Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে

    মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে

    দেশে সারাবছর একাধিক পরীক্ষা হয়। তবে এই প্রতিযোগীমূলক পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে তারাই পারেন যারা নিষ্ঠা ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে প্রস্তুতি নিয়ে থাকেন। লিখিত পরীক্ষায় অনেকে পাস করলেও ইন্টারভিউতে বেশিরভাগই ব্যর্থ হন।

    আসলে যারা ইন্টারভিউ নেন তারা ওই প্রার্থীদের উপস্থিত বুদ্ধি যাচাইয়ের জন্য এমন কিছু প্রশ্ন করেন যা শুনে তারা ঘাবড়ে যান। তবে আপনিও যদি একটু ঠান্ডা মাথায় চিন্তা করেন তাহলে উত্তর দিতে পারবেন। যাইহোক, এই প্রতিবেদনে তেমনই কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হলো।

    ১) প্রশ্নঃ কোন জিনিসটা আমরা দু’বার বিনামূল্যে পাই কিন্তু তিনবারের জন্য টাকা লাগে?
    উত্তরঃ আসলে দাঁত আমরা দুবার পাই কিন্তু এরপর দাঁতের জন্য টাকা লাগে।

    ২) প্রশ্নঃ ভারতের ইলেকট্রনিক শহর কাকে বলা হয়?
    উত্তরঃ বেঙ্গালুরুকে ভারতের ইলেক্ট্রনিক শহর বলা হয়।

    ৩) প্রশ্নঃ ভারতের জনগণনা কত বছর পর পর হয়?
    উত্তরঃ ১০ বছর অন্তর। সর্বশেষ ২০১১ সালে হয়েছিল। ২০২১ সালে হবার কথা থাকলেও মহামারীর জন্য জনগণনা বাতিল হয়েছিল।

    ৪) প্রশ্নঃ কোন দেশের বেকার ইঞ্জিনিয়ারদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি?
    উত্তরঃ ভারতবর্ষে।

    ৫) প্রশ্নঃ পৃথিবীর সবথেকে পুরাতন গাছটির বয়স কত?
    উত্তরঃ ৫০০০ বছরের বেশি, যা ক্যালিফোর্নিয়াতে রয়েছে।

    ৬) প্রশ্নঃ বিশ্বের প্রথম কোন দেশ রকেট তৈরি করেছিল?
    উত্তরঃ রাশিয়া বিশ্বের প্রথম দেশ যারা রকেট আবিষ্কার করে।

    ৭) প্রশ্নঃ উত্তম কুমারের প্রথম বাংলা সিনেমা কোনটি?
    উত্তরঃ দৃষ্টিদান (১৯৪৮ সাল)।

    ৮) প্রশ্নঃ রাবণ নামটি কোন দেবতার দেওয়া?
    উত্তরঃ মহাদেব রাবণের নামকরণ করেছিলেন।

    ৯) প্রশ্নঃ মানুষের মুখ থেকে পেট পর্যন্ত খাবার যেতে কত সময় লাগে?
    উত্তরঃ মাত্র ৭ সেকেণ্ড।

    ১০) প্রশ্নঃ মেয়েদের শরীরের কোন অঙ্গটি সবসময় তরুণ থাকে?
    উত্তরঃ আসলে চোখ এমন একটি অঙ্গ, যা শৈশব থেকে বৃদ্ধ বয়স পর্যন্ত এটি বৃদ্ধি পায় না (বিভ্রান্ত করার জন্য প্রশ্নের মধ্যে মেয়ের প্রসঙ্গ ঢুকিয়ে দেওয়া হয়)।

  • সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

    সিজারে বাচ্চা নেওয়ার অপর নাম নীরব মৃত্যু (মিস করবেন না স্বামী স্ত্রী দুজনেই পড়ুন)

    সিজারে বাচ্চা নেওয়ার – এক নার্স (সেবীকা)হলি ক্রস মেডিক্যালএর চিকিৎসক হিসেবে কাজ করছেন ! গত মাসে তার ফুটফুটে পুত্র সন্তান হয় । আমি তাকে প্রশ্ন করেছিলাম সিজারে অনেক বাচ্চা ই তো পৃথিবীতে নিয়ে আসলি অপারেশন করে , এখন তোর সিজার কোন চিকিৎসক করবে ?

    উত্তরে জানায় ,নরমাল ডেলিভারি ‘র জন্য প্রিপারেসন নেওয়া হয়েছে । কারন ! সিজারে বাচ্চা হলে একজন নারী ২য় ,৩য় বার পুনরায় মা হতে গেলে ঝুকি থাকে ৯০.৭ % । অনেক সময়েই বাচ্চার শরীর ছুরি , কাচি লেগে শরীরের বিভিন্ন অঙ্গ ক্ষতি হয় যা আমাদের দেশের চিকিৎসক গন কাউকেই বলেন না ! অর্থের লোভে প্রত্যেক গর্ভবতী মা কে মেডিক্যাল চেকাপ এর আগে থেকে ই বলে রাখা হয় সিজারে বাচ্চা নিতে হবে অন্যথায় ! মৃত্যু ঝুঁকির ভয় দেখানো হয় । জাতিসংঘের স্বাস্থ্য বিসয়ক সংস্থা WHO জানিয়েছে একটি দেশে ‘র ১৫% মেয়ে যদি একান্তে ই না পারে স্বাভাবিক প্রক্রিয়া তে বাচ্চা নিতে , সে ক্ষেত্রে সিজার করাতে হবে ।

