Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মেয়েরা কী করলে ৩০ মিনিট পর ক্লান্ত হয়ে যায়? অনেকেই জানেন

    মেয়েরা কী করলে ৩০ মিনিট পর ক্লান্ত হয়ে যায়? অনেকেই জানেন

    ইন্টারভিউ চলাকালীন এমন অনেক প্রশ্ন জিজ্ঞাসা করা হয় যা শুনে প্রার্থীরা সহজেই ঘাবড়ে যান। আসলে এই ধরনের প্রশ্ন করার উদ্দেশ্য হলো ওই প্রার্থীর উপস্থিত বুদ্ধি কতটা ভালো তা যাচাইয়ের জন্য। এছাড়া কৌতুহলবশত অনেকেই এই ধরনের প্রশ্নগুলি জানার চেষ্টা করেন। যাইহোক এই প্রতিবেদনে তেমনি কিছু প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হয়েছে।

    ১) প্রশ্নঃ কোন প্রাণীটি কখনো জল পান করে না?
    উত্তরঃ ক্যাঙ্গারু ইঁদুর।

    ২) প্রশ্নঃ প্রতিবছর আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিত হয় কবে?
    উত্তরঃ ২১ শে ফেব্রুয়ারি।

    ৩) প্রশ্নঃ কোন প্রাণী আহত হলে মানুষের মতো কাঁদে?
    উত্তরঃ ভাল্লুক।

    ৪) প্রশ্নঃ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে দূরত্ব কত?
    উত্তরঃ কোন দূরত্ব নেই, যেখানে ভারতের সীমানা শেষ সেখানে পাকিস্তানের শুরু।

    ৫) প্রশ্নঃ মানুষের শরীরের সবচেয়ে শক্তিশালী অঙ্গ কোনটি?
    উত্তরঃ জিভ।

    ৬) প্রশ্নঃ একটি পেঁচা তার মাথা কত ডিগ্রি পর্যন্ত ঘোরাতে পারে?
    উত্তরঃ পেঁচা তার মাথা ২৭০ ডিগ্রি পর্যন্ত ঘোরাতে পারে।

    ৭) প্রশ্নঃ বিশ্বের বিপজ্জনক অস্ত্র কোনটি?
    উত্তরঃ নিউক্লিয়ার বোমা।

    ৮) প্রশ্নঃ কি এমন জিনিস যা সবসময় পড়ে যায় কিন্তু কখনো ভাঙে না?
    উত্তর: বৃষ্টির ফোঁটা।

    ৯) প্রশ্নঃ প্রাচীনকালে ভারতকে কি নামে ডাকা হতো?
    উত্তরঃ সোনার পাখি।

    ১০) প্রশ্নঃ কোন ধরনের লোহাতে মরিচা পড়ে না?
    উত্তরঃ ইস্পাত।

    ১১) প্রশ্নঃ ভারতের কোন রাজ্যে বেশি শিক্ষিত লোক বাস করে?
    উত্তরঃ কেরালায়।

    ১২) প্রশ্নঃ ভারতের কোন রাজ্যে সবচেয়ে বেশি মাছ ধরা হয়?
    উত্তরঃ অন্ধ্রপ্রদেশ।

    ১৩) প্রশ্নঃ পুলিশকে বাংলায় কী বলা হয়?
    উত্তর: রাষ্ট্রীয় জনরক্ষক বা নগরপাল বলা হয়।

    ১৪) প্রশ্নঃ মানুষ কোন প্রাণীকে এখনো পর্যন্ত পোষ মানাতে পারেনি?
    উত্তরঃ নেকড়ে বাঘ।

    ১৫) প্রশ্নঃ মেয়েরা কী করলে ৩০ মিনিট পর ক্লান্ত হয়ে যায়?
    উত্তরঃ বাড়ির কাজ (বিভ্রান্ত করার জন্য এমন প্রশ্ন করা হয়)।

  • মেয়েরা কোন জিনিসটা মুখে নিলে ছেলেরা খুশি হয়, অনেকে জানেন না

    মেয়েরা কোন জিনিসটা মুখে নিলে ছেলেরা খুশি হয়, অনেকে জানেন না

    ১) প্রশ্নঃ কোন ভারতীয় রাজ্যের জনসংখ্যার ঘনত্ব সবচেয়ে বেশি?
    উত্তরঃ বিহার রাজ্যের জনঘনত্ব কিলোমিটারে ১১০৬ জন, যা সবচাইতে বেশি।

    ২) প্রশ্নঃ ভারত ও পাকিস্তানের সীমানা নির্ধারণী মানচিত্র তৈরি করেন কে?
    উত্তরঃ ভারত ও পাকিস্তানের মধ্যে সীমানা রেখাটি র‌্যাডক্লিফ লাইন নামে পরিচিত। এটির স্থপতি স্যার সিরিল র‍্যাডক্লিফের নামে নামকরণ করা হয়েছিল।

