Author: News Live

  • পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী, যা জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    পে-স্কেল নিয়ে নতুন সরকারের পরিকল্পনা কী, যা জানালেন অর্থ প্রতিমন্ত্রী

    মঙ্গলবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) সচিবালয়ে কর্মচারী নেতাদের সঙ্গে এক সৌজন্য সাক্ষাৎকালে তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, কর্মচারীরা পে-স্কেল পাবেন, তবে এর জন্য কিছুটা সময়ের প্রয়োজন।


    এদিন সচিবালয়ে প্রতিমন্ত্রীর দফতরে তার সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন বাংলাদেশ সেক্রেটারিয়েট সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি ও উপ-সচিব মো. আব্দুল খালেক এবং বাংলাদেশ সরকারি কর্মচারী দাবি আদায় ঐক্য পরিষদের সমন্বয়ক এম এ হান্নানসহ বেশ কয়েকজন শীর্ষ নেতা।


    সাক্ষাৎ শেষে কর্মচারী নেতা এম এ হান্নান সংবাদমাধ্যমকে জানান, প্রতিমন্ত্রী তাদের আশ্বস্ত করেছেন। জোনায়েদ সাকি তাদের বলেছেন, ‘প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যেহেতু বলেছেন, তাই আপনারা আস্তে-ধীরে পে-স্কেল পাবেন। তবে এখনই সবটা সম্ভব নয়, একটু সময় লাগবে। আপনারা ধৈর্য ধরুন।’ তবে পে-স্কেল বাস্তবায়নে ঠিক কতদিন সময় লাগতে পারে, সে বিষয়ে প্রতিমন্ত্রী নির্দিষ্ট কোনো সময়সীমা উল্লেখ করেননি।

    বৈঠক সূত্রে জানা গেছে, বিগত সময়ে পে-স্কেলের দাবিতে চলা বিভিন্ন আন্দোলনে জোনায়েদ সাকি যেভাবে কর্মচারীদের পক্ষে রাজপথে সোচ্চার ছিলেন, নেতারা সেই স্মৃতি তাকে স্মরণ করিয়ে দেন। জবাবে প্রতিমন্ত্রী বর্তমানে সরকারের সীমাবদ্ধতা ও পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন। তিনি আরও জানান, পে-স্কেল বাস্তবায়নের বিষয়টি নিয়ে সম্প্রতি মন্ত্রিসভার বৈঠকে কোনো আলোচনা হয়নি।

    উল্লেখ্য, নবম পে-স্কেল প্রণয়নের লক্ষ্যে গত বছরের ২৭ জুলাই তৎকালীন অন্তর্বর্তী সরকার একটি পে-কমিশন গঠন করেছিল। সেই কমিশন গত ২১ জানুয়ারি তাদের সুপারিশ জমা দিয়েছে। এখন সরকারি কর্মচারীদের প্রধান দাবি হলো, জীবনযাত্রার ব্যয় বৃদ্ধির সঙ্গে সংগতি রেখে অতি দ্রুত এই সুপারিশ বাস্তবায়ন ও নতুন পে-স্কেল ঘোষণা করা।
  • পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

    পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে যা বললেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু

    নবম পে স্কেল বাস্তবায়ন নিয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন নতুন সরকারের অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘পে স্কেলের সুপারিশ আমাদের আগে দেখতে হবে। না দেখে এ বিষয়ে কিছু বলা সম্ভব নয়। বর্তমান আর্থিক অবস্থায় এটি কতটুকু বাস্তবায়ন করা সম্ভব হবে, সেটি আমরা যাচাই করব ‘

    বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) অর্থ মন্ত্রণালয়ে দায়িত্ব গ্রহণের পর সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এসব কথা বলেন।

    অর্থমন্ত্রী জানান, দেশের ট্যাক্স রেভিনিউ এবং ট্যাক্স জিডিপি অনুপাত বর্তমানে দক্ষিণ এশিয়ার মধ্যে সবচেয়ে খারাপ। তাই পে স্কেল কতটা বাস্তবায়নযোগ্য হবে, তা বিস্তারিতভাবে পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

