Author: News Live

  • তরুণদের মধ্যে বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের হার, অবশেষে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন কারণ

    তরুণদের মধ্যে বাড়ছে কোলন ক্যান্সারের হার, অবশেষে বিজ্ঞানীরা খুঁজে পেলেন কারণ

    বিজ্ঞানের সাম্প্রতিক গবেষণায় দেখা যাচ্ছে, কোলোন ক্যান্সার এক সময়ের মতো শুধুমাত্র বয়স্কদের নয়, এখন ২০ থেকে ৪০ বছরের যুবকদের মধ্যেও বাড়ছে। দীর্ঘ সময় ধরে চিকিৎসকদের জন্য এটি রহস্য ছিল, তবে নতুন গবেষণা কিছু কারণ উন্মোচন করেছে।
    গবেষকরা মনে করছেন, জীবনধারা ও অন্ত্রের মাইক্রোবায়োমের পরিবর্তনই মূলত এই প্রবণতার পিছনে দায়ী। প্রক্রিয়াজাত খাবার, অতিরিক্ত চিনি এবং ফাইবারের অভাবযুক্ত খাদ্য অন্ত্রের ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্য নষ্ট করতে পারে, যা টিউমার বৃদ্ধি প্ররোচিত করতে পারে। অতিরিক্ত ওজন, আস্তে জীবনধারা এবং দীর্ঘমেয়াদি প্রদাহও কোলোন ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়াচ্ছে।
    স্বাস্থ্যবান ব্যক্তি ও যুবকদের কোলোন ক্যান্সার আক্রান্তদের অন্ত্রের মাইক্রোবায়োম তুলনা করে বিজ্ঞানীরা এমন বিশেষ ব্যাকটেরিয়ার ভারসাম্যহীনতা চিহ্নিত করতে শুরু করেছেন, যা ক্যান্সারকে ত্বরান্বিত করতে পারে। এই জ্ঞান ভবিষ্যতে লক্ষ্যভিত্তিক খাদ্যাভ্যাস, প্রোবায়োটিকস এবং যুবকদের জন্য প্রাথমিক স্ক্রিনিং প্রোগ্রাম তৈরি করতে সাহায্য করবে, যা এই উদ্বেগজনক প্রবণতা রোধ করতে পারে।
    সচেতনতা ও জ্ঞানের অভাবও বড় সমস্যা। অনেক যুবক দীর্ঘস্থায়ী পেটব্যথা, মলত্যাগের পরিবর্তন বা অজানা ক্লান্তি উপেক্ষা করেন, ধারণা করেন কোলোন ক্যান্সার শুধুমাত্র বয়স্কদের হয়। জনগণ ও স্বাস্থ্যসেবাদাতাদের শিক্ষিত করলে দ্রুত রোগ শনাক্তকরণ ও চিকিৎসা সম্ভব, যা অনেক জীবন বাঁচাতে পারে।
    গবেষণাটি কোলোন ক্যান্সারের নতুন প্রবণতা বোঝার ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ ধাপ। এর মাধ্যমে বিজ্ঞানীরা প্রতিরোধ, প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং যুবকদের জন্য সুস্থ ভবিষ্যতের পথ খুলে দিচ্ছেন।

    ট্যাগ
  • পেটের ক্যা’ন্সারের ৫টি ভয়ংকর ধরণ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে

    পেটের ক্যা’ন্সারের ৫টি ভয়ংকর ধরণ, যা দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে

     

