারা প্রতিদিন দু’কোয়া রসুন খাঁটি গাওয়া ঘি-এ ভেজে মাখন মাখিয়ে খেতে পারেন। তবে খাওয়ার শেষে একটু গরম পানি বা দুধ(Milk) খাওয়া উচিত। এতে ভালো ফল পাবেন।

    যৌবন রক্ষার জন্য রসুন অন্যভাবেও খাওয়া যায়। কাঁচা আমলকির রস(Amalki juice) ২ বা ১ চামচ নিয়ে তার সঙ্গে এক বা দুই কোয়া রসুন বাটা খাওয়া যায়। এতে স্ত্রী-পুরুষ উভয়ের যৌবন দীর্ঘস্থায়ি হয়। গবেষণায় প্রমাণিত এতে করে ৩ গুণ পরিমাণ শক্তি বেড়ে যায়।

    সাবধানতা

    যাদের শরীর থেকে রক্তপাত সহজে বন্ধ হয় না, অতিরিক্ত রসুন(Garlic) খাওয়া তাদের জন্য বিপদ জনক। কারণ, রসুন রক্তের জমাট বাঁধার ক্রিয়াকে বাধা প্রদান করে। ফলে রক্তপাত বন্ধ হতে অসুবিধা হতে পারে। তা ছাড়া অতিরিক্ত রসুন শরীরে এলার্জি(Allergie) ঘটাতে পারে।

    এসব ক্ষেত্রে অতিরিক্ত রসুন(Garlic) না খাওয়াই উত্তম। রসুন খাওয়ার ফলে পাকস্থলীতে অস্বস্তি বোধ করলে রসুন খাওয়া বন্ধ রাখুন। শিশুকে দুগ্ধদানকারী মায়েদের রসুন (Garlic) না খাওয়াই ভালো। কারণ রসুন খাওয়ার ফলে তা মায়ের দুধের মাধ্যমে শিশুর পাকস্থলীতে ঢুকে শিশুর যন্ত্রণার কারণ ঘটাতে পারে।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • সে;ক্সে;র জন্য ছেলেদের ভাড়া করছেন নারীরা

    সে;ক্সে;র জন্য ছেলেদের ভাড়া করছেন নারীরা

    গাড়ির গ্লাস নামিয়ে ‘হ্যালো স্মার্টবয়’ বলেই যুবককে ডাকলেন এক মধ্য বয়সী নারী। মৃদু হেসে যুবক এগিয়ে যান। তারপর আস্তে আস্তে কথা হয় তাদের। যুবক গাড়িতে উঠেতেই গাড়িটি বনানীর দিকে যায়। মুহূর্তের মধ্যেই গুলশান-২ এর মোড়ে ঘটে ঘটনাটি। একটি জিমনেশিয়াম থেকে বের হয়ে গুলশানের ওই মোড়ে দাঁড়িয়েছিলেন যুবক। তার পরনে কালো প্যান্ট, কালো গেঞ্জি, কাঁধে ছোট একটি ব্যাগ। তার শরীর থেকে ভেসে আসছিল পারফিউমের ঘ্রাণ। বারকয়েক কথা বলেছেন মোবাইলফোনে। সময় তখন রাত ৮টা প্রায়। দেখেই মনে হয়েছিল নির্ধারিত কারো জন্য অপেক্ষা করছিলেন তিনি। অল্প সময়েই মধ্যেই নিশ্চিত হওয়া গেলো নির্ধারিত সেই জন হচ্ছেন ওই মধ্য বয়সী নারী। ওই যুবককে অনুসরণ করে জানা গেছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।

