Author: News Live

  • জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু, একদিন আগেও বানিয়েছিলেন ভিডিও

    জনপ্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের মৃত্যু, একদিন আগেও বানিয়েছিলেন ভিডিও

    মার্কিন জনপ্রিয় ইউটিউবার ও ভ্রমণভিত্তিক কনটেন্ট ক্রিয়েটর অ্যাডাম দ্য উ মারা গেছেন। তার প্রকৃত নাম ডেভিড অ্যাডাম উইলিয়ামস। মৃত্যুকালে বয়স হয়েছিল ৫১ বছর।

    সোমবার (২২ ডিসেম্বর) ফ্লোরিডায় নিজের বাসা থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

    মার্কিন সংবাদমাধ্যম পিপলের প্রতিবেদনে জানানো হয়, ওসসিওলা কাউন্টি শেরিফ দপ্তর ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছে।

    পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘ সময় ধরে অ্যাডামের কোনো সাড়া না পেয়ে এক পরিচিত ব্যক্তি মই ব্যবহার করে তার তৃতীয় তলার অ্যাপার্টমেন্টের জানালা দিয়ে ভেতরে উঁকি দেন। তখন তাকে বিছানায় নিথর অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখা যায়। পরে জরুরি উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে তাকে মৃত ঘোষণা করে।

    প্রাথমিক তদন্তে কোনো ধরনের সহিংসতা বা হত্যাকাণ্ডের আলামত পাওয়া যায়নি। ময়নাতদন্তের পর মৃত্যুর সুনির্দিষ্ট কারণ জানা যাবে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

    অ্যাডামের মৃত্যুর খবরে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেমে এসেছে শোকের ছায়া। তার ঘনিষ্ঠ বন্ধু ও ইউটিউবার জাস্টিন স্কার্ড আবেগঘন বার্তায় লেখেন, ‘আজ আমি ভাষা হারিয়ে ফেলেছি।

    পৃথিবী একজন নক্ষত্রকে হারাল। আর আমি হারালাম রক্তের চেয়েও আপন একজন মানুষকে।’
    অন্যদিকে বন্ধু ক্রিস ইয়ান জানান, মৃত্যুর মাত্র চার দিন আগেও তারা ভবিষ্যতের কনটেন্ট ও ভ্রমণ পরিকল্পনা নিয়ে আলোচনা করেছিলেন।

    ২০০৯ সালে ইউটিউবে যাত্রা শুরু করলেও ২০১২ সাল থেকে নিয়মিতভাবে কনটেন্ট তৈরি শুরু করেন অ্যাডাম। টানা পাঁচ বছর একদিনও বিরতি না দিয়ে প্রতিদিন ভ্লগ আপলোড করার বিরল কৃতিত্ব রয়েছে তার।

    যুক্তরাষ্ট্রের সব ৫০টি অঙ্গরাজ্য ঘুরে তিনি থিম পার্ক, পরিত্যক্ত শহর, ভুতুড়ে বাড়ি এবং ছোট শহরের অজানা ইতিহাস তুলে ধরতেন তার ভিডিওতে। বিশেষ করে ডিজনিল্যান্ড ও ডিজনি ওয়ার্ল্ডের ইতিহাস ও অন্দরমহল নিয়ে কাজ করার জন্য তিনি ভক্তদের কাছে পরিচিত ছিলেন ‘ডিজনি বিশেষজ্ঞ’ হিসেবে।

    উল্লেখ্য, মৃত্যুর মাত্র এক দিন আগে, ২১ ডিসেম্বর, প্রকাশিত তার শেষ ভিডিওতে দেখা যায়—ফ্লোরিডার বড়দিনের আলোকসজ্জা ও উৎসবের আমেজ তুলে ধরেছেন তিনি। প্রাণবন্ত সেই ভিডিওই এখন ভক্তদের কাছে হয়ে উঠেছে প্রিয় কনটেন্ট ক্রিয়েটরের শেষ স্মৃতি।

  • ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ

    ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? দেখেনিন যে রো’গের লক্ষণ

    শুধু কি শিশুদের মুখ দিয়েই লালা ঝরে! আসলে ছোট-বড় বিভেদে নয় সবার মুখেই লালা উৎপন্ন হয়ে থাকে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে, তা ছোট হোক বা বড়দের। বিশেষ করে ঘুমের মধ্যে অনেকের মুখ দিয়ে লালা ঝরে বালিশ ভিজে যায়!
    বিষয়টি বিব্রতকর হলেও কিন্তু হেলাফেলার নয়। কারণ লালা ঝরার সমস্যাটি হতে পারে শারীরিক বিভিন্ন অসুস্থতার লক্ষণ। আবার স্বাভাবিকভাবে শোয়ার ধরন পরিবর্তনের কারণেও ঘুমের মধ্যে মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। চলুন তবে জেনে নেওয়া যাক ঘুমের মধ্যে লালা ঝরে কেন? এর প্রতিকারই বা কী?

    মানবদেহ প্রতিদিন ১ লিটারেরও বেশি লালা উৎপাদন করে। এটি লালা গ্রন্থি দ্বারা উৎপাদিত হয়ে থাকে। জেগে থাকা অবস্থায় আমরা লালা ঝরতে দেই না, সাধারণত তা গিলে ফেলা হয়। পরক্ষণে রক্ত প্রবাহের মাধ্যমে পুনরায় লালা উৎপাদিত হতে থাকে। ঘুমে বিভোর থাকা অবস্থায় লালা যেহেতু গিলে ফেলা যায় না, তাই মুখে লালা জমতে শুরু করে। এর ফলে ঠোঁটের কোণ দিয়ে লালা বাইরে ঝরে পড়ে।
    রাতে কেন লালা বেশি ঝরে?
    অনেকেই ঘুমের মধ্যে মুখ খুলে ঘুমিয়ে থাকেন। আবার কেউ উপুর হয়ে ঘুমান। এসব ক্ষেত্রে লালা ঝরার সম্ভাবনা বেড়ে যায়। অনেকেই নাক দিয়ে ঠিকভাবে নিশ্বাস নিতে পারেন না, তাই তারা মুখ খুলে শ্বাস নিয়ে থাকেন ঘুমের মধ্যে। এক্ষেত্রে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে। চিকিৎসকদের মতে, উপুর হয়ে পেটে ভর দিয়ে ঘুমানো স্বাস্থ্যের জন্য মোটেও ভালো নয়। ঠিক একইভাবে উপুর হয়ে ঘুমালে মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    লালা ঝরা কোন রোগের লক্ষণ?

    >> অনেকেই ভাবতে পারেন, লালা ঝরা হয়তো একটি সাধারণ বিষয়। তবে জানলে অবাক হবেন, বেশ কিছু স্বাস্থ্যগত সমস্যার কারণে লালা ঝরতে পারে। স্ট্রোক বা সেরিব্রাল পলসিসহ একাধিক স্ক্লেরোসিস (এমএস) এর কারণেও আপনার মুখ দিয়ে নিয়মিত লালা ঝরতে পারে।

    >> সর্দি বা সংক্রমণজনিত কারণে নাক বন্ধ অবস্থায় থাকলে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার কারণে লালা ঝরতে পারে। কারণ এক্ষেত্রে ঘুমানোর সময় শ্বাস নেওয়ার জন্য যখন আপনি মুখ খুলে ঘুমাবেন; তখন লালা জমে তা বাইরে বেরিয়ে আসবে।

    >> গ্যাস্ট্রোইনটেস্টাইনাল রিফ্লেক্স ডিসঅর্ডার (জিইআরডি) এর কারণেও মুখ থেকে লালা ঝরতে পারে। এক্ষেত্রে কোনো কিছু গিলতে অসুবিধা হয়। এ সমস্যায় যারা ভুগছেন; তাদের মুখ দিয়েও লালা ঝরতে পারে।

