Author: News Live

  • নখে সাদা দাগ হয় কেন, অনেকেই এর কারণ জানেন না

    নখে সাদা দাগ হয় কেন, অনেকেই এর কারণ জানেন না

    শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলোর মধ্যে একটি হল নখ। আলফা-ক্যারোটিন প্রোটিন দিয়ে তৈরি নখের প্রধান কাজ নিচে থাকা নরম ত্বককে সুরক্ষা দেওয়া।

    প্রায়ই নখে ছোট কিংবা বড় সাদা দাগ দেখা যায়। এই সাদা দাগ পড়ার বিষয়টিকে সবাই কমবেশি স্বাভাবিকভাবেই নেন। এ ছাড়া এই দাগগুলো ধীরে ধীরে নিজ থেকেই চলে যায়।

    অনেক সময় কারও কারও নখে দীর্ঘদিন ধরে থাকে সাদা দাগগুলো। এ ছাড়া যদি প্রতিটি নখেই এমন দাগ হয় সেক্ষেত্রে বুঝতে হবে শরীরে কোন রোগ বাসা বাঁধছে।

    আরও দেখুন
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    ভিটামিন
    স্বাস্থ্য
    বিশেষ সংখ্যা
    ইসলাম বিষয়ক
    অনলাইন সংবাদপত্র
    বাণিজ্য সংবাদ
    স্বাস্থ্য বিষয়ক
    চাকরির খবর
    বই প্রকাশনা

    নখে সাদা দাগ কেনো হয়?

    নখের এই সাদা দাগকে সাধারণত লিউকোনিচিয়া বলা হয়। অর্থাৎ নখের বিবর্ণতা। শরীরে কোন ভিটামিন, খনিজ বা কোন জরুরি উপাদানের ঘাটতি হলে এই সাদা দাগগুলো নখে দেখা যায়। অথবা নখে কোন আঘাত পেলেও অনেক সময় এরকম দাগ দেখা যায়।

    নখে দীর্ঘদিন ধরে এই সাদাদাগ থাকা মানে জটিল কোন রোগ আক্রান্ত হওয়াও বোঝায়।

    আরও দেখুন
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    ভিটামিন
    স্বাস্থ্য
    বাণিজ্য সংবাদ
    দৈনিক সংবাদ
    ইভেন্ট টিকেট
    আর্কাইভ অ্যাক্সেস
    বিনোদন সংবাদ

    নখের সাদা দাগের কারণ

    ১. ছত্রাক সংক্রমণ

    নখের সাদা দাগের একটি কারণ হল ছত্রাকের সংক্রমণ। হোয়াইট সুপারফিশিয়াল অনাইকোমাইকোসিস নামক একটি ছত্রাকের কারণে হাতে বা পায়ের নখগুলিতে সাদা দাগ দেখা যায়। এ রকম ছত্রাকের কারণে অনেক সময় হাত-পায়ের নখ ফাটা, মোটা হয়ে যাওয়া বা হলুদ বা বাদামি রং ধারণ করে।

    ২. খনিজের ঘাটতি

    নখের সামগ্রিক স্বাস্থ্য ম্যাগনেসিয়াম, জিংক, আয়রন, ক্যালসিয়াম, সোডিয়াম এবং কপারের মতো খনিজ উপাদানের উপর নির্ভর করে। এসব উপাদানের ঘাটতি দেখা দিলে নখের সামগ্রিক গঠন ক্ষতিগ্রস্ত হয় বা প্রভাবিত হয়। তখন নখে সাদা দাগের মত দেখা যায়।

    ৩. অ্যালার্জির কারণ

    নেইলপলিশ, গ্লস, হার্ডেনার বা নেইলপলিশ রিমুভারে অনেকের অ্যালার্জি থাকে। আর এই অ্যালার্জির কারণেই অনেক ক্ষেত্রে নখে সাদা দাগ তৈরি হতে পারে। এ ছাড়া অনেকে নখ সাজাতে অ্যাক্রিলিক বা জেল প্রয়োগ করে থাকে। এসব রাসায়নিক নখকে খারাপভাবে ক্ষতি করতে পারে এবং সাদা দাগের কারণ হতে পারে।

