Category: বিনোদন

বিনোদন

  • মেয়েদের কোন অঙ্গটি প্রতি দুই মাস অন্তর পরিবর্তন হয়

    মেয়েদের কোন অঙ্গটি প্রতি দুই মাস অন্তর পরিবর্তন হয়

    আইএএস পরীক্ষার ইন্টারভিউ সব সময় খবরের শিরোনামে থাকে। বিশেষ করে এই জাতীয় চাকরির ইন্টারভিউতে এমন ভাবে প্রশ্ন ঘুরিয়ে করা হয় যাতে প্রার্থীরাও অনেক সময় বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন। বিগত কয়েক বছরে এমনই কিছু প্রশ্ন করা হয়েছিল। এবার উত্তর সহ দেখে নেওয়া যাক…

    ১) প্রশ্ন: রেলওয়েতে W/L বোর্ডের অর্থ কী?
    উত্তর: রেলওয়ের যেখানে W/L বোর্ড লাগানো থাকে সেখানে ড্রাইভারকে হর্ন বাজাতে হয়।

    ২) প্রশ্ন: মেয়েরা টাকা না নিয়ে যে জিনিসটা দেয় না সেটা কি?
    উত্তর: বিয়ের দিন বরের জুতো। বিশেষ করে কনের বান্ধবী বা বোনেরা এটি করে থাকে।

    ৩) প্রশ্ন: কোন প্রাণী জলে বসবাস করলেও জল পান করে না?
    উত্তর: ব্যাঙ জলে বসবাস করলেও জল পান করে না।

    ৪) প্রশ্ন: কোন প্রাণী জন্মের দুই মাস পর্যন্ত ঘুমায়?
    উত্তর: ভাল্লুক জন্মের পর দুমাস ঘুমিয়ে কাটায়।

    ৫) প্রশ্ন: জিভ দিয়ে নয়, পা দিয়ে সবকিছুর স্বাদ নেয় এমন কোন প্রাণী?
    উত্তর: প্রজাপতি।

    ৬) প্রশ্ন: ভারতের সবচেয়ে ব্যয়বহুল শহর কোনটি?
    উত্তর: মুম্বাই, যাকে ভারতের মূলধনের রাজধানীও বলে।

    ৭) প্রশ্ন: যা সাগরে বাস করে এবং আপনার ঘরে বাস করে, এমন কি সেই জিনিস?
    উত্তর: লবণ।

    ৮) প্রশ্ন: ট্রেনের টিকিটে WL এর অর্থ কি?
    উত্তর: ওয়েটিং লিস্ট বা অপেক্ষার তালিকা।

    ৯) প্রশ্ন: মেয়েরা যে জিনিসটা দেখায় আর ছেলেরা লুকিয়ে রাখে সেটা কি?
    উত্তর: মানিব্যাগ। আসলে মেয়েরা মানিব্যাগ হাতে রাখে আর ছেলেরা পকেটে ভরে।

    ১০) প্রশ্ন: এমন একটি জিনিসের নাম বলো, যার ছায়া নেই?
    উত্তর: রাস্তা।

    ১১) প্রশ্ন: ভারতবর্ষের কোন রাজ্যে একটি রেলস্টেশন নেই?
    উত্তর: সিকিম হলো মাত্র রাজ্য যেটি রেল নেটওয়ার্কের সাথে যুক্ত নয়।

    ১২) প্রশ্ন: মানুষের চোখকে ক্যামেরা হিসেবে দেখলে তার মেগাপিক্সেল কত হবে?
    উত্তর: মানুষের চোখ ৫৭৬ মেগাপিক্সেল।

    ১৩) প্রশ্ন: বিশ্বের কোন প্রাণীটি লাফাতে অক্ষম?
    উত্তর: হাতি কখন লাফাতে পারে না, তার শরীরের ওজনের কারণে।

    ১৪) প্রশ্ন: সমুদ্রের গভীরতা মাপার যন্ত্রের নাম কি?
    উত্তর: ফ্যাদোমিটার।

    ১৫) প্রশ্ন: মহিলাদের কোন অঙ্গটি প্রতি দুই মাস অন্তর পরিবর্তন হয়?
    উত্তর: এর উত্তর হলো ভ্রু