    >> কিছু ওষুধের কারণেও এমনটি ঘটতে পারে। অ্যান্টিসাইকোটিক ওষুধ (বিশেষত ক্লোজাপাইন) এবং আলঝাইমারস চিকিত্সার জন্য ব্যবহৃত ওষুধসহ কিছু অ্যান্টিবায়োটিক গ্রহণের কারণে ঘুমের মধ্যে অতিরিক্ত লালা ঝরতে পারে।

    >> এমএস, পারকিনসন, পেশীবহুল ডিসস্ট্রফি এবং এমনকি কিছু ধরণের ক্যান্সারে আক্রান্ত ব্যক্তিরাও এ সমস্যার সম্মুখীন হতে পারেন। এসব রোগে আক্রান্ত ব্যক্তিদের থুতু গিলতে অসুবিধা হয়।

    >> স্নায়ুজনিত বিভিন্ন ঝুঁকির কারণ হতে পারে মুখ দিয়ে লালা ঝরা। যারা নিদ্রহীনতার সমস্যায় ভুগছেন; তাদের ক্ষেত্রেও এ সমস্যাটি নিয়মিত দেখা দিতে পারে।

    >> শ্বাসকষ্ট, জ্বর, অ্যালার্জি বা সাইনাস সংক্রমণের কারণে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়। নাক বন্ধ থাকার কারণে মুখ দিয়ে শ্বাস নেওয়ার প্রয়োজন পড়ে। এক্ষেত্রেও মুখ দিয়ে লালা ঝরতে পারে।

    >> যদি মাউথ আলসার থাকে, সেক্ষেত্রেও মুখে থুতু বেড়ে যায়। এ কারণেও লালা ঝরতে পারে। এ সময় প্রতিরোধক ওষুধ খেলে সমস্যা দ্রুত নিয়ন্ত্রণে চলে আসবে।

    লালা ঝরার সমস্যা প্রতিকারের উপায় জেনে নিন-

    ১. ঘুমের অবস্থান
    বিশেষজ্ঞদের মতে, বেশিরভাগের ক্ষেত্রেই দেখা গেছে ঘুমের ভুল অবস্থানের কারণে মুখ দিয়ে লালা ঝরে থাকে। তাই প্রথমত, ঘুমের অবস্থান পরিবর্তন করতে হবে। পেটে নয় বরং পিঠে ভর দিয়ে ঘুমান। তাহলে মুখে লালা জমতে পারবে না।

    ২. ঘরোয়া প্রতিকার
    আমেরিকান ডেন্টাল অ্যাসোসিয়েশনের তথ্য অনুসারে, লালা শরীরকে বিভিন্ন সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। অনেকের মতে, সাইট্রাসজাতীয় ফল খেলে লালা ঝরার সমস্যা অনেকটাই কমে যায়। পাশাপাশি প্রচুর জল পান করতে হবে। এতে শরীর হাইড্রেট থাকবে এবং লালা ঝরার সমস্যাও কমবে।

    ৩. ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস
    ম্যান্ডিবুলার ডিভাইস একটি সরঞ্জাম। এটি মুখে ব্যবহারের মাধ্যমে আপনি আরামের সঙ্গে ঘুমাতেও পারবেন আর মুখ থেকে লালাও ঝরবে না।

    ৪. সিপিএপি মেশিন
    ঘুমের মধ্যে যারা শ্বাসকষ্ট অনুভব করেন তারা এই মেশিন ব্যবহার করতে পারেন। স্লিপ অ্যাপনিয়ার সর্বাধিক প্রস্তাবিত চিকিত্সা হলো সিপিএপি মেশিন।

    ৫. সার্জারি
    যাদের মুখ থেকে অতিরিক্ত লালা ঝরে; তাদের ক্ষেত্রে সার্জারির মাধ্যমে লালা গ্রন্থিগুলো অপসারণের পরামর্শ দেন চিকিত্সকরা। এমন ব্যক্তিদের ক্ষেত্রে স্নায়বিক সমস্যা থাকে। এ কারণেই ঘুমের মধ্যে তাদের অত্যাধিক লালা ঝরে থাকে।

