Author: News Live

  • বাড়ির টবে চাষ করুন সুগন্ধি মশলা এলাচ, হবে বাম্পার ফলন

    বাড়ির টবে চাষ করুন সুগন্ধি মশলা এলাচ, হবে বাম্পার ফলন

    এমন অনেক মানুষ রয়েছেন যারা বাড়ির ভেতর ছোটখাটো কাজে লাগাতে পছন্দ করেন। আপনাদের এমন একটি গাছের কথা বলব একদিকে বাড়ির শোভা বর্ধন করবে অন্যদিকে আপনার কাজেও লাগবে।

    কিন্তু কী সেই গাছ? আসুন বিস্তারিত জেনে নেওয়া যাক। আমরা যে গাছের কথা বলতে যাচ্ছি সেটি হল এলাচ গাছ। যেকোনো সুস্বাদু খাবারের সুগন্ধি বাড়াতে এলাচ ব্যবহার করা হয়ে থাকে। এছাড়াও মুখশুদ্ধি হিসেবেও এলাচ এর ব্যবহার রয়েছে। তাই আপনি চাইলে এলাচ গাছ লাগাতে পারেন।

    এলাচের বীজ আপনি বাজার থেকেও কিনতে পারেন অথবা চাইলে অনলাইনে অর্ডার দিতে পারেন। এলাচ গাছ খুব একটা বড় হয় না। তাই কাছাকাছি কোন দোকান থেকে এলাচ বীজ কিনে নে লাগিয়ে ফেলুন। কিন্তু শুধু লাগিয়ে দিয়ে ছেড়ে দিলে হবে না। বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রাখতে হবে।

    এলাচ গাছের বীজ একটি বায়ুরোধী কোন পাত্রে সারা রাত ভিজিয়ে রাখতে হবে। তারপর ঐ পাত্রে কালো ও লাল মাটি মিশিয়ে রাখুন অথবা এর পরিবর্তে আপনি গোবর বা কোকোপিট ব্যবহার করতে পারেন। আপনাকে এই বিষয় মাথায় রাখতে হবে যে মাটিতে যেন কোনো পোকামাকড় না থাকে। পোকামাকড় থাকলে গাছের বৃদ্ধি ব্যাহত হবে।

    সেই মাটিতে সামান্য সামান্য জল দিন, দেখবেন ৫/৬ দিনের মাথায় বীজ অঙ্কুরিত হওয়া শুরু করে দেবে। তবে বীজ অঙ্কুরিত হওয়া না পর্যন্ত ভালোভাবে রক্ষণাবেক্ষণ প্রয়োজন। তারপর 20,25 দিনের মাথায় দেখবেন গাছ ধীরে ধীরে বড় হতে শুরু করেছে। তাহলে আর দেরি না করে আজই এলাচ বীজ কিনে নে লাগিয়ে দিন।

  • বেশি ভাগ সময় গাড়িতেই কাজ করতে বাধ্য হতে হয়

    বেশি ভাগ সময় গাড়িতেই কাজ করতে বাধ্য হতে হয়

    রাজধা’নীর অন্য,তম ব্যস্ত’তম এলাকার ম,ধ্যে ফা’র্মগেট অন্ন’তম। দিনের বেলায় মানুষের পদ’চারণায় মুখরিত থাকে লাকা তাই দেখে হয়তো অনেক কি,ছুই বো,ঝা যায় না। কি,ন্তু রাতের নিরব,তা যত বাড়ে, ততই এই এলাকায় আনা,গোনা বাড়ে দে’হ ব্যব’সায়ীদের।খ’দ্দেরের

    খোঁ’জে বো’রকা প’ড়ে অ’পেক্ষা ক’রতে দে’খা যায় তাদের রা,স্তার ধারে। গত,শনিবার এ,বং রবিবার মধ্য’রাতে সরে’জমিনে ফা’র্মগেটে গিয়ে দেখা যায়, খ’দ্দেরের খোঁ’জে বোরকা প’ড়ে এখানে-সেখানে অ’পেক্ষা করছেন প’তিতারা।তাদের পাশেই সারি-সারি সিএনজি দাঁ,ড়িয়ে আছে। খ’দ্দের এসে প্রথ,মে দামা’দামি করে।