    ৪. নখে আঘাত পাওয়া/ ম্যানিকিউর

    দাঁত দিয়ে নখ কামড়ানোর অভ্যাস আছে অনেকের। এ ছাড়া নখ দিয়ে শক্ত কোন বস্তুতে আঘাত করা, টিনের নখ খোলা এসব কারণেও অনেক সময় নখ আঘাতপ্রাপ্ত হয়। ম্যানিকিউর করার সময় সতর্ক না থাকলে বা খুব ঘন ঘন ম্যানিকিউরও নখের ক্ষতির কারণ হতে পারে। এতে করে নখে সাদা দাগ দেখা যেতে পারে।

    ৫. ভারী ধাতুর বিষক্রিয়া

    আর্সেনিক এবং সীসা থেকে ভারী ধাতব বিষক্রিয়ার ফলে নখজুড়ে ‘মিউস লাইন’ নামে সাদা ব্যান্ড তৈরি হয়। দীর্ঘদিন ধরে আর্সেনিক দূষিত খাবার/ পানি পান করলে এ রকম হয়ে থাকে।

    ৬. নির্দিষ্ট কিছু ওষুধ

    কিছু ওষুধ নখে সাদা দাগ সৃষ্টি করতে পারে। এর মধ্যে রয়েছে ক্যান্সারের চিকিৎসায় কেমোথেরাপি এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণের চিকিৎসার জন্য ব্যবহৃত সালফোনামাইড। এই ওষুধগুলোয় নখ পাতলা হয়ে ভঙ্গুরতার মতো সমস্যা হতে পারে।

    নখের সাদা দাগের প্রতিকার ও প্রতিরোধ

    ১. নখের সাদা দাগের প্রতিকার হিসেবে ভিটামিন ও খনিজসমৃদ্ধ খাবার খাওয়া উচিত যাতে শরীরে পর্যাপ্ত ভিটামিন ও খনিজ উপাদান থাকে। মাছ, ডিম, চর্বিহীন মাংস, বাদাম, সবুজ শাকসবজি, কলিজা ও ফলমূল ইত্যাদি খাবার নিয়মিত পর্যাপ্ত পরিমাণে খাওয়া উচিত।

    ২. অ্যালার্জির কারণে নখে সাদা দাগ হলে যে পণ্যের কারণে অ্যালার্জি হয়েছে সেই পণ্য ব্যবহার বন্ধ করে দিন বা এড়িয়ে চলুন। নেইল পলিশ, জেল কিংবা অ্যাক্রিলিক ম্যানিকিউর কিছুদিন বন্ধ রাখুন।

    ৩. দাঁত দিয়ে নখ কামড়ানো বা নখ দিয়ে কিছু খোঁচানো, আঁচড়ানো বা ঘন ঘন ম্যানিকিউর করা থেকে বিরত থাকুন।

    ৪. নখ কাটার সরঞ্জাম ও নেইল কাটার সব সময় জীবাণুমুক্ত করে ব্যবহার করা উচিত। এ ছাড়া যার যার আলাদা আলাদা নেইল কাটার ব্যবহার করা উচিত।

    ৫. নখ সব সময় পরিস্কার ও পরিচ্ছন্ন রাখুন যাতে ছত্রাকের সংক্রমণ না হয়।

    চিকিৎসকের কাছে কখন যাবেন?

    তবে সব সময় নখের সাদা দাগ সাধারণ মনে করে এড়িয়ে যাওয়া উচিত নয়। নখের সাদা দাগ নিয়ে আপনার যদি সন্দেহ হয় যে ছত্রাক সংক্রমণের ফলে বিবর্ণতা সৃষ্টি হয়েছে, বা নিম্নোক্ত লক্ষণগুলো থাকলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।

    নখের উপর সুনির্দিষ্ট সাদা দাগ

    সাদা দাগ সব নখে ছড়িয়ে পড়লে

    পিটেড এবং ফ্লাকি দাগ

    নখ থেকে দুর্গন্ধ

  • স্ট্রোকের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি লক্ষণ

    স্ট্রোকের ২ মাস আগে শরীরে দেখা দেয় ৬টি লক্ষণ

    স্ট্রোককে প্রায়শই ‘নীরব ঘাতক’ বলা হয়, কারণ এটি হঠাৎ করেই আঘাত হানতে পারে। তবে বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্ট্রোক হওয়ার দুই মাস আগেই শরীর কিছু সতর্কবার্তা দেয়। যদি সময় মতো এই লক্ষণগুলো চিহ্নিত করে চিকিৎসা নেওয়া যায়, তবে মারাত্মক বিপদ এড়ানো সম্ভব।

