Author: News Live

  • স্বামীকে খুশি করতে যেভাবে স”হ”বা”স করতে হয় জানালেন দুবাইয়ের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী

    স্বামীকে খুশি করতে যেভাবে স”হ”বা”স করতে হয় জানালেন দুবাইয়ের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী

    স্বামীকে খুশি করতে যেভাবে স”হ”বা”স করতে হয় জানালেন দুবাইয়ের শীর্ষ ধনীর স্ত্রী

    সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রায়ই নিজের আয়েশী জীবনের ছবি ও ভিডিও প্রকাশ করে থাকেন দুবাইয়ের এক নারী। তিনি দুবাইয়ের এক শীর্ষ ধনীর স্ত্রী। সম্প্রতি একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন তিনি। সেখানে জানিয়েছেন কোটিপতি স্বামীর কিছু ‘কঠোর’ শর্ত মেনে চলতে হয় তাকে।

    যেগুলো হলো— তিনি কোনো ছেলে বন্ধু বানাতে পারবেন না। ব্যাগ ও জুতার একই রকম রঙ থাকত হবে। তিনি কোনো ধরনের কাজ করতে পারবেন না, কারণ স্বামীই তার সব খরচ দেন। রান্না করা যাবে না, কারণ তারা প্রতিদিন বাইরে গিয়ে খাওয়া-দাওয়া করেন এবং তার স্বামীর ইচ্ছা তিনি প্রতিদিন পেশাদার মেকাপ আর্টিস্ট দিয়ে মেকাপ ও চুলের যত্ন নেবেন। এরমধ্যে সবচেয়ে কঠোর শর্ত হলো তিনি কোনোদিন কোনো ছেলেকে বন্ধু বানাতে পারবেন না।

    সৌদিও ফারাবিয়া নামের ইনস্টাগ্রাম অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ভিডিও প্রকাশ করেছেন মিস সৌদিও নামের এই নারী। ভিডিওর ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, “আপনারা আমাকে সৌদিরেল্লা নামে ডাকতে পারেন। কারণ আমি তার রাজকুমারী। আমার জন্য যেসব কঠোর শর্ত রয়েছে আমার কোটিপতি স্বামীর।”

    এদিকে এই ভিডিওর নিচে অনেকেই মন্তব্য করেছেন। তাদের মধ্যে কেউ কেউ অভিযোগ করেছেন এই নারীকে তার কোটিপতি স্বামী নিয়ন্ত্রণ করছেন। একজন লিখেছেন, “কোনো অর্থ সুখ কিনতে পারে না। তবে অর্থ ছাড়া সুখী থাকার চেয়ে অর্থসহ সুখি থাকাটাই ভালো বলে মনে করি আমি।” আরেকজন লিখেছেন, “আমরা জানি, আপনার স্বামী আপনাকে নিয়ন্ত্রণ করছে, আপনাকে বিশ্বাস করে না এবং আপনাকে একটি পূর্ণ জীবন উপভোগ করতে দেয় না।” অপর একজন লিখেছেন, “দেখে মনে হচ্ছে তিনি আপনার মুখের হাসি কিনে দিতে পারে না”

  • জামার ভেতরে কী পরেছ, সব তো দেখাই যাচ্ছে— ছাত্রীকে চারুকলার শিক্ষক মনির

    জামার ভেতরে কী পরেছ, সব তো দেখাই যাচ্ছে— ছাত্রীকে চারুকলার শিক্ষক মনির

    রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) চারুকলা অনুষদের গ্রাফিক ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলার ইতিহাস বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মনির উদ্দিন আহমেদের বিরুদ্ধে ছাত্রীকে যৌন হয়রানি, শিক্ষার্থীদের ফেল করানোর ভয় দেখানোসহ নানা শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে। এছাড়া গভীর রাতে নারী শিক্ষার্থীদের ভিডিও কল ও মেসেজ দিয়ে বিরক্ত করা এবং অশালীন ভিডিও পাঠানোর কিছু ডকুমেন্টসও এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের কাছে এই শিক্ষককে স্থায়ী বহিষ্কারের দাবি জানিয়েছেন বিভাগটির শিক্ষার্থীরা।