  • মি’লনে সর্বোচ্চ আনন্দ পেতে ট্রাই করুন এই ৯টি পজিশন

    মি’লনে সর্বোচ্চ আনন্দ পেতে ট্রাই করুন এই ৯টি পজিশন

    আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজ আপনাদের মাঝে অরেকটি আর্টিকেল নিয়ে হাজির হলাম। আজ আপনাদের জানাবো ৯টি পজিশন সম্পর্কে যা মিলনে সর্বোচ্চ আনন্দ প্রদান করবে। ক্যালোরি(Calorie) ঝরিয়ে সুস্থ থাকতে কে না চায়? অতিরিক্ত ক্যালোরি ঝরিয়ে ফেলতে পারলে পুরুষরা যেমন সুঠাম পুরুষালী দেহের অধিকারী হতে পারেন, তেমনই মহিলারাও পেতে পারেন কমনীয়, আকর্ষণীয় শরীর।

    কিন্তু দৈনিক কাজের চাপে বর্তমানে পুরুষ বা মহিলারা আলাদা করে ব্যায়াম(Exercise) করার সময় পান না প্রায়শই। কিন্তু খবর রাখেন কি, শুধু ব্যায়াম নয়, সঙ্গী বা সঙ্গিনীর সঙ্গে উদ্দাম যৌ’নজীবনও যথেষ্ট ক্যালোরি ঝরাতে পারেন। কিন্তু জানেন কি, ক্যালোরি(Calorie) ঝরাতে কোন পজিশন কতটা উপকারী? পড়ুন এই বিশেষ প্রতিবেদনটি-

    ১. মিশনারি পজিশন: দম্পতিদের মধ্যে অত্যন্ত জনপ্রিয় এই পজিশনে মহিলাদের উপর পুরুষরা শায়িত হন। অন্তত পাঁচরকমভাবে এই পজিশন(Position) ট্রাই করা যায়। এই ভঙ্গিমায় মিলিত হলে পুরুষদের ১২০ ক্যালোরি ও মহিলাদের ৪০ ক্যালোরি ‘বার্ন’ হয়।

    ২. ডগি স্টাইল: এই স্টাইলে মিলিত হলে পুরুষদের ১২০ ক্যালোরি(Calorie) ও মহিলাদের ৮০ ক্যালোরি ঝরে।

    ৩. লেগস ইন দ্য এয়ার: এই ভঙ্গিমায় অন্তত ৮৫ ক্যালোরি ঝরাতে পারেন মহিলারা, পুরুষদের ঝরে ১৩০ ক্যালোরি।

    ৪. কাউগার্ল: কাউগার্ল পজিশনে(Position) মহিলাদের বেশি ক্যালরি ঝরে, প্রায় ২২০ ক্যালোরি। সেক্ষেত্রে পুরুষদের ঝরে মাত্র ৪০ ক্যালোরি।

    ৫. রিভার্স কাউগার্ল: এই পদ্ধতিতে মহিলাদের ঝরে ১০০ ক্যালোরি(Calorie), পুরুষদের ৪০ ক্যালোরি।

    ৬. স্পুনিং: এই পজিশনে(Position) পুরুষদের ঝরে ১১০ ক্যালোরি। মহিলাদের একটু কম, ৭০ ক্যালোরি। ৭. ওরাল: এক্ষেত্রে পুরুষ ও মহিলা- দু’জনেরই ৬০-৭০ ক্যালোরি করে কমে।

    ৮. লোটাস: এই পজিশনে মহিলাদের পরিশ্রম তুলনামূলকভাবে বেশি হয়। তাই তাঁদের ক্যালোরিও একটু বেশিই ঝরে। তুলনায় পুরুষদের ঝরে ৪০ ক্যালোরি(Calorie)।

    ৯. স্ট্যান্ডিং: দাঁড়িয়ে মিলিত হলে পুরুষদের প্রচুর ক্যালোরি ঝরে, প্রায় ৫০০। তুলনায় মহিলাদের ঝরে মাত্র ১০০-১৫০ ক্যালোরি।

    সুস্থ থাকুন, নিজেকে এবং পরিবারকে ভালোবাসুন। আরো স্বাস্থ্য বিষয়ক টিপস এবং পরামর্শ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন। আমাদের লেখা আপনার কেমন লাগছে ও আপনার যদি কোনো প্রশ্ন থাকে তবে নিচে কমেন্ট করে জানান। আপনার বন্ধুদের কাছে পোস্টটি পৌঁছে দিতে দয়া করে শেয়ার করুন। পুরো পোস্টটি পড়ার জন্য আপনাকে অনেক ধন্যবাদ।

  • কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    কোন ভি’টামিনে ছেলেদের লি’ ঙ্গ মোটা তাজা ও বড় হয়, জেনে নিন

    যুগ যুগ ধরে লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করার চেষ্টা করে আসছে মানুষ, কিন্তু লিঙ্গের আকার পরিবর্তনে তেমন কোন ফলাফল পাওয়া যায়, বলে জানা যায় না। তবে কিছু নিয়ম মেনে চললে অবশ্যই লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করা সম্ভব। সারা বিশ্বে হাজার হাজার পুরুষ লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যাতে ভোগেন, কিন্তু এটা কোন জটিল কোন সমস্যা বা রোগ নয়। আপনি কিছু নিয়ম মেনে চলুন, আপনা-আপনি আপনার লিঙ্গ মোটা হতে বাধ্য। মুলত লিঙ্গ মোটা বা বড় হওয়া নির্ভর করে রক্তের চাপের উপর। আপনি ভেবে দেখুন, আপনার লিঙ্গের বিভিন্ন সমস্যা আপনি নিজেই সৃষ্টি করেছেন। তা হলো হস্তমৈথুন। এই হস্তমৈথুনের ফলে আপনার লিঙ্গের স্বাভাবিক রক্ত চাপ আর নেই। কতগুলো পদ্ধতি বলছিলিঙ্গ শক্ত রাখার প্রাকৃতিক উপায় : যা করলে লিঙ্গ শক্ত হবে

    প্রথম ধাপঃ

    প্রথমে আপনি মন স্থির করুন যে আপনার পেনিস বা লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে হবে। আপনি প্রতিদিন কিছু নিয়ম করে ব্যায়াম করুন। এতে আপনার শরীরে রক্তচাপ বেড়ে যাবে। প্রোটিন যুক্ত খাবার খান, সেই সাথে সেক্স নিয়ে গবেষনা বা চিন্তা করা বাদ দিন। অযথা লিঙ্গ শক্ত করাতে যাবেন না এতে অনেকের বীর্যপাত হয়ে যাবে।

    ২য় ধাপঃ

    সম্পূর্ণ ভাবে হস্তমৈথুন ছেড়ে দিন কারন হস্তমৈথুন করলে আপনার লিঙ্গের মাথা মোটা ও গোড়া চিকন হয়ে যাবে। ফলে আপনার লিঙ্গ স্বাভাবিক অবস্থাতে থাকবে না। আপনার লিঙ্গ লাঠি বা লোহার মত শক্ত হতে পারবে না। বিষয়টি একটু ভালো করে লক্ষ্য করুন- আপনি যখন হস্তমৈথুন করেন তখন আপনার হাতের সম্পূর্ণ শক্তি আপনার লিঙ্গের উপরে পরে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষ সমূহ রক্ত চলাচল করতে বাধাগ্রস্থ হয়। আর এই কারনে সেই কোষ গুলো স্বাভাবিক শক্তি হারিয়ে ফেলে। এবং আপনার হাতের স্পর্শটা বেশি পড়ে আপনার পেনিসের মাথার দিকে যার ফলে শিরশির একটা ভাব অনুভুত হয়, এতে আপনার বীর্যপাত হয় কিন্তু আপনার পেনিসের গোড়ার দিকে কোন স্পর্শ পড়ে না বললেই চলে। ফলে গোড়ার দিকের কোষে কোন পান্স হয় না যার ফলে আপনার লিঙ্গ ডান দিকে বা বাম দিকে বেঁকে যায়। তাই অযথা হস্তমৈথুন করা বাদ দিন, আপনার হাত আর আপনার সঙ্গীনীর যোনি এক জিনিস নয়, আকাশ আর পাতাল তফাত্‍। তবে হ্যা, মাসে একবার হস্তমৈথুন তেমন কোন প্রভাব ফেলে না লিঙ্গের উপরে। আপনি চাইলে প্রতি মাসে একবার করতে পারেন।৩য় ধাপঃ

