Author: News Live

  • ৫টি কারণে বিবাহিত পুরুষের  প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়

    ৫টি কারণে বিবাহিত পুরুষের প্রতি নারীরা বেশি আকৃষ্ট হয়

    নারীরা পুরুষদের প্রতি আকৃষ্ট হবেন এটা খুব স্বাভাবিক। একজন অন্যজনের প্রতি আকৃষ্ট না হলে নতুন সম্পর্কের সূচনা হয় না। এই আকর্ষণই প্রথমে প্রেম এবং পরে বিয়েতে পরিণত হয়। কিন্তু একজন অবিবাহিত নারী যদি একজন বিবাহিত পুরুষের প্রতি আকৃষ্ট হন, তবে তা শুনতে বেশ অস্বাভাবিকই মনে হবে।

    তবে গবেষণায় এমনই চাঞ্চল্যকর তথ্য উঠে এসেছে। গবেষকরা বলেন, বিবাহিত পুরুষের প্রতিই নারীরা বেশি আকৃষ্ট হন। তাদের মতে, প্রায় ৯০ শতাংশ নারী এমন পুরুষদের পছন্দ করেন যারা বিবাহিত।

    ‘জার্নাল অব হিউম্যান নেচার’ নামক একটি বিজ্ঞান বিষয়ক পত্রিকায় প্রকাশিত একটি তত্ত্ব অনুযায়ী একে ব্যাখ্যা করা হয়েছে ‘সঙ্গী নির্ণয়ের অনুকরণ’ বলে। এই তত্ত্ব অনুসারে, অনেক ক্ষেত্রেই একজন নারী অন্য একজন নারীকে অনুকরণ করেন। সাধারণত অল্পবয়সী নারীরা বিবাহিত বা অন্য সম্পর্কে থাকা পুরুষদের অভিজ্ঞ ও সুরক্ষিত মনে করেন।

    গবেষকদের মতে, শারীরিক আকর্ষণের থেকেও নারীরা মানসিক আকর্ষণকে বেশি গুরুত্বপূর্ণ মনে করেন।

    চলুন এবার জেনে নেয়া যাক কী কী কারণে বিবাহিত পুরুষদের প্রতি নারীরা বেশি আকর্ষিত হন-

    >> একজন পুরুষ যখন কোনো নারীর কাছে আকর্ষণের কেন্দ্র হয়ে ওঠেন তখন অন্য নারীরাও তাকে আকর্ষণীয় ব্যক্তি বলে মনে করেন। অন্য নারীর অভিজ্ঞতাই ওই পুরুষের প্রতি কারো আকর্ষণের কারণ হতে পারে।

    >> বিবাহিত বা একবার সম্পর্কে জড়িয়েছেন এমন পুরুষরা বারবার সম্পর্কে জড়াতে দ্বিধাবোধ করেন। যা সম্পর্ককে স্থায়ীত্ব দিতে পারে। অন্যদিকে অবিবাহিত পুরুষদের চঞ্চলতা অনেক ক্ষেত্রেই নারীদের পছন্দসই নয়।

    >> বিবাহিত পুরুষরা বেশি নির্ভরযোগ্য বলে মনে করেন অধিকাংশ নারী। কারণ ওই পুরুষ একটি সম্পর্কে তার নির্ভরযোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। আর অঙ্গীকার ও প্রতিশ্রুতি রক্ষাকারী পুরুষের প্রতি নারীরা সহজেই আকৃষ্ট হন।

    >> এমনকি বিবাহিত পুরুদের অভিজ্ঞতা ও পরিণতমনস্কতা অনেক ক্ষেত্রেই আকৃষ্ট করে নারীদের। সম্পর্কের বিভিন্ন মোড় সামলে নিতে বিবাহিত পুরুষরা অবিবাহিতদের চেয়ে বেশি সক্ষম বলে মনে করেন নারীরা। এমনটাই মত গবেষকদের।

    >> বিবাহিত পুরুষদের পরকীয়ায় জড়ানো বড় এক ঝুঁকি। যখন কোনো পুরুষ পরকীয়ায় জড়িয়ে পড়েন, তার মানে হলো, দ্বিতীয় নারীর জন্য বড়সড় ঝুঁকি নিতেও প্রস্তুত তিনি। এই নিষিদ্ধ আকর্ষণে অনেক নারীই আকৃষ্ট হন বিবাহিত পুরুষদের প্রতি।

    ট্যাগ
  • ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর, আর লাগবে না ইনজেকশন

