Category: বিনোদন

বিনোদন

  • বিয়ের রাতের পর থেকেই প্রতিদিন ৬ বারের পরও আবার চাইতো

    বিয়ের রাতের পর থেকেই প্রতিদিন ৬ বারের পরও আবার চাইতো

    যৌনতা আসক্তিকে একটি রোগ হিসাবে তালিকাভুক্তি এবং চিকিৎসার জন্য দাবি তুলেছে দাতব্য প্রতিষ্ঠান রিলেট। যুক্তরাজ্যের জাতীয় চিকিৎসা সেবার মধ্যে সেটিকে অন্তর্ভুক্ত করার দাবি করছে প্রতিষ্ঠানটি।

    রিলেট নামের দাতব্য সংস্থাটি বলছে, আর দশটা আসক্তির মতো যৌন আসক্তিও একটি রোগ। ২০১৯ সাল নাগাদ এটিকে একটি রোগ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। রিলেটের তথ্য মতে, যৌন আসক্তির কারণে অনেক সংসারে ভাঙন ধরার মতো ঘটনাও ঘটছে। এবং এই আসক্তি মাদকের চেয়ে কোন অংশে কম নয়।

    যৌনতায় আসক্ত এমন একজন রোগী হলেন তিন সন্তানের জননী রেবেকা বার্কার। তিনি বলছেন, এটা ছিল অসহ্য একটি ব্যাপার। দিনে পাঁচবার যৌনমিলন করার পরেও তা আমার জন্য যথেষ্ট ছিল না। তিনি তার সঙ্গীকে বারবার মিলিত হতে বলতেন।

    ”ঘুম থেকে ওঠার পরে প্রথমে এটার চিন্তাই আমার মাথায় আসত। চেষ্টা করেও আমি মাথা থেকে সরাতে পারতাম না। বলছেন ৩৭ বছরের নর্থ ইয়র্কশায়ারের এই বাসিন্দা।”

    ”সবকিছুর সঙ্গে যেন আমি এর মিল খুঁজে পেতাম। আমি মনে করি, এটা আমার বিষণ্ণতা আর সেরোটোনিনের অভাবের সঙ্গে জড়িত ছিল। আমার শরীর যেন এটা চাইত। যৌনমিলনের পর আমি খানিকটা স্বস্তি পেতাম। কিন্তু পাঁচ মিনিট পরেই আবার আমার চাহিদা তৈরি হতো।”

    ”আমার ঘরের ভেতর থাকতেই ভালো লাগতো। কারণ সারাক্ষণ আমার মাথার মধ্যে এটাই ঘুরত বলে বাইরে মানুষজনের মধ্যে যেতেও লজ্জা লাগত।”

    বার্কারের এই সমস্যা তার সম্পর্কের জন্য ক্ষতিকর হয়ে ওঠে। প্রথমে তার সঙ্গী বিষয়টি উপভোগ করলেও, পরে তা দুজনের মধ্যে জটিলতা তৈরি করে।

    স্বামী প্রসঙ্গে বার্কার বলেন, প্রথম দিকে সে ভালোই ছিল, কিন্তু পরে আর বুঝতে চাইত না। এক পর্যায়ে সে আমার বিরুদ্ধে অন্য সম্পর্ক করার অভিযোগও আনে।

    ২০১৪ সালের নভেম্বরে তিনি কিছুদিনের জন্য তার মার কাছে আলাদা থাকতে যান। এরপরই তাদের সম্পর্ক ভেঙে যায়। সে সময় তিনি মানসিক চিকিৎসকের কাছেও যান। তিনি বারবার ওষুধ পাল্টে দিচ্ছিলেন, কিন্তু তিনি কখনো বলেননি, এটার জন্য কোনো সহায়তা করার গ্রুপ আছে।

