Author: News Live

  • নাকের ডগায় ভরে যাচ্ছে ব্ল্যাকহেডস? কারন ও প্রতিকার জেনেনিন

    নাকের ডগায় ভরে যাচ্ছে ব্ল্যাকহেডস? কারন ও প্রতিকার জেনেনিন

    সুন্দর নাকের ডগা দেখতে বেমানান লাগে, যখন তাতে কালো ও সাদা দাগ পড়ে। নাকের ডগায় এ সমস্যাকে বলে ব্ল্যাকহেডস।

    আপনার যদি এমন সমস্যা থেকে থাকে তাহলে নিয়মিত পরিচর্যায় ব্ল্যাকহেডস থেকে মুক্তি পেতে পারেন। ব্ল্যাকহেডস দূর করার সহজ কিছু উপায় জেনে নিন:

     

    * দিনে অন্তত দুইবার মাইল্ড কোনো ফেসওয়াশ দিয়ে মুখ পরিষ্কার করুন। ত্বক যেন অতিরিক্ত তেল, ময়লা, মেকআপ, মৃত কোষ না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখুন।

    * ত্বক থেকে মৃত কোষ তুলতে এক্সফোলিয়েশন জরুরি। তৈলাক্ত ত্বকে স্যালিসিলিক অ্যাসিড, গ্লাইকোলিক অ্যাসিডযুক্ত স্ক্রাব ব্যবহার করতে পারেন। এতে ভালো ফল মিলবে।

    * ত্বক এক্সফোলিয়েট করার পর গরম বাষ্প নিন। এতে রোমকূপগুলো উন্মুক্ত হবে এবং ব্যাকহেডসগুলো সহজেই বেরিয়ে আসবে।

    *লেবুর রস ও চিনি একসাথে মিশিয়ে স্ক্রাব হিসেবে ব্যবহার করা যেতে পারে। এতে ব্ল্যাকহেডস এর সমস্যা অনেকটাই কমবে। লেবুর রসে রয়েছে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। যা আমাদের ত্বকের ভেতরে প্রবেশ করে ব্ল্যাকহেডস দূর করে।

    * অনেকেই ব্ল্যাকহেডস তাড়াতে ফেসপ্যাক ব্যবহার করেন। ক্লে মাস্ক এক্ষেত্রে সেরা
    ফল দেয়। বাজারে বিভিন্ন ধরনের ক্লে মাক পাওয়া যায়। তারই মধ্যে একটি বেছে নিয়ে ব্ল্যাকহেডসের ওপর লাগিয়ে নিন। তারপর ১০ মিনিট রেখে ধুয়ে ফেলুন। ক্লে মাস্ক ত্বকের অতিরিক্ত তেল শুষে নেয় এবং ব্ল্যাকহেডসের সমস্যা দূর করে।

    * বাজারে ব্ল্যাকহেডস তোলার যন্ত্র পাওয়া যায়। তার মধ্যে একটি হচ্ছে চিকন স্টিলের
    মতো। এটি দিয়ে চাপ দিলে ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস বেরিয়ে আসে। কিন্তু ত্বকের
    ওপর চাপ পড়ে বেশি। এতে ব্যথা হয়। তাই এই উপায় এড়িয়ে যাওয়াই ভালো। আবার
    এক ধরনের যন্ত্র পাওয়া যায়, যা ব্যথা ছাড়াই ব্ল্যাকহেডস ও হোয়াইটহেডস পরিষ্কার করে দেয়। সেগুলোর সাহায্য নিতে পারেন।

    *প্রথমে মুখ পরিষ্কার করুন। এরপর ডিম ভেঙে নিন। এবার ডিমের সাদা অংশ চোখের
    নিচে ও নাকের লাগিয়ে নিন। এই অবস্থায় টিস্যু পেপার চেপে চেপে বসিয়ে দিন। টিস্যুপেপারের লেয়ারের ওপরে আরেকবার ডিমের সাদা অংশ দিন। এবার অপেক্ষা
    করতে থাকুন। প্যাকটি শুকালে টান ধরবে। তখন টিস্যুসহ প্যাক তুলে নিন। এই প্যাক নিয়মিত ব্যবহার করুন।

  • দরজার পিছনে ছিলেন মা, ফুফু, শাশুড়ি, তাই বাসর রাতে চিৎকার করতে পারে নি মিরা!