    অভিযোগপত্রে তারা উল্লেখ করেছেন, কারুশিল্প ডিসিপ্লিনে শিক্ষক স্বল্পতার কারণে প্রত্যেকটা ব্যাচের সকল ব্যাবহারিক ক্লাস ও মার্কিংয়ের দায়িত্ব একাই পালন করেন তিনি। ফলে বিভাগে তিনি একনায়কতন্ত্র কায়েম করে শিক্ষার্থীদের ফেল করানোর হুমকি দিয়ে থাকেন। তিনি ক্লাসের সবার সামনে একাধিক নারী শিক্ষার্থীদের গায়ে আপত্তিকর স্থানে হাত দেন এবং অপ্রয়োজনে রাত বিরাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভিডিও কল ও যৌন ইঙ্গিতমূলক ভাষা ব্যবহার করে মেসেজ দেন।

    এছাড়া শারীরিক গঠন নিয়ে বিভিন্ন অশালীন, আপত্তিকর মন্তব্য করে থাকেন এবং মেয়েদের তার কোলে বসার প্রস্তাবও দেন। তিনি বিবাহিত শিক্ষার্থীদের সাথে ব্যক্তিগত জীবনের আলাপ, স্বামীর সাথে সম্পর্কের বিস্তারিত জানতে চেয়ে অশ্লীল বিভিন্ন বিষয় টেনে নিয়ে আসতেন।

    কোনো বিষয় নিয়ে তাকে রিকোয়েস্ট করতে গেলে তিনি বলতেন, ক্লাসের অ্যাটেনডেন্স নেওয়ার ক্ষেত্রে তিনি নারী শিক্ষার্থীদের ডেস্কের ভেতরে গিয়ে তার গা ঘেঁষে দাঁড়িয়ে সাইন দিতে বাধ্য করতেন। নারী শিক্ষার্থীদের ‘আন্ডার গার্মেন্টস’ নিয়ে কুরুচিপূর্ণ মন্তব্য করতেন। এছাড়া পেশাগত ক্ষমতা ব্যবহার করে তিনি একাধিক শিক্ষার্থীকে সম্পর্ক স্থাপনের প্রস্তাব জানান বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করেন শিক্ষার্থীরা।

    “তিনি প্রায় প্রায় মেয়েদের জামার ভেতরের পোশাক নিয়ে আজেবাজে কথা বলতেন। তিনি একদিন আমাকে বলেন, ‘জামার ভেতরে কী পরেছ, সব তো দেখাই যাচ্ছে। কালার বলব, কালার?’ এই বলে উনি হাহা করে হাসতে থাকেন। উনি ক্লাসে প্রায়ই ডাবল মিনিং কথাবার্তা বলতেন। ক্লাসে এসে তিনি বলেন, ‘মেয়েরা কলা বেশি করে খাবে, ছেলেরা কলা খাবে না। মেয়েদের তরমুজ ভালো আর ছেলেদের সাগর কলা ভালো’।”— নারী শিক্ষার্থী, রাবি

    ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থীদের কাছে পাঠানো মেসেজ ও ভিডিও কল দেওয়ার ডকুমেন্টস থেকে বেরিয়ে আসে ড. মনিরের আসল চেহারা। সেখানে দেখা যায়, গত ২০ জানুয়ারি তিনি এক নারী শিক্ষার্থীকে মেসেঞ্জারে একটি অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে লিখেছেন, এক্সট্রা ক্লাস চলিতাছে, বালা না?