    সুঠামদেহী এই যুবক একটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। পাশাপাশি তিনি একজন যৌনকর্মী। যদিও এ জগতে মেইল এস্কর্ট, এস্কর্ট বয় বা রেন্ট বয় হিসেবে পরিচিত তিনি। ঢাকায় এরকম কয়েক হাজার মেইল এস্কর্ট রয়েছে। তাদের মধ্যে একজন রিদওয়ান সামি। এটা তার প্রকৃত নাম না হলেও এই নামেই এ জগতে পরিচিতি তার। পরিচয় গোপন করে কথা বললেও সরাসরি দেখা করতে চাননি তিনি। তার সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, শুরুটা আজ থেকে দু’বছর আগে। তখন তিনি একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র। লেখাপড়ার পাশপাশি ফরেনারদের গাইড হিসেবে কাজ করতেন। ধারণাটি আসে আমেরিকান এক নারীর মাধ্যমে। পথশিশুদের নিয়ে একটি ডকুমেন্টারি করতে ঢাকায় এসেছিলেন ওই নারী। গুলশানের একটি হোটেলে ছিলেন। ওই নারীর গাইড হিসেবে কাজ করার দ্বিতীয় দিনই তাকে বিছানায় সঙ্গ দিতে প্রস্তাব দেন। বিনিময়ে তাকে পে করা হবে। তখন আমেরিকান ওই নারীর প্রস্তাবে রাজি হয়ে বেশ কিছু বাড়তি টাকা আয় করেছিলেন রিদওয়ান। ওই নারী তাকে পরামর্শ দেন মেইল এস্কর্ট হিসেবে কাজ করলে ভালো আর্ন করবেন তিনি। তারপর থেকেই বিষয়টি নিয়ে ভাবছিলেন রিদওয়ান।

    এ প্রসঙ্গে রিদওয়ান বলেন, শুরুতে ভেবেছি এদেশে এটা মানুষ সহজে গ্রহণ করবে না। তবে এদেশে বিভিন্ন শ্রেণি রয়েছে। একটা শ্রেণি রয়েছে যাদের লাইফ স্টাইল ফরেনারদের মতোই। তারা অন্তত সাদরে গ্রহণ করবে। আর্নও হবে। তবে ওই শ্রেণির কাছে তা প্রচার করতে হবে। এই ভাবনা থেকেই তৈরি করেন একটি ওয়েভ সাইট। পরবর্তীকালে খোঁজ পান মেসেঞ্জার পাবলিক ডটকমের। সেখানে অনেক মেইল ইস্কর্ট রয়েছে রিদওয়ানের মতোই। অ্যাকাউন্ট ওপেন করেন সেখানে। ওই সাইটে গিয়ে দেখা গেছে এতে তার বিস্তারিত তথ্য রয়েছে। যা দেখলে সহজে তার সম্পর্কে অনুমেয়। বাংলা, হিন্দি ও ইংরেজি ভাষায় দক্ষ তিনি। তার উচ্চতা ৫ফুট ১০ ইঞ্চি, বয়স ২৮। এতে তিনি ইংরেজিতে যা লিখেছেন তার বাংলা হচ্ছে, ‘আমি আপনাকে আমন্ত্রণ জানাচ্ছি আমার সঙ্গে …। আমার হট ও উত্তেজনাপূর্ণ অভিজ্ঞতা অনুসারে প্রকৃত তৃপ্তি দেব। আমি নিরাপদ সম্পর্ক করব। আমি স্বাস্থ্য সম্মত ও রোগমুক্ত। আমি খুব পরিষ্কার এবং আপনার কাছেও তা আশা করি।’ শুধু প্রকৃত ক্লায়েন্টকে যোগাযোগ করতে অনুরোধ করে ফোন নম্বর ও মেইলের ঠিকানা দেয়া আছে এতে।

