Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    মেয়েদের যে আট ভুলের কারনে হচ্ছে স্তন ক্যান্সার!

    বর্তমানে সারা বিশ্বের মহিলাদের কাছেই স্তন ক্যান্সার একটি আতঙ্কের নাম। আর এর প্রকোপ দিন দিন বেড়েই চলেছে। ইদানীং ক্যানসারের প্রচলিত ওষুধে কাজ হচ্ছে না। প্রচলিত বেশির ভাগ কেমোথেরাপিও এই রোগ নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে না। তাই স্তন ক্যান্সার দিনে দিনে আরও চিন্তা বাড়াচ্ছে চিকিৎসকদের।

    কিন্তু জানেন কি? দৈনন্দিন কিছু অভ্যাসের ভুলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বেড়ে যায়? আসুন জেনে নেওয়া যাক তেমনই ৮টি খারাপ অভ্যাসের কথা, যেগুলো স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    ১। স্তনের আকার অনুযায়ী সঠিক মাপের ব্রা ব্যবহার না করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়।

    স্তনের আকারের চেয়ে বড় মাপের বক্ষবন্ধনী স্তনের টিস্যুগুলোকে ঠিকমত সাপোর্ট দিতে পারে না আবার অতিরিক্ত ছোট বা টাইট ব্রা স্তনের তরলবাহী লসিকাগুলি ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

    ২। সারাক্ষণ ব্রা পরে থাকার কারণে ঘাম হবার অসুবিধে, আর্দ্রতা জমে থাকা, সব মিলে স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ঘরে থাকার সময় টুকুতে ব্রা ব্যবহার না করার চেষ্টা করুন।

    ৩। প্লাস্টিকের বক্সে খাবার রাখা এবং বিশেষত সেটিতেই ওভেনে গরম করা স্তন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াতে প্রত্যক্ষ ভূমিকা নিতে পারে। এর চেয়ে কাঁচের পাত্র ব্যবহার করুন। আর প্লাস্টিক ব্যবহার করতে চাইলে তা ফুড গ্রেড কিনা নিশ্চিত হয়ে নিন।

    ৪। ঘামের দূর্গন্ধ এড়াতে ডিওডোরেন্ট ব্যবহার করেন প্রায় সবাই! কিন্তু এই ডিওডোরেন্ট কেনার সময় খেয়াল রাখুন কী কী উপাদান আছে এতে। এলুমিনাম বেসড উপাদান থাকলে তা স্তন ক্যান্সারের ঝুকি অনেকটাই বাড়িয়ে দেয়। ডিওডোরেন্ট যেহেতু আপনি প্রতিদিন ব্যবহার করেন, তাই এ বিষয়ে সতর্ক হওয়া বিশেষ জরুরি।

    ৫। চুল পেকে যাওয়া বা হাল ফ্যাশনের সঙ্গে মানিয়ে নিতে চুলে নানা রঙের ব্যবহার, যেটিই হোক না কেন, দোকান থেকে সস্তার চুলের রং কিনে আনবেন না। এতে চুল তো পড়ে যেতে পারেই, সেই সঙ্গে এতে ব্যবহৃত ক্ষতিকর রাসায়নিকের কারণে হতে পারে স্তন ক্যান্সারও। তাই ভালও ব্র্যান্ডের ভেষজ চুলের রং ব্যবহার করুন।

    আর সবচেয়ে ভাল হয় মেহেন্দি ব্যবহার করতে পারলে। মেহেন্দি একদিকে যেমন চুলের জন্যে ভাল, সেই সঙ্গে এতে কোনও পার্শ্বপ্রতিক্রিয়াও নেই।

    ৬। ঘরের দূর্গন্ধ দূর করতে এয়ার ফ্রেশনারের ব্যবহার দিন দিন জনপ্রিয় হচ্ছে। কিন্তু এতে থাকা প্যাথালেট নামক প্লাস্টিসাইজিং রাসায়নিক যা সুগন্ধকে দীর্ঘস্থায়ী করতে সাহায্য করে, তার সঙ্গে স্তন ক্যান্সারের সরাসরি সম্পর্ক রয়েছে।

