Author: News Live
-
স্ত্রীকে সঠিক ভাবে উত্তেজিত করার জন্যে যা আপনার জানা একান্ত জরুরী
স্ত্রীকে সঠিক ভাবে উ’ত্তেজি’ত করা বা তাকে পরিপূর্ণ যৌন তৃপ্তি দিতে এই কৌশল আপনার জানা একান্ত জরুরী…স্ত্রীকে সঠিকভাবে উত্তেজিত করার জন্য কিছু গুরুত্বপূর্ণ টিপসশারীরিক ঘনিষ্ঠতা একটি সম্পর্কের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ। আপনার স্ত্রীকে মানসিকভাবে এবং শারীরিকভাবে সঠিকভাবে উত্তেজিত করার জন্য এখানে কিছু টিপস দেওয়া হলো, যা আপনাদের দু’জনের জন্যই আনন্দদায়ক হবে:১. মানসিক এবং আবেগমূলক সংযোগ স্থাপনশারীরিক উদ্দীপনার আগে মানসিক সংযোগ অত্যন্ত জরুরি।* গভীর কথোপকথন: নিয়মিতভাবে আন্তরিক আলোচনা করুন, যেখানে দু’জনই নিজেদের অনুভূতি, স্বপ্ন এবং দিনের অভিজ্ঞতা মন খুলে বলতে পারেন।* প্রশংসা এবং মনোযোগ: প্রতিদিন ছোট ছোট বিষয়ে তার প্রশংসা করুন। তাকে বিশেষ অনুভব করান এবং তার প্রতি আপনার মনোযোগ বজায় রাখুন।* স্নেহময় স্পর্শ: যৌনতা ছাড়াও সাধারণ সময়ে আলতো করে হাত ধরা, জড়িয়ে ধরা বা কপালে চুম্বন করা মানসিক বন্ধনকে দৃঢ় করে।২. পূর্বাভাস তৈরি করা (Foreplay)উত্তেজিত করার প্রক্রিয়া শয্যা গ্রহণের বহু আগে থেকেই শুরু হতে পারে।* সারপ্রাইজ দিন: অপ্রত্যাশিতভাবে ছোট উপহার বা তার পছন্দের কাজ করে তাকে খুশি করুন।* রোমান্টিক পরিবেশ: মাঝে মাঝে রোমান্টিক ডিনার বা ক্যান্ডেল লাইট ডিনারের ব্যবস্থা করুন।* বার্তা আদান-প্রদান: দিনের বেলা অন্তরঙ্গ বা মজার বার্তা পাঠিয়ে আসন্ন ঘনিষ্ঠতার আভাস দিতে পারেন।৩. অন্তরঙ্গ মুহূর্তে মনোযোগঘনিষ্ঠতার সময় সম্পূর্ণভাবে উপস্থিত থাকা এবং তার চাহিদা বোঝা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।* সময় নিন: তাড়াহুড়ো করবেন না। ফোরপ্লে (Foreplay)-কে যথেষ্ট সময় দিন। এই সময়কার স্পর্শ, চুম্বন এবং আদর তাকে মানসিকভাবে ও শারীরিকভাবে প্রস্তুত করে তোলে।* যোগাযোগ: সরাসরি জিজ্ঞাসা করুন যে তার কী ভালো লাগছে। “তোমার কেমন লাগছে?” বা “আমি কি এটা করলে তোমার ভালো লাগবে?” – এমন প্রশ্ন তাকে স্বাচ্ছন্দ্য দেবে।* পুরো শরীরের প্রতি মনোযোগ: শুধুমাত্র ‘প্রধান’ অংশগুলিতেই নয়, তার পুরো শরীরে (যেমন: ঘাড়, কান, পিঠ, উরু) আপনার মনোযোগ দিন। শরীরের বিভিন্ন স্থানে স্পর্শ, চুম্বন ও ম্যাসাজ উদ্দীপনা বাড়াতে পারে।