    প্রথমে আপনার লিঙ্গের গোড়ার দিকে আঙ্গুল দিয়ে ধরুন এরপর ঝাঁকাতে শুরু করুন। আস্তে আস্তে ঝাঁকানোর গতি বৃদ্ধি করুন। লক্ষ্য করুন আপনার লিঙ্গ ষাঁড়ের মত দাড়িয়ে গেছে। এখানে একটা বিষয় খুবই গুরুত্বপূর্ণ, আপনার প্রচুর প্ররিমানে বীর্যপাত করতে ইচ্ছা জাগবে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করবেন না। অনেকেই ভাবে, ‘যা হয় হবে আগে বীর্যপাত কররি’ এতে আপনার বিশাল ক্ষতি। আপনি আসছিলেন লিঙ্গ বড়, শক্ত ও মোটা করতে কিন্তু আপনি বীর্যপাত করে সবশেষ করে দিলেন। এমন টা করলে আপনার কোন উপকার হবে না। সাময়িক কষ্ট করুন আপনি ভালো ফল পাবেন। আপনি প্রতিদিন ২৫০ থেকে ৩০০ বার লিঙ্গ ঝাঁকাতে থাকুন। এতে আপনার লিঙ্গে প্রচুর রক্তচাপ বাড়বে যার ফলে আপনার লিঙ্গের কোষগুলো স্বাভাবিক থাকবে।

    ৪র্থ ধাপঃ

    আপনি মুদি দোকান থেকে একটি সতেজ ও রসালো পান পাতা কিনে আনুন। এর পরে একটি দেশী পাঁকা কলা খোঁসা ছাড়িয়ে ভর্তা করুন এবং পান পাতার যে কোন পিঠে লাগিয়ে দিন। বেশি পরিমানে লাগাবেন না, এখন আপনার লিঙ্গ হাত ঝাঁকানো শুরু করুন। আপনার লিঙ্গ দাড়িয়ে গেলে খুব ভালো ভাবে কলা লাগানো পান পাতা লিঙ্গের সাথে জড়িয়ে দিন। ২০ থেকে ৩০ মিনিট পরে লিঙ্গ থেকে ছাঁড়িয়ে ফেলুন। এবং লিঙ্গটি টিস্যু দিয়ে মুছে ফেলুন কিন্তু ধুবেন না। আপনার লিঙ্গের ত্বক একটু জড়িয়ে যাবে। এখন একটু লিঙ্গটাকে ভালো ভাবে ঝাঁকানো শুরু করুন, এক মিনিট করে থামুন। বীর্যপাত কোন ভাবেই যেন না হয়, বীর্যপাত করলে সবশেষ

  • হাতের তালুতে ‘M’ তাহলে তো আপনি ভাগ্যবান!

    হাতের তালুতে ‘M’ তাহলে তো আপনি ভাগ্যবান!

    মুখের রেখা বয়সের পরিচয় দেয়। আর হাতের রেখা? কি, ভাবছেন তো কেমন প্রশ্ন? ভবিষ্যৎ ঠিক কেমন যাবে, তার আগাম ইঙ্গিত পেতে জ্যোতিষীদের দিয়ে হাত দেখানোর শখ তো আছে অনেকেরই। মন দিয়ে বিশেষজ্ঞদের কথা শুনে বোঝার চেষ্টা করেন আগামী দিনে শুভ-অশুভের আভাস। বিপদের কোনো গন্ধ পেলে তা মোকাবিলার জন্যও সেই বিশেষজ্ঞদেরই পরামর্শ মেনে চলার চেষ্টা করেন কেউ কেউ। এই তো নতুন কথা নয়। কিন্তু হাতের তালুর রেখা বিশ্লেষণ করা হয় কীসের ভিত্তিতে জানেন? তালুর ভেতরের রেখায় কোন বর্ণ লুকিয়ে রয়েছে, তা বুঝে কিছুটা ভবিষ্যৎ নির্ধারণ করা যায়।