    এর চেয়ে ফুটন্ত জলেতে এক টুকরো দারচিনি ফেলে দিন। এবার দেখুন, ঘরময় কি সুগন্ধই না ছড়াচ্ছে! আলমারির কাপড়চোপড় পোকামাকড়ের হাত থেকে বাঁচাতে নেপথলিন তো আমরা ব্যবহার করেই থাকি। অনেকে আবার বাথরুমের দুর্গন্ধ এড়াতে বেসিনে, সিঙ্কেও নেপথলিন ফেলে রাখেন।

    কিন্তু এটি পুরোটাই ক্ষতিকর কেমিকেল দিয়ে তৈরী, যা কেবল পোকামাকড়কে দূরেই রাখে না, বরং আপনার স্তন ক্যান্সারের ঝুকিও বাড়িয়ে দেয় বহুগুণে। এর চেয়ে নিমপাতা শুকিয়ে কাগজে মুড়িয়ে রেখে দিন। একই উপকার পাবেন।

    রান্নাঘরের সিঙ্ক বা কেবিনেট যে রঙিন তরল ক্লিনার দিয়ে আপনি পরিস্কার করছেন, তাতে থাকা কেমিকেল কেবল আপনার স্তন ক্যান্সারই নয়, মাইগ্রেন ও অ্যালার্জির প্রকোপও বাড়িয়ে দিতে পারে। তাই কেমিকেলযুক্ত এই ক্লিনার ব্যবহার না করে ভিনেগার বা বেকিং সোডা দিয়ে পরিস্কার করতে পারেন।

  • মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    মেয়েদের শরীরের এই ১ জাগায় হাত দিলেই সাথে সাথে রাজি হবে যেকোনো মেয়ে

    ভার্জিন মেয়ে চেনার উপায় নিয়ে আজকের আয়োজন। অনেকেই আমাদের কাছে জানতে চেয়েছেন কি করে ভার্জিন মেয়ে যাবে?

    কেউ জানতে চেয়েছেন বিয়ের প্রথম রাতে আমি কিভাবে বুঝবো আমার স্ত্রী সতী কিনা? কুমারীত্ব ঠিক আছে কিনা তা বুঝার কোনো পদ্ধতি থাকলে জানাবেন?

    তাই সবার প্রশ্নের উত্তর দিতে আজকের লেখা। চলুন জেনে নেয়া যাক।

    ভার্জিন মেয়ে দুই ভাবে চেনা যায়। প্রথমত ব্রেস্ট দেখে , দ্বিতীয়ত ভ্যাজিনা দেখে (ব্যাতিক্রম ছাড়া)। এজন্য আপনাকে ব্রেস্ট এবং ভ্যাজিনা ভালভাবে আলোর মধ্যে লক্ষ্য করতে হবে। তাই লাইট জ্বালিয়ে শারিরীক সম্পর্ক করতে হবে। অনেক মেয়ে লাইট জ্বালিয়ে যৌন মিলন করতে চাইবে না। তাদেরকে কৌশলে রাজি করিয়ে নিন।

    একেবারে লাইট জ্বালিয়ে মিলন করতে না চাইলে কিন্তু আপনার আর এই পোস্ট কোন কাজে আসবেনা। দেখা গেছে, ভার্জিন মেয়ে রা লাইট জ্বালিয়ে হ্যাজবেন্ড এর সাথে প্রথম সেক্স করতে কোন আপত্তি করেনা। প্রথমে আপত্তি করলেও হ্যাজবেন্ডের অনুরোধে রাজি হয়ে যায়। তারাই বেশী আপত্তি করে যাদের ভার্জিনিটি প্রশ্নবিদ্ধ!