    ৩) প্রশ্নঃ বিদ্যুতের সর্বোত্তম পরিবাহী কোন ধাতু?
    উত্তরঃ রূপা হল সবচেয়ে বৈদ্যুতিক পরিবাহী ধাতু।

    ৪) প্রশ্নঃ একটি কাটা আপেলের রং কিছু সময় পর বাদামি হয়ে যায় কেন?
    উত্তরঃ এর কারণ এটি বাতাসের সাথে বিক্রিয়া করে আয়রন অক্সাইড গঠন করে।

    ৫) প্রশ্নঃ করোনা মহামারীর পরিপ্রেক্ষিতে কোন ব্যাঙ্ক ‘জরুরী ঋণ’ সুবিধা চালু করেছিল।
    উত্তরঃ স্টেট ব্যাঙ্ক অফ ইন্ডিয়া।

    ৬) প্রশ্নঃ ভারতের কোন দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালিত হয়?
    উত্তরঃ ২৩ শে মার্চ। ভগৎ সিং সুখদেব এবং রাজগুরুর বলিদানকে সম্মান জানিয়ে এই দিনটি শহীদ দিবস হিসেবে পালন করা হয়।

    ৭) প্রশ্নঃ পলাশীর যুদ্ধ কবে ও কাদের মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল?
    উত্তরঃ পলাশীর বিখ্যাত যুদ্ধ ১৭৫৭ সালে বাংলার শেষ স্বাধীন শাসক, নবাব সিরাজ উদ-দৌলা এবং লর্ড ক্লাইভের নেতৃত্বে ব্রিটিশ বাহিনীর মধ্যে সংঘটিত হয়েছিল।

    ৮) প্রশ্নঃ যে গাছপালা শুষ্ক অবস্থায় বেড়ে ওঠে তাকে কি বলা হয়?
    উত্তরঃ জেরোফাইটস।

    ৯) প্রশ্নঃ পঞ্চতন্ত্রের রচয়িতা কে?
    উত্তরঃ বিষ্ণু শর্মা হলেন পঞ্চতন্ত্র গ্রন্থের রচয়িতা, যা মূলত সংস্কৃত ভাষায় রচিত হয়েছিল।

    ১০) প্রশ্নঃ মেয়েরা কোন জিনিসটা মুখে নিলে ছেলেরা খুশি হয়?
    উত্তরঃ মেয়েরা ছেলেদের নাম ধরে ডাকলে ছেলেরা খুব খুশি হয় (বিভ্রান্ত করার জন্য এমন প্রশ্ন করা হয়)।

  • সালিশ শেষে বড় বোনের স্বামীর ঘরে পাঠানো হলো ছোট বোনকে

    সালিশ শেষে বড় বোনের স্বামীর ঘরে পাঠানো হলো ছোট বোনকে

    পারিবারিক সম্মতিতে প্রায় চার মাস আগে ধুমধাম করে বিয়ে হয়েছিল। হঠাৎ করেই পরী (ছদ্মনাম) স্বামীর ঘরে যেতে বেঁকে বসেন। এ নিয়ে সালিস বৈঠক শুরু হয়। সেই বৈঠকে ছেলের পক্ষ বিয়ের ক্ষ’তিপূরণ দাবি করে। মেয়ের পরিবার বিয়ের আয়োজনে ছেলেপক্ষের যে খরচ হয়েছে তা ফেরত দিতে না পারায় বড় বোনের স্বামীর ঘরে ছোট বোনকে পাঠিয়ে দিয়েছেন সালিসদাররা।

    বরিশালের উজিরপুর উপজে’লার হারতা ইউনিয়নের লাথারকান্দি গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে। চলতি বছরের ২৩ মে এ ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটলেও সম্প্রতি বি’ষয়টি জানাজানি হয়। জানাজানির পর এ নিয়ে হারতা ইউনিয়নের লাথারকান্দি গ্রামে এবং স্বরূপকাঠি উপজে’লার বলদিয়া ইউপির ডুবি গ্রামে শোরগোল পড়েছে। দুই পক্ষের ভিডিও এবং অডিও বক্তব্য কালের কণ্ঠের কাছে রক্ষিত আছে।

    এদিকে তথ্য নিতে ছেলের বাড়িতে হাজির হওয়ার পরপরই তার বর্তমান স্ত্রী স’প্তম শ্রেণিপড়ুয়া শিক্ষার্থীকে নাজিরপুর উপজে’লার কলারদোনিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের এমএলএসএস মোজাম্মেলের বাসায় দ্রুত পাঠিয়ে দেওয়া হয়।জানা গেছে, লাথারকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী পরী । তার স’ঙ্গে পার্শ্ববর্তী স্বরূপকাঠি উপজে’লার শাহাদত হোসেন ওরফে উকিলের ছেলে সৈকতের (১৯) বিয়ে হয়। কিছুদিন আগে সৈকতের স্ত্রী পরী তার বাবার বাড়িতে চলে যান।