    দরজার পিছনে ছিলেন মা, ফুফু, শাশুড়ি, তাই বাসর রাতে চিৎকার করতে পারে নি মিরা!

    চাদরটা সাদা ‘হতেই পারে, প্রথাটা কিন্তু নিকষ কালো! আর তাই ভা’রতের মহা’রাস্ট্রের নারীদের জন্য তাদের বিয়ের দিনের রাতটি হয়ে পড়ে বিভীষিকাময়। আর নিজের এমনই এক অ’ভিজ্ঞতার কথা শেয়ার করলেন ছদ্মনামধারী এক তরুণী এলমিরা/মিরা। তিনি জানান, বিয়ের পর আমা’র স্বামী যখন পো’ষাক খুলতে শুরু করেন তখন আমি ভয়ে আচ্ছন্ন হয়ে পড়েছিলাম। আমি বার বার নিজেকে বো’ঝানোর চেষ্টা করছিলাম যে এখন আমা’র বিয়ে হয়ে গেছে।

     

    তাই আমা’র স’’ঙ্গে এগু’’লো হওয়াই স্বাভাবিক। কিন্তু কিছুতেই নিজেকে বুঝাতে পারছিলাম। এলমিরার তখন বয়স ছিল ২৭ বছর। মাত্র বিশ্ব’বিদ্যালয়ের পড়াশোনা শেষ করে দোভাষী হিসেবে কাজ শুরু করেছেন। আর তার স্বামীকে বেছে নিয়েছিলেন তার বাবা-মা। এলমিরা সেই বিয়েতে সম্মতিও জা’নিয়েছিলেন। শুধুমাত্র তার মাকে খুশি করতে। এলমিরা বলেন, ওই লোকটি ছিল আ’মা’দের প্রতিবেশী,

    আম’রা একেবারে আলাদা মানুষ ছিলাম সে শিক্ষিত ছিল না, আমা’দের মধ্যে কোন কি’ছুতেই কোন মিল ছিল না। আমা’র ভাই, আ’মাকে তার স’’ঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়েছিল এবং তারা আমাকে বলেছিল সে একজন ভাল লোক। প্র’তিবেশীকে বিয়ে করছি দেখে, মা খুব খুশি ছিলেন। কারণ আমি তার কাছাকাছি থাকতে পারবো, সে আমা’র খোঁজ খবর নিতে পারবে।

    বাড়িতে বিয়ের প্রস’’ঙ্গ উঠতেই এলমিরা তার মাকে অ’নেকভাবে বোঝানোর চেষ্টা করেছেন যে তিনি এখনই বিয়ে করতে চাননা। এলমিরার মা এই বি’ষয়টি আ’ত্মীয় স্ব’জনদের জানিয়ে দিলে তারা এলমিরাকে চাপ দিতে থাকেন। অনেকেই স’ন্দে’হ করছিলেন যে এলমিরা হয়তো কুমা’রী নন। কিন্তু সত্যিটা বিয়েতে ভ’য় ছিলো এ’লমিরার। বিয়ের প্রথম রাতেই প্রথমবার যৌ’

    নমি’লন করেছিলেন তার স্বামী। আর সেটিও তার অ’সম্মতিক্রমে। তার স্বামী এল’মিরার অনুভূ’তি এবং আ’ত্ম-সম্মানবোধকে বিন্দুমাত্র পরোয়া করেন না। এলমিরার কথায়, তিনি শুধু আমা’র উপর হা’মলে পড়েন, যখন আমা’র মা’থা আলমা’রির স’’ঙ্গে ধাক্কা লাগতে থাকে, তখনই শুনি দরজায় টোকা পড়ছে আর পাশের ঘর থেকে নারী কণ্ঠ ভেসে আসছে, আস্তে, চুপচাপ থাকো। আমি একইস’’ঙ্গে য’ন্ত্র’ণায় কাতরাচ্ছিলাম আবার বিব্রত বোধ করছিলাম।