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্য ব্রেস্টের কিছু বৈশিস্ট জেনে নিন

    ১. শরীর সমান্তরালে রেখে বিছানায় শোয়া অবস্থায় ব্রেস্ট লক্ষ্য করুন। ভার্জিন হলে ব্রেস্ট ওভাল (ডিম্বাকৃতি) হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ২. এবার ব্রেস্টের বোটা দুটো লক্ষ্য করুন। ভার্জিন মেয়ে দেরে বোটা দুটো সামান্য চোখা এবং ছোট হবে। (মেদ যুক্ত মেয়েদের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নয়)

    ৩. দু হাতে ব্রেস্ট দুটো স্পর্শ করুন। আস্তে আস্তে চাপ দিন। ছেড়ে দিন। আবার চাপুন। ভার্জিন মেয়ে দের ব্রেস্টগুলো চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে দ্রুত পুর্বের অবস্থায় ফিরে আসবে। অর্থাৎ এলাস্টিসিটি অনেক বেশী হবে। বেশ কয়েকবার চেপেও আপনি এটা বুঝে নিতে পারেন।

    ভ্যাজিনার বৈশিস্ট যেমন থাকবে

    মেয়েটিকে বিছানায় শুইয়ে দিন। তার দুপায়ের মাঝখানে হাটু গেড়ে বসুন। প্রয়োজন হলে শুয়ে পড়ুন।এবার মেয়েটির হাটুর উপর হাত রেখে দুপা দুদিকে ফাক করুন। এখন মনযোগ দিয়ে ভ্যাজিনা লক্ষ্য করুনঃ

    ১. ভ্যাজিনায় দুই ধরনের লিপ (ঠোট) থাকে- লিবিয়া মেজরা, লিবিয়া মাইনরা। লিবিয়া মেজরা বাইরের দিকে আর লিবিয়া মাইনরা ভিতরের দিকে থাকে। এদের কাজ হল যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখা।দুপা ফাক করার পর ভার্জিন মেয়ে হলে লিবিয়া মেজরা একটার সাথে অন্যটা লেগে থেকে যোনী ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।এবং এটা টান টান ও মসৃন থাকবে।

    ২. যদি ভার্জিন মেয়ে না হয় তবে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার সাথে সাথে দুদিকে সরে যাবে।এটা অনেকটা বড় হবে, দুদিকে নেতিয়ে থাকবে, কুচকানো এবং অমসৃন থাকবে।

    ৩. অনেক সময় কোন কারনে লিবিয়া মেজরা পা ফাক করার পর দুদিকে সরে যেতে পারে। কিন্তু ভার্জিন মেয়ের ক্ষেত্রে অবশ্যই লিবিয়া মাইনোরা যোনি ছিদ্রকে ঢেকে রাখবে।

    ৪. ভার্জিন মেয়েদের ক্ষেত্রে লিবিয়া মেজরা কিন্তু আকারে ছোট থাকবে অথবা দেখতে টান টান এবং মসৃন থাকবে। ভার্জিন না হলে এটা বড় দেখা যাবে অথবা বাইরের দিকে ঝুলে থাকতে দেখা যাবে এবং অমসৃন ও ভাজ যুক্ত হবে।

    ৫. এতক্ষন তো শুনলেন ভ্যাজিনাল লিপ দেখে ভার্জিনিটি বোঝার উপায়। এবার আসেন আরেকটু ভিতরে যাই। দুপা ফাক করে আপনার দুহাত দিয়ে ভ্যাজিনাল লিপ সরিয়ে দিন। যোনির চামড়া দুদিকে সরালে যোনি ছিদ্র দেখতে পাবেন।

    খেয়াল করে দেখার চেস্টা করুন পর্দা আছে কিনা। পর্দা থাকলে তো কোন কথাই নেই পর্দা না থাকলেও সমস্যা নাই। মন খারাপ করবেন না। সেক্ষেত্রে ছিদ্রের গঠন খেয়াল করুন। ছিদ্রের মুখ যদি গোলাকার হয় তবে মেয়েটি ভার্জিন।

    আর ছিদ্রের মুখ যদি তারার মত জিক- জ্যাক হয় তবে সমস্যা আছে। তবে সামান্য জিক- জ্যাক চলে কারন দৌড় ঝাপের জন্য ওটুকু ফাটতে পারে কিন্তু যদি বেশী হয় তবে কিন্তু সমস্যা আছে।