    স্ট্রোকের ৬টি আগাম লক্ষণ

    ১. মাথা ঘোরা ও ভারসাম্য হারানো: হঠাৎ মাথা ঘোরা, চোখে ঝাপসা দেখা বা হাঁটার সময় ভারসাম্য রাখতে না পারা মস্তিষ্কে রক্তপ্রবাহের সমস্যার ইঙ্গিত।

    ২. হাত-পা অসাড় হওয়া: শরীরের একদিকের হাত বা পা হঠাৎ অসাড় বা দুর্বল হয়ে যাওয়া স্ট্রোকের একটি গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ।

    ৩. কথা বলতে জড়তা: কোনো কারণ ছাড়াই হঠাৎ করে কথা আটকে যাওয়া বা অস্পষ্টভাবে কথা বলা মস্তিষ্কের রক্ত চলাচলে বাধার ইঙ্গিত দেয়।

    ৪. দৃষ্টিতে সমস্যা: এক চোখে বা উভয় চোখেই হঠাৎ ঝাপসা দেখা বা দুটি করে দেখা শুরু হলে তা অবহেলা করা উচিত নয়।

    ৫. তীব্র মাথাব্যথা: হঠাৎ করে বিনা কারণে তীব্র মাথাব্যথা শুরু হওয়া স্ট্রোকের একটি সম্ভাব্য সতর্কবার্তা।

    ৬. ক্লান্তি ও বিভ্রান্তি: অস্বাভাবিক ক্লান্তি, শরীর দুর্বল লাগা বা হঠাৎ করে কোনো বিষয় মনে করতে না পারা (স্মৃতিভ্রংশ) স্ট্রোকের পূর্বাভাস হতে পারে।

    ঝুঁকি কমাতে করণীয়

    বিশেষজ্ঞদের মতে, উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, ধূমপান এবং স্থূলতা স্ট্রোকের ঝুঁকি অনেক বাড়িয়ে দেয়। তাই এই ঝুঁকিগুলো কমাতে কিছু অভ্যাস গড়ে তোলা জরুরি:

    * স্বাস্থ্যকর খাবার খাওয়া।

    * নিয়মিত ব্যায়াম করা।

    * ধূমপান ও মদ্যপান ত্যাগ করা।

    * নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো।

    মনে রাখবেন, শরীরের এই ছোট ছোট সংকেতগুলো বড় ধরনের বিপদ থেকে রক্ষা করতে পারে। তাই উপরের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