    এরপর তিনি বিষণ্ণতা কাটিয়ে ওঠার জন্য চাকরি ও স্থান পরিবর্তন করেন। এখন তিনি ফ্রান্সে বসবাস করেন। বিষণ্ণতা আর যৌন আসক্তি, দুটো থেকেই তিনি কাটিয়ে উঠেছেন।

    এই রোগে আক্রান্ত নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক আরেকজন ব্যক্তি বলছেন, তিনি এতটাই আসক্ত হয়ে গিয়েছিলেন যে, এক পর্যায়ে তিনি স্ত্রীকে প্রতারণা করতে শুরু করেন।

    তিনি বলেছেন, এটা ছিল ভয়াবহ কষ্টকর অভিজ্ঞতা। যখন আপনার মাথায় সব সময়ে এটা কাজ করতে থাকে, তখন সেটা যৌন আনন্দ থাকে না, সেটা সমস্যার কারণ হয়ে দাড়ায়। যা জীবনকে ধ্বংস করে দেয়।

    এটা অনেকটা মদ্যপায়ী হয়ে ওঠার মতো ব্যাপার ছিল। যখন আপনার নেশা উঠবে, তখন এটা করতে হবে। কিন্তু এরপরে চরম অপরাধ বোধ কাজ করে। আমি ভাবি, আর কখনোই এটা করব না। যখন তার স্ত্রী একটি ইমেইল দেখে বিষয়টি ধরে ফেলেন, তারপরে তার এই দ্বিচারণ বন্ধ হয়।

    তিনি যুক্তরাজ্যের সেক্স এডিক্টস অ্যানোনিমাস বা এসএএ নামের একটি প্রতিষ্ঠানের দ্বারস্থ হন। তখন তিনি দেখতে পান, তার মতো আরো অনেকে এই রোগে ভুগছে।

    দি অ্যাসোসিয়েশন ফর দি ট্রিটমেন্ট অফ সেক্স অ্যাডিকশন এন্ড কমপালসিভিটি বলছে, যৌন আসক্তি এখন বাড়তে থাকা একটি সমস্যা। গত কয়েক বছরে রোগীদের সংখ্যা অনেক বেড়েছে, এদের বেশিরভাগই পুরুষ।

    যাদের ৩১ শতাংশ মানুষের বয়স ২৬ থেকে ৩৫ বছর।

    প্রতিষ্ঠানটির কর্মকর্তা পাওলা হল বলছেন, এই রোগীদের জন্য দরকার জাতীয় স্বাস্থ্য সেবার মাধ্যমে বিনামূল্যের চিকিৎসা। কারণ এই রোগীরা ক্ষতির বিষয়টি বুঝতে পারেন। এখন প্রাতিষ্ঠানিকভাবে তাদের সহায়তা দরকার।

    তাদের জন্য এমন ব্যবস্থা থাকা দরকার যে, তারা সরাসরি চিকিৎসকের কাছে গিয়ে এর জন্য চিকিৎসা চাইতে পারবেন। কারণ এটা তাদের ব্যক্তি জীবনে, পারিবারিক জীবনে, আর্থিক আর মানসিকভাবেও ক্ষতির কারণ হয়ে ওঠে।

    তবে এনএইচএস বলছেন, তাদের বিশেষজ্ঞরা এখনো একমত নন যে, কারো পক্ষে যৌন আসক্ত হয়ে ওঠা সম্ভব কিনা। এ ধরণের সমস্যায় সহায়তার জন্য তারা এসএএ অথবা এটিএসএসির কাছেই যাওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে।

    রিলেট নামের দাতব্য সংস্থাটি বলছে, আর দশটা আসক্তির মতো যৌন আসক্তিও একটি রোগ। ২০১৯ সাল নাগাদ এটিকে একটি রোগ হিসাবে অন্তর্ভুক্ত করার কথা ভাবছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। সূত্র: বিবিসি

  • ‘হ”স্ত”মৈ”থুন করে, হ্যাঁ, স্বর্গের বিষয়ে তো জ্ঞান হয়েই গেছে ! শ্বেতা ত্রিপাঠি