    ভাবছিলাম, বিয়ে মানে কি এগু’’লোই? বি’ষ’য়টা কি জঘন্য! আসলে দরজার পিছনে ছিলেন এল’মিরার মা, দুই ফুফু/খালা, তার শাশুড়ি, এবং আরেকজন দূরবর্তী আ’ত্মীয় (যিনি দরজায় টোকা দিয়ে চেঁচিয়েছিলেন)। স্থানীয় প্রথা অ’নুযায়ী বিয়ের রাতে বর কনের ঘরের বাইরে দুই পরিবারের সদস্যদের বাধ্য’তামূলকভাবে উপস্থিত থাকতে হয়। আর এ কারণ হলো নববধূর কুমা’রীত্ব প্রমাণ করা। এছাড়া বাসর ঘরের বি’ছানার চাদর থাকতে হবে সাদা।

    আর সেখানে র’ক্ত থাকলেই বুঝতে হবে ন’ববধূ কুমা’রী। এরপরে তাদের বরের পরিবার থেকে বধূর সম্মাননা দেয়া শুরু হয়। তবে বেশ কয়েকদিন আগেই বি’ষয়টি নিয়ে টনক নড়ে উঠে মহারাষ্ট্র স’রকারের। তারা জানায়, কোনো মহিলা কুমা’রী কিনা জানতে চাওয়া এবং তার জন্য পরীক্ষার ব্যবস্থা করা তাকে যৌ’ন হে’নস্থা করার সামিল।

    আর এখন থেকে রাজ্য বিষয়টিকে অ’প’রাধ বলেই ধ’রা হবে। হবু স্ত্রী’য়ের পাশাপাশি সদ্য বি’বাহিতা স্ত্রী’য়ের ক্ষেত্রে এই নতুন নিয়ম একইভাবে কার্যকর হবে।

  • আসলে কী দলিল যার জমি তার? নাকি যার দখলে আছে তার?

    আসলে কী দলিল যার জমি তার? নাকি যার দখলে আছে তার?

    আইনের চোখে জমির প্রকৃত মালিক হচ্ছেন তিনি, যার নামে দলিল রয়েছে। দলিল মানে হচ্ছে বিক্রয় চুক্তিপত্র বা দলিল রেজিস্ট্রেশন, যার মাধ্যমে মালিকানা হস্তান্তর হয়। দলিল ছাড়া কেবল কথাবার্তার ভিত্তিতে মালিকানা দাবি করলে সেটি আইনের চোখে গ্রহণযোগ্য নয়। জমির দলিল, খতিয়ান, নামজারি, ট্যাক্স পরিশোধের রশিদ—সব মিলেই জমির বৈধ মালিকানা প্রমাণিত হয়। কেবল দখলে থাকলে বা বসবাস করলেই জমির মালিক হওয়া যায় না।

    অনেক সময় দেখা যায়, দলিল অন্যের নামে থাকলেও দখলে রয়েছে ভিন্ন কারো। অর্থাৎ কেউ হয়তো জোরপূর্বক, আত্মীয়তার সুযোগে বা স্থানীয় প্রভাব খাটিয়ে জমি দখল করে রেখেছেন। গ্রামবাংলায় এ চিত্র খুবই পরিচিত। এই পরিস্থিতিকে বলা হয় “দখল ভিত্তিক মালিকানা দাবি”, যা কার্যত বেশ জটিল ও বিবাদপূর্ণ। দীর্ঘদিন ধরে কেউ যদি দখলে থাকেন, এবং প্রকৃত মালিক কোনো পদক্ষেপ না নেন, তাহলে ওই ব্যক্তি অধিকার দাবি করতে পারেন ‘স্বত্বসুরক্ষা’ (adverse possession) আইনের অধীনে—যদিও তা প্রমাণ করা কঠিন।