    ট্যাগ
  • ছেলেদের “লি”ঙ্গ সাধারণত কত ইঞ্চি হলে মেয়েরা পরিপূর্ণ সুখ পায়

    ছেলেদের “লি”ঙ্গ সাধারণত কত ইঞ্চি হলে মেয়েরা পরিপূর্ণ সুখ পায়

    আপনারা কখনো পেনিসের আদর্শ সাইজ কত নিয়ে চিন্তিত হয়েছেন? অনেকেই এই বিষয়ে কমবেশি উৎসুক হয়ে থাকেন। আজকের এই ব্লগে আমরা পেনিসের আকার নিয়ে কিছু মিথ এবং সত্যের বিষয়ে আলোকপাত করব। বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে পাওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আমরা জানতে পারব যে, পেনিসের আকার কতটুকু হওয়া স্বাভাবিক এবং এই আকার কেন এত গুরুত্বপূর্ণ।
    একটি ব্যাপক গবেষণায়, ১৯৪২ থেকে ২০২১ সালের মধ্যে পরিচালিত ৭৫টি গবেষণার তথ্য বিশ্লেষণ করে, ৫৫,৭৬১ জন পুরুষের উপর একটি গড় নির্ণয় করা হয়েছে। এই গবেষণা অনুযায়ী, লম্বা অবস্থায় গড় পেনিসের দৈর্ঘ্য ১৩.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.৪৮ ইঞ্চি), প্রসারিত অবস্থায় ১২.৯৩ সেন্টিমিটার (৫.০৯ ইঞ্চি) এবং শিথিল অবস্থায় ৮.৭০ সেন্টিমিটার (৩.৪৩ ইঞ্চি) হিসাবে পাওয়া গেছে।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক মাপ নির্ণয় করলেন বিজ্ঞানীরা
    অনেক পুরুষের মধ্যেই তাদের পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে উদ্বেগ বা দ্বিধা থাকে। এই বিষয়ে সম্প্রতি একটি গবেষণা কিছুটা স্বস্তি দিতে পারে। গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক আকার ও গড় মাপ নির্ধারণ করা হয়েছে, যা হয়তো অনেকেরই এই সংশয় দূর করতে সাহায্য করবে। এক প্রতিবেদনে ইন্ডিপেনডেন্ট জানিয়েছে যে, এই গবেষণা পরিচালনা করেছে লন্ডনের কিংস কলেজ এবং যুক্তরাজ্যের ন্যাশনাল হেলথকেয়ার সার্ভিসেস (এনএইচএস) ট্রাস্ট। গবেষণাটিতে ১৫ হাজার পুরুষকে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল, যাতে তাদের পুরুষাঙ্গের মাপ সংগ্রহ করা হয়।
    গবেষণার ফলাফল অনুযায়ী, পুরুষাঙ্গের স্বাভাবিক দৈর্ঘ্য সাধারণত ৩.৬ ইঞ্চি। তবে, যদি টানা হয়, তাহলে এর দৈর্ঘ্য গড়ে ৫.২ ইঞ্চিতে পৌঁছে। এছাড়াও, পুরুষাঙ্গের পরিধি হয় সাধারণত ৩.৭ ইঞ্চি। উত্থানকালে, এর দৈর্ঘ্য প্রায় ৫.১ ইঞ্চি এবং পরিধি হয় ৪.৫ ইঞ্চি। এই গবেষণায় বিভিন্ন জাতি এবং বয়সের পুরুষদের মাপ নেওয়া হয়েছিল এবং সেই মাপের গড় থেকে এই সংখ্যা নির্ধারণ করা হয়েছে।
    গবেষকদের মতে, অনেক পুরুষেরই এই নিয়ে মনে নানা সংশয় থাকে। তবে, এই তথ্য জেনে তারা এখন নিজেরাই মাপ নিয়ে দেখতে পারেন, যে তাদের আকার স্বাভাবিক কি না। চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়ার আগে এটি তাদের একটি ধারণা দেবে। এই গবেষণার ফলাফল কনডম নির্মাতাদের জন্যও খুবই উপকারী হতে পারে, কারণ সঠিক মাপের কনডম তৈরি করার জন্য তারা এই তথ্য ব্যবহার করতে পারবেন। গবেষণার ফলাফল ব্রিটিশ জার্নাল অফ ইউরোলজি ইন্টারন্যাশনালে প্রকাশিত হয়েছে।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত?
    পুরুষাঙ্গের আকার নিয়ে চিন্তা বা দুশ্চিন্তা বহু পুরুষের মধ্যে প্রচলিত একটি বিষয়। গবেষণায় দেখা গেছে, প্রায় অর্ধেক প্রাপ্তবয়স্ক পুরুষই মনে করেন যে তাদের পুরুষাঙ্গ ছোট, যদিও বাস্তবিকভাবে এটি যৌন সক্ষমতার সাথে তেমন সম্পর্কিত নয়। গড়ে উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষাঙ্গের দৈর্ঘ্য হয় ৪.৭ থেকে ৬.৩ ইঞ্চি, যা অঞ্চলভেদে কিছুটা পরিবর্তিত হতে পারে। তবে, খুব বিরল ক্ষেত্রে, কিছু পুরুষের জন্মগত বা হরমোনজনিত কারণে ৩ ইঞ্চির কম আকারের পুরুষাঙ্গ দেখা যেতে পারে, যা “মাইক্রোপেনিস” নামে পরিচিত।