    ডায়াবেটিস রোগীদের জন্য সুখবর, আর লাগবে না ইনজেকশন

    চিকিৎসা বিজ্ঞানকে নতুন দিশা দেখাচ্ছে এক চমকপ্রদ গবেষণা। বিজ্ঞানীরা সফলভাবে এক মহিলার নিজস্ব স্টেম সেল ব্যবহার করে তার টাইপ ১ ডায়াবেটিস উল্টে দিয়েছেন। এই চিকিৎসায় প্যানক্রিয়াসের ইনসুলিন উৎপাদনকারী কোষ পুনর্জন্ম লাভ করেছে, ফলে রোগীর শরীর স্বাভাবিকভাবে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করতে সক্ষম হচ্ছে। এর ফলে আজীবন ইনজেকশন নেওয়ার প্রয়োজন আর নেই।

    আমেরিকান ডায়াবেটিস অ্যাসোসিয়েশনের গবেষকরা জানিয়েছেন, রোগীর নিজস্ব কোষ ব্যবহার করা চিকিৎসাটিকে নিরাপদ ও কার্যকর করে, কারণ এতে শরীরের প্রত্যাখ্যান বা জটিলতার ঝুঁকি অনেক কম থাকে। এটি অটোইমিউন রোগের জন্য স্টেম সেল থেরাপির নতুন সম্ভাবনার পথ খুলেছে।

    যদিও এই প্রযুক্তি এখনও প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে, বিশেষজ্ঞরা আশা করছেন ভবিষ্যতে এটি সহজলভ্য হয়ে সাধারণ রোগীর জীবন পরিবর্তন করতে সক্ষম হবে। চিকিৎসা বিজ্ঞানে এটি একটি যুগান্তকারী মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

    গবেষকরা বলছেন, এটি আমাদের মনে করিয়ে দেয় যে চিকিৎসা বিজ্ঞান সীমাহীন সম্ভাবনার দিকে এগিয়ে চলেছে এবং রোগীদের জন্য নতুন আশা বাস্তবে রূপ নিচ্ছে।

  • কি’ডনি’র পাথর থেকে বাঁ’চতে হলে শুধু ২টি কাজ ক’রবেন

    কি’ডনি’র পাথর থেকে বাঁ’চতে হলে শুধু ২টি কাজ ক’রবেন

    আমাদের দেহের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। এছাড়াও শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া।

    কিন্তু ঠিক কি কি কারণে কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে, যা হয়তো আপনার জানা নেই।

    কাচা লবন খাবেন না
    নেকেই খাবারে লবণ খান যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কারণ লবণের সোডিয়াম খুব সহজে কিডনি দূর করতে পারে না এবং তা জমা হতে থাকে কিডনিতে। এছাড়াও অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের কারণেও কিডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।

    জল পান করুন
    কিডনির কাজ হচ্ছে দেহের বর্জ্য ছেঁকে দেহকে টক্সিনমুক্ত করা। আর এই কাজটি কিডনি করে জলের সহায়তায়। যদি আপনি জলে পরিমিত পান না করেন তাহলে কিডনি সঠিকভাবে দেহের বর্জ্য দূর করতে পারে না যা কিডনিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে। সুতরাং পরিমিত জল পান করুন।

    আমাদের দেহের রক্ত পরিশোধনের অঙ্গ কিডনি। এছাড়াও শরীরে জমে থাকা অনেক রকম বর্জ্যও পরিশোধিত হয় কিডনির মাধ্যমে। কিডনির নানা সমস্যার মধ্যে সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে কিডনিতে পাথর হওয়া।কিন্তু ঠিক কি কি কারণে কিডনিতে পাথর হওয়া রোধ করতে পারবেন, জানেন কি? আসুন জেনে নেয়া যাক কিডনিতে পাথর হওয়ার কারণগুলো সম্পর্কে, যা হয়তো আপনার জানা নেই।

    কাচা লবন খাবেন না
    নেকেই খাবারে লবণ খান যা স্বাস্থ্যের জন্য খুবই ক্ষতিকর। কারণ লবণের সোডিয়াম খুব সহজে কিডনি দূর করতে পারে না এবং তা জমা হতে থাকে কিডনিতে। এছাড়াও অতিরিক্ত সোডিয়াম সমৃদ্ধ খাবারের কারণেও কিডনিতে পাথর জমার সম্ভাবনা বাড়ে।

    জল পান করুন
    কিডনির কাজ হচ্ছে দেহের বর্জ্য ছেঁকে দেহকে টক্সিনমুক্ত করা। আর এই কাজটি কিডনি করে জলের সহায়তায়। যদি আপনি জলে পরিমিত পান না করেন তাহলে কিডনি সঠিকভাবে দেহের বর্জ্য দূর করতে পারে না যা কিডনিতে জমা হতে থাকে পাথর হিসেবে। সুতরাং পরিমিত জল পান করুন।