* অর্গাজমকে গুরুত্ব দেওয়া: নিশ্চিত করুন যে সেও তার চরম আনন্দ বা অর্গাজম উপভোগ করতে পারছে। অনেক সময় পুরুষেরা নিজেদের অর্গাজমের পরেই থেমে যান, যা উচিত নয়।৪. স্বাস্থ্য এবং পরিচ্ছন্নতানিজের এবং পরিবেশের পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা তার জন্য আকর্ষণীয় হতে পারে।* ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা: ঘনিষ্ঠ হওয়ার আগে নিজেকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখা এবং সুগন্ধি ব্যবহার করা ভালো।* পরিবেশ: শোবার ঘরটি পরিষ্কার, আরামদায়ক এবং প্রয়োজনমতো মৃদু আলো বা সুগন্ধযুক্ত রাখুন।> গুরুত্বপূর্ণ বিষয়: প্রতিটি মানুষ আলাদা, এবং প্রত্যেকে ভিন্নভাবে উত্তেজিত হয়। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হল খোলামেলা যোগাযোগ বজায় রাখা এবং তার ব্যক্তিগত ভালো লাগা বা চাহিদাগুলি বোঝা ও সেগুলিকে সম্মান করা। আপনার স্ত্রীকে জিজ্ঞাসা করুন বা তাদের শরীরী ভাষা খেয়াল করে বোঝার চেষ্টা করুন যে তার কী ভালো লাগছে।শেষ কথাআপনার যদি শারীরিক অক্ষমতা থাকে তাহলে আপনি পৃথিবীর মধ্যে সবচেয়ে নিরীহ মানুষ। আপনার না আছে স্ত্রীর কাছে সম্মান আর না আছে আপনার মনে শান্তি। পৃথিবীর সবাই আপনাকে ভয় আর শ্রদ্ধা করলেও সবই বেকার। মনে রাখবেন যে পুরুষ নারী মহলে বাহাদুরি করতে পারে সেই আসল পুরুষ।তাই রোগ চেপে রাখবেন না বনাজি বা ভেষজ চিকিৎসা গ্রহন করুন স্থায়ীভাবে সুস্থ হউন। আপনার ভিতর জিদ তৈরি করুন যে আমি পরিপূর্ণ সুস্থ না হওয়া পর্যন্ত হাল ছাড়বো না। হ্যা এমন মানুষিতার মানুষ গুলোই সুস্থতা নিশ্চিত করতে পারে। তাই বলবো আমরা দীর্ঘদিন ধরে গোপন রোগের স্থায়ী চিকিৎসা করে আসছি আপনি চাইলে আমাদের সেবাটা শেষ চিকিৎসা মনে করে গ্রহন করতে পারেন। এই নাম্বারে যোগাযোগ করুন 01733164992 ফোন অথবা হোয়াটসঅ্যাপ।তবে দয়া করে মেসেঞ্জারে নক দিবেন না। -
আপনিও ঘুমের মধ্যে শ’রীরে ঝাঁ’কুনি অনু’ভব করেন? জেনে নিন এটা কীসের লক্ষণ!
সবে চোখটা বুজে এসেছে। আচ’মকাই একটা ঝটকা। শ’রীরটা প্রবলভাবে ঝাঁ’কুনি দিয়ে উঠল, যেন মনে হচ্ছে কোথাও পড়ে যাচ্ছিলেন। এটা শুধু আপনার স’মস্যা নয়, শ’রীরের ঝাঁকুনির এমন অভিজ্ঞতা লাভ ক’রেছেন বিশ্বের অন্ত’ত ৭০ শতাংশ মানুষ।
ঘুমের মধ্যে শ’রীরে ঝাঁ’কুনি, কীসের লক্ষণ জা’না আছে?