    ‘হ”স্ত”মৈ”থুন করে, হ্যাঁ, স্বর্গের বিষয়ে তো জ্ঞান হয়েই গেছে ! শ্বেতা ত্রিপাঠি

    ভিরে দি ওয়েডিং’ ছবিতে স্বরা ভাস্করের স্বমেহন দৃশ্য ও ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ কিয়ারা আদবানির স্বমেহনের দৃশ্য নিয়ে কিছু কম ঝড় ওঠেনি। এবার ওই একই দৃশ্যে কারণে আলোচনায় ওঠে আসছে ‘মির্জাপুর’ নামে আরও একটি ওয়েব সিরিজ। চটকদর গল্পের প্লট, অসাধারণ অভিনেতা, অভিনেত্রী, সাহসী দৃশ্য সবই রয়েছে এই ওয়েব সিরিজে।

    গত ১৬ নভেম্বর থেকে ‘মির্জাপুর’ নামে এই ওয়েব সিরিজটি সম্প্রচারিত হওয়া শুরু হয়। আর এরপরেই আলোচনায় উঠে আসে অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠি। এই ওয়েব সিরিজে গোলু গুপ্তার চরিত্রে দেখা যাবে শ্বেতাকে। ওয়েব সিরিজের দ্বিতীয় পর্বে হস্তমেহন দৃশ্যের মাধ্যমেই দর্শকদের সঙ্গে আলাপ হয় গোলু গুপ্তার (শ্বেতা ত্রিপাঠি) চরিত্রটি। ওই দৃশ্যে দেখা যায়, গোলু গুপ্তাকে ( শ্বেতা ত্রিপাঠিকে) গ্রন্থাগারের কোণে বসে পর্নোগ্রাফির বই পড়তে পড়তে হস্তমৈথুন করতে দেখা যায়। আর এরপরেই গোলুর (শ্বেতা ত্রিপাঠি) দিদি সুইটি (শ্রিয়া পিলগাঁওকর) তাঁকে খুঁজতে খুঁজতে তাঁকে গ্রন্থাগারে পায়। দেখে সে কোণে বসে বই পড়ছে, আর ঘেমে চান করে গেছে। এরপর যখন তাঁর দিদি সুইটি (শ্রিয়া পিলগাঁওকর) তাঁকে জিজ্ঞাসা করে, সারা বিশ্বের সমস্ত বিষয়ে তাঁর জ্ঞান হয়েছে কিনা? উত্তরে গোলু গুপ্তা (শ্বেতা ত্রিপাঠি) বলে ”হ্যাঁ, স্বর্গের বিষয়ে তো জ্ঞান হয়েই গেছে।”

    এই শ্বেতা ত্রিপাঠির অভিনয় করা এই দৃশ্যই আলোচনায় উঠে এসেছে। একই ভাবে ‘ভিরে দি ওয়েডিং’-এ স্বরা ভাস্করের হস্তমৈথুন দৃশ্য ও ‘লাস্ট স্টোরিজ’-এ কিয়ারা আদবানির অভিনয় করা স্বমেহন দৃশ্য নিয়ে কিছু কম বিতর্ক হয়নি। তবে এধরনের সাহসি দৃশ্যে অভিনয় নিয়ে অভিনেত্রী শ্বেতা ত্রিপাঠি বলেন, ”পুরুষদের মতো মহিলাদেরও একটা যৌন চাহিদা আছে। আর এটা খুব স্বাভাবিক। এর মধ্যে খারাপ কিছু নেই। আমাকে যখন চিত্রনাট্য টা পড়তে দেওয়া হয়েছিল, তখনই ওয়েব সিরিজের চিত্রনাট্য সম্পর্কে ধারনা হয়ে যায়। এই চরিত্রে অভিনয় করা নিয়ে তখন আমি আর দ্বিতীয়বার না ভেবেই রাজি হয়ে যাই। আমার এক্কেবারেই মনে হয়নি এটা সাহসি দৃশ্য।এটা খু সাধারণ একটা বিষয়, প্রতিদিনের চা-কফি খাওয়ার মতো। আর আমি বুঝতে পারছি না এই দৃশ্যটা নিয়ে এতো আলোচনার কী আছে? আমার কাছে যখন এটা ভীষণই স্বাভাবিক বিষয় তাহলে অন্যদের কাছে কেন নয়? ”

