Author: News Live

  • নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানালেন খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক চিকিৎসক জানালেন খালেদা জিয়ার বর্তমান অবস্থা

    : রাজধানীর এভার কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন বিএনপি চেয়ারপারসন খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থা অপরিবর্তিত। তবে তাকে দেওয়া চিকিৎসা তিনি গ্রহণ করতে পারছেন বলে জানা গেছে।

    চিকিৎসকদের সূত্রে জানা গেছে, গত কয়েক দিন ধরে খালেদা জিয়ার স্বাস্থ্যের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, এসময়ে মধ্যে তাকে দেওয়া মেডিসিন তার শরীর গ্রহণ করতে পারবেন। যেটাকে পরোক্ষভাবে উন্নতিও বলা যায়। চিকিৎসকদের আশা, নতুন করে সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর শারীরিক অবস্থার অবনতি না হলে তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন।

    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন

    নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বিএনপির একজন চিকিৎসক বলেন, “গত কয়েক দিন ম্যাডামের স্বাস্থ্যের অবস্থা অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে, তিন মেডিসিন গ্রহণ করতে পারছেন। এটাকে পরোক্ষভাবে উন্নতিও বলা যেতে পারে। চিকিৎসকরা আশাবাদী।”

    আরও দেখুন
    চিকিৎসক
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    স্বাস্থ্য
    স্বাস্থ্যের
    চিকিৎসার
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসা
    চিকিৎসকদের
    শিক্ষা উপকরণ
    মোবাইল ফোন

    বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, “ভালো-মন্দ মিলিয়ে ম্যাডাম আগের মতই আছেন।”

    বিএনপির স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. রফিকুল ইসলাম বলেন, মেডিক্যাল বোর্ডের তত্ত্বাবধানে ম্যাডামের চিকিৎসা চলছে। আগে আমাদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের সহধর্মিণী ডা. জোবায়দা রহমান লন্ডন থেকে ম্যাডামের চিকিৎসার সার্বক্ষণিক খোঁজ-খবর নিতেন। এখন তিনি দেশে এসে হাসপাতালে গিয়ে মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকদের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে সশরীরে নিবিড়ভাবে কাছ থেকে ম্যাডামের চিকিৎসা দেখভাল করছেন।

     

     

    তিনি আরও বলেন, অতীতের দুঃসময়ে অনেক বাধা সত্ত্বেও মেডিক্যাল বোর্ডের চিকিৎসকরা ম্যাডামের চিকিৎসা করেছিলেন, তারাই এখনও দিনরাত পরিশ্রম করে ওনার চিকিৎসা দিয়ে যাচ্ছেন। কোনো গুজবে কান না দিয়ে ম্যাডামের শারীরিক অবস্থার উন্নতির জন্য দেশবাসীর কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

    আরও দেখুন
    স্বাস্থ্য
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    স্বাস্থ্যের
    চিকিৎসক
    চিকিৎসকদের
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসা
    চিকিৎসার
    এক্সক্লুসিভ প্রতিবেদন
    বিনোদন খবর

    এদিকে সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে উন্নত চিকিৎসার জন্য লন্ডন নেওয়ার বিষয়টি এখন চূড়ান্ত হয়নি বলেও জানা গেছে। এর আগে বিএনপির পক্ষ থেকে প্রথমে ৫ ডিসেম্বর পরে ৭ ডিসেম্বর তাকে লন্ডন নেওয়ার কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু গতকাল শনিবার (৬ ডিসেম্বর) বিএনপির পক্ষ থেকে জানানো হয়- খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার জন্য এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত আছে। তবে, তার বিদেশে চিকিৎসার বিষয়টি নির্ভর করছে তার শারীরিক অবস্থার অর্থাৎ দীর্ঘ যাত্রার ধকল নিতে শারীরিকভাবে উপযোগী কি না, সেটার ওপর।

    গতকাল খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ও দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন সাংবাদিকদের জানান, ‘বিদেশে যাওয়ার ব্যাপারে আমাদের সর্বোচ্চ প্রস্তুতি রয়েছে। যখনই উনাকে বিদেশ নেওয়ার জন্য মেডিক্যাল বোর্ড যথোপযুক্তভাবে তৈরি মনে করবে, শারীরিকভাবে মনে হবে যে উনাকে সেফলি ট্রান্সফার করা যাবে—তখনই ফ্লাই করবেন।’