    এরপর চূ’ড়ান্ত হলে নিয়ে যায় সিএ,নজি করে।তাদের ম,ধ্যে অনে,কেই সাধা,রণ মানু,ষকেও বির’ক্ত করে।নিবি,লাগবে বলে বিভি,ন্ন ইশা’রা দেয় তারা।এতে অনেক পথ,চারীও বিড়ম্ব,নার ম,ধ্যে প’ড়েন।সোহেল হাসান নামের একজন পথ,চারী বলেন, ওরা সু,যোগ বুঝে ই,শারা

    দেয়,নানান রকম অ’’শ্লী’ল কথাও বলে। সাংবা’দিক পরিচয় গো’পন রেখে কথা হয়নিতু নামের একপতি’তার স’’ঙ্গে। স,দ্য এ পথে পা বাড়িয়েছে বলে দা’বিতার। কি’শো’রগঞ্জ জে’লার ভৈরবে,বাড়ি বলে জা’নান নিতু। আরও পড়ুন : লেপ কেন লাল কাপড়েই বানানো হয়। শীতের পরশ লাগতেই লেপ-তোষক বানানোর ধুম পড়ে। লেপ তোষকের দোকানে ক্রেতাদের ভিড় ও তোরজোর থাকায় ব্যবসায়ীদেরও পোয়াবারো। তারা মৌসুমী লাভের এই সুযোগটাকে হাতছাড়া করতে চাইছেন না।

    শীতের আসার আগেই লেপ ও তোষকের দোকান ছেয়ে যায় লাল আভায়! কারণ লেপ মানেই যেন তুলায় মোড়ানো লাল কাপড়! প্রশ্ন তো জাগতেই পারে, বেশিরভাগ লেপে কেন লাল কাপড় ব্যবহার করা হয়?

    এক সময় মুর্শিদাবাদের একেবারে নিজস্ব এই শিল্পের নাম ছিল সর্বত্র। লম্বা আঁশের কার্পাস তুলাকে বীজ ছাড়িয়ে লাল রঙ্গে চুবিয়ে শুকিয়ে ভরা হতো মোলায়েম সিল্ক এবং মখমলের মাঝখানে। সেই মখমলের রঙ ছিল লাল। সুগন্ধের জন্যে দেওয়া হতো আতর। এখন অবশ্য উচ্চমূল্যের কারণে মখমলের কাপড় ব্যবহার হয় না।

    বাংলা, বিহার, ওড়িশাসহ অভিবক্ত বাংলার প্রথম নবাব মুর্শিদ কুলি খানের আমল থেকেই রীতি অনুযায়ী লাল মখমলের কাপড় ব্যবহার করে লেপ সেলাই করা হতো। এরপর মুর্শিদ কুলি খানের মেয়ের জামাই নবাব সুজাউদ্দিন মখমলের পরিবর্তে সিল্ক কাপড় ব্যবহার শুরু করেন। তবে রঙের কোনো পরিবর্তন আসেনি। তবে মখমল ও সিল্কের কাপড়ের মূল্য জনসাধারণের হাতের নাগালে না থাকার কারণে, পরবর্তীতে সাধারণ কাপড় ব্যবহারের চল শুরু হয়। তবে তখনও কাপড়ের রঙ লালই থেকে যায়।

    এদিকে পুরান ঢাকার লেপ ব্যবসায়ীরা জানান, লেপে এই রীতি ও রঙের ব্যবহার নবাবরাও অনুসরণ করতেন। সেই থেকে লাল কাপড়ে লেপ বানানোর রীতি চলে আসছে। এছাড়া আরো কিছু কারণ রয়েছে; এর মধ্যে অন্যতম হচ্ছে, লেপ কখনো ধোয়া যায় না। আর লাল কাপড় ব্যবহারের ফলে ময়লা কম দেখা যায়।