    শ্বেতা এই দৃশ্য নিয়ে আরও বলেন, ” পুরুষরা এই ধরনের কাজ করেন তো সাহসি হয়ে যায়, আর মহিলারা করলেই সভ্যতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠে, কিন্তু কেন? কামসূত্র আমাদের দেশের সংস্কৃতিরই অঙ্গ। আমাদের এটা নিয়ে গর্ব করা উচিত। ”

    তবে এই প্রথম নয়, এর আগে ‘হারমখোর’ ছবিতেও নওয়াজউদ্দি সিদ্দিকির সঙ্গে ঘনিষ্ঠ দৃশ্যে অভিনয় করেন শ্বেতা ত্রিপাঠি। প্রসঙ্গত, শ্বেতা ত্রিপাঠি ছাড়াও পঙ্কজ ত্রিপাঠী, বিক্রান্ত মেশি, হার্সাত গৌর, অমিত সিয়াল ও ‘মান্টো’ খ্যাত রাশিকা দুগ্গাল এবং আলি ফজলের মতো অভিনেতা অভিনেত্রীরা এই ওয়েব সিরিজে অভিনয় করেছেন। সাহসি দৃশ্য ছাড়াও একাধিক খুন-খারাবির দৃশ্য রয়েছে এই ওয়েব সিরিজটিতে।

  • হাত দিতেই ভিজে গেল মিথিলার, করলেন মাথা নত, রইল লিংকসহ

    হাত দিতেই ভিজে গেল মিথিলার, করলেন মাথা নত, রইল লিংকসহ

    রাফিয়াত রশিদ মিথিলা। দেশের গণ্ডি পেরিয়ে প্রতিবেশী দেশ ভারতেও ছড়িয়েছেন অভিনয়ের দ্যুতি। শোবিজের বাইরেও তার একাডেমিক ক্যারিয়ার নিয়ে রয়েছে বেশ সুপরিচিতি। এছাড়াও লেখালেখিসহ বিভিন্ন উন্নয়নমূলক কর্মকাণ্ডে সক্রিয় তিনি।সাম্প্রতিক সময়ে বেশ খারাপ সময়ের মধ্যেই কাটাচ্ছেন মিথিলা। সামাজিক মাধ্যমে তার প্রোফাইল ঘাঁটলেই বুঝতে বাকি থাকবে না যে এই মুহূর্তে এক শোকাবহ পরিস্থিতির মাঝে কাটাচ্ছেন অভিনেত্রী।

    তার ফেসবুক প্রোফাইলে দেখা যায়, মূল ছবির বদলে কালো পর্দা! একের পর এক শোকসন্তপ্ত পোস্ট; ক্যাপশনের কথাগুলো যেন অভিনেত্রীর শোকে ভেঙে পড়ার প্রতিফলন।

    এই মুহূর্তে কলকাতার সৃজিতের ঘর ছেড়ে মেয়েকে নিয়ে ঢাকায় বাবার বাড়িতে সময় কাটাচ্ছেন মিথিলা। এরই মধ্যে অভিনেত্রী তার বিষাদে ভরা মনে কিছুটা শক্তি সঞ্চার করতে মেয়ের সঙ্গে কবিতা পাঠ করতে বসলেন। এক ফেসবুক স্ট্যাটাসে তা শেয়ার করে লেখেন, স্কুলগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ। আব্বু সকাল সকাল আমার মেয়েকে বাংলা পড়াতে বসলো। বাংলা পাঠ্যবই ‘আমার বই’ এর প্রথম কবিতাটাই হলো কাজী নজরুল ইসলাম এর ‘সংকল্প’ কবিতা। সেই ছোটবেলা থেকেই কবিতাটা আমার মুখস্থ। তাই আমিও যোগ দিলাম কবিতাপাঠে।