ঘুমের মধ্যে এমন ঝাঁ’কুনিকে ‘হিপনিক জার্কস’বলা হয়। কেন এমনটা হয়? জেগে থাকা অবস্থা থেকে সবে ঘুমোতে যাওয়ার অবস্থার মধ্যে এই ‘হিপনিক জার্কস’ ঘ’টে থাকে। এই সময় মানুষ পুরোপুরি ঘুমের মধ্যে থাকে না।
বরং বলা যায়, সে তন্দ্রাচ্ছন্ন থাকে। এই অবস্থাতেই স্বপ্ন দেখা শুরু হয়। এমন প’রিস্থিতিতে জাগরণ ও স্বপ্নের সীমানাকে অনেক সময়েই মস্তি’ষ্ক ঠাহর ক’রতে পারে না। ফলে তার ধা’ক্কা এসে লাগে শ’রীরে। এ থেকেই তৈরি হয় ‘হিপনিক জার্কস’।
ঠিক কেন মস্তি’ষ্ক ঠাহর ক’রতে পারে না শ’রীরে অবস্থা? আ’সলে শ’রীরে তন্দ্রাচ্ছন্ন ভাব নেমে এলে মাস্ল এবং পেশীগুলো আস্তে আস্তে অবশ হতে থাকে। কিন্তু, মস্তিস্ক শ’রীরে পেশীর এই অব’স্থান ঠাহর ক’রতে না পেরে সেই প্রক্রিয়া আ’টকানোর চেষ্টা করে, ফলে শারীরে ঝাঁকুনি হয়।
যদিও, কিছু মানুষ একে শা’রীরিক অসুবিধা ভেবে ভ’য় পান। কিন্তু, চিকি’ৎসকদের মতে এতে ভ’য় পাওয়ার মতো কিছু নেই। তবে, অনেক সময়ে নাক ডাকা থেকেও ‘হিপনিক জার্কস’ ঘ’টে থাকে। স্না’য়ুতন্ত্রের উ’ত্তেজনাপ্রবাহ ঠিকমতো ঠাহর ক’রতে না পারায় এক্ষে’ত্রে ঘুমের মধ্যে শ’রীরে ঝাঁ’কুনি হয়।
-
চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা
চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে ছেলেদের পুরুষত্ব, ব্যবসা চলছে রমরমা
বিক্রি হচ্ছে পুরুষত্ব কলগার্লের যখন রমরমা ব্যবসা তখন এ’সকর্টের খাতায় নাম লেখাতে ছেলেরাও পিছিয়ে নেই। বেশিরভাগ সময় এইসব ছেলেরা পুরুষত্ব বিক্রি করে কর্পোরেট বিজনেসম্যানদের স্ত্রীদের কাছে। কিংবা সেই সকল মহিলা যারা উদ্যম জীবন যাপনে অভ্যস্ত। ঢাকা শহরের অলিতে গলিতে এসকর্ট বিজনেস কিংবা কল গার্ল নামে যে কালচারটা গড়ে উঠেছে সেটার লিডিং পজিশনে আছে নামী দামি ভার্সিটির উচ্চ শিক্ষিত মেয়েরা।শুধু মেয়েরাই এই এসকর্ট বিজনেসে চালিয়ে যাচ্ছে এমনটা নয়; ছেলেরাও এখন নিজেদের পুরুষত্ব বিক্রি করছে চড়া দামে। সমাজ বিজ্ঞানীরা বলছেন’ এসকর্ট বিজনেসের এই রমরমা ব্যাবসায় মেয়েরা আগে পেটের দায়ে আসলেও’ এখন আসে স্রেফ উচ্চাভিলাষী জীবনযাপনের জন্য। ঢাকার উত্তরায় এরকম কিছু ফ্ল্যাটের সন্ধান পাওয়া গেছে যেখানেস্বামী স্ত্রী” উভয়েই এসকর্ট বিজনেসের সাথে জড়িত। স্বামী বাইরের লোককে ডেকে এনে স্ত্রীর ঘরে পাঠায়। মোটা অংকের টাকার বিনিময়ে একেবারে বাসায় বসে নিরাপদে এরকম বিজনেস চালিয়ে আসছিল বেশ কিছু যুগল। যেহেতু হোটেল বিজনেসের মতো উদ্যম নয় অতএব মানুষের চোখের আড়ালে খুব সহজেই বিজনেস চালানো সহজ ছিল। লক্ষ্যনীয় বিষয় এই যে’ ভার্সিটির এই ছেলে মেয়েগুলোকে কখনোই আপনি ধরা পড়তে দেখবেন না। ধরা খায় রাস্তার ৩০০ টাকার মেয়েটা’ কিংবাকোন সস্তা পতিতালয়ের কোন সস্তা মেয়ে। অনলাইন এবং অফলাইন সব জায়গায় এই এক্সপেন্সিভ গ্রুপটা বেশ আধিপত্যের সাথে বিজনেস করে। উচু লেভেলের