    তিনি দেশের অর্থনীতি সম্পর্কে বলেন, ‘বাংলাদেশের অর্থনীতি সব মানুষের জন্য হতে হবে। দেশের প্রতিটি নাগরিককে অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে যুক্ত করতে পারলে সামগ্রিক অর্থনীতিতে পরিবর্তন আনা সম্ভব। আমাদের লক্ষ্য হলো লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নিশ্চিত করা এবং সবার জন্য সুযোগ তৈরি করা।’

    আমির খসরু বলেন, ‘৫ আগস্টের পর জনগণের মানসিকতায় ব্যাপক পরিবর্তন এসেছে, যা অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডে প্রতিফলিত হতে হবে। এই পরিবর্তনের সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে উন্নয়ন করতে হবে। প্রফেশনালিজম, স্বচ্ছতা এবং কার্যকারিতা বৃদ্ধি করাই এখন প্রধান লক্ষ্য।’

    তিনি পৃষ্ঠপোষকতার অর্থনীতিকে গণতান্ত্রিক অর্থনীতিতে রূপান্তরিত করার প্রয়োজনীয়তা উল্লেখ করেন। এর জন্য দরকার ডিরেগুলেশন, লিবারলাইজেশন এবং ম্যানুফ্যাকচারিং নির্ভর অর্থনীতির বাইরে অর্থনৈতিক কার্যক্রম বিস্তৃত করা। খেলাধুলা, সংস্কৃতি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষকে অর্থনীতিতে সম্পৃক্ত করতে হবে।

    মন্ত্রী উদাহরণ হিসেবে বলেন, ‘বরিশালের সাধারণ শীতলপাটির দাম ৬০০-৭০০ টাকা। যদি কারিগরদের প্রশিক্ষণ, ঋণ ও অনলাইন মার্কেটিংয়ের সুযোগ দেওয়া যায়, তারা নতুন ডিজাইন ও বিভিন্ন ধরনের সামগ্রী তৈরি করতে পারবে এবং বড় বাজার সৃষ্টি করা সম্ভব হবে।’

    এদিকে বিশ্লেষকরা মনে করছেন, অর্থমন্ত্রীর মন্তব্য থেকে বোঝা যাচ্ছে যে বর্তমান আর্থিক সীমাবদ্ধতা এবং ট্যাক্স রাজস্বের কম থাকায় নবম পে স্কেল সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন কিছুটা পিছিয়ে যেতে পারে। মন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন যে পে স্কেলের সুপারিশগুলো পর্যবেক্ষণ এবং বিশদ পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে, তাই এটি এখনো চূড়ান্ত নয়।

  • ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ফের নতুন মন্ত্রিপরিষদে শপথের জন্য ডাক পেলেন যারা

    ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনে জয়ী সদস্য শপথ নিয়েছেন। বিএনপির সংসদীয় দল দলের চেয়ারম্যান তারেক রহমানকে সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত করেছে। বিকালেই নতুন মন্ত্রিপরিষদ গঠন করবেন তারেক রহমান।

    মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) বেলা সাড়ে ১১টায় জাতীয় সংসদ ভবন সংসদ সদস্যের শপথের আনুষ্ঠানিকতার পর বিএনপির সংসদীয় দলের সভা অনুষ্ঠিত হয়। এ সভায় সর্বসম্মতিক্রমে তারেক রহমান সংসদ নেতা ও প্রধানমন্ত্রী নির্বাচিত হন।

    এদিকে বিএনপি সরকারের মন্ত্রিসভায় ডাক পেয়েছেন দলটির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাস, সালাউদ্দিন আহমদ, আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী, ড. আবদুল মঈন খান, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ইকবাল হাসান মাহমুদ টুকু, শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ, সিলেটের সাবেক মেয়র আরিফুল হক, খন্দকার আবদুল মুক্তাদির, জহির উদ্দিন স্বপন, শহীদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি, এহসানুল হক মিলন, শরীফুল আলম, মীর শাহে আলম। তারা ইতোমধ্যে ফোন পেয়েছেন।

    এছাড়া অন্তর্বর্তী সরকারে জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা খলিলুর রহমান টেকনোক্র্যাট কোটায় মন্ত্রী হওয়ার জন্য ফোন পেয়েছেন, টেকনোক্র্যাট কোটায় আরও ফোন পেয়েছেন হাজি আমিনুর রশীদ ইয়াছিন ও সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক।