    আমার দেশে বর্তমান সিজারে বাচ্চা হচ্ছে সে অনুপাতে ৯৭.৩% যা নারী স্বাস্থ্য’র জন্য ঝুঁকিপূর্ণ । এই সিজারে বাচ্চা নিতে গেলে যেমন মা মারা যায় বেশীরভাগ সময় তেমনি ক্ষতি হয় নব জন্ম নেওয়া শিশুটির । সিজারে হওয়া বাচ্চা অনেক বেশী অসুস্থ থাকে একটু খেয়াল করে দেখবেন, যা নরমালে হওয়া বাচ্চাদের হয় না খুব একটা । প্রতি বছর সিজারে বাচ্চা হতে গিয়ে মারা যায় আমাদের দেশে ২৭.৯% মা ,শিশু ।

    এই ছারাও সিজার অপারেশনে রোগীর জন্য রক্ত চাওয়া হয় অনেক সময় ই ১০-১৫ ব্যাগ , যার মধ্যে বড় জোর ২ ব্যাগ রক্ত কাজে লাগিয়ে অন্যগুলো বিক্রি করা হয় । সামাজিক স্ট্যাটাস হয়ে গেছে এখন সিজারে বাচ্চা নেওয়া ! যা বর্তমান নারী দেহ কে ধ্বংস করে দিচ্ছে নীরবে, চিকিৎসকরা সবই জানেন , বুঝেন কিন্তু হাঁসপাতালের মালিক দের খুশী রাখতে এবং নিজেদের অর্থনীতি কে শক্তিশালী করতে তারা করেন নারীর পেট কাঁটা বিজনেস ।

    figure>

    পোষ্টটা কেমন লেগেছে সংক্ষেপে কমেন্টেস করে জানাবেন৷ T= (Thanks) V= (Very good) E= (Excellent) আপনাদের কমেন্ট দেখলে আমরা ভালো পোষ্ট দিতে উৎসাহ পাই।
  • আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে

    আপনার হাতে যদি M চিহ্ন থাকে তাহলে যা আছে ভাগ্যে

    হাতের তালুতে ‘M’ চিহ্ন থাকলে জ্যোতিষশাস্ত্র মতে আপনি অত্যন্ত ভাগ্যবান এবং বিশেষ ব্যক্তিত্বের অধিকারী, যা হৃদয়, ভাগ্য ও আয়ু রেখার সমন্বয়ে তৈরি হয়; এটি জীবনে সৌভাগ্য, নেতৃত্ব, অন্তর্দৃষ্টি, পরিবর্তন ও শক্তিশালী আধ্যাತ್ಮিকতার ইঙ্গিত দেয়, বিশেষ করে পুরুষদের ক্ষেত্রে এটি প্রতিশ্রুতি ও সংবেদনশীলতার চিহ্ন।
    ‘M’ চিহ্নের তাৎপর্য:
    ** সৌভাগ্য ও নেতৃত্ব:** এটি একটি শুভ লক্ষণ, যা জীবনে প্রচুর সৌভাগ্য, সাফল্য ও নেতৃত্ব ক্ষমতা নির্দেশ করে।
    পরিবর্তন ও রূপান্তর: এই চিহ্নটি জীবনের বড় পরিবর্তন এবং সেই পরিবর্তনের সঙ্গে মানিয়ে নিয়ে আরও শক্তিশালী হয়ে ওঠার ইঙ্গিত দেয়।
    অন্তর্দৃষ্টি ও সংবেদনশীলতা: যাদের হাতে এই চিহ্ন থাকে, তারা সাধারণত শক্তিশালী অন্তর্দৃষ্টিসম্পন্ন ও অনুভূতিপ্রবণ হন।
    পুরুষদের জন্য: পুরুষদের হাতে থাকলে তারা অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ও সংবেদনশীল হন।
    গঠন: এটি হৃদয়রেখা, মস্তিষ্করেখা (শীর্ষরেখা) এবং জীবনরেখার সমন্বয়ে গঠিত একটি আকৃতি।
    সংক্ষেপে:
    যদি আপনার হাতে স্পষ্ট ‘M’ চিহ্ন থাকে, তবে আপনি একজন বিশেষ মানুষ, যিনি জীবনের নানা চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করে জীবনে সফলতা ও সমৃদ্ধি লাভ করতে পারেন
  • আত্মগোপনে থাকা নায়ক রিয়াজ মারা গেছেন!

    আত্মগোপনে থাকা নায়ক রিয়াজ মারা গেছেন!

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়ে ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর গুজব। তবে এ খবরের কোনো প্রমাণ নেই, এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি।

    রিয়াজের একজন ঘনিষ্ঠজন গণমাধ্যমকে বলেছেন, “এ ধরনের কিছু হওয়ার কথা নয়। আমি আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। সত্যিই কিছু ঘটলে এতক্ষণে খবর ছড়িয়ে যেত।”

    ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রিয়াজ আত্মগোপনে আছেন। তার অবস্থান এখনও স্পষ্টভাবে জানা যায়নি। কিছু গুজবে বলা হচ্ছে, তিনি ভারতে চলে গেছেন, আবার কেউ মনে করছেন তিনি দেশের কোথাও আছেন। তার মোবাইল নম্বরও বন্ধ রয়েছে।

    রাজনীতির ক্ষেত্রেও রিয়াজ আগে সক্রিয় ছিলেন। তিনি শেখ হাসিনার বিভিন্ন সফরে অংশগ্রহণ করেছেন এবং কয়েকবার তার সফরসঙ্গী হিসেবে দেখা গেছে।

    চলচ্চিত্রে রিয়াজের যাত্রা শুরু হয় ১৯৯০-এর দশকের মাঝামাঝি ‘বাংলার নায়ক’ সিনেমার মাধ্যমে। পরবর্তীতে তিনি দুই দশক ধরে ঢালিউডের জনপ্রিয় মুখ হিসেবে সুপারহিট সিনেমা উপহার দিয়েছেন।ullu