    ৬. উপরের লক্ষন গুলো দেখে যদি মেয়েটিকে ভার্জিন বলে মনে না হয় তবে এবার একটা আঙ্গুল ভিতরে আস্তে আস্তে ঢুকান।

    **যদি খুব টাইট ফিল করেন তবে সে ভার্জিন হয়ে থাকতে পারে। ভার্জিন না হলেও সে হয়ত ১-৩ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    **আর যদি লুজ লাগে কিন্তু ২ টা আঙ্গুল ঢুকাতে কস্ট হয় তবে মেয়েটি ৪- ৬ বার শারিরীক সম্পর্ক করে থাকতে পারে।

    ভার্জিন মেয়ে চেনার জন্যা মনে রাখতে হবে

    – ফিঙ্গারিং এর কারনে ভ্যাজিনাল লিপ কিছুটা লুজ হতে পারে।

    – দৌড় ঝাপের কারনে পর্দার জিক- জ্যাক কিছুটা বাড়তে পারে।

    – ২/১ বার শারিরীক সম্পর্ক এ অনেক সময় মেয়েদের যোনি তেমন কোন পরিবর্তন হয়না।

    – অনেকবার শারিরীক সম্পর্ক করার পরেও ৬ মাস থেকে ২ বছরের বিরতিতে যোনি কিছুটা টাইট হয়।

    – মোটা মেয়েদের ব্রেস্ট স্বভাবতই কিছুটা ঝুলানো থাকে। তাদের থাই মোটা হওয়ায় দু পায়ের চাপে লিবিয়া মেজরা কছুটা লুজ হতে পারে।

    – ব্লাড বের না হওয়া মানেই ভার্জিন মেয়ে এমনটি নয়।

    – উপরের পরীক্ষা গুলো এমন ভাবে করবেন যেন মেয়েটি বুঝতে না পারে যে আপনি তাকে টেস্ট করছেন।একবারে টেস্ট না করে আদর করার ফাকে ফাকে টেস্ট করুন।

    – মেয়েদের চোখ, হাটার ভঙ্গি, নিতম্ব, হাসি, কাপড়/ওড়না পড়ার স্টাইল ইত্যাদি দেখে ভার্জিন মেয়ে অনুমান করা বোকামি ছাড়া আর কিছুই নয় !!