    ৬. ঘুমানোর আগে যা মানবেন
    ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মিষ্টি জাতীয় কোনো খাবার কিংবা পানীয় পান করা থেকে বিরত থাকুন। আর ঘুমানোর ১০-১৫ মিনিট আগে একটু টক কিংবা লবণ মিশ্রিত জল পান করুন

    ট্যাগ

    ট্যাগ
  • রাতে এই ৫ উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কিডনি রোগের ইঙ্গিত

    রাতে এই ৫ উপসর্গ দেখা দিলেই সতর্ক হোন, হতে পারে কিডনি রোগের ইঙ্গিত

    কিডনি আমাদের শরীরের অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ, যা রক্ত পরিশোধন থেকে শুরু করে অতিরিক্ত পানি ও বর্জ্য অপসারণে মুখ্য ভূমিকা পালন করে। তবে দুঃখজনক হলেও সত্য, কিডনি রোগ অনেক সময় নিরবেই শরীরে বাসা বাঁধে। বিশেষ করে রাতে কিছু নির্দিষ্ট উপসর্গ দেখা দিলে তা হতে পারে কিডনি সমস্যার প্রাথমিক ইঙ্গিত।

    চিকিৎসকদের মতে, কিডনির কার্যক্ষমতা কমে গেলে শরীর বিভিন্ন উপায়ে সংকেত দেয়, যার অনেকগুলোই রাতে বেশি প্রকট হয়। নিচে উল্লেখ করা হলো এমন ৫টি উপসর্গ, যা রাতে দেখা দিলে অবশ্যই সতর্ক হওয়া উচিত—

    ১. ঘন ঘন প্রস্রাব
    রাতে ঘুম ভেঙে বারবার প্রস্রাবের বেগ অনুভব কিডনি রোগের অন্যতম প্রধান লক্ষণ হতে পারে। সাধারণত কিডনি ঠিকভাবে ফিল্টারিং করতে না পারলে শরীরে অতিরিক্ত বর্জ্য জমা হয়, যা বেশি প্রস্রাবের মাধ্যমে শরীর থেকে বেরিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে।

    ২. পা ও গাঁটে ফুলে ওঠা

     

     

    video of: গাজীপুরে স্ত্রী- সন্তানকে হত্যা*র পর স্বামীর আত্মহ*ত্যাPlay Video
    গাজীপুরে স্ত্রী- সন্তানকে হত্যা*র পর স্বামীর আত্মহ*ত্যা

    গাজীপুরে স্ত্রী- সন্তানকে হত্যা*র পর স্বামীর আত্মহ*ত্যা
    রাতে ঘুমানোর সময় অনেকেই পা বা গোড়ালিতে ফোলা অনুভব করেন। এটি শরীরে অতিরিক্ত তরল জমে থাকার লক্ষণ হতে পারে, যা কিডনির অকার্যকারিতার ফল। কিডনি সঠিকভাবে তরল অপসারণে ব্যর্থ হলে এমনটি ঘটে।

    ৩. নিশ্বাস নিতে কষ্ট হওয়া
    রাতে হঠাৎ নিশ্বাসের কষ্ট কিংবা শ্বাস নিতে অসুবিধা হওয়া কিডনির কার্যক্ষমতা হ্রাসের পরোক্ষ ইঙ্গিত হতে পারে। কিডনি দুর্বল হলে শরীরে তরল জমে গিয়ে ফুসফুসে প্রভাব ফেলতে পারে, যার ফলে নিঃশ্বাস নিতে কষ্ট হয়।

    ৪. অস্থিরতা ও অনিদ্রা
    কিডনি সঠিকভাবে বর্জ্য অপসারণ না করলে ইউরিয়া ও টক্সিন রক্তে জমে গিয়ে রাতে ঘুমে বিঘ্ন ঘটায়। ঘন ঘন জাগা, অস্থিরতা বা অনিদ্রা এই সমস্যা বাড়িয়ে তোলে।