    ২০২০ সালের ৯ জুলাইয়ে আরেক শিক্ষার্থীকে লিখেছিলেন, রাত কিন্তু ৩টা ৫৪ বাজে, আমি করি চৌকিদার, আপনি কই? আরেক নারী শিক্ষার্থীকে লিখেছেন, ঘুম নেই, একদম ফেল করাই দিমু। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে রাতে আরেক নারী শিক্ষার্থীকে একটি বাজে ছবি পাঠিয়ে বলেন, এটা কি তুমি?

    রাত ২টা ৪৮ মিনিটে ‘লুচ্চা মেয়েদের নাম’ শিরোনামে একটা অশ্লীল ভিডিও পাঠিয়ে ভিডিওতে থাকা নামের সাথে মিল আছে এমন এক নারী শিক্ষার্থীকে লিখেছেন, আমি বলি নাই, দুনিয়া বলিতেছে, আমি কী করুম? আরেক শিক্ষার্থীকে একটি নীল জগতের ভিডিও পাঠিয়ে লিখেছেন, সুন্দর না? অনেকদিন পর দেখলাম। মেয়েটি কোনো সাড়া না দিলে তিনি আবার লিখেছেন, কিছুই কি বলবা না? আরেকজনকে লিখেছেন, আমার লগে তুমি কইরা দাহাও, কী যেন ঘষে দিতে চাইছিলা। ওই তোমার ফোনে ভিডিও কল দিলে ধরো না কেন? একবারে ফেল করাই দিমু, এভাবেই এক নারী শিক্ষার্থীকে হুমকি দেন তিনি।

    নাম প্রকাশ না করার সাথে এক ভুক্তভোগী নারী শিক্ষার্থী বলেন, প্রথম বর্ষে ভর্তির পর আমি তার টার্গেটের শিকার হই। তিনি বিভিন্ন সময়ে আমাকে ফোন করে ব্যক্তিগত বিষয় হস্তক্ষেপ করতেন। তিনি আমার ইনার গার্মেন্টস নিয়ে প্রতিদিন কথা বলতেন। জ্বর দেখার নাম করে হাতে, কপালে, মুখে, গলায় হাত দিতেন। উরু দেখিয়ে ঈশারা ইঙ্গিতে সেখানে বসতে বলতেন। প্রায় প্রায়ই হাত দেখতে চাওয়া, হাতের আঙুল ধরে ধরে নখ দেখা এবং জিজ্ঞেস করতেন আঙুল দিয়ে (মেয়েলি সেক্সচুয়াল) কিছু করি কিনা। আমি কারোর সাথে শারীরিক সম্পর্ক করেছি কিনা জানতে চেয়ে বিরক্ত করতেন। আমি এই বাজে মানুষটার কঠিন শাস্তি চাই।

    একই শর্তে আরেক নারী শিক্ষার্থী বলেন, তিনি প্রায় প্রায় মেয়েদের জামার ভেতরের পোশাক নিয়ে আজেবাজে কথা বলতেন। তিনি একদিন আমাকে বলেন, জামার ভেতরে কী পরেছ, সব তো দেখাই যাচ্ছে। কালার বলব, কালার? এই বলে উনি হা হা করে হাসতে থাকেন। উনি ক্লাসে প্রায়ই ডাবল মিনিং কথাবার্তা বলতেন। ক্লাসে এসে তিনি বলেন, মেয়েরা কলা বেশি করে খাবে, ছেলেরা কলা খাবে না। মেয়েদের তরমুজ ভালো আর ছেলেদের সাগর কলা ভালো।

    অভিযোগের বিষয়ে জানতে ড. মনির উদ্দিনকে একাধিকবার কয়েকটা নাম্বার থেকে ফোন করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি। হোয়াটসঅ্যাপে তাকে ক্ষুদে বার্তা পাঠালেও তিনি কোনো সাড়া দেননি।