    যোগাযোগ করে জানা গেছে, প্রতি মাসেই অপরিচিত পাঁচ-ছয়জন নারী ক্লায়েন্টের কল পান তিনি। বিশ্বাসযোগ্য হলেই সাড়া দেন। এছাড়া নিয়মিত কিছু ক্লায়েন্ট রয়েছে তার। একইভাবে এরকম একই সাইটে নিজের শুধু দুটি চোখের ছবি দিয়ে এস্কর্ট বয় হিসেবে বিজ্ঞাপন দিয়েছেন সুমন আহমেদ নামে এক যুবক। তিনি উল্লেখ করেছেন, ‘আমি আগ্রহী বলেই এখানে তথ্য দিচ্ছি, আপনি আগ্রহী হলে দ্বিধা ছাড়াই আমাকে কল দিতে পারেন।’ একইভাবে ওবাইস নামে এক যুবক লিখেছেন, ‘আমি খুব স্পষ্ট ও বিশ্বাসযোগ্য। আপনার বাড়িতে বা অন্য কোথাও নিরাপদে।’ এতে শুধু নারীদের যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে। লিঙ্কন নামে এক এস্কর্ট বয় জানান, তাদের ক্লায়েন্ট মূলত অভিজাত শ্রেণির ও ফরেনার কিছু নারী। দেশি অভিজাত নারীদের অনেকের স্বামী নেই। ডিভোর্সি অথবা বিধবা। নিঃসঙ্গ বোধ করেন। তারা মেইল ইস্কর্ট খুঁজেন। গুলশান, বনানী, বারিধারা, উত্তরা ও ধানমন্ডি এলাকায় এরকম অনেক ক্লায়েন্ট রয়েছে বলে জানান তারা। অনেক নারী শুধু শরীর ম্যাসেজ করার জন্য এস্কর্ট বয়দের ডাকেন। এসব কাজে ঘণ্টা হিসেবে টাকা নেন মেইল এস্কর্টরা। প্রতি ঘন্টায় ১২ থেকে ৩০ ডলার বা ১ হাজার থেকে ২ হাজার ৫শ’ টাকা নেন তারা।

    নারীরা সাধারণত সুঠামদেহী, শ্যামলা, ২৫ থেকে ৩৫ বছর বয়সী ছেলেদের বেশি পছন্দ করেন। এজন্য মেইল এস্কর্টরা নিয়মিত ব্যায়াম করেন। সুস্থ ও শক্তিশালী থাকার জন্য প্রয়োজনীয় খাবার খান। জেন্টস পার্লারে যান নিয়মিত। তবে মেইল ইস্কর্টদের কেউ কেউ প্রতারণা করেন নারীদের সঙ্গে। ইতিমধ্যে তাদের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে আইন শৃঙ্খলা বাহিনী। তার নাম ফুয়াদ বিন সুলতান। গত ১ আগস্ট তাকে উত্তরার একটি বাড়ি থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। র‌্যাব জানিয়েছে, ২০১৫ এবং ২০১৬ সালে ওয়েবসাইটের মাধ্যমে সে পর্নোগ্রাফির ব্যবসা শুরু করে। তার সঙ্গে অন্তত দেড় শতাধিক নারীর অন্তরঙ্গ মুহূর্তের ভিডিও পাওয়া গেছে। নিজেকে সুলতান অব সেক্স দাবি করে সে দাবি করেছে, নারীরা তার কাছে স্বেচ্ছায় আসতেন। তবে র‌্যাব দাবি করেছে, শারীরিক সম্পর্কের ভিডিও ধারণ করে নারীদের ব্ল্যাকমেইল করতো সুলতান। ফুয়াদ বিন সুলতান সাবেক এক উচ্চ পদস্থ পুলিশ কর্মকর্তার সন্তান।

    এ বিষয়ে সমাজবিজ্ঞানী মাসুদা এম রশীদ চৌধুরী বলেন, এটি সমাজের চরম অবক্ষয়। সমাজে আইন রয়েছে। ধর্ম রয়েছে। যেখানে নিয়ম-নীতির মধ্য দিয়ে জীবন পরিচালনার কথা বলা হয়েছে। শান্তি-শৃঙ্খলার জন্যই এসব নিয়ম। শারীরিক চাহিদার জন্য বৈধ পথেই হাঁটতে হবে। নতুবা এই সভ্যতা অন্ধকারের দিকে ধাবিত হবে। পরিবার প্রথা, স্বামী-স্ত্রীর ভালোবাসা বিলীন হলে নানা অসঙ্গতি সৃষ্টি হবে। বাইরের দেশের অপসংস্কৃতি কোনোভাবেই অনুসরণ করা যাবে না। এজন্য সন্তানদের ছোটবেলা থেকেই নৈতিক শিক্ষা দিতে হবে। পাশপাশি আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে এ বিষয়ে পদক্ষেপ নিতে অনুরোধ জানান তিনি।