    আইন যা বলে: নির্দিষ্ট প্রতিকার আইন, ১৮৭৭ (ধারা ৮) এই ধারায় বলা হয়েছে: “যে ব্যক্তি অন্যায়ভাবে জমি থেকে উৎখাত হয়েছে, সে ব্যক্তি তার দখল পুনরুদ্ধারের জন্য আদালতের শরনাপন্ন হতে পারবেন।” অর্থাৎ, মালিকানা থাকা সত্ত্বেও যদি কাউকে বেআইনিভাবে জমি থেকে উচ্ছেদ করা হয় বা দখল থেকে সরিয়ে দেওয়া হয়, তবে তিনি আদালতে মামলা করতে পারবেন এবং জমি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন।

    কিন্তু এই ধারা অনুসারে মামলা করতে হলে চারটি মূল শর্ত পূরণ করতে হবে:

    জমির মালিকানা প্রমাণ করার জন্য প্রয়োজন হবে বৈধ দলিল, খতিয়ান, নামজারি কাগজ ও ট্যাক্স পরিশোধের প্রমাণপত্র।

    আপনি সত্যিকার অর্থে জমির দখলে ছিলেন কিনা:
    অর্থাৎ, আপনি জমিটি ব্যবহার করতেন, চাষ করতেন বা বসবাস করতেন কি না—এই প্রমাণ দিতে হবে।

    আপনার সম্মতি ছাড়া অন্য কেউ দখল করেছে কিনা:
    যদি জোরপূর্বক, প্রতারণা করে বা মালিকের অজ্ঞাতসারে কেউ জমি দখল করে নেয়, তবে সেটি ‘বেআইনি দখল’ হিসেবে গণ্য হয়।

    ১২ বছরের মধ্যে মামলা করা হয়েছে কিনা:
    জমি বেদখলের ১২ বছরের মধ্যে মামলা না করলে আপনার মালিকানা দাবি ‘প্রেসক্রিপটিভ রাইট’-এর মাধ্যমে হুমকির মুখে পড়তে পারে। তাই সময়ের মধ্যেই পদক্ষেপ নিতে হবে।

    ১৯০৮ সালের তামাদি আইন ও ২৮ ধারা:
    বাংলাদেশের ভূমি আইন অনুযায়ী, কোনো ব্যক্তি যদি টানা ১২ বছর কারো জমি বিনা বাধায়, শান্তিপূর্ণভাবে ও মালিক সেজে ভোগদখলে রাখেন, তাহলে তিনি সেই জমির মালিকানা দাবি করতে পারেন। এ বিষয়টি ১৯০৮ সালের তামাদি আইন (Limitation Act), ধারা ২৮-এ স্পষ্টভাবে উল্লেখ করা হয়েছে।

    তামাদি আইন, ১৯০৮ – ধারা ২৮ কী বলে?
    “যে ব্যক্তি অপরের সম্পত্তি নিরবিচারে, টানা ১২ বছর ধরে, মালিকানা দাবিতে ভোগদখল করেন এবং প্রকৃত মালিক কোনো আপত্তি করেন না, তাহলে সেই ব্যক্তি মালিকানা দাবি করতে পারবেন। আর প্রকৃত মালিকের মালিকানা আইনি দৃষ্টিতে তামাদির মধ্যে পড়ে যাবে।”

    অর্থাৎ, ১২ বছর পার হলে প্রকৃত মালিক আর জমি ফেরত চেয়ে মামলা করতে পারবেন না। এতে জমির মালিকানা দখলদার ব্যক্তির হাতে চলে যেতে পারে।

  • দ্রুত কোটিপতি হতে চাইলে ৪ ব্যবসার কোন বিকল্প নেই

    দ্রুত কোটিপতি হতে চাইলে ৪ ব্যবসার কোন বিকল্প নেই

    বিলিয়নেয়ার বা শতকোটি ডলারের মালিক হওয়া মোটেই সহজ কাজ নয়। কারো কারো কাছে এটি ধরা দেয় অল্প বয়সেই। অনেকে আবার সারাজীবন কঠোর পরিশ্রম করেও বিলিয়নেয়ার হওয়া তো দূরের কথা উল্টো ঋণে জর্জরিত হয়ে জীবন কাটায়।বিশ্লেষকরা বলছেন, কয়েকটি ব্যবসায় আপনি যদি সঠিকভাবে কাজ করতে পারেন তাহলে আপনার বিলিয়নেয়ার হওয়ার জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে। এ ব্যবসাগুলোর কথাই তুলে ধরা হলো এ লেখায়-