    জানতে চাইলে গ্রাফিক্স ডিজাইন, কারুশিল্প ও শিল্পকলা ইতিহাস বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আলী বলেন, গত ২২ সেপ্টেম্বর আমার কাছে ড. মনির উদ্দিনের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানিসহ অনেক বিষয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ দেয় এবং তার বহিষ্কারের দাবিতে আন্দোলন করে। বিভাগের শৃঙ্খলা বজায় রাখার জন্য আমি সেদিন বিকেলেই জরুরি অ্যাকাডেমিক কমিটির মিটিং কল করি। সেখানে ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগগুলো নিয়ে আলোচনা করা হয়। মিটিংয়ে কমিটির সবার পরামর্শে তাকে বিভাগের সকল অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতি দেওয়া হয়।

    এ বিষয়ে প্রক্টর অধ্যাপক ড. মো. মাহবুবর রহমান বলেন, আমরা অভিযোগপত্রটি গ্রহণ করেছি। হয়তো ভিসি স্যারও পত্রটি পেয়েছেন। তবে কয়েকদিন ধরে ভিসি স্যার এতই ব্যস্ত যে এ বিষয়ে কথা বলার সময় পাইনি। স্যারের থেকে কোনো নির্দেশনাও আমি পাইনি। স্যার এখন বাইরে আছেন। আগামী সপ্তাহে আমরা এ বিষয়ে একটা আপডেট জানাব।

  • মেয়েদের স;হ;বা;সের ইচ্ছা জাগলে যে ইঙ্গিত দেয়

    মেয়েদের স;হ;বা;সের ইচ্ছা জাগলে যে ইঙ্গিত দেয়

    শারীরিক মিলনের অনুভূতি একেক জনের একেক রকম। তবে প্রচলিত ধারণা এটাই, যে মিলনসুখ পুরুষের কাছে যতটা, মহিলাদের কাছে ততটা নয়। হলেও তার বহিঃপ্রকাশ কম। অবশ্য সবার জন্য একথা বলা যাবে না। যুগের পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে নারী আগে থেকে অনেক খোলামেলা হয়েছে। এখন ইচ্ছা-অনিচ্ছা প্রকাশ করা নারীর কাছেও অনেকটা সহজ। তবে সেটা অল্প-সংখ্যকের ক্ষেত্রেই প্রযোজ্য।

    অধিকাংশ ক্ষেত্রেই দেখা যায়, ওই গোপন ‘ইচ্ছা’কে প্রশ্রয় দিতে মহিলাদের অনেক সময় লাগে। বেশ কিছু কন্ডিশনের প্রয়োজন হয়। পুরুষের কিন্তু অতশত কন্ডিশনের প্রয়োজন পড়ে না। “দো জিসম এক জান” হতে সময়ও বেশি লাগে না।

    নারীর ইচ্ছের সেই সব সিক্রেটসকেই আবরণচ্যুত করেছেন অস্টিনের টেক্সাস বিশ্ববিদ্যালয়ের মনোবৈজ্ঞানিক সিন্ডি এম মেস্টন ও ডেভিড এম বাস। তাঁদের লেখা “হোয়াই উইম্যান হ্যাভ সেক্স” বইতে ফুটে উঠেছে নারীর যৌন ইচ্ছার গোপনকথা। দীর্ঘ গবেষণায় সিন্ডি ও ডেভিড আশ্চর্য সব ফলাফলে উপনীত হয়েছেন। নারী শরীর কেন সেক্স চায় সেই রহস্য উন্মোচন করতে তাঁরা দেখেছেন, কারণগুলো অবাক করার মতো।

    সেক্স বিষয়টিই কারো কাছে অস্ত্র। কমজোর পার্টনারকে কাবু করতে সেক্সকেই অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করেন অনেক মহিলা। ভাবা যায় ? মানে খুব ক্লিয়ার। কোনও নারী যদি তাঁর পুরুষ সঙ্গীর সঙ্গে অন্য বিষয়ে পেরে না ওঠেন, অথচ মনের মধ্যে উকি দিচ্ছে কর্তৃত্ব, তখন সেই নারী পুরুষ সঙ্গীকে কাবু করার রাস্তা হিসেবে সেক্সকে বেছে নিতে পারেন।