    আরও দেখুন
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসার
    স্বাস্থ্যের
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    স্বাস্থ্য
    চিকিৎসা
    চিকিৎসক
    চিকিৎসকদের
    সংবাদ অনুসরণ
    রাজনৈতিক বিশ্লেষণ

    জাহিদ হোসেন আরও বলেন, ‘ওই সময়ে (শুক্রবার) এয়ার অ্যাম্বুলেন্স কারিগরি সমস্যার কারণে আসতে পারেনি, এটাও যেমন সত্য; আবার ওই সময়ে জরুরিভাবে মেডিক্যাল বোর্ড সিদ্ধান্ত নিয়েছিল যে ওই মুহূর্তে তার বিমানযাত্রা সঠিক হবে না। সে জন্য তাকে বিদেশ নেওয়ার বিষয়টি কিছুটা বিলম্বিত হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও হয়তো শারীরিক অবস্থাই বলে দেবে তাকে কখন বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যাওয়া যাবে।’

    রোবার (৭ ডিসেম্বর) বেলা ১২টার দিকে খালেদা জিয়ার একান্ত সচিব এবি এম আব্দুস সাত্তার বলেন, উন্নত চিকিৎসার জন্য খালেদা জিয়াকে লন্ডনে নেওয়ার বিষয়ে এখন ফাইনাল কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।

    আরও দেখুন
    চিকিৎসায়
    চিকিৎসক
    চিকিৎসকদের
    চিকিৎসা
    স্বাস্থ্য
    স্বাস্থ্যের
    ভিটামিন ও সাপ্লিমেন্ট কিনুন
    চিকিৎসার
    মোবাইল ফোন পরিষেবা
    জাতীয় সংবাদ

    গত ২৩ নভেম্বর থেকে ঢাকার এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন খালেদা জিয়া। ২৭ নভেম্বর তার অবস্থা সংকটাপন্ন হলে ক্রিটিক্যাল কেয়ার ইউনিটে নিয়ে নিবিড় চিকিৎসা দিচ্ছে মেডিক্যাল বোর্ড। খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ার পর দেশের চিকিৎসক টিমের সাথে যুক্ত হন বিশ্বের বিভিন্ন দেশের চিকিৎসকরা।

    ৭৯ বছর বয়সী সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়া দীর্ঘদিন ধরে লিভার সিরোসিস, হৃদরোগ, ফুসফুস, কিডনি, ডায়াবেটিস ও আর্থ্রাইটিসের মতো নানা জটিলতায় ভুগছেন।

  • যেসব কারণে শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে,না জানলেই বিপদ

    যেসব কারণে শীতে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে,না জানলেই বিপদ

    শীতকাল মানেই লেপ-কম্বলের উষ্ণতা। তবে এ পরিবেশের আড়ালে লুকিয়ে রয়েছে এক নীরব ঘাতক— ব্রেন স্ট্রোক। স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞদের মতে, শীতকালে স্ট্রোকের (Brain Stroke) প্রকোপ উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়ে যায়। বয়স্ক এবং উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের ক্ষেত্রে এই ঝুঁকি আরও প্রবল। প্রশ্ন হল, ঠান্ডা আবহাওয়া কেন স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়?

    শীতে স্ট্রোক বাড়ার প্রধান কারণসমূহ

    বিজ্ঞান ও চিকিৎসাবিদ্যার দৃষ্টিকোণ থেকে শীতকালে শরীরের ওপর অতিরিক্ত চাপ পড়ার পেছনে বেশ কিছু জোরালো কারণ রয়েছে:

    রক্তনালীর সংকোচন (Vasoconstriction): শীতের ঠান্ডার সঙ্গে মানিয়ে নিতে শরীর তার তাপমাত্রা ধরে রাখার চেষ্টা করে। এর ফলে রক্তনালীগুলো সংকুচিত হয়ে যায়। রক্তনালী সরু হয়ে যাওয়ার কারণে রক্তের প্রবাহ বাধাগ্রস্ত হয় এবং রক্তচাপ (Blood Pressure) দ্রুত বেড়ে যায়। এ অতিরিক্ত রক্তচাপের চাপে মস্তিষ্কের সরু ধমনী ফেটে যেতে পারে অথবা রক্ত জমাট বাঁধতে পারে।