    কোনো ব্যক্তির জন্মের মাস, জন্মদিন যেমন তার সম্পর্কে অনেক কিছু বলতে পারে, ঠিক তেমনই হাতের রেখাও আপনার অতীত এবং ভবিষ্যতের কথা বলে দেয়। হস্তরেখা জ্যোতিষের সাহায্যে, হাতের তালুতে থাকা অসংখ্য রেখা ও চিহ্নগুলো থেকে যেকোনো ব্যক্তির আচরণ এবং ভবিষ্যৎ সম্পর্কে অনেক তথ্য পাওয়া যায়। অর্থাৎ আপনি মানুষটা কেমন, তা আপনার হাতই বলে দেবে। কখনো কি খেয়াল করেছেন আপনার হাতের তালুতে থাকা অসংখ্য রেখার মধ্যে ইংরেজি ‘M’ বর্ণের মতো দেখতে রেখাটি আছে কি না? জ্যোতিষীদের মতে, হাতের তালুতে যদি এই চিহ্ন থেকে থাকে, তাহলে সেই ব্যক্তি বেশ ভাগ্যবান হন। খুব কম মানুষের হাতেই এই চিহ্ন দেখা যায়।

    পুরুষদের হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে-

    ১. জ্যোতিষশাস্ত্র মতে, যদি কোনো পুরুষের হাতে ‘M’ চিহ্ন থাকে, তাহলে তিনি অত্যন্ত প্রতিশ্রুতিমান এবং অত্যন্ত অনুভূতিপ্রবণ হন।

    ২. এই ব্যক্তিরা জীবনে অনেক সম্মান, সাফল্য ও খ্যাতি অর্জন করেন।

    ৩. এই ব্যক্তিরা কখনোই কাউকে প্রতারিত করেন না, তাই তাদের চোখ বন্ধ করে ভরসা করা যায়।

    ৪. যেকোনো উদ্যোগেই সাফল্য অর্জন হয় এবং পার্টনারশিপ ব্যবসায়ও অসাধারণ সফলতা আসে। ধনী ও প্রভাবশালী ব্যক্তি হিসেবে সমাজে নিজের জায়গা করে নেন।

    ৫. জীবনসঙ্গীর সঙ্গে সম্পর্ক খুব ভালো হয়। একে অন্যের মধ্যে ভালোবাসা ও বিশ্বাস থাকে। যেকোনো পরিস্থিতিতে একে অন্যের পাশে থাকে, সাপোর্ট করে।

    মহিলাদের হাতে যদি ‘M’ চিহ্ন থাকে-

    ১. কোনো মহিলার হাতে এই চিহ্ন থাকলে, তিনি পুরুষের থেকেও অনেক বেশি ক্ষমতাশালী ও ভাগ্যবান হন।

    ২. এই মহিলা বা নারীরা অত্যন্ত বুদ্ধিমান, মেধাবী ও চালাক হন, পাশাপাশি এরা যেকোনো কাজে পারদর্শী হন।

    ৩. প্রেমিক-প্রেমিকা উভয়ের হাতেই এই চিহ্ন থাকলে তারা রাজযোটক বা পারফেক্ট কাপল হন, কিন্তু সাফল্যের দিক থেকে এগিয়ে থাকে মেয়েটিই।

    ৪. সন্তান লালন-পালনের ক্ষেত্রেও এরা এগিয়ে থাকেন, একজন আদর্শ মা হতে পারেন।

    এ ছাড়া

    ১. হাতের তালুতে ‘M’ চিহ্ন থাকা ছেলেমেয়ে উভয়েই যেকোনো পরিস্থিতিতে মানাতে পারেন, কোনো সমস্যা হয় না।

    ২. এই ব্যক্তিরা বেশ রহস্যজনক হন, তাই এদের বোঝা অতটাও সহজ নয়।

    ৩. সবদিক দিয়েই পারদর্শী হন। যেকোনো বিষয় খুব কম সময়েই ক্যাচ করতে পারে।

    ৪. বিবাহিত জীবন সুখের হয়।

    ৫. যাদের হাতে ‘M’ চিহ্ন থাকে, তাদের জীবনে অর্থপ্রাপ্তি হয়।

    কিন্তু এসবই জ্যোতিষীদের ব্যাখ্যা। বাস্তবে কি তেমনই হয়? কার হাতের তালুতে লুকিয়ে রয়েছে ‘M’, তাও কি খুঁজে পাওয়া সহজ ব্যাপার? কারো আবার জ্যোতিষে বিশ্বাস নেই। কাজেই হাতের রেখায় ল ‘M’ লুকিয়ে থাকলেই যে তার ভবিষ্যৎ এত সুন্দর হবে, স্রেফ জ্যোতিষের কথায় বিশ্বাস না রেখে নিজেই নিজের সুন্দর জীবন তৈরি করাই কি সবচেয়ে ভালো পন্থা নয়?