    পেটের ক্যান্সার শুনলেই অনেকের মনে ভেসে ওঠে নির্দিষ্ট কিছু উপসর্গ বা সহজে শনাক্তযোগ্য একটি রোগের ধারণা। কিন্তু বাস্তবে বিষয়টি অনেক ভিন্ন। পেটের ক্যান্সারের উপসর্গ, বৃদ্ধি, কারণ এবং চিকিৎসা পদ্ধতি অন্যান্য ক্যান্সারের তুলনায় আলাদা বৈশিষ্ট্য বহন করে। কিছু ক্যান্সার ধীরে ধীরে বাড়ে এবং প্রায় উপসর্গহীন থেকে যায়, আবার কিছু ক্যান্সার অতি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে এবং তাৎক্ষণিক চিকিৎসা প্রয়োজন হয়। চিকিৎসা বিশেষজ্ঞদের মতে, পেটের কয়েকটি বিরল হলেও আক্রমণাত্মক ক্যান্সারের ধরন রয়েছে, যেগুলো দ্রুত বেড়ে ওঠে এবং প্রাণঘাতী ঝুঁকি তৈরি করে।
    অ্যাডেনোকার্সিনোমা: সবচেয়ে বেশি দেখা যায়
    “পেটের ক্যান্সার” বললেই সাধারণত অ্যাডেনোকার্সিনোমাকেই বোঝানো হয়। মোট পেটের ক্যান্সারের প্রায় ৯০ থেকে ৯৫ শতাংশই এই ধরনের। এটি মূলত পাকস্থলীর আবরণে থাকা শ্লেষ্মা ও হজমরস উৎপাদনকারী কোষ থেকে তৈরি হয়।
    অ্যাডেনোকার্সিনোমার আবার দুটি ধরন রয়েছে।
    ইনটেস্টাইনাল অ্যাডেনোকার্সিনোমা ধীরে বাড়ে এবং অনেক সময় নির্দিষ্ট জিনের মিউটেশনের কারণে নতুন লক্ষ্যভিত্তিক ওষুধে সাড়া দেয়। এটি সাধারণত হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি সংক্রমণের সঙ্গে যুক্ত।
    ডিফিউজ অ্যাডেনোকার্সিনোমা দ্রুত ও অনিয়মিতভাবে বেড়ে ওঠে, ফলে চিকিৎসা জটিল হয়ে পড়ে। এটি তরুণদের মধ্যেও তুলনামূলক বেশি দেখা যায়।
    প্রধান উপসর্গগুলো হলো অল্প খাবার খেয়েই পেট ভরে যাওয়ার অনুভূতি, হজমে গ্যাঁজলা, বমি বমি ভাব, ক্ষুধামন্দা, অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়া ইত্যাদি।
    লিম্ফোমা সাধারণত লিম্ফ নোডে হয়, তবে পাকস্থলী থেকেও শুরু হতে পারে। এটিকে বলা হয় প্রাইমারি গ্যাস্ট্রিক লিম্ফোমা। মোট পেটের ক্যান্সারের প্রায় ৫ শতাংশ এমন ধরনের, যা অ্যাডেনোকার্সিনোমা থেকে ভিন্ন। প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে অনেক ক্ষেত্রেই এটি চিকিৎসাযোগ্য।
    এটির দুটি ধরন আছে।
    এমএএলটি (মিউকোসা অ্যাসোসিয়েটেড লিম্ফয়েড টিস্যু) লিম্ফোমা ধীরে ধীরে বাড়ে এবং সাধারণত এক জায়গাতেই সীমাবদ্ধ থাকে। এটি হেলিকোব্যাক্টর পাইলোরি সংক্রমণের সঙ্গে সম্পর্কিত।
    ডিফিউজ লার্জ বি-সেল লিম্ফোমা (ডিএলবিসিএল) অপেক্ষাকৃত গুরুতর এবং দ্রুত চিকিৎসা প্রয়োজন।
    উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে বারবার পেটব্যথা, ক্ষুধামন্দা, ওজন হ্রাস, বুকজ্বলা, বমি ইত্যাদি।
    জিআইএসটি: বিরল হলেও মারাত্মক
    গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল স্ট্রোমাল টিউমার বা জিআইএসটি খুবই বিরল ধরনের ক্যান্সার, যা পাকস্থলীর দেয়ালের বিশেষ স্নায়ুকোষ থেকে উৎপন্ন হয়। এগুলো আসলে সফট টিস্যু সারকোমার একটি ধরন।
    প্রাথমিক পর্যায়ে তেমন কোনো উপসর্গ থাকে না। তবে টিউমার বড় হলে পেটে গিট্টি বা ব্যথা, মলের সঙ্গে রক্ত, অবসাদ, রক্তবমি এবং অজানা কারণে ওজন কমে যাওয়া দেখা যায়।
    চিকিৎসায় লক্ষ্যভিত্তিক ওষুধ যেমন ইমাটিনিব ভালো সাড়া দেয়। পাশাপাশি অস্ত্রোপচারও কার্যকর ভূমিকা রাখে। জিআইএসটি পুরো গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল ট্র্যাক্টে হতে পারে, তবে প্রায় ৬০ শতাংশই পাকস্থলীতে এবং ৩০ শতাংশ ক্ষুদ্রান্ত্রে দেখা যায়।
    কারসিনয়েড টিউমার: নীরব ঘাতক
    পেটের কারসিনয়েড টিউমারকে বলা হয় নীরব ঘাতক। প্রাথমিক পর্যায়ে এগুলোতে উপসর্গ তেমন দেখা যায় না। তবে পরবর্তী সময়ে পেটের ক্র্যাম্প, মলত্যাগে পরিবর্তন, ত্বক লাল হয়ে যাওয়া, ডায়রিয়া, ওজন হ্রাস, বমি বমি ভাব এবং বুকজ্বলা হতে পারে।
    প্রাথমিকভাবে ছোট টিউমার এন্ডোস্কোপিক অস্ত্রোপচারে সরানো সম্ভব। বড় বা ছড়িয়ে পড়া টিউমারের ক্ষেত্রে কেমোথেরাপি, লক্ষ্যভিত্তিক ওষুধ বা বিশেষ কিছু লিভার-ভিত্তিক চিকিৎসা প্রযোজ্য হয়।
    স্কোয়ামাস সেল কার্সিনোমা: বিরল ও আক্রমণাত্মক
    এটি পেটের সবচেয়ে বিরল ক্যান্সার। এখন পর্যন্ত চিকিৎসা-সাহিত্যে শতাধিকেরও কম কেস নথিভুক্ত হয়েছে। সাধারণত ত্বক, ফুসফুস বা খাদ্যনালীতে দেখা গেলেও খুব কম ক্ষেত্রে পাকস্থলীতে দেখা যায়।
    পাকস্থলীর গ্রন্থিযুক্ত কোষে আলসার ও অ্যাসিড রিফ্লাক্সের কারণে সময়ের সঙ্গে সঙ্গে এটি তৈরি হয়। অনেক ক্ষেত্রে এটি খাদ্যনালীর নিচ থেকে শুরু হয়ে পাকস্থলীতে ছড়িয়ে পড়ে।
    উপসর্গগুলোর মধ্যে রয়েছে বারবার পেটব্যথা, রক্তস্বল্পতা ও অকারণে ওজন হ্রাস। এই ক্যান্সার অত্যন্ত আক্রমণাত্মক হওয়ায় চিকিৎসায় সাধারণত বড় অস্ত্রোপচার ও কেমোথেরাপির প্রয়োজন হয়।
    পেটের ক্যান্সার একটি জটিল ও বহুমাত্রিক রোগ। এর সব ধরনের ক্যান্সার একইভাবে বাড়ে না বা একইভাবে চিকিৎসাযোগ্য নয়। কিছু ক্যান্সার ধীরে বাড়ে, আবার কিছু হঠাৎ করেই ভয়াবহ আকার ধারণ করে। তাই অল্প উপসর্গ পেলেও দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি। সময়মতো শনাক্ত ও চিকিৎসা হলে এই ভয়ংকর রোগের ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।