    ১. ফাইন্যান্স ও বিনিয়োগ
    ফোর্বস বিশ্বের যত বিলিয়নেয়ারের তালিকা করেছে তাদের মধ্যে ৩০০ জনই ফ্যাইন্যান্স ও বিনিয়োগ ক্ষেত্রে ব্যবসা করে সাফল্য পেয়েছেন। বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অন্যতম প্রবাদপুরুষ ওয়ারেন বাফেটের মোট সম্পদের পরিমাণ ৭৮.১ বিলিয়ন ডলার। তিনি বিশ্বের দ্বিতীয় ধনী ব্যক্তি। শেয়ার বাজারে বিনিয়োগ ঝুঁকিপূর্ণ। কিন্তু সঠিকভাবে বিনিয়োগ করা সম্ভব হলে এখান থেকেই ব্যবসার মাধ্যমে বিপুল অর্থ তুলে নেওয়া সম্ভব, যা প্রমাণ করেছেন বিনিয়োগকারীরা। এ কারণে এটি বিলিয়নেয়ার হওয়ার সবচেয়ে সম্ভাবনাময় ক্ষেত্র।

    ২. ফ্যাশন ও খুচরা পণ্য
    এ ব্যবসাকে অনেকেই তাদের ভাগ্য পরিবর্তনের কাজে ব্যবহার করেছেন। বিশ্বের ২৩৭ জন বিলিয়নেয়ার ফ্যাশন ও খুচরা পণ্যের ব্যবসায় বিলিয়নেয়ার হয়েছেন। বিশ্বের বড় বড় ব্র্যান্ড তারা নিজ উদ্যোগে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

    ৩. গৃহায়ন ব্যবসা
    রিয়েল এস্টেট ব্যবসা অতীতে যেমন রমরমা ছিল এখনও তা রয়েছে। তবে আপনাকে এ ব্যবসায় সাফল্য পেতে হলে বেশ কিছু অর্থ বিনিয়োগ করতে হবে। সাধারণত পারিবারিক ঐতিহ্য রয়েছে এমন ব্যক্তিরা এ ব্যবসায় অন্যদের তুলনায় সুবিধা পান।

    মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এ ব্যবসার সফল ব্যক্তিদের একটি উদাহরণ। ট্রাম্পের মোট সম্পদের পরিমাণ ৩.১ বিলিয়ন ডলার। চীন ও হং কংয়ের রিয়েল এস্টেট ব্যবসায়ীরাও বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ব্যবসায়ীদের অন্যতম। বিশ্বে গৃহায়ণ ব্যবসা করে বিলিয়নেয়ার হয়েছেন এমন ব্যক্তির সংখ্যা দুই শতাধিক।

    ৪. তথ্য–প্রযুক্তি
    ফেসবুকের প্রতিষ্ঠাতা মার্ক জাকারবার্গ যেমন তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় নেমে ৩০ বছরের আগেই যথেষ্ট ধন-সম্পদ কামিয়েছেন, তেমন বিল গেটসও এই ব্যবসাতেই দীর্ঘদিন বিশ্বের সবচেয়ে ধনী ছিলেন। তারা যে সময়ে এ সম্পদ কামিয়েছেন, তা এখনও শেষ হয়ে যায়নি।এখনও প্রতিবছর তথ্য-প্রযুক্তির ব্যবসা করে বহু মানুষ বিলিয়নেয়ার হয়ে উঠছেন। ফোর্বস ম্যাগাজিন জানিয়েছে, ২০১৭ সালে তথ্য-প্রযুক্তি ব্যবসায় ১৮৩ জন বিলিয়নেয়ার হয়েছেন, যা গত বছরের চেয়ে ১৪ শতাংশ বেশি।