    এরপর কবিতার অংশ তুলে ধরে তিনি লিখলেন,

    থাকবো নাকো বদ্ধ ঘরে
    দেখবো এবার জগৎ টারে
    কেমন করে ঘুরছে মানুষ
    যুগান্তরের ঘূর্ণিপাকে
    দেশ হতে দেশ দেশান্তরে
    ছুটছে তারা কেমন করে।
    কিসের নেশায় কেমন করে
    মরছে যে বীর লাখে লাখে
    কিসের আশায় করছে তারা
    বরণ মরন যন্ত্রণাকে।
    এরপর থামলাম। আবার এই চার লাইন পড়লাম।

    কিসের নেশায় কেমন করে
    মরছে যে বীর লাখে লাখে
    কিসের আশায় করছে তারা
    বরণ মরন যন্ত্রণাকে।
    সব শেষে তিনি লিখলেন, চোখ ভিজে এলো। মাথা নত হলো।

  • আবাসিক হোটেলে ৩ জনকে বিদেশি স্টাইলে করতেন তিনি

    আবাসিক হোটেলে ৩ জনকে বিদেশি স্টাইলে করতেন তিনি

    আবাসিক হোটেলে উঠে ভুলেও যেসব কাজ করবেন না

    কাজের জন্য তথবা কোথাও ঘুরতে গেলে রাত যাপনের জন্য আবাসিক হোটেল ছাড়া আর কোনো উপায় নেই। এসব হোটেলগুলো কমদামি বা বেশি দামি হয়ে থাকে। তবে সব হোটেলেই কিছু নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম রয়েছে।

    দেখা যায় সেই নিয়মগুলো ঠিকভাবে না বোঝার কারণে এমন কিছু ভুল করে বসেন, যার মাশুল গুনতে হয় বিশাল পরিমাণের। হোটেলে অবস্থানের ক্ষেত্রে এই ভুলগুলো যেন কখনোই না হয়, সে ব্যাপারে খেয়াল রাখা উচিত। চলুন তবে জেনে নেয়া যাক কোন ভুলগুলো সম্পর্কে আমাদের সতর্ক থাকা জরুরি-

    চট করে দরজা খুলবেন না : দরজায় কড়া নাড়া হলো আর কিছু না বুঝেই বললেন, ‘কাম ইন।’ এই বিশাল ভুলটি কখনোই করতে যাবেন না। হোটেল কিন্তু দিন শেষে কখনোই তেমন নিরাপদ জায়গা নয়। সুতরাং পরিচয় জেনে তার পরে দরজা খুলুন। মনে রাখবেন, অচেনা জায়গায় অচেনা কেউ তো আপনার সঙ্গে দেখা করার কথা নয়। কাজেই সাবধান। আর সব সময় দরজা লাগিয়ে রাখতে ভুলবেন না।

    হোটেলের মিনিবারের পানীয় নয় : কোমল কিংবা কঠিন, যেমন পানীয়ই খান না কেন, সেটি হোটেলের মিনিবার থেকে খেতে যাবেন না। কারণ, সাধারণত হোটেলের মিনিবারগুলোতে পাঁচ টাকার খাবারের দাম অন্তত ৫০ টাকা রাখা হয়! শেষে দেখবেন, আপনার রুম ভাড়ার চেয়ে মিনিবারের বিলই গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ-তিন গুণ!