    আবার সামাজিক পদমর্যাদা বজায় রাখতে সেক্সকে হাতিয়ার করেন অনেকে। এটা অবশ্য অজানা নয়। সংসারের দৈনন্দিন কাজ, হেঁশেল ঠেলার বিনিময়েও নাকি গৃহবধূরা সেক্স পেতে চান..। এমনকী, তীব্র মাইগ্রেনের ওষুধও নাকি সেক্স। শুধু ফুর্তির জন্যও নাকি মহিলারা সেক্সকে বেছে নেন। আবার ডিপ্রেশন থেকে রেহাই পেতেও সেক্সই নাকি অন্যতম হাতিয়ার।

    বইটিতে এমনই ২৩৭টি কারণের উল্লেখ আছে। চ্যাপ্টার ওয়ান শুরু হচ্ছে “হোয়াট টার্নস উইমেন?” দিয়ে। বলা আছে, পুরুষের কণ্ঠস্বর, তাঁদের শরীরের ঘ্রাণ, চলাফেরার ধরন, মুখের গড়ন, ব্যক্তিত্ব ও হিউমারের কারণে নাকি সেক্সের ইচ্ছে জাগে মহিলাদের মধ্যে। বইটিতে এমন অনেক তথ্য পাওয়া যাবে। মোট ১১টি চ্যাপ্টার আছে বইতে।

    এককথায় নারী চরিত্র বেজায় জটিল… তাকে বোঝা বেশ চাপের। ব্রহ্মা, বিষ্ণ, মহেশ্বরও জানেন কি না সন্দেহ। ডেভিড আর সিন্ডি কতটা উদ্ধার করতে পেরেছেন কে জানে।

    মহিলাদের যৌন ইচ্ছা কত বয়স পর্যন্ত স্থায়ী হয়?

    যৌনতা হলো নারী পুরুষের দৈহিক মিলন। প্রাণিজগতের অন্যান্য প্রাণীর মতো নারী পুরুষের যৌনতা বাহ্যিকভাবে প্রকাশ্য নয়।

    বরং নারী পুরুষের যৌনমিলন এবং যৌনতা সংঘটিত হয় সুস্থ সুন্দর পরিবেশে।

    নারী পুরুষের যৌন উত্তেজনার ধারা পৃথিবীব্যাপী একই রকম। পৃথিবীব্যাপী নারী পুরুষ উভয়ের যৌনতার উপর গবেষণা এবং আলোচনা হয় ব্যাপকভাবে । আমেরিকান বিখ্যাত কিনসে ইনস্টিটিউট নারী পুরুষের যৌনতার বিভিন্ন দিক পর্যালোচনা করে।

    পৃথিবীর আদি থেকে চলে আসা একটি সংস্কৃতি হলো যৌন সংস্কৃতি। এই যৌন সংস্কৃতি প্রতিটি পুরুষ এবং নারীর জীবনের খুব আদৃত একটি অংশ। নারীর সাথে পুরুষের দৈহিক মিলনের সময় নারী উত্তেজিত হয় এবং পাশপাশি পুরুষের ও যৌন উত্তেজনা আসে। পুরুষের স্পর্শের প্রথম থেকেই নারীর ভেতরে যৌন উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। নারীর শরীর কেপে উঠতে পারে যা খুব সামান্য সময় ধরে অনুভূত হয়।

    যৌনমিলনের সময় নারীর দেহ এবং পুরুষের দেহের প্রধান যে পরিবর্তন হয় তাহলো উভয়েরই শারীরিক চাপ বৃদ্ধি পায়, রক্তের চাপ বাড়ে, শ্বাস প্রশ্বাস দ্রুত হয় এবং উভয়েই চূড়ান্ত আনন্দের জন্যে অস্থির হয়ে উঠে ।নারীর যৌনতার সংস্কৃতিতে বোধ করি পুরুষের চেয়ে আলাদা। নারীর যৌন আগ্রহ, ইচ্ছা যৌনতার চরম আনন্দ ইত্যাদি প্রতিটি পর্বে পুরুষের চেয়ে স্বতন্ত্র অবস্থার সৃষ্টি করে।