    এভাবে প্রায় চার মাস আঁখি তার বাবার বাড়িতে অবস্থান করে আসছিলেন। চলতি বছরের ২২ মে সৈকতের বাবা তার ছেলের স্ত্রী পরী আনতে লাথারকান্দি বেয়াইবাড়িতে যান। তার স’ঙ্গে সৈকতের ভ’গ্নিপতি হাচান ছিলেন। আঁখি তাদের স’ঙ্গে স্বামীর বাড়িতে আসতে অ’পারগতা প্রকাশ করেন। এমনকি আর কোনো দিন যাব’েন না বলে শ্বশুরকে জানিয়ে দেন।

    তখন সৈকতের বাবা ছেলের বিয়েতে যে টাকা খরচ হয়েছে, ক্ষ’তিপূরণ হিসেবে তা দাবি করে বসেন। তখন আঁখিদের বাড়িতে ওই রাতেই স্থানীয়দের সমন্বয়ে এ নিয়ে সালিস বৈঠক শুরু হয়। গভীর রাত পর্যন্ত চলে সেই বৈঠক। এ সময় মেয়ের বাবা টাকা দিতে অ’পারগতা প্রকাশ করেন।

    তখন সৈকতের বাবা শাহাদত হোসেন ক্ষ’তিপূরণ হিসেবে আঁখির ছোট বোনকে সৈকতের স’ঙ্গে বিয়ে দেওয়ার প্রস্তাব দেন। তখন উপস্থিত সালিসদাররা এমন প্রস্তাবে রাজি হয়ে যান। তখন আঁখির ছোট বোন ঘরে ঘু’মিয়ে ছিল। পরদিন ২৩ মে সকালে সালিসদারদের সি’দ্ধান্ত অনুসারে ছোট বোনকে স্বরূপকাঠিতে সৈকতের বাড়িতে নিয়ে যাওয়া হয়।

    এ ব্যাপারে কথা হয় লাথারকান্দি গ্রামের মোহা’ম্ম’দ আলী ব্যাপারীবাড়ির সালিসদার রুহুলের স’ঙ্গে। তিনি বলেন, মেয়ের বাবা ও মায়ের কাছে সবার সামনে ছেলের বাবা ও ভ’গ্নিপতি দাবি করেন- টাকা দাও, না হয় মেয়ে দাও। এ ব্যাপারটি আমা’র ভালো না লাগায় আমি ওই বৈঠক থেকে রাত ৯টার দিকে চলে আসি। তারপর শুনেছি, ছোট মেয়েকে ওই বাড়ি থেকে স্বরূপকাঠি নিয়ে গেছেন তারা।

    বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন আরেক সালিসদার হু’মায়ুনের স্ত্রী লুৎফা বেগম। তিনি বলেন, ছেলের বাবা শাহাদত ও বোনজামাই মো. হাচান বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন। তারা সবার উপস্থিতিতে বৈঠকে সৈকতের বিয়েবাবদ খরচ দাবি করেন। একপর্যায়ে তারা বলেন, যদি সৈকতের বিয়েবাবদ খরচ হওয়া টাকা না দেন তাহলে ছোট মেয়েকে সৈকতের বউ হিসেবে দিয়ে দেন।একই কথা বারবারই বলছিলেন সৈকতের বাবা শাহাদত। আমি এমন সি’দ্ধান্তে রাজি ‘হতে না পেরে চলে আসি।

    লুৎফা আরো বলেন, ওখানে একই গ্রামের মোবারেক ডাকুয়া সালিসদার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। আমর’া চলে এলেও পরে জানতে পারি, ওনাদের দাবীকৃত টাকা দিতে না পারায় সোমবার সকালে শাহাদত ও হাচান ক্লাস সেভেনপড়ুয়া ছোট মেয়েকে বউ করে স্বরূপকাঠি নিয়া গেছে।

    সৈকতের বাবা শাহাদত হোসেন মুঠোফোনে বলেন, সবার সামনে চার মাস আগে ছেলের বিয়ে বাবদ খরচ হওয়া টাকা চাই। অথবা ছেলেকে পুনরায় বিয়ে দিয়ে দেওয়ার দাবি করি মেয়ের পরিবারের কাছে। এ সময় মেয়ের বাবা টাকা দিতে অ’পারগ হলে আমর’া ছোট মেয়েকে সৈকতের স’ঙ্গে বিয়ে দেওয়ার দাবি করি। তখন উপস্থিত সালিসদাররা আমা’দের প্রস্তাবে রাজি হন।