    তবে এ ক্ষেত্রেও মতান্তর রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, ইতিহাস বা ঐতিহ্যের রীতি মেনে নয়, ব্যবসার খাতিরে ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতেই লাল কাপড়ে মুড়ে রাখা হয়। ফলে দূর থেকেই তা ক্রেতার দৃষ্টি আকর্ষণ করতে পারে

  • দামাদামি করে বিক্রি হচ্ছে বিয়ের পাত্রী, রয়েছে নানা অফার

    দামাদামি করে বিক্রি হচ্ছে বিয়ের পাত্রী, রয়েছে নানা অফার

    বাংলাদেশে বউ বাজারে নামের একটা বাজার আছে কিন্তু সেখানে বউ পাওয়া যায়না। তেমনই বুলগেরিয়াতেও রয়েছে একটি বউ বাজার, সেখানে সত্যি সত্যিই অর্থের বিনিময়ে বউ কেনা যায়। পাত্রের পরিবারের সদস্যরা এই বাজার থেকে পছন্দমতো একটি মেয়ে বেছে কিনে নেন এবং তাকে পুত্রবধূ হিসেবে বাড়িতে নিয়ে যান।

    সেদেশের ‘বউ-বাজার’টি রয়েছে স্তার জাগোর নামের এক স্থানে। পুরুষরা এই বাজারে তাদের পরিবার নিয়ে যান এবং নিজের পছন্দমতো মেয়ে বেছে টাকা দিয়ে কিনে নেন। পছন্দের মেয়েকে কেনা হয়: যে মেয়েটিকে পছন্দ করা হয় তার সঙ্গে দর কষাকষি করা হয়। তারপর যখন মেয়েটির পরিবারের সদস্যরা প্রদত্ত মূল্যে খুশি হন, তখন সেই মূল্যে ছেলেটির পরিবারকে সেই মেয়ে দেওয়া হয়। তারপর ছেলেটি মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে আসে এবং মেয়েটি তার স্ত্রীর মর্যাদা পায়।

    এই বাজারটি স্থাপিত হয়েছে গরীবদের জন্য। এই কনের বাজারটি মূলত গরিব পরিবারের মেয়েদের জন্য। যেসব মেয়ের পরিবার অর্থের অভাবে মেয়ের বিয়ে দিতে পারছে না, তারা তাদের মেয়েকে নিয়ে যায় এই বাজারে যায়। এর পর ছেলেরা মেয়ে বেছে ঘরে নিয়ে যায়। এই প্রথা চলে আসছে বছরের পর বছর ধরে। বুলগেরিয়ায় বহু যুগ ধরেই এই প্রথা চলে আসছে। এই বাজার স্থাপনের অনুমতি মিলেছে সরকারের পক্ষ থেকেও। বাজারে মেয়েদের দাম ভিন্ন ভিন্নভাবে নির্ধারণ করা হয়।

    মেয়েটিকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগে রয়েছে অনেক নিয়ম : মেয়েকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার আগে বেশ কয়েকটি নিয়ম মেনে চলতে হয়। প্রথমত মেয়েটিকে কুমারী হতে হবে। তবেই তার দর বেশি হবে। শুধুমাত্র কালাইদঝি সম্প্রদায়ের লোকেরাই তাদের মেয়েদের এই বাজারে নিয়ে যেতে পারবেন। পাশাপাশি পরিবারটির দরিদ্র হওয়া আবশ্যক। আর্থিকভাবে স্বাবলম্বী বা ধনী পরিবারের মেয়েদের বিক্রি করার নিয়ম নেই। এ ছাড়াও বাজারে কেনা মেয়েটিকে পুত্রবধূর মর্যাদা দেওয়া আবশ্যক।