  • ত্বকে বিষফোঁড়া কাদের বেশি হয় ও কেন হয়, জেনে নিন সমাধান…

    ত্বকে বিষফোঁড়া কাদের বেশি হয় ও কেন হয়, জেনে নিন সমাধান…

    ত্বকে ফোঁড়া বা বিষফোঁড়া এক ধরনের ব্যথাদায়ক সমস্যা, যা অনেক সময় খুব কষ্ট দেয়। ফোঁড়া মূলত ত্বকের রোমকূপে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণের ফলে হয়। বিশেষ করে স্টাফিলোকককাস অরিউস নামক ব্যাকটেরিয়া এই সমস্যার মূল কারণ। ব্যাকটেরিয়া ত্বকের নিচে প্রবেশ করে সংক্রমণ তৈরি করে, যেখানে মৃত কোষ ও পুঁজ জমে ফোঁড়া সৃষ্টি হয়।

    বিজ্ঞাপন

    ফোঁড়া বেশি কোথায় হয়?

    .কোমর, ঘাড়, পিঠ, কনুই, ঘাম বেশি হয় এমন স্থান।

    ত্বকে বিষফোড়া কাদের বেশি হয়?

    .যারা ঘাম বেশি করেন

    বিজ্ঞাপন

    .পরিচ্ছন্নতা কম থাকায়

    .সংক্রামিত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা

    বিজ্ঞাপন
    .রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা ব্যক্তিরা

    .দীর্ঘমেয়াদি অসুস্থতা বা শারীরিক দুর্বলতার কারণে

    ফোঁড়ার উপসর্গ

    .ত্বকের একটি অংশ শক্ত হয়ে যাওয়া

    .চাপ দিলে ব্যথা পাওয়া

    .ফোঁড়া দেখা না গেলেও কিছুটা অস্বস্তি ও লাল ভাব থাকা

    ফোঁড়া হলে করণীয়

    .ফোঁড়া থাকা জায়গা খোলা ও পরিষ্কার রাখুন

    .ঢিলেঢালা এবং হালকা পোশাক পরুন

    .ত্বক পরিষ্কার রাখুন এবং ফোঁড়া অন্য জায়গায় ছড়াবেন না

    .পুষ্টিকর খাবার খান, তৈলাক্ত খাবার কম খান

    .ফোঁড়া চিরে বা পুঁজ বের করার চেষ্টা করবেন না

    .চিকিৎসকের পরামর্শে অ্যান্টিসেপটিক ক্রিম ব্যবহার করতে পারেন

    .পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    যদি ফোঁড়া কয়েক দিনের মধ্যে সেরে না যায়, জ্বর হয়, বা ফোঁড়া থেকে রক্ত বের হয়, তাহলে অবশ্যই দ্রুত ডাক্তার দেখাতে হবে। কারণ সংক্রমণ যদি গভীর হয় তবে তা হৃদযন্ত্র, ফুসফুস বা স্নায়ুতন্ত্রের জন্য ক্ষতিকর হতে পারে।