যাবে। ভার্সিটির মতো জায়গা থেকে যখন উচ্চ শিক্ষিত মেধাবী মানুষ বের হওয়ার কথা’ তখন সেখান থেকে বের হয় উচ্চ শিক্ষিত এসকর্ট (ছেলে এবং মেয়ে উভয়েই)। এসকর্ট বিজনেসের সঙ্গে জড়িত এক বিশ্ববিদ্যালয়ের তরুণী জানায়’ একজন স্ত্রী তার স্বামীর কথায় আরেকজন পুরুষের সাথেবিছানা শেয়ার করতে সানন্দে রাজি হয়ে যাচ্ছে। বিনিময়ে শরীর বিক্রি করে স্মার্ট ফোন’ ল্যাপটপও আদায় করে নিচ্ছে অনেকে। এ পেশায় আধুনিক ছেলেরাও যোগ দিয়েছে। যে লক্ষণগুলো স্পষ্ট করে একজন নারী বিবাহিত জীবনে অসুখী অনেকগুলো স্বপ্নের জাল বুনে একজন নারী স্বামীর সংসার শুরু করেন। বলা যায় একটি নতুন জীবনের সূচনা। বিবাহিত জীবন খুব সুখে শান্তিতে কাটবে এমনটাই কমনা থাকে সবার তবে সব আশা সবার পুর্ন হয়না। তাই বিয়ের পরও দুঃখী থেকে যায় কিছু নারী।
আপনি যদি একজন বিবাহিত নারী হয়ে থাকনে এবং আপনার বিবাহিত জীবন যদি সুখকর না হয়ে থাকে তবে আজকের এই লেখা ধরে নিন আপনাকে উদ্দেশ্য করেই। আসলে একটা সময়ে গিয়ে আমরা জীবনে ঠিক বেঠিক বুঝে উঠতে পারিনা। আমরা কি আসলেই ভালো আছি কিনা তাও বুঝিনা। আজ আমরা আলোচনা এমন কিছু লক্ষণ নিয়ে যা স্পষ্ট করে যে একজন বিবাহিত নারী সুখে নেই। প্রথমেই বলা যাক ঘুমের কথা। উইমেনস হেলথ
একরোস দ্যা ন্যাশনের ডাক্তার ট্রক্সেল একটি বিশেষ গবেষণার পর এ কথা বলেন যে’ সুখী বিবাহিত নারীরা অসুখী নারীদের তুলনায় শতকরা ১০ ভাগ গভীর এবং সুখকরভাবে নিদ্রা যাপন করে থাকেন। হতে পারে আপনার স্বামী শহরের বাইরে আছেন কিংবা আপনার আপনার সন্তানের অসুস্থ। যে কোন কারনেই হোক না কেন একজন বিবাহিত নারী সেই মুহূর্তে যথেষ্ট অসুখী যখন তার ঘুমের জায়গা টেনশন দখল করে নেয়। একজন অসুখী বিবাহিত নারীর দ্বিতীয় লক্ষণ হচ্ছে ক্লান্তি।
-
মেয়েরা ৭টি নতুন স্টাইলে করতে পছন্দ করেন, রইল পজিশনের ছবি
বিবাহিত মহিলাদের ৭টি কষ্ট কথা, যা সহজে সামনে আনেন না
নারী-পুরুষ ভেদে চিন্তা-ভাবনা আর জীবনকে দেখার দৃষ্টি ভঙ্গি আলাদা মানুষের বৈবাহিক অবস্থার সঙ্গে ও কিন্তু এই সবের পরিবর্তন হয়। একজন তরুণী বিয়ের আগে যেমনটা থাকে, বিয়ের পর তার অনেকটাই বদলে গিয়ে সম্পূর্ণ নতুন মানুষ হয়ে ওঠতে হয়৷ বিয়ে ব্যাপারটাম দূর থেকে যতটা সুখের মনে হয়, কাছে গেলে বদলে যায় পরিস্থিতি।