    ছারপোকায় সাবধান : যত বিলাসবহুল কক্ষই হোক আর সুসসজ্জিত বিছানা হোক, ছারপোকা ঠিকই জানে কীভাবে নিজের জায়গা করে নিতে হয়। কাজেই এ ব্যাপারে ভালোমতো তল্লাশি চালান, ছারপোকার সামান্য আনাগোনা দেখলেই সবকিছু ঠিকঠাক করে দেয়ার জন্য কর্তৃপক্ষকে অবহিত করুন। কারণ, এই ছারপোকা কেবল আপনাকে কামড়াবে তা-ই শুধু নয়, আপনার সঙ্গে সওয়ার হয়ে আপনার বাড়ি পর্যন্ত পৌঁছে যাবে অবলীলায়।

    কলের পানি খাবেন না : এক ব্রিটিশ দম্পতি লস অ্যাঞ্জেলেসে বেড়াতে এসে ট্যাপ বা কল থেকে পানি পান করেন। সেই পানিতে কেমন যেন বিচিত্র স্বাদ, এমন স্বাদের পানি নাকি তারা কখনোই খাননি। পরে অনুসন্ধানে জানা গেল, হোটেলের জলাধারে একটি মৃতদেহ! কার ভাগ্যে কী থাকে, তা তো আর বলা যায় না। সুতরাং ভুলেও কিছু টাকা বাঁচানোর জন্য হোটেলরুমের কলের পানি খাবেন না। ভরসা রাখুন দোকান থেকে কেনা মিনারেল ওয়াটারের বোতলে।

    রিমোট কন্ট্রোল ব্যবহার করবেন না : হোটেলটি সুলভ বা বিলাসবহুল যেমনই হোক না কেন, এতে জীবাণুর উপস্থিতির সম্ভাবনা বেশি। সাম্প্রতিক এক গবেষণায় এ তথ্য জানা গেছে। আর এসব জীবাণুর একটি বড় অংশ থেকে যায় টেলিভিশনের রিমোট কন্ট্রোলে। ঘরদোর যতই ঝেড়ে পরিপাটি করা হোক, রিমোট কিন্তু সেভাবে পরিষ্কার করা হয় না। কাজেই এতে জীবাণু বহাল তবিয়তে রয়ে যায়। সুতরাং সাবধান!

    মূল্যবান জিনিস রুমে রাখবেন না : মূল্যবান জিনিসপত্র অনেকেই হোটেলরুমের গোপনীয় কোনো একটি জায়গায় রেখে দেন। এটি চরম ভুল। হোটেলরুম থেকে চুরি করতে যারা ওস্তাদ, তারা কিন্তু ওই সব ‘গোপন’ জায়গার হদিস আপনার চেয়ে ভালো জানে! সুতরাং একটু পয়সা খরচ করে কর্তৃপক্ষের লকারে নিজের মূল্যবান জিনিস রেখে দিন। নিরাপদ থাকবেন।

    ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন : দরজা লাগিয়ে দিলেই কিন্তু হলো না। যতক্ষণ না ‘ডু নট ডিস্টার্ব’ সাইন বাইরে ঝুলিয়ে দিচ্ছেন, ততক্ষণ যে কেউ এসে উটকোভাবে আপনার ব্যক্তিগত সময়ে বাদ সাধতে পারে। আবার ঘর পরিষ্কারের চিন্তা থাকলে সেটি সরিয়ে ফেলুন। কারণ, ওই সাইন ঝোলানো থাকলে হোটেলের পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাও আপনার ঘরের আশপাশে ঘেঁষবে না।

    রুম নম্বর বলবেন না : যেখানে সেখানে বা চেক-ইনের সময় আপনার হোটেলের রুম নম্বরটি নিজে উচ্চারণ করবেন না। দুষ্কৃতকারীরা এসব তথ্যের জন্যই মুখিয়ে থাকে। এ বিষয়টি যতটা পারেন গোপন রাখুন, নতুন পরিচিত কাউকেই রুম নম্বর জানাতে যাবেন না।