    ৫. পেশিতে টান ও ব্যথা
    রাতের বেলায় পেশিতে টান ধরা বা ব্যথা অনুভব করা অনেক সময় ইলেক্ট্রোলাইট ভারসাম্যহীনতার ফল, যা কিডনির অকার্যকারিতার কারণে হয়। ক্যালসিয়াম, ফসফরাস বা পটাশিয়ামের অনিয়ম কিডনি রোগে সাধারণ।

    করণীয় কী?
    এই উপসর্গগুলোর যেকোনো একটি বা একাধিক নিয়মিতভাবে দেখা দিলে অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। পাশাপাশি রক্তে ক্রিয়েটিনিন ও ইউরিয়া পরীক্ষা, প্রস্রাব পরীক্ষা ও আল্ট্রাসনোগ্রাফির মাধ্যমে কিডনির অবস্থা যাচাই করা যায়।

    প্রতিরোধে যা করবেন:
    পর্যাপ্ত পানি পান করুন

    অতিরিক্ত লবণ ও প্রক্রিয়াজাত খাবার এড়িয়ে চলুন

    ডায়াবেটিস ও উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখুন

    নিয়মিত স্বাস্থ্য পরীক্ষা করান

    কিডনি রোগ নিরব ঘাতক হিসেবে পরিচিত। তাই রাতে শরীরের দেওয়া সতর্ক সংকেতগুলো অবহেলা না করে সচেতন হলেই প্রতিরোধ করা সম্ভব হতে পারে এই মারাত্মক সমস্যা।

  • পলাতক থাকা নায়ক রিয়াজের মৃত্যুর খবরে যা জানা গেল

    পলাতক থাকা নায়ক রিয়াজের মৃত্যুর খবরে যা জানা গেল

    মঙ্গলবার (২৩ ডিসেম্বর) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে হঠাৎ ছড়িয়ে পড়েছে ঢালিউডের জনপ্রিয় অভিনেতা রিয়াজ আহমেদের মৃত্যুর খবর। তবে এই গুজবের কোনো প্রমাণ পাওয়া যায়নি এবং বাংলাদেশ চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিও এ বিষয়ে নিশ্চিত কোনো তথ্য জানায়নি।

    রিয়াজের একজন ঘনিষ্ঠ সূত্র গণমাধ্যমকে জানান, “এ ধরনের কিছু ঘটার কথা নয়। আমি আপনার কাছেই প্রথম শুনলাম। সত্যিই কিছু ঘটলে এতক্ষণে খবর ছড়িয়ে যেত।”

    ৫ আগস্টের গণঅভ্যুত্থানের পর থেকে রিয়াজ আত্মগোপনে আছেন। তার অবস্থান এখনো নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি। কিছু গুজবে বলা হচ্ছে, তিনি ভারতে চলে গেছেন, আবার কেউ মনে করছেন দেশের কোথাও রয়েছেন। এছাড়াও তার মোবাইল ফোনও বন্ধ রয়েছে।

    চলচ্চিত্রের পাশাপাশি রাজনৈতিকভাবে তিনি আগে সক্রিয় ছিলেন। শেখ হাসিনার বিভিন্ন সফরে তাকে দেখা গেছে। ১৯৯০-এর দশকের মধ্যভাগ থেকে দুই দশক ধরে রিয়াজ ঢালিউডে জনপ্রিয় মুখ ছিলেন। ‘বাংলার নায়ক’ চলচ্চিত্রের মাধ্যমে তার চলচ্চিত্র যাত্রা শুরু হয় এবং পরবর্তীতে তিনি বেশ কিছু সুপারহিট সিনেমা উপহার দেন।

    ২০২২ সালের ২৩ সেপ্টেম্বর তার অভিনীত সর্বশেষ ছবি ‘অপারেশন সুন্দরবন’ মুক্তি পায়। এরপর থেকে নতুন কোনো কাজের খবর পাওয়া যায়নি।