    পরদিন সকালে সালিসদারদের সি’দ্ধান্ত অনুসারে ছোট মেয়েকে নিয়ে স্বরূপকাঠি আমা’দের বাড়িতে চলে আসি।সৈকতের মা বলেন, ছেলের বউকে আনতে তার স্বামী শাহাদত হোসেন লাথারকান্দি বেয়াইবাড়িতে যায়। পরের দিন আমা’র স্বামী ও মেয়ে জামাই বউকে নয়, লাথারকান্দি মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের স’প্তম শ্রেণির শিক্ষার্থী বউয়ের ছোট বোনকে সৈকতের বউ হিসেবে নিয়ে আসেন।

    পরীর বাবা-মা বলেন, ছেলের বাবার দাবি অনুসারে টাকা দিতে পারলে ছোট মেয়েকে ওখানে পাঠিয়ে দেওয়ার দরকার ‘হতো না। আমর’া গরিব মানুষ, টাকা দিতে হলে আমা’র ঘর বিক্রি করতে হবে। তাই বসতঘর হারানোর ভয়ে টাকার পরিবর্তে ছোট মেয়েকে সৈকতের বউ হিসেবে পাঠিয়ে দিই।

  • প্রিয়া এবার চোখ দিয়ে না, ব্লাউজ খুলে কাবু করলেন লাখো পুরুষ

    প্রিয়া এবার চোখ দিয়ে না, ব্লাউজ খুলে কাবু করলেন লাখো পুরুষ

    মালায়ালাম ছবির একটি গানের দৃশ্য, যদিও ভাষা অপরিচিত… কিন্তু ভাষার দুর্বোধ‍্যতাকে ছাপিয়ে গিয়েছিল জনপ্রিয়তা। কি ছিল সেই দৃশ‍্যে! কেবল একটা উইঙ্ক। চুল সরিয়ে চোখ মেরেছিলেন এক তরুণী আর সেই চোখের ইশারায় জাদু চালানোর পর থেকেই তিনি হয়ে উঠেছিলেন জাতীয় ক্রাশ।

    বলা হচ্ছে প্রিয়া প্রকাশের কথা, ওই ভিডিওর সূত্র ধরে যিনি রাতারাতি সোশ্যাল মিডিয়ার সেনসেশন হয়ে ওঠেন। দক্ষিণী অভিনেত্রী প্রিয়া প্রকাশ ভ‍্যারিয়ারের সেই ভিডিও ছড়িয়ে যায় ঝড়ের গতিতে। সেসময় ইন্সটা রিল থেকে শুরু করে ফেসবুক স্ট্যাটাস চরম মাতামাতি হয়েছিল তাকে ঘিরে।

    কিন্তু জানেন কি বর্তমানে সে কি করছে! বর্তমানে তার জনপ্রিয়তা কতটা? বহু পুরুষের মনে জায়গা করে নেওয়া সেই তরুণী মাঝেমধ্যেই নিজের ছবি পোস্ট করে দর্শক মনে আজও ঝড় তোলেন। সম্প্রতি তার সেই রকমই একটি ছবি সাড়া ফেলে দিয়েছে সোশ্যাল মিডিয়ায়। নতুন এই ছবিতে নিজের বোল্ডনেসের সীমা পার করেছেন তিনি। সেই হাই স্কুল প্রেমের গল্পের অভিনেত্রী প্রিয়া এখন কেবল কিউট নন বরং সাহসী ও বোল্ড।

    সাম্প্রতিক তার যে ফটোশুট ভাইরাল হয়েছে তাতে বেশ সেক্সিলুকে দেখা মিলেছে তার। এদিন তার পরনে ছিল একটি ডিপ নেক লাল টপ ও পলকা ডট প্যান্ট। ডিপ নেক টপের প্রায় সব বোতামই ছিল খোলা। স্পষ্ট হয়ে উঠেছিল তার ক্লিভেজ লাইন। আর তার এই স্টাইলই লক্ষ লক্ষ ভক্তকে তার দিকে তাকাতে বাধ্য করেছে।

    তার এই আকর্ষণীয় ছবিগুলি তুলেছেন ফটোগ্রাফার ভরত রাওয়াইল। অভিনেত্রী সেই ছবি নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলের শেয়ার করে নিতে তা মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে গেছে। প্রসঙ্গত খুব শীঘ্রই বিষ্ণুপ্রিয়া নামের একটি কন্নড় ছবিতে দেখা যেতে চলেছে অভিনেত্রীকে। ২৫ জুলাই প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পাবে সেই ছবি। এছাড়াও আগামী আরো দুটি ছবিতে দেখা যাবে জনপ্রিয় এই অভিনেত্রীকে।