    আরও পড়ুন

    লাল আসাম লতা ঔষধি গুণাগুণে ভরপুর
    ফোঁড়া হলে নিজের যত্ন নেওয়া জরুরি। কিন্তু সমস্যা গুরুতর হলে পেশাদার চিকিৎসার প্রয়োজন। আপনার ত্বক সুস্থ রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা বজায় রাখা ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা অনুসরণ করুন।

    Copied from: https://rtvonline.com/

  • কিভাবে বুঝবেন এই নারী চরিত্রহীন! রইল চেনার আটটি উপায়

    কিভাবে বুঝবেন এই নারী চরিত্রহীন! রইল চেনার আটটি উপায়

    চরিত্রহীন মেয়ে চেনার ৮টি উপায় একই সময়ে বহুপুরুষের সঙ্গে সদ্ভাব রাখতে পছন্দ করে এমন নারীর সংখ্যা দিনে দিনে বেড়েই চলেছে। বিশ্বস্ত একজন নারী, যার সাথে ঘর বেঁধে সুখে জীবন কাটানো যায় এমনটা খুঁজতে রীতিমত ঘাম ছুটে যায় তাই অনেক পুরুষের।
    কিন্তু জীবনকে সুন্দর করতে একজন চরিত্রবান সঙ্গীর বিকল্প নেই। যারা জীবনসঙ্গী খুঁজছেন, তাদেরকে তাই অবশ্যই জানতে হবে অসৎ নারীদের চেনার উপায়। তাহলে চরিত্রবান নারীসঙ্গী নির্বাচনে আপনি অনেকটাই নিরাপদ থাকবেন।

    চলুন জানা যাক অসৎ নারীদের চেনার ৮টি উপায়-লজ্জাই নারীর ভূষণ। কিন্তু অসৎ নারী আপাত ভদ্র হলেও তাদের মধ্যে নির্লজ্জ হাবভাব প্রকাশ পায়। পুরুষের চোখের দিকে চেয়ে থেকে এমনভাবে, যেন তার ভিতরটা পড়ে ফেলছে। নারীর ওই দৃষ্টি পুরুষের সর্বনাশের কারণ। এমন মেয়ে থেকে সাবধান। এরা কখনোই পুরোপুরি বিশ্বস্ত হয়ে ওঠে না।

    মাথার চুল নিয়ে নাড়াচাড়া করতে শুরু করে কথা বলার সময়। পুরুষকে বাধ্য করে তার রূপের দিকে নজর দিতে। ইচ্ছে করে ইঙ্গিতবাহী পোশাক পরে আসে তার সামনে। যাতে সহজেই আকৃষ্ট করতে পারে।

    কিছু নারী পুরুষের সঙ্গে বন্ধুত্ব করে প্রথমে। তারপর তার বাড়ির ব্যাপারে খোঁজ নিতে থাকে। যেহেতু এই নারীকে পুরুষ সহজেই বিশ্বাস করে নেয়, নিজের সম্পর্কে সবই তাকে বলে ফেলে। এমন নারী কিন্তু পুরুষকে ফাঁদে ফেলতে ওস্তাদ।

    নানাভাবে বিশ্বাস অর্জন করে, ব্ল্যাকমেইল করতেও পিছপা হয় না। এসব অসৎ নারী থেকে দূরে থাকতে হবে। ৪. নানা ছুতোয় কথা বলার সুযোগ খোঁজে এই নারী। এড়িয়ে গেলে বাড়ি চলে আসে। যেহেতু ততদিনে বাড়ির লোকের সঙ্গেও সদ্ভাব করে নেয়, তাই বাড়ির লোকের নজরেও সে বিশ্বাসযোগ্য।

    বারংবার দেখা করার ফাঁক খোঁজে। সেই দেখা হওয়া কিন্তু একান্তে। অন্য কাউকে ডাকে না তখন। মাঝরাতে মেসেজ করে। রাত ১টা, ২টোর সময় মাখোমাখো মেসেজ পাঠাতে থাকে। যেসব নারী মদ্যপানে আসক্ত তাদের থেকে দূরে থাকুন। কারণ, নে”শা এদেরকে সততাকে বিনষ্ট করে। সাথে চরিত্র ও কু”মারিত্বও হারায়