  • বিশ্বের ৯০ শতাংশ ভিখারি আছে কোন দেশে? অনেকেই জানেন না

    বিশ্বের ৯০ শতাংশ ভিখারি আছে কোন দেশে? অনেকেই জানেন না

    যেকোনো পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে হলে সাধারণ জ্ঞান ও কারেন্ট অ্যাফেয়ার্স এর তথ্যগুলি জেনে রাখা উচিত। কারণ এসএসসি, ব্যাংকিং ও রেলওয়ের মত প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় এই ধরনের প্রশ্ন করা হয়। এছাড়া সাধারণ জ্ঞানের প্রশ্নগুলি মানুষের নলেজের পরিধিকে বাড়িয়ে তোলে। এই প্রতিবেদনে তেমনি কিছু অজানা প্রশ্নের উত্তর নিয়ে আসা হলো এক নজরে দেখে নিন

    ১) প্রশ্নঃ কোন বিদেশী হানাদার কোহিনূর হীরা এবং ময়ূর সিংহাসন লুট করে নিয়ে যায়?
    উত্তরঃ নাদিরশাহ কোহিনূর হীরা এবং ময়ূর সিংহাসন লুট করে নিয়ে যায়।

    ২) প্রশ্নঃ পাগলা কুকুরের কামড়ে কোন রোগ হয়?
    উত্তরঃ পাগলা কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক বা হাইড্রোফোবিয়া রোগ হয়।

    ৩) প্রশ্নঃ সেন্ট্রাল অ্যাসেম্বলিতে বোমা নিক্ষেপে ভগৎ সিং এর সহযোগী কে ছিলেন?
    উত্তরঃ বাঙালি বিপ্লবী বটুকেশ্বর দত্ত সেন্ট্রাল অ্যাসেম্বলিতে বোমা নিক্ষেপে ভগৎ সিং এর সহযোগী ছিলেন।

    ৪) প্রশ্নঃ পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে কোন ধাতু সবচেয়ে বেশি আছে?
    উত্তরঃ অ্যালুমিনিয়াম সবচেয়ে বেশি আছে পৃথিবীর ভূত্বকের মধ্যে।

    ৫) প্রশ্নঃ ইংলিশ চ্যানেল পার হওয়া প্রথম ভারতীয় কে?
    উত্তরঃ মিহির সেন একজন বাঙালি আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন সন্তরণবিদ যিনি প্রথম ভারতীয় হিসেবে ১৯৫৮ সালে ইংলিশ চ্যানেল অতিক্রম করার কৃতিত্ব অর্জন করেন।

    ৬) প্রশ্নঃ জেনারেল ডায়ারকে (জালিয়ানওয়ালাবাগ হত্যাকাণ্ডের সাথে জড়িত) কে হত্যা করেছিলেন?
    উত্তরঃ উধম সিং জেনারেল ডায়ারকে হত্যা করেছিলেন।

    ৭) প্রশ্নঃ ভারতে প্রথম বহুমুখী প্রকল্প কোন নদীর উপর নির্মিত হয়েছিল?
    উত্তরঃ দামোদর নদীর উপর নির্মিত হয় ভারতে প্রথম বহুমুখী প্রকল্প।

    ৮) প্রশ্নঃ ম্যাকমোহন লাইন কোন দুটি দেশের মধ্যে সীমানা তৈরি করে?
    উত্তরঃ ভারত-চীন আন্তর্জাতিক সীমানার নাম ম্যাকমোহন লাইন।

    ৯) প্রশ্নঃ বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত একমাত্র রাষ্ট্রপতি কে ছিলেন?
    উত্তরঃ নীলম সঞ্জীব রেড্ডি বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত একমাত্র রাষ্ট্রপতি।

    ১০) প্রশ্নঃ জানেন বিশ্বের ৯০ শতাংশ ভিখারি কোন দেশে আছে?
    উত্তরঃ আমাদের প্রতিবেশী দেশ পাকিস্তানে বিশ্বের ৯০ শতাংশ ভিখারি বাস করে।