    প্রথম যুগের মানুষের যৌনতার্ ছিল কেবল মাত্র ক্ষণিক আনন্দের একটি উত্‍স। পরবর্তী সময়ে যৌনতার ব্যবহারিক পরিবর্তন দেখা দেয়। এক সময়ে এক নারী একই সাথে একই পরিবারের সবার সাথে যৌনমিলনে রত হতে পারতো। এটি ছিল যৌনতার সংস্কৃতি। তখন কার সমসাময়িক যৌন সংস্কৃতি ছিল এই রকম। যুগে যুগে যৌন সংস্কৃতি পরিবর্তিত হয়েছে। আবার যৌতার ব্যাপারে ধর্মীয় নানা মতবাদের প্রভাবে যৌনতার বিষয়টি একেক সমাজে একেকভাবে অনুশীলন করা হয়ে থাকে।

    যৌনমিলনের ব্যাপারে বা যৌনতার ব্যাপারে সব নারীরেই ইচ্ছা একই রকম হয় না। কোনো কোনো নারী অত্যাধিক যৌনকাতর। আবার কোনো কোনো পুরুষের যৌন ইচ্ছা থাকে বেশি অর্থাত্‍ যৌনতার ব্যাপারে তাদের আগ্রহ এবং যৌন মিলনের ইচ্ছা থাকে ব্যাপক। আবার কোনো কোনো নারী-পুরুষ সুস্থ যৌনতার পপাতি এবং তারা প্রয়োজন মাফিক যৌনমিলন পছন্দ করে। আবার কিছু কিছু নারী-পুরুষ যৌনতাকে খুবই কম মাত্রায় পছন্দ করে। অনেকের এ ব্যাপারে ভীতিও থাকে। যৌনতার ব্যাপার বিশেষ করে নারী, পুরুষের যৌনতার ব্যাপারে উত্‍সাহ এবং আগ্রহ যদি না থাকে তবে চরম পুলক আসতে পারে না।

    নারীদের যৌনইচ্ছার সময়সীমা :

    ১. মেয়েদের যৌন চাহিদা ছেলেদের ৪ ভাগের এক ভাগ। কিশোরী এবং টিনেজার মেয়েদের যৌনইচ্ছা সবচেয়ে বেশী। ১৮ বছরের পর থেকে মেয়েদের যৌন চাহিদা কমতে থাকে, ৩০ এরপরে ভালই কমে যায়।

    ২. ২৫ এর উর্দ্ধে মেয়েরা স্বামীর প্রয়োজনে যৌনকর্ম করে ঠিকই কিন্তু একজন মেয়ে মাসের পর মাস যৌনকর্ম না করে থাকতে পারে কোন সমস্যা ছাড়া।

    ৩. মেয়েরা রোমান্টিক কাজকর্ম যৌনকর্মের চেয়ে অনেক বেশী পছন্দ করে। বেশীরভাগ নারীরা গল্পগুজব হৈ হুল্লোড় করে যৌনকর্মর চেয়ে বেশী মজা পায়।

    ৪. মেয়েরা অর্গ্যাজম করে ভগাংকুরের মাধ্যমে।

    ৫. ভগাংকুরের মাধ্যমে অর্গ্যাজমের জন্য যৌনকর্মের কোন দরকার নেই।

    ৬. শারীরিক মিলনে নারীরা উত্তেজিত আর আনন্দিত হন ঠিকই কিন্তু অর্গ্যাজম হওয়ার সম্ভাবনা ১% এর চেয়েও কম।