    রক্তের ঘনত্ব বৃদ্ধি: ঠান্ডা আবহাওয়ায় মানুষের রক্ত কিছুটা ঘন বা চটচটে হয়ে যাওয়ার প্রবণতা দেখায়। চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় একে বলা হয় রক্তের ‘সান্দ্রতা’ বৃদ্ধি। রক্ত ঘন হয়ে গেলে ধমনীর ভেতরে ক্লট বা চাকা হওয়ার সম্ভাবনা বেড়ে যায়, যা মস্তিষ্কে রক্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করে স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

    শারীরিক পরিশ্রমের অভাব: শীতকালে অলসতা বা ঠান্ডার কারণে মানুষের শারীরিক পরিশ্রম এবং ব্যায়ামের মাত্রা কমে যায়। এর ফলে শরীরের বিপাকীয় হার কমে এবং রক্তে কোলেস্টেরল ও শর্করার মাত্রা বেড়ে যেতে পারে, যা পরোক্ষভাবে স্ট্রোকের জন্য দায়ী।

    ডিহাইড্রেশন বা পানিশূন্যতা: শীতকালে তৃষ্ণা কম পাওয়ার কারণে অনেকেই পর্যাপ্ত পানি পান করেন না। শরীরে জলের অভাব ঘটলে রক্ত আরও ঘন হয়ে যায় এবং রক্তচাপের ভারসাম্য বিঘ্নিত হয়।

    লবণের ব্যবহার বৃদ্ধি: শীতকালীন বিভিন্ন মুখরোচক খাবারে লবণের ব্যবহার বেশি হয়। অতিরিক্ত সোডিয়াম শরীরে পানি ধরে রাখে এবং রক্তচাপ বাড়িয়ে দেয়, যা স্ট্রোকের ঝুঁকি কয়েক গুণ বাড়িয়ে দেয়।

    স্ট্রোকের আগাম লক্ষণ (FAST পদ্ধতি): স্ট্রোকের ঝুঁকি কমাতে এর লক্ষণগুলো দ্রুত চেনা জরুরি। চিকিৎসকরা একে FAST পদ্ধতির মাধ্যমে মনে রাখার পরামর্শ দেন:

    F (Face): মুখ একদিকে বেঁকে যাওয়া বা হাসতে গেলে অসামঞ্জস্য দেখা দেওয়া।

    A (Arms): হাত অবশ হয়ে আসা বা হাত উপরে তুলতে সমস্যা হওয়া।

    S (Speech): কথা জড়িয়ে যাওয়া বা স্পষ্ট করে কথা বলতে না পারা।

    T (Time): এই লক্ষণগুলো দেখা মাত্র সময় নষ্ট না করে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া।

    স্ট্রোক থেকে রক্ষা পাওয়ার উপায়

    পর্যাপ্ত উষ্ণতা: শরীরকে সবসময় গরম রাখার চেষ্টা করুন, বিশেষ করে মাথা এবং কান ঢেকে রাখুন।

    রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ: নিয়মিত রক্তচাপ মাপুন এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন।

    হালকা ব্যায়াম: ঘরের ভেতরেই নিয়মিত হালকা যোগব্যায়াম বা হাঁটাহাঁটি বজায় রাখুন।

    সঠিক খাদ্যাভ্যাস: অতিরিক্ত লবণ ও চর্বিযুক্ত খাবার এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

    মনে রাখুন

    শীতকাল মানেই কেবল উৎসব নয়, এটি শরীরের প্রতি বাড়তি যত্ন নেওয়ার সময়। সামান্য অসাবধানতা জীবনঘাতী হতে পারে। বিশেষ করে যারা আগে থেকেই উচ্চ রক্তচাপ বা হৃদরোগে ভুগছেন, তাদের জন্য শীতের প্রতিটি দিন সতর্ক থাকা জরুরি।

  • বী’র্য’পাত বন্ধ রেখে রাতভর কিভাবে স’হবাস করবেন জানালো স্বস্তিকা মুখার্জি

    বী’র্য’পাত বন্ধ রেখে রাতভর কিভাবে স’হবাস করবেন জানালো স্বস্তিকা মুখার্জি

    স্বামী স্ত্রী পবিত্র মিলনের মাধ্যমে সুখ লাভ করে। স্বামী স্ত্রীর মিলনকে স্বর্গের সুখের সাথে তুলনা করা হয়েছে। বৈজ্ঞানিকভাবে ও প্রামণিত যে অধিক সময় যাবত্‍ যৌন মিলন অত্যন্ত সুখের। তবে এই আনন্দ তখনই মাটি হয়ে যায় যখন দ্রুত বীর্যপাতন হয়ে যায়। অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার জন্য আপনার ডক্টর তিনটি পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দিবে।