    গবেষণায় আরও জানা গেছে যে, বেশিরভাগ পুরুষের জন্য ৪ ইঞ্চি দৈর্ঘ্যের পুরুষাঙ্গ যৌন সঙ্গিনীকে পরিতৃপ্তি দিতে যথেষ্ট। আকার ছোট হলেও তা যৌন মিলনের ক্ষেত্রে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না। তবে, প্রোস্টেট ক্যান্সারের মতো কিছু রোগের কারণে পুরুষাঙ্গের আকারে পরিবর্তন আসতে পারে। কিন্তু এটি খুবই বিরল। পেনিসের আদর্শ সাইজ কত বা লিঙ্গের স্বাভাবিক সাইজ কত – এ প্রশ্নের উত্তর হিসেবে বলা যায়, শিথিল অবস্থায় পুরুষাঙ্গের গড় দৈর্ঘ্য ৩-৩.৫ ইঞ্চি থাকে, যা উত্তেজিত অবস্থায় ৫-৬ ইঞ্চিতে পৌঁছায়।
    যৌনতার ক্ষেত্রে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকার খুব একটা গুরুত্বপূর্ণ নয়। সুইজারল্যান্ডের একটি গবেষণায় ১০৫ জন নারীর উপর জরিপ চালানো হয়, যেখানে দেখা গেছে, নারীরা যৌনতার সময় পুরুষাঙ্গের আকারের চেয়ে এর স্বাভাবিক আকৃতি এবং ত্বকের স্বাস্থ্যের প্রতি বেশি গুরুত্ব দেন। এছাড়া, কসমোপলিটান ম্যাগাজিনের এক জরিপে দেখা গেছে, বয়স এবং যৌন অভিজ্ঞতার সঙ্গে নারীদের কাছে পুরুষাঙ্গের আকারের গুরুত্ব আরও কমে আসে।
    যৌনমিলনের ক্ষেত্রে লিঙ্গের আকারের চেয়ে মনস্তাত্ত্বিক এবং শারীরিক সংযোগ বেশি গুরুত্বপূর্ণ। পুরুষদের অহেতুক দুশ্চিন্তা বা অজ্ঞতা তাদের যৌন জীবনকে নেতিবাচকভাবে প্রভাবিত করতে পারে। ছোট আকারের পুরুষাঙ্গও উত্তেজিত অবস্থায় অনেক বৃদ্ধি পেতে পারে। লিঙ্গের আদর্শ সাইজ কত হলে ভালো হয় বা আদর্শ লিঙ্গের সাইজ কত হওয়া দরকার – এ প্রশ্ন নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তা না করে সুস্থ জীবনধারা বজায় রাখাই সঠিক পথ।
    যুগ যুগ ধরে বিভিন্ন পদ্ধতি, যেমনঃ বড়ি, ক্রিম, এবং অস্ত্রপ্রচার, পুরুষাঙ্গের আকার বাড়ানোর প্রচেষ্টা চলে আসছে, তবে এর কার্যকারিতা নিয়ে তেমন কোনো সফল ফলাফল পাওয়া যায়নি। বরং, এসব পদ্ধতি অনেক সময় পুরুষের স্বাভাবিক যৌনক্ষমতা নষ্ট করে দেয়। তাই লিঙ্গের সাইজ কত হলে ভালো হয় বা পেনিস সাইজ কত হওয়া দরকার – এ বিষয়ে মিথ্যা প্রচারণায় বিভ্রান্ত না হয়ে বিজ্ঞানসম্মত তথ্যের উপর নির্ভর করাই উত্তম।
    পেনিসের আদর্শ সাইজ কত | পেনিসের সাইজ কত হওয়া উচিত
    উত্তেজিত অবস্থায় পুরুষদের পেনিসের আদর্শ সাইজ কত?
    সাধারণত পেনিসের দৈর্ঘ্য ৫.১ থেকে ৫.৯ ইঞ্চির মধ্যে হয়ে থাকে।
    অনেকের ধারণা পেনিস বড় হলে স্ত্রীকে বেশি আনন্দ দেওয়া যায়, কিন্তু আসলে স্থায়িত্বই গুরুত্বপূর্ণ। সাধারণত স্থায়িত্ব ৭ থেকে ১০ মিনিট হয়ে থাকে।
    পুরুষাঙ্গ একেবারে সোজা নয়, সাধারণত একটু বাঁকা থাকে।
    পুরুষাঙ্গের আগা মোটা এবং গোড়া চিকন হওয়াকে বড় ধরণের সমস্যা মনে করার দরকার নেই।
    পুরুষাঙ্গ বড় করার জন্য কোন জাদুকরী তেল বা ঝাড় ফু সম্পূর্ণ বানোয়াট, তাই এমন ফাঁদে পড়বেন না।
    পুরুষাঙ্গ বড় না হলেও নারীকে সন্তুষ্ট করা সম্ভব; মাত্র ৩ ইঞ্চি পেনিসই খুশি করতে যথেষ্ট।
    পুরুষাঙ্গ অতিরিক্ত বড় হলে অনেক সময় নারীরা ব্যথা পায়, যা যৌন আতঙ্কে রূপ নিতে পারে।
    প্রকৃত ছোট লিঙ্গের দৈর্ঘ্য ২.৭৬ ইঞ্চির কম হয়।
    পুরুষাঙ্গের গোঁড়া চিকন, আগা মোটা বা বাঁকা হওয়া যৌন মিলনে কোনো সমস্যা সৃষ্টি করে না।
    নিজ স্ত্রী ছাড়া অন্য কোথাও পুরুষাঙ্গ ব্যবহার করবেন না, এতে আপনি অনেক রোগ থেকে সুরক্ষিত থাকবেন।