  • গভীর রাতে মেয়েরা গুগলে সার্চ দিয়ে যেসব জিনিস দেখে

    গভীর রাতে মেয়েরা গুগলে সার্চ দিয়ে যেসব জিনিস দেখে

    নারীরা গোপনে গোপনে গুগলে যে ১০টি জিনিস সবচেয়ে বেশি সার্চ করেন? জানলে ভাবনায় পড়ে যেতে পারেন যে কেউ। গুগলে নারীদের সবচেয়ে বেশি সার্চকৃত ১০টি সৌন্দর্য্য বিষয়ক প্রশ্নের উত্তর।

    জেনে নিন বিস্তারিত-

    ১. ত্বকের ধরন নির্ণয় করব কীভাবে : এর সবচেয়ে ভালো বিজ্ঞানসম্মত উপায় হলো একটি মেডিকেল স্কিন টেস্ট করানো।

    ঘরে বসেও প্রাথমিক পদ্ধতিতে ব্লটিং পেপার ব্যবহার করেও স্কিন টেস্ট করানো যায়। ব্লটিং পেপারটি আপনার ত্বকের বিভিন্ন এলাকায় লাগিয়ে দিন। এরপর তা তুলে আলোতে দেখুন। এতে যদি প্রচুর পরিমাণ তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বকের ধরন হলো তৈলাক্ত। আর যদি কম তেল থাকে তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। তবে আপনার গালের তুলনায় যদি নাক একটু বেশি তৈলাক্ত হয় তাহলে বিস্মিতি হওয়ার কিছু নেই।

    স্কিন টেস্টের সর্বশেষ ঘরোয়া পদ্ধতিটি হলো মুখ পরিষ্কার করে একঘন্টা পর তা পর্যবেক্ষণ করুন। একঘন্টাও পরও যদি আপনার মুখে তেল এবং মেদ থেকে ক্ষরিত রস থাকে তাহলে আপনার ত্বক হলো তৈলাক্ত ত্বক। কিন্তু যদি কোনো পরিবর্তন না দেখা যায় তাহলে বুঝতে হবে আপনার ত্বক হলো শুষ্ক ত্বক। আর আপনার নাক এবং কপাল যদি কিছুটা চকচকে হয়ে ওঠে তাহলে আপনার ত্বক স্বাভাবিক ধরনের।

    ২. ফর্সা ত্বক পাব কীভাবে : নারীরা প্রায়ই ত্বক ফর্সা করার জন্য প্রচুর পরিমাণে কসমেটিকস কেনেন। যেমন, পাউডার, ফাউন্ডেশন এবং আরো নানা ধরনের প্রসাধনী কেনেন। কিন্তু ত্বক ফর্সা হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যকর জীবন যাপনই মূল চাবিকাঠি। এজন্য প্রচুর পরিমাণে পানি খেতে হবে, ফল ও জুস খেতে হবে, ভারসাম্যপূর্ণ খাদ্যাভ্যাস মেনে চলতে হবে এবং শরীর চর্চা করতে হবে। এর পাশাপাশি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়ামুক্ত ঘরোয়া দাওয়াই ব্যবহার করা যেতে পারে।

    ৩. চুল কীভাবে দ্রুত গজানো যায় : সারাদিন চুলের সঙ্গে নিষ্ঠুর সব আচরণ করে দিনশেষে এসে চুল কীভাবে দ্রুত গজানো সম্ভব তা নিয়ে গুগলে সার্চ করার কোনো মানে হয় না। চুল দ্রুত গজাতে চাইলে চুলকে ভালো যথেষ্ট পরিমাণে পুষ্টি সরবরাহ করতে হবে এবং প্রাকৃতিক বিপর্যয় থেকে রক্ষা করতে হবে। আর চুল দ্রুত গজানোর কোনো পদ্ধতি ব্যবহার করার সময় আপনাকে ধৈর্য্য ধরে অপেক্ষা করতে হবে। একদিনেই এর কোনো সমাধান সম্ভব নয়। অনেকে আবার এসময় চুল ছাটা বন্ধ করে দেন। কিন্তু সময় মতো চুল ছাটা হলে তা চুলের বৃদ্ধিতে বরং আরো সহায়ক হয়।

    ৪. ট্যাটু কি ত্বকের জন্য ক্ষতিকর : সবার জন্য যে ট্যাটু ক্ষতিকর এমন নয়। তবে যারা স্থায়ী ট্যাটু এঁকেছেন তাদের অনেকেই অভিযোগ করেছেন, এর ফলে তাদের ত্বকের সমস্যা বেড়েছে। অর্থাৎ ট্যাটুতে ঝুঁকি আছে। সুতরাং আপনি যদি পুরোপুরি নিরাপদ থাকতে চান তাহলে ট্যাটু না করানোই ভালো। আর যদি ট্যাটু করাতেই হয় তাহলে ভালো কোনো পার্লার এবং ভালো কোনো শিল্পীকে দিয়ে তা করান।