    মিলনে পুরুষের অধিক সময় নেওয়া পুরুষত্বের মুল যোগ্যতা হিসাবে গন্য হয়। যেকোন পুরুষ বয়সের সাথে সাথে সহবাসের নানাবিধ উপায় শিখে থাকে।

    এখানে বলে রাখতে চাই ২৫ বছরের কম বয়সী পুরুষ সাধারনত অধিক সময় নিয়ে সহবাস করতে পারেনা। তবে তারা খুব অল্প সময় ব্যবধানে পুনরায় উত্তেজিত/উত্তপ্ত হতে পারে। ২৫-এর পর বয়স যত বাড়বে সহবাসে পুরুষ তত অধিক সময় নেয়। কিন্তু বয়স বৃদ্ধির সাথে সাথে পুনরায় জাগ্রত (ইরিকশান) হওয়ার ব্যবধানও বাড়তে থাকে।

    তাছাড়া এক নারী কিংবা এক পুরুষের সাথে বার বার সহবাস করলে যৌন মিলনে অধিক সময় দেয়া যায় এবং সহবাসে বেশি তৃপ্তি পাওয়া যায়। কারন স্বরূপ: নিয়মিত সহবাসে একে অপরের শরীর এবং ভাল লাগা কিংবা মন্দ লাগা, পছন্দসই আসনভঙ্গি, সুখ দেয়া নেয়ার পদ্ধতি ইত্যাদি সম্পর্কে ভালভাবে অবহিত থাকে।

    পদ্ধতি ১: চেপে/টিপে (স্কুইজ) ধরা: অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এই পদ্ধতিটি আবিষ্কার করেছেন মাষ্টার এবং জনসন নামের দুই ব্যাক্তি। চেপে ধরা পদ্ধতি আসলে নাম থেকেই অনুমান করা যায় কিভাবে করতে হয়? যখন কোন পুরুষ মনে করেন তার বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন সে অথবা তার সঙ্গী লিঙ্গের ঠিক গোড়ার দিকে অন্ডকোষের কাছাকাছি লিঙ্গের নিচের দিকে যে রাস্তা দিয়ে মুত্র/বীর্য বহিঃর্গামী হয় সে শিরা/মুত্রনালী কয়েক সেকেন্ডর জন্য চেপে ধরবেন। (লিঙ্গের পাশ থেকে দুই আঙ্গুল দিয়ে ক্লিপের মত আটকে ধরতে হবে।)। চাপ ছেড়ে দেবার পর ৩০ থেকে ৪৫ সেকেন্ডের মত সময় বিরতী নিন। এই সময় লিঙ্গ সঞ্চালন বা কোন প্রকার যৌন কর্যক্রম করা থেকে বিরত থাকুন।এ পদ্ধতির ফলে হয়তো পুরুষ কিছুক্ষনের জন্য লিঙ্গের দৃঢ়তা হারাবেন। কিন্তু ৪৫ সেকেন্ড পুর পুনরায় কার্যক্রম চালু করলে লিঙ্গ আবার আগের দৃঢ়তা ফিরে পাবে।স্কুইজ পদ্ধতি এক মিলনে আপনি যতবার খুশি ততবার করতে পারেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামীর প্রমাণ ছাড়া আর কিছু নয়।

    পদ্ধতি ২: সংকোচন (টেনসিং): অধিক সময় ধরে যৌন মিলন করার এ পদ্ধতি সম্পর্কে বলার আগে আমি আপনাদের কিছু বেসিক ধারনা দেই। আমরা প্রস্রাব করার সময় প্রসাব পুরোপুরি নিঃস্বরনের জন্য অন্ডকোষের নিচ থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চলে যে এক প্রকার খিচুনী দিয়ে পুনরায় তলপেট দিয়ে চাপ দেই এখানে বর্নিত সংকোচন বা টেনসিং পদ্ধতিটি অনেকটা সে রকম। তবে পার্থক্য হল এখনে আমরা খিচুনী প্রয়োগ করবো – চাপ নয়।এবার মুল বর্ননা – মিলনকালে যখন অনুমান করবেন বীর্য প্রায় স্থলনের পথে, তখন আপনার সকল যৌন কর্যক্রম বন্ধ রেখে অন্ডকোষের তলা থেকে পায়ুপথ পর্যন্ত অঞ্চল কয়েক সেকেন্ডের জন্য প্রচন্ড শক্তিতে খিচে ধরুন। এবার ছেড়ে দিন। পুনরায় কয়েক সেকেন্ডের জন্য খিচুনী দিন। এভাবে ২/১ বার করার পর যখন দেখবেন বীর্য স্থলনেরে চাপ/অনুভব চলে গেছে তখন পুনরায় আপনার যৌন কর্ম শুরু করুন।সংকোচন পদ্ধতি আপনার যৌন মিলনকে দীর্ঘায়িত করবে। আবারো বলি, সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করা বোকামী হবে।