এমন কিছু ব্যাপার রয়েছে, যেগুলো বিয়ে না হলে আসলে অনুভব করা যায় না। সেই সাত গোপন কথা তুলে ধরা হল এই প্রতিবেদনে৷
১) ছেলেদের জন্য ভালোবাসা যেমন, মেয়েদের জন্য ভালোবাসা আসলে তেমন নয়। বিয়ের কিছু বছর পর স্ত্রীর প্রতি অনেক স্বামীরই মনযোগ কমে আসে। বিষয়টা ভালোবাসার অভাব কখনও, কখনও আবার স্রেফ ব্যস্ততা বা দিনযাপনের অভ্যাস। অন্যদিকে, বিয়ের বয়স বাড়ার সঙ্গে স্ত্রীর বরং মনযোগ পাওয়ার আগ্রহ বাড়ে। স্বামীর অবহেলায় মনে মনে দগ্ধ যে কোন বিবাহিতা নারীকে জীবনের কোন না কোন পর্যায়ে হতেই হয়।
২) সমাজে বিবাহিতা নারীর জীবনে একটা অত্যন্ত বড় ইস্যু হচ্ছে শাশুড়ি। বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই শাশুড়ির কারণে বিবাহিতা নারীরা নানা রকম মানসিক ও পারিবারিক সমস্যায় ভোগেন৷ এটা এমন একটা সমস্যা যে না পাড়া যায় বলতে আর না পাড়া যায় সহ্য করতে।
৩) পৃথিবীতে এমন কোন পুরুষ নেই, যিনি কিনা অন্য নারীদের দিকে তাকান না বা কখনও তাকাননি। বিয়ের পর কখনও না কখনও তৃতীয় কোন নারীর আগমন নিয়ে কষ্ট পেতে হয় স্ত্রীদের। এটা হতে পারে যে স্বামী অন্য নারীর প্রতি আগ্রহী, আবার এমনও হতে পারে যে অন্য কোন নারী স্বামীর প্রতি আগ্রহী। দুই ক্ষেত্রেই কষ্ট স্ত্রীকেই ভোগ করতে হয়।
৪) সমাজে পুরুষেরা স্ত্রীদের সাংসারিক দায়িত্ব ভাগ করে নেন না। বিয়ের পর একটা পুরুষের জীবনে যেটুকু পরিবর্তন আসে, তার চাইতে অনেক বেশী বদলে যায় নারীর জীবন। সংসারের সমস্ত দায়িত্ব একা পালন করতে করতে নারী একটা বয়সে গিয়ে একাকীত্ব আর হতাশায় ভুগতে শুরু করেন। বিশেষ করে সন্তানেরা একটু বড় হয়ে যাওয়ার পর।
৫) মা- বাবা, পরিবারকে ছেড়ে সম্পূর্ণ নতুন একটি পরিবারে নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা যে আসলে কত কঠিন একটা বিষয়, সেটা কেবল বিয়ের পরই বুঝতে পারেন মেয়েরা। আর তাই তো বিয়ের পর পরিবারের জন্য টান এত বেড়ে যায়।
৬) বিবাহিত জীবনে যতই সুখী হোক না কেন, নিজের মনের গহীনে তরুণী বয়সের উচ্ছ্বল জীবনের জন্য একটা হাহাকার পুষে রাখেন সব নারীই। দায়িত্বহীন আনন্দময় জীবন, নিজের মত সব কিছু করে ফেলার স্বাধীনতা, নিজের সেই দীপ্তিভরা যৌ;বন, সবকিছুর জন্যই কখ কখনো মন খারাপ হয়।
৭) মহিলাদের আরেকটি কষ্ট আছে৷ যা সন্তান কেন্দ্রিক। সন্তান না হওয়া, সন্তানের অসুস্থতা, সন্তান বড় হয়ে যাওয়ার পর নানাভাবে মাকে অবহেলা আর কষ্ট দেওয়া বিষয়গুলি কেবল বিবাহিতা নারীদের জীবনেই আসে।ট্যাগ