    Similar Pos

  • ছেলেদের “লি”ঙ্গ সাধারণত কত ইঞ্চি হলে মেয়েরা পরিপূর্ণ সুখ পায় জানালেন লিওন

    ছেলেদের “লি”ঙ্গ সাধারণত কত ইঞ্চি হলে মেয়েরা পরিপূর্ণ সুখ পায় জানালেন লিওন

    আপনারা কখনো পেনিসের আদর্শ সাইজ কত নিয়ে চিন্তিত হয়েছেন? অনেকেই এই বিষয়ে কমবেশি উৎসুক হয়ে থাকেন। আজকের এই ব্লগে আমরা পেনিসের আকার নিয়ে কিছু মিথ এবং সত্যের বিষয়ে আলোকপাত করব। বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারব যে, পেনিসের আকার কতটুকু হওয়া স্বাভাবিক এবং এই আকার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ।
    একটি ব্যাপক গবেষণায়, ১৯৪২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পরিচালিত ৭৫টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে, ৫৫,৭৬১ জন পুরুষের উপর একটি গড় নির্ণয় করা হয়েছে। এই গবেষণা অনুযায়ী, লম্বা অবস্থায় গড় পেনিসের দৈর্ঘ্য ১৩.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.৪৮ ইঞ্চি), প্রসারিত অবস্থায় ১২.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.০৯ ইঞ্চি) এবং শিথিল অবস্থায় ৮.৭০ সেন্টিমিটার (৩.৪৩ ইঞ্চি) হিসাবে পাওয়া গেছে।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক মাপ নির্ণয় করলেন বিজ্ঞানীরা
    অনেক পুরুষের মধ্যেই তাদের পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে উদ্বেগ বা দ্বিধা থাকে। এই বিষয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক আকার ও গড় মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হয়তো অনেকেরই এই সংশয় দূর করতে সাহায্য করবে। এক প্রতিবেদনে ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে যে, এই গবেষণা পরিচালনা করেছে লন্ডনের কিংস কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথকেয়ার সার্ভিসেস (এনএইচএস) ট্রাস্ট। গবেষণাটিতে ১৫ হাজার পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাতে তাদের পুরুষাঙ্গের মাপ সংগ্রহ করা হয়।
    গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩.৬ ইঞ্চি। তবে, যদি টানা হয়, তাহলে এর দৈর্ঘ্য গড়ে ৫.২ ইঞ্চিতে পৌঁছে। এছাড়াও, পুরুষাঙ্গের পরিধি হয় সাধারণত ৩.৭ ইঞ্চি। উত্থানকালে, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫.১ ইঞ্চি এবং পরিধি হয় ৪.৫ ইঞ্চি। এই গবেষণায় বিভিন্ন জাতি এবং বয়সের পুরুষদের মাপ নেওয়া হয়েছিল এবং সেই মাপের গড় থেকে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    গবেষকদের মতে, অনেক পুরুষেরই এই নিয়ে মনে নানা সংশয় থাকে। তবে, এই তথ্য জেনে তারা এখন নিজেরাই মাপ নিয়ে দেখতে পারেন, যে তাদের আকার স্বাভাবিক কি না। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আগে এটি তাদের একটি ধারণা দেবে। এই গবেষণার ফলাফল কনডম নির্মাতাদের জন্যও খুবই উপকারী হতে পারে, কারণ সঠিক মাপের কনডম তৈরি করার জন্য তারা এই তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। গবেষণার ফলাফল ব্রিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত হয়েছে।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত?
    পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে চিন্তা বা দুশ্চিন্তা বহু পুরুষের মধ্যে প্রচলিত একটি বিষয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষই মনে করেন যে তাদের পুরুষাঙ্গ ছোট, যদিও বাস্তবিকভাবে এটি যৌন সক্ষমতার সাথে তেমন সম্পর্কিত নয়। গড়ে উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য হয় ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি, যা অঞ্চলভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, খুব বিরল ক্ষেত্রে, কিছু পুরুষের জন্মগত বা হরমোনজনিত কারণে ৩ ইঞ্চির কম আকারের পুরুষাঙ্গ দেখা যেতে পারে, যা “মাইক্রোপেনিস” নামে পরিচিত।
    গবেষণায় আরও জানা গেছে যে, বেশিরভাগ পুরুষের জন্য ৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পুরুষাঙ্গ যৌন সঙ্গিনীকে পরিতৃপ্তি দিতে যথেষ্ট। আকার ছোট হলেও তা যৌন মিলনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। তবে, প্রোস্টেট ক্যান্সারের মতো কিছু রোগের কারণে পুরুষাঙ্গের আকারে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু এটি খুবই বিরল। পেনিসের আদর্শ সাইজ কত বা লিঙ্গের স্বাভাবিক সাইজ কত – এ প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলা যায়, শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৩-৩.৫ ইঞ্চি থাকে, যা উত্তেজিত অবস্থায় ৫-৬ ইঞ্চিতে পৌঁছায়।
    যৌনতার ক্ষেত্রে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকার খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুইজারল্যান্ডের একটি গবেষণায় ১০৫ জন নারীর উপর জরিপ চালানো হয়, যেখানে দেখা গেছে, নারীরা যৌনতার সময় পুরুষাঙ্গের আকারের চেয়ে এর স্বাভাবিক আকৃতি এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন। এছাড়া, কসমোপলিটান ম্যাগাজিনের এক জরিপে দেখা গেছে, বয়স এবং যৌন অভিজ্ঞতার সঙ্গে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকারের গুরুত্ব আরও কমে আসে।
    যৌনমিলনের ক্ষেত্রে লিঙ্গের আকারের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক সংযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষদের অহেতুক দুশ্চিন্তা বা অজ্ঞতা তাদের যৌন জীবনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ছোট আকারের পুরুষাঙ্গও উত্তেজিত অবস্থায় অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে। লিঙ্গের আদর্শ সাইজ কত হলে ভালো হয় বা আদর্শ লিঙ্গের সাইজ কত হওয়া দরকার – এ প্রশ্ন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখাই সঠিক পথ।
    যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন পদ্ধতি, যেমনঃ বড়ি, ক্রিম, এবং অস্ত্রপ্রচার, পুরুষাঙ্গের আকার বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলে আসছে, তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে তেমন কোনো সফল ফলাফল পাওয়া যায়নি। বরং, এসব পদ্ধতি অনেক সময় পুরুষের স্বাভাবিক যৌনক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। তাই লিঙ্গের সাইজ কত হলে ভালো হয় বা পেনিস সাইজ কত হওয়া দরকার – এ বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে বিজ্ঞানসম্মত তথ্যের উপর নির্ভর করাই উত্তম।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষদের পেনিসের আদর্শ সাইজ কত?
    সাধারণত পেনিসের দৈর্ঘ্য ৫.১ থেকে ৫.৯ ইঞ্চির মধ্যে হয়ে থাকে।
    অনেকের ধারণা পেনিস বড় হলে স্ত্রীকে বেশি আনন্দ দেওয়া যায়, কিন্তু আসলে স্থায়িত্বই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত স্থায়িত্ব ৭ থেকে ১০ মিনিট হয়ে থাকে।
    পুরুষাঙ্গ একেবারে সোজা নয়, সাধারণত একটু বাঁকা থাকে।
    পুরুষাঙ্গের আগা মোটা এবং গোড়া চিকন হওয়াকে বড় ধরণের সমস্যা মনে করার দরকার নেই।
    পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য কোন জাদুকরী তেল বা ঝাড় ফু সম্পূর্ণ বানোয়াট, তাই এমন ফাঁদে পড়বেন না।
    পুরুষাঙ্গ বড় না হলেও নারীকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব; মাত্র ৩ ইঞ্চি পেনিসই খুশি করতে যথেষ্ট।
    পুরুষাঙ্গ অতিরিক্ত বড় হলে অনেক সময় নারীরা ব্যথা পায়, যা যৌন আতঙ্কে রূপ নিতে পারে।
    প্রকৃত ছোট লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ২.৭৬ ইঞ্চির কম হয়।
    পুরুষাঙ্গের গোঁড়া চিকন, আগা মোটা বা বাঁকা হওয়া যৌন মিলনে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না।
    নিজ স্ত্রী ছাড়া অন্য কোথাও পুরুষাঙ্গ ব্যবহার করবেন না, এতে আপনি অনেক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

  • গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত সহবাস করা উচিত? অনেকেই জানেন না

    গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত সহবাস করা উচিত? অনেকেই জানেন না

    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো গর্ভাবস্থায় কত মাস পর্যন্ত সহবাস(Intercourse) করা উচিত? সে সম্পর্কে। গর্ভধারণ করার আগে পর্যন্ত সকল দম্পতিই সহবাস করে। কিন্তু অনেকের মনেই এই প্রশ্নটা ঘুরপাক খায় যে, গর্ভধারণ(Pregnancy) হলে কি সহবাস করা উচিত না উচিত না? অনেকেই মনে করেন গর্ভধারণ হয়ে গেলে আর সহবাস করা উচিত নয় আবার অনেক কাপল মনে করে গর্ভধারণেও সহবাস করা যায়, ভয়ের কিছু নেই! এই নিয়ে অনেকের মনেই অনেক কনফিউশন(Confusion)থাকে।
    আজ আমরা এই প্রতিবেদনে জানবো যে গর্ভাবস্থায় আদৌ সহবাস(Intercourse) করা যায় কিনা? আর এই বিষয়ে ডাক্তাররা কি বলেন। আসুন দেখে নিই। বেশিরভাগ মেয়েদের মনেই এই প্রশ্নটা থাকে যে, গর্ভাবস্থায় সহবাস করা চলে কি না বা গর্ভাবস্থায় সহবাস করলে আগত শিশুর কোন ক্ষতি হয় কি না? এই বিষয়ে ডাক্তাররা বলছেন, গর্ভাবস্থায় সহবাস করা নিরাপদ(Safe) তবে সেটি প্রসব বেদনা শুরু হওয়ার আগে পর্যন্ত, আরেই ক্ষেত্রে খেয়াল রাখতে হবে যে, শিশুটির উপর যেন কোন ভাবে চাপ না পড়ে। অর্থাৎ পেটের উপর চাপ দিয়ে কোনভাবেই যৌন(Sexual) মিলন করা যাবে না।এছাড়া অন্য যে কোন ভাবেই সহবাস করা যেতে পারে, বেশ কিছুদিন পর্যন্ত। কিছু নিয়ম কানুন অনুসরণ করলে কোনো প্রকার বিপত্তির সম্ভাবনা থাকে না। সহবাসের সময় স্বাভাবিক নড়াচড়া গর্ভে থাকা শিশুর কোন ক্ষতি করে না।