    পদ্ধতি ৩: বিরাম (টিজিং / পজ এন্ড প্লে): এ পদ্ধতিটি বহুল ব্যবহৃত্‍। সাধারনত সব যুগল এ পদ্ধতির সহায়তা নিয়ে থাকেন। এ পদ্ধতিতে মিলনকালে বীর্য স্থলনের অবস্থানে পৌছালে লিঙ্গকে বাহির করে ফেলুন অথবা ভিতরে থাকলেও কার্যকলাপে বিরাম দিন। এই সময় আপনি আপনাকে অন্যমনস্ক করে রাখতে পারেন। অর্থ্যত্‍ সুখ অনুভুতি থেকে মনকে ঘুরিয়ে নিন।যখন অনুভব করবেন বীর্যের চাপ কমে গেছে তখন পুনরায় শুরু করতে পারেন।বিরাম পদ্ধতির সফলতা সম্পুর্ন নির্ভর করে আপনার অভ্যাসের উপর। প্রথমদিকে এ পদ্ধতির সফলতা না পাওয়া গেলেও যারা যৌন কার্যে নিয়মিত তারা এই পদ্ধতির গুনাগুন জানেন। মনে রাখবেন সব পদ্ধতির কার্যকারীতা অভ্যাস বা প্রাকটিস এর উপর নির্ভর করে। তাই প্রথমবারেই ফল পাওয়ার চিন্তা করবেন না।

    পরিশিষ্ট: উপরের সবকয়টি পদ্ধতি আপনার সঙ্গীর তৃপ্তির উদ্দেশ্যে। অনেকের ধারনা নারী এ ট্রিকস্ গুলো অনুমান বা জানতে পারলে পুরুষত্ব নিয়ে প্রশ্ন তুলবে। ধারনাটি সম্পুর্ন ভুল। আপনি আপনার স্ত্রীকে পদ্ধতিগুলো বুঝিয়ে বলুন। দেখবেন সেই আপনাকে সাহায্য করছে। কারন সে জানে আপনি বেশি সময় নেয়া মানে সে লাভবান হওয়া। স্ত্রীরও উচিত স্বামীর প্রতি যত্নশীল হওয়া।

  • কোন ভিটামিন আপনার শক্তি বাড়াবে, বউ মাফ চাইবে আপনার কাছে

    কোন ভিটামিন আপনার শক্তি বাড়াবে, বউ মাফ চাইবে আপনার কাছে

    টেস্টোস্টেরনকে বলা হয় যৌন হরমোন। এটি উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য, ভিটামিন এ ডিম, দুধ, মাংস, কমলা বা হলুদ ফল এবং শাকসবজি। ভিটামিন এ পুরুষ এবং মহিলা উভয় যৌন হরমোন উৎপাদনের জন্য অপরিহার্য।
    এমনকি মহিলাদের মধ্যে স্বাভাবিক প্রজনন চক্রের জন্য, এটি পর্যাপ্ত পরিমাণে থাকা অপরিহার্য। পুরুষদের জন্য, ভিটামিন এ শুক্রাণু উৎপাদন এবং পুরুষত্বের জন্য অত্যাবশ্যক৷

    যদিও ভিটামিন সি সাধারণ সর্দি নিরাময়ের জন্য বেশি জনপ্রিয়, এটি আপনার যৌন জীবনকেও বাড়িয়ে তুলতে পারে। সাইট্রাস ফল এবং শাকসবজি ভিটামিন সি এর একটি ভাল উৎস৷

    স্ট্যামিনা এবং শক্তির জন্য গুরুত্বপূর্ণ, ভিটামিন ই ভাল রক্ত সঞ্চালনের জন্যও ভাল। আপনি এটি তৈলাক্ত মাছ, ডিম এবং দুগ্ধজাত পণ্যগুলিতে পেতে পারেন। এটিকে ‘সেক্স ভিটামিন’ও বলা হয় কারণ এটি আপনার যৌনাঙ্গে রক্ত প্রবাহ এবং অক্সিজেনের যোগান বাড়ায়৷