    দীর্ঘ সময় মিলন করার ৩০টি পদ্ধতি জেনে নিন

    যৌন মিলন মানে দীর্ঘ সময় মিলন করতে সব পুরুষই ও মহিলা উভয়ই চায়। প্রত্যেকটি পুরুষ চায় পরিপূর্ণ ভাবে যৌন মিলন করতে। তবে নানান রকম কারণে মানুষের যৌনস্বাস্থ্য এবং যৌন মিলন করার ক্ষমতা নষ্ট হয়ে যায়। তাই আজ আমরা দীর্ঘ সময় মিলন করার ৩০টি পদ্ধতি সম্পকের্ আলোচনা করব দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি সমূহ।

    অনেকে আবার এই সব বিষয় নিয়েও খুজে থাকেন। দীর্ঘ সময় মিলন করার ঔষধ, দীর্ঘ সময় মিলনের ট্যাবলেট, দীর্ঘ সময় সহবাস করার পদ্ধতি, দীর্ঘ সময় সহবাস করার হোমিও ঔষধ, দীর্ঘ সময় মিলনের জন্য ঔষধ, শারীরিক মিলন পদ্ধতি, দীর্ঘ সময় মিলন করার ট্যাবলেট, বেশি সময় মিলন করার ট্যাবলেট তাই সব সমাধান এক সাথে দেওয়া হলো।

    পৃথীবিতে অধিকাংশ দম্পতিই কোনও না কোনও এক সময় এই অভিযোগটা করেন, যে বিয়ের কিছু বছর পরেই পরস্পরের প্রতি আকর্ষণ হারিয়ে যায়। একদিনে নিঃশেষ হয়ে যায় না; নিঃশেষ হতে থাকে ধীরে ধীরে এবং ক্রমশ। বিশেষ করে স্বামীরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্ত্রীদের প্রতি। আবার স্ত্রীরাও আগ্রহ হারিয়ে ফেলেন স্বামীর প্রতি।

    আর ফলাফল হয় পরকীয়া ! সংসার ভাঙুক বা না ভাঙুক, সম্পর্ক ঠিকই ভাঙে। কিন্তু কখনো কি ভেবেছেন এমন কেন হয়? দুটো মানুষ পরস্পরকে খুব ভালোবেসে বিয়ে করলেও কেন হারিয়ে যায় আকর্ষণ? কেন হারিয়ে যায় স্বাভাবিক মিলন করার মন মানসিকতা আর কিভাবেই তা ফিরে পাওয়া যায়?

    দীর্ঘ সময় মিলন করার পদ্ধতি

    সাধারনত অধিক সময় নিয়ে যৌন মিলন করাটা পুরুষের সক্ষমতার উপরই নির্ভর করে। তথাপি কিছু পদ্ধতি অবলম্বন করে পুরুষরা তাদের মিলন কাল দীর্ঘায়িত করতে পারেন।

    তবে কে কতটা দীর্ঘ সময় নিয়ে যৌন মিলন করবে এটা অনেকটাই তাদের চর্চার উপর নির্ভর করে থাকে। আসুন জেনে নিই মিলন দীর্ঘায়িত করার কিছু পদ্ধতি সম্পর্কে।

  • তৃতীয় সন্তান হলে ১২ লাখ টাকা বোনাস, সাথে ১ বছরের বেতনসহ ছুটি

    তৃতীয় সন্তান হলে ১২ লাখ টাকা বোনাস, সাথে ১ বছরের বেতনসহ ছুটি

    জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে দীর্ঘ সময় ধরে ‘সিঙ্গল চাইল্ড’ বা এক সন্তান নীতি মেনে চলেছে চীন। এর ফলে পৃথিবীর অন্যতম বৃহৎ এই দেশটিতে তরুণদের তুলনায় বয়স্ক মানুষের সংখ্যা ক্রমবর্ধমান হারে বাড়ছে। ফলে কর্মঠ লোক পাওয়া যাচ্ছে না।