  • না’রীদের স্ত’নে ব্যথা কেন হয়, কী করবেন জেনে নিন

    না’রীদের স্ত’নে ব্যথা কেন হয়, কী করবেন জেনে নিন

    না’রীদের স্ত’নে ব্যথা কেন হয়, কী করবেন জেনে নিন
    স্তনে ব্যথা অনুভব করলে অধিকাংশ নারী আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। ভাবেন, স্তন ক্যানসার না তো আবার! কিন্তু স্তনে ব্যথা অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই রোগের সঙ্গে সম্পর্কিত নয়। নানা কারণে স্তনে ব্যথা হতে পারে।
    কেন ব্যথা হয়
    মাসিক চলাকালে বা আগে–পরে নারীদের স্তনে ব্যথা স্বাভাবিক। হরমোনের পরিবর্তনের কারণে এ ব্যথা হয়। পিরিয়ড শেষ হলে ব্যথা থাকে না।
    গর্ভধারণের সময় নারীরা স্তনে ব্যথা অনুভব করতে পারেন। সাধারণত গর্ভধারণের তৃতীয় মাসে ব্যথা শুরু হয়। কারণ, তখন স্তনের আকার বৃদ্ধি পায়। অনেক সময় স্তনের ওপর নীল শিরা দেখা যায়। এর কারণ তখন অনেক বেশি পরিমাণে রক্তপ্রবাহ হয় এবং হরমোনের অনেক পরিবর্তন ঘটে।
    নারীদের স্তনে প্রদাহজনিত সমস্যার ফলে স্তনে ব্যথা হতে পারে। ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাসের আক্রমণে এটি হয়ে থাকে। এ ব্যথায় জ্বর আসতে পারে। এ সমস্যায় চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    অনেক সময় স্তনে একধরনের সিস্ট হয়, যার ভেতর তরলজাতীয় পদার্থ থাকে। এর নাম ব্রিজ সিস্ট। স্তনের গ্রন্থি বৃদ্ধি পেলে অনেক সময় এই সিস্ট দেখা যায়। এর কারণে ব্যথা হয়। সিস্ট অনুভব করতে পারলে যত দ্রুত সম্ভব স্তনবিশেষজ্ঞের শরণাপন্ন হওয়া উচিত।
    সন্তান জন্মদানের পর সন্তানকে বুকের দুধ খাওয়ানোর সময়ও স্তনে ব্যথা হতে পারে। এ সময় পরিচ্ছন্নতা মেনে চলতে হবে। শিশুকে দুধ খাওয়ানোর আগে ও পরে স্তন পরিষ্কার করে নেওয়া ভালো। কারণ, এতে ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া বা ফাঙ্গাস হওয়ার ঝুঁকি থাকে না।
    স্তনে ঘা বা ইনফেকশন থেকে স্তনে ব্যথা হতে পারে। স্তনের নিপলে ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণ হতে পারে। এতে প্রচণ্ড ব্যথা ও ফোড়ার মতো হয়।
    স্তন ক্যানসার দীর্ঘদিন পার হলে স্তনসহ বুকের পাঁজর ও পেশিতে ব্যথা হতে পারে। সাধারণত শুরুর দিকে কোনো ব্যথা থাকে না।
    প্রতিকার ও করণীয়
    স্তনের মাপ অনুযায়ী ব্রা পরুন। ছোট মাপের আঁটসাঁট ব্রা এড়িয়ে চলুন।
    কম চর্বিযুক্ত স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য গ্রহণ করবেন।
    দেহের ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন।
    ভিটামিন বি৬, ভিটামিন ই১ (থায়ামিন) ও ভিটামিন ই সমৃদ্ধ খাবার বেশি খান।
    খুব ব্যথা হলে পিরিয়ডের আগে–পরে ব্যথা কমানোর ওষুধ খাওয়া যায়।
    চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ড্যানাজোলের প্রয়োগ করা যায়।
    ক্যাফেইন এড়িয়ে চলা ও লবণ কম খাওয়া উচিত।
    এরপরও স্তনে মৃদু ব্যথার সঙ্গে চাকা অনুভব করা, নিঃসরণ বা অন্য কোনো উপসর্গ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।
    অধ্যাপক ডা. রওশন আরা বেগম, রেডিয়েশন অনকোলজি বিভাগ, আহ্ছানিয়া মিশন ক্যানসার অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতাল, ঢাকা

    ট্যাগ