    তারেক রহমানের মন্ত্রিসভায় প্রতিমন্ত্রী হচ্ছেন জাকারিয়া তাহের (সুমন), এম. রশিদুজ্জামান মিল্লাত, ফরহাদ হোসেন আজাদ।

    বিএনপির জোট থেকে জোনায়েদ সাকী ও নুরুল হক নুর মন্ত্রিপরিষদে স্থান পাচ্ছেন বলে শোনা যাচ্ছে।

    আরও অনেকেই ডাক পেয়েছেন। তারেক রহমানের নতুন মন্ত্রিপরিষদ ৫০ সদস্যের হতে পারে।

    সংসদীয় দলের সভায় বিএনপির এমপিরা কেউ ডিউটি ফ্রি গাড়ি নেবেন না, সরকারিভাবে কোনো প্লট নেবেন না এমন সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

  • সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    সকল স্কুল বন্ধ রাখার জরুরি ঘোষণা! কবে থেকে কার্যকর

    আসন্ন রমজান মাসে দেশের সকল সরকারি-বেসরকারি নিম্ন মাধ্যমিক ও মাধ্যমিক স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছেন হাইকোর্ট। আজ রবিবার বিচারপতি ফাহমিদা ও বিচারপতি মো. আসিফ হাসানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ এই আদেশ প্রদান করেন। এই নির্দেশনার পর জনমনে প্রশ্ন জেগেছে, শিক্ষা মন্ত্রণালয় বা মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর (মাউশি) থেকে ছুটির আনুষ্ঠানিক ঘোষণা কবে আসবে।

    শিক্ষা মন্ত্রণালয় সূত্র জানিয়েছে, তারা হাইকোর্টের নির্দেশনার বিষয়ে অবগত আছেন। তবে নির্দেশনার কপি পাওয়ার পর এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। মন্ত্রণালয় কি আদালতের আদেশ মেনে স্কুল বন্ধ রাখবে, নাকি এই নির্দেশনার বিরুদ্ধে আপিল করবে—তা নিয়ে আগামীকাল সোমবার একটি আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, বৈঠকের পর মন্ত্রণালয়ের অবস্থান ও মাউশি থেকে চিঠি জারির বিষয়টি পরিষ্কার হবে।

    আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মো. ইলিয়াস আলী মন্ডল ও অ্যাডভোকেট তানজিনা ববি লিজা। রিট আবেদনে বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ যুক্তি তুলে ধরা হয়েছে:

    সংবিধান ও প্রথা: আবেদনে বলা হয়, বাংলাদেশের ৯৮ শতাংশ মানুষ মুসলিম এবং স্বাধীনতার পর থেকে রমজানে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ রাখাই আইনগত প্রথা ও রীতিতে পরিণত হয়েছে। সংবিধানের ১৫২(১) অনুচ্ছেদ অনুযায়ী, আইনের ক্ষমতাসম্পন্ন যেকোনো প্রথাও আইনের অন্তর্ভুক্ত। তাই রমজানে স্কুল খোলা রাখার সিদ্ধান্তকে অসাংবিধানিক হিসেবে দাবি করা হয়।

    ধর্মীয় ও শারীরিক প্রভাব: নোটিশে উল্লেখ করা হয়, স্কুল চলাকালীন দীর্ঘ সময় যাতায়াত ও ক্লাসের চাপে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের রোজা রাখা কষ্টসাধ্য হয়ে পড়ে। এটি তাদের ধর্মীয় আচার চর্চায় বাধা সৃষ্টি করতে পারে।

    নাগরিক দুর্ভোগ: রমজানে স্কুল খোলা থাকলে শহরগুলোতে তীব্র যানজটের সৃষ্টি হয়, যা সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ বাড়িয়ে দেয়।

    শিক্ষা সচিব এবং প্রাথমিক ও গণশিক্ষা সচিব বরাবর পাঠানো এই নোটিশের প্রেক্ষিতে আদালত পুরো রমজান মাস স্কুল বন্ধ রাখার নির্দেশ দেন। এখন সবার দৃষ্টি আগামীকাল সোমবারের শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সভার দিকে, যেখানে নির্ধারিত হবে রমজানে ক্লাসের ভবিষ্যৎ।