    বাদামি চাল, সামুদ্রিক খাবার, সবুজ শাক, মাংস এবং গোটা শস্যের রুটিতে বি ভিটামিন পাওয়া যায়। ভিটামিন বি 12-এর ঘাটতি ক্লাইম্যাক্সের সময়ে আনন্দের অভাবের জন্য অবদান রাখতে পারে৷

    ভিটামিন বি৩, যা নিয়াসিন নামেও পরিচিত, শরীরের অনেক কার্যকারিতা সহজ করে। এটি এনজাইমকে শক্তিতে রূপান্তর করতে সাহায্য করে, যা শক্তিশালী যৌন কার্যকলাপে জড়িত থাকার জন্য গুরুত্বপূর্ণ। এছাড়াও, ভিটামিন বি৩ রক্তপ্রবাহ দ্রুত করতে সাহায্য করে, যা দীর্ঘস্থায়ী ও শক্তিশালী তৃপ্তি দেয়।

    ভিটামিন ডি, যা সানশাইন ভিটামিন নামেও পরিচিত, সুস্থ হাড়, পেশি এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বজায় রাখার জন্য অপরিহার্য। এছাড়াও, এটি পুরুষদের যৌন কার্যক্ষমতায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। ইন্টারন্যাশনাল জার্নাল অফ ইম্পোটেন্স রিসার্চ-এর একটি গবেষণা অনুসারে, ভিটামিন ডি-এর কম মাত্রা পুরুষদের যৌন কার্যক্ষমতা হ্রাসের সাথে সম্পর্কিত এবং কর্মহীনতার তীব্রতা ঘাটতির মাত্রার সাথে সম্পর্কিত। এটি অক্সিডেটিভ স্ট্রেস থেকে এন্ডোথেলিয়াল কোষ তৈরি করার ভিটামিনের ক্ষমতার পাশাপাশি নাইট্রিক অক্সাইড তৈরিতে ভূমিকার কারণে হতে পারে।

    যারা মানসিক স্বাস্থ্য ব্যাধি, যেমন বিষণ্ণতা এবং উচ্চ মাত্রার চাপে ভুগছেন তাদের মধ্যে যৌন কর্মহীনতার হার বেশি। ভিটামিন ডি সামগ্রিক মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য এবং বিষণ্ণতার ঝুঁকি কমাতেও গুরুত্বপূর্ণ বলে প্রমাণিত হয়েছে, যা যৌন কার্যকলাপে আগ্রহের অভাবের কারণে যৌন ইচ্ছা হ্রাস করতে পারে।

    ভিটামিন ই একটি অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট যা সুস্থ ত্বক এবং হরমোনের ভারসাম্যের চাবিকাঠি। তবে, আপনি হয়তো জানেন না যে টেস্টোস্টেরন উৎপাদনে ভূমিকা রাখার এবং শুক্রাণুর কার্যকারিতা উন্নত করার ক্ষমতার কারণে এটিকে “সেক্স ভিটামিন”ও বলা হয়। ভিটামিন ই রক্ত প্রবাহ এবং অক্সিজেন বৃদ্ধি করে। এর অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট অ্যান্টি-এজিং বৈশিষ্ট্যের কারণে, ভিটামিন ই বার্ধক্য প্রক্রিয়া ধীরগতির করে পুরুষদের জীবনীশক্তি এবং প্রাণশক্তিও উন্নত করে।

    জিঙ্ক একটি অপরিহার্য খনিজ যা শরীরের অনেক প্রক্রিয়ার জন্য প্রয়োজনীয়, যেমন হজম, বিপাকীয় কার্যকারিতা, কোষের বৃদ্ধি এবং টেস্টোস্টেরন উৎপাদন। প্রকৃতপক্ষে, একটি বৈজ্ঞানিক গবেষণায় দেখা গেছে যে ঘাটতিযুক্ত পুরুষদের মধ্যে জিঙ্ক সাপ্লিমেন্টেশন টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বৃদ্ধি করে। অতএব, আপনি যদি প্রাকৃতিকভাবে টেস্টোস্টেরনের মাত্রা বাড়ানোর উপায় খুঁজছেন, তাহলে আপনার খাদ্যতালিকায় জিংক সাপ্লিমেন্ট করার চেষ্টা করুন।