    ৫. কনসিলার প্রয়োগ করতে হয় কীভাবে : কোনো নারীই একদিনে কনসিলার প্রয়োগ করা শিখে যান না। এছাড়া কোন ধরনের কনসিলার ব্যবহার করছেন তাও একটি বিবেচ্য বিষয়। সব নারীই কনসিলার ব্যবহার করেন না। যাদের ত্বকে কোনো মার্ক বা দাগ আছে তাদেরকে অবশ্যই কনসিলার কিনতে হবে। কনসিলার কেনার আগে ক্রস চেক করে নিন সেটি আপনার ত্বকের টোনের সঙ্গে মানানসই কিনা এবং আপনার উদ্দেশ্য পুরণ করতে পারবে কিনা। কনসিলারের নানা ধরন আছে। ফলে কেনার আগে গবেষণা করে নিতে হবে।

    ৬. দেহের অবাঞ্ছিত লোম অপসারণে নিরাপদ উপায় কোনটি : দেহের লোম অপসারণের আছে একাধিক উপায়। আপনি কোন উপায়টি ব্যবহার করবেন তা নির্ভর করছে আপনার ত্বকের ধরন এবং লোম গজানোর তীব্রতার ওপর। চোখের ভ্রুর জন্য থ্রেডিং এবং টোয়েকিং ভালো কাজ করে। হাত বা পায়ের জন্য ওয়াক্সিং সবচেয়ে ভালো পদ্ধতি। আর আপনি যদি লেজার হেয়াল রিমুভাল পদ্ধতি ব্যবহার করতে চান তাহলে অভিজ্ঞ কোনো কসমেটিক সার্জনের সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    ৭. চুলে কয়দিন পরপর শ্যাম্পু করবো : শ্যাম্পু তখনই করা উচিত যখন চুল ও মাথার ত্বকে ময়লা জমে। তবে একটা নির্দিষ্ট সময় পরপর শ্যাম্পু করালে চুল ভালো থাকে। আর চুলের যত্নে শ্যাম্পু করার পাশাপাশি তেল, কন্ডিশানার, ভলুমাইজার এবং অন্যান্য জিনিসও ব্যবহার করতে হবে। অনেকে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করার কথা শুনে আঁতকে ওঠেন। কিন্তু আপনার চুলে যদি প্রতিদিনই কদাকার হয়ে ওঠে তাহলে প্রতিদিনই শ্যাম্পু করাতে হবে। এতে কোনো ক্ষতি হবে না।

    ৮. চোখের নিচের ফোলাভাব দূর করব কীভাবে : শসা ও আলুর ফালি এবং আইস বা ঘুমের রুটিন বদলে আপনি আইব্যাগ বা চোখের ফোলাভাব থেকে মুক্ত হতে পারেন। তবে কর্কশ কিছু ব্যবহার করবেন না। কারণ তা আপনার চোখের দৃষ্টির ক্ষতি করতে পারে। আর তাতেও যদি আইব্যাগ দূর না হয় তাহলে একজন ত্বক বিশেষজ্ঞর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

    ৯. স্মোকি আই মেকআপ করা সম্ভব কীভাবে : স্মোকি আই মেকআপ করার পদ্ধতি বিষয়ে ইন্টারনেটে প্রচুর সংখ্যক লেখা রয়েছে। যে কোনো একটি পদ্ধতি বাছাই করে সে মতো কাজ করুন। তবে কখনোই দুটো পদ্ধতি সমন্বয় করতে যাবেন না তাহলে কিন্তু বিপদ আছে। এতে চোখের ক্ষতি হতে পারে। আর যেসব কসমেটিকস কেবল চক্ষুবিজ্ঞান এর পদ্ধতি পরিক্ষীত কেবল সেসবই ব্যবহার করুন।

    ১০. বলিরেখামুক্ত ত্বক পাওয়া যাবে কীভাবে : প্রথম থেকেই ত্বকের যত্ন শুরু করুন। ৩০ বছর হওয়ার সঙ্গে সঙ্গেই ত্বকের বাড়তি যত্ন নিতে হবে। কিন্তু আপনি যদি বলিরেখা পড়ার জন্য অপেক্ষা করেন এবং এরপর তা থেকে মুক্ত হতে চান তাহলে ভুল করবেন। বলিরেখার প্রথম লক্ষণ হলো কপালে ভাজপড়া। ওয়েবে ত্বকের বলিরেখা দূর করার ঘরোয়া দাওয়াই সম্পর্কিত নানা লেখা আছে। সেসব পড়ে পড়ে ত্বকের যত্ন করুন ধৈর্য্য ধরে। সূত্র : সোনলী নিউজ