    কারণ শিশুটি তলপেট এবং জরায়ুর শক্ত পেশী দিয়ে সুরক্ষিত থাকে। এছাড়া জরায়ুর মুখ মিউকাস প্লাগ দ্বারা সীল করা থাকে যা শিশুকে ইনফেকশনের(Infection)হাত থেকে রক্ষা করে। তাই শিশুটির কোনপ্রকার ক্ষতির সম্ভাবনাই থাকে না।তবে ডাক্তাররা জানাচ্ছেন যে, গর্ভাবস্থায় সহবাস(Intercourse) কিছু ক্ষেত্রে নিরাপদ নাও হতে পারে। তাদের মতে, যদি গর্ভধারণে কোন ধরনের জটিলতা থাকে এবং সেটি পরীক্ষায় ধরা পড়ে, বা আগের কোনবারের গর্ভধারণে কোন জটিলতার শিকার হয়ে থাকেন, তাহলে সহবাস করা একদমই উচিত নয়। ডাক্তার ও বিজ্ঞানীদের মতো কিছু কিছু ক্ষেত্রে সহবাস করা উচিত নয়। সেগুলো কি কি? আসুন দেখে নিই।
    ১। যমজ সন্তানঃ যদি যমজ(Twins) সন্তানের জন্ম হয়, তাহলে সহবাস করা উচিত নয়।

    ২। গর্ভপাতঃ যদি আগে গর্ভপাত(Abortion) করান বা এবারেও গর্ভপাত করানোর পরিকল্পনা থাকে, তাহলে গর্ভাবস্থায় সহবাস করা উচিত নয়।

    ৩। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্সঃ যদি সারভিকাল ইনকম্পিটেন্সি বা ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স থাকে সেক্ষেত্রে সহবাস(Intercourse) করা উচিত নয়। ইনকম্পিটেন্ট সারভিক্স বলতে বোঝায় যখন জরায়ু মুখ স্বাভাবিক সময়ের অনেক আগেই খুলে যায়।

    ৪। সংক্রামক ব্যাধিঃ আপনার কিংবা আপনার স্বামীর কোন প্রকার সংক্রামক ব্যাধি থাকলে গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলন থেকে বিরত থাকুন।

    ৫। প্রি-টার্ম বার্থ বা প্রি-টার্ম লেবারঃ যদি আগে প্রি-ম্যাচিউর শিশুর জন্ম দিয়ে থাকেন বা এবারের গর্ভধারণের প্রি-টার্ম লেবারের সম্ভাবনা থাকে তবে সহবাস থেকে বিরত থাকা উচিত।

    এছাড়া গর্ভাবস্থায় শারিরীক মিলনের সময় যদি দেখেন যোনিপথ(Vagina) থেকে কোন তরল নির্গত হচ্ছে অস্বাভাবিক ভাবে, বা আপনি খুবই ব্যথা পাচ্ছেন বা কোন ব্যথা অনুভব করছেন, তাহলে যত তাড়াতাড়ি পারুন ডাক্তারের পরামর্শ নিন। ডাক্তারের কথা মতো চলুন।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

    ট্যাগ