    তবে কর্মী সংকট কাটাতে এখন নাগরিকদের বেশি সন্তান নেওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে চীনা সরকার। এই পরিস্থিতিতে কর্মীদের জন্য লোভনীয় অফার দিয়েছে চীনের একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান। ওই সংস্থা ঘোষণা করেছে, তিনটি সন্তানের জন্ম দিলে কর্মীদের বেতনসহ এক বছর ছুটি দেওয়া হবে। সঙ্গে আর্থিক বোনাস দেওয়া হবে ১২ লাখ টাকা।

    সম্প্রতি প্রকাশিত একটি প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে হংকংয়ের সংবাদমাধ্যম সাউথ চায়না মর্নিং পোস্ট। মূলত জন্মহার বাড়াতে সরকারিভাবে উৎসাহ দেখানোর পর এগিয়ে আসছে বেসরকারি প্রতিষ্ঠানও।

    আরেক চীনা সংবাদমাধ্যম বিজনেস ডেইলির প্রতিবেদন অনুযায়ী, সন্তানের মা-বাবা হলে চীনে বেতনসহ ছুটি, কর ছাড় ও আর্থিক পুরস্কার দেওয়া হচ্ছে। শিশুকে লালন-পালনের জন্যও নানা রকম উৎসাহ ভাতা দিচ্ছে চীনা সরকার। সরকারের পাশাপাশি কর্মীদের উৎসাহ যোগাতে লোভনীয় অফার নিয়ে এগিয়ে আসছে দেশটির বেসরকারি সংস্থাগুলোও। সরকারের মতোই সমানতালে তারাও কর্মীদের উৎসাহ দিচ্ছে।

    সাউথ চায়না মর্নিং পোস্টের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, দা বেই নং টেকনোলজি গ্রুপ নামে চীনের রাজধানী বেইজিংভিত্তিক একটি প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান কর্মীদের সন্তান জন্মদানে উৎসাহিত করতে সম্প্রতি একটি লোভনীয় অফার ঘোষণা করেছে।

    সংস্থাটির ঘোষণা অনুযায়ী, তাদের প্রতিষ্ঠানে কর্মরত কর্মীরা তৃতীয় সন্তানের জন্ম দিলে ৯০ হাজার ইউয়ান (১৪ হাজার ১২৪ মার্কিন ডলার) বোনাস দেওয়া হবে। বাংলাদেশি মুদ্রায় যার পরিমাণ ১২ লাখ টাকারও বেশি। এছাড়া সন্তান জন্মের পর নারী কর্মীদের বেতনসহ একবছর ছুটি এবং বাবা হওয়া পুরুষ কর্মীদের ৯ মাসের ছুটি দেওয়ার কথা জানানো হয়।

    শুধু তাই নয়, প্রথম ও দ্বিতীয় সন্তানের ক্ষেত্রেও বোনাস দিচ্ছে দা বেই নং টেকনোলজি গ্রুপ। প্রথম শিশুর জন্য দেওয়া হচ্ছে ৩০ হাজার ইউয়ান। বাংলাদেশি মুদ্রায় যা ৪ লাখার টাকার বেশি। এছাড়া দ্বিতীয় সন্তানের জন্ম দিলে ৬০ হাজার ইউয়ান বা বাংলাদেশি মুদ্রায় ৮ লাখ টাকা দেওয়ার ঘোষণা দিয়েছে সংস্থাটি।

    এদিকে চীনের একটি স্থানীয় প্রশাসনও সন্তান জন্মদানে উৎসাহ দিতে পুরস্কার ঘোষণা করেছে। পাঞ্জিহুয়া শহরের প্রশাসন জানিয়েছে, দু’টি বা তিনটি সন্তান জন্ম দিলে প্রতি মাসে ৫০০ ইউয়ান বা সাড়ে ৬ হাজার টাকা দেওয়া হবে। এর পাশাপাশি ৯৮ দিনের বেতনসহ মাতৃত্বকালীন ছুটিও মঞ্জুর করেছে চীনের